𝔓𝔯𝔢𝔰𝔰 𝔟𝔞𝔭𝔭𝔶

𝔓𝔯𝔢𝔰𝔰 𝔟𝔞𝔭𝔭𝔶

Share

আমার পেজে আপনাদেরকে স্বাগতম। যে কোন ব?

20/08/2024

একি বিপদ ডেকে আনলাম আমরা!
উনার প্রাপ্ত অ্যাওয়ার্ডগুলো মুখস্থ করতেই তো জীবন ত্যানাত্যানা হয়ে যাবে মনে হচ্ছে। চাকরি পাওযা তো আরও কঠিন হয়ে গেলো দেখছি। 😂🤣😄😁

চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য জেনে রাখা ভালো!!
ডঃ মুহাম্মদ #ইউনূস এর জীবনবৃত্তান্ত:

জন্মঃ ২৮ জুন, ১৯৪০

অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক। অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

#পরিবার-Family

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাজী দুলা মিয়া সওদাগর, এবং মাতার নাম সুফিয়া খাতুন। মুহাম্মদ ইউনূসের সহধর্মিনী ডঃ আফরোজী ইউনুস। ব্যক্তিগত জীবনে মুহাম্মদ ইউনূস দুই কন্যার পিতা। মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই মুহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব।

#শিক্ষা জীবন

তাঁর প্রথম বিদ্যালয় মহাজন ফকিরের স্কুল। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় মুহাম্মদ ইউনূস মেধা তালিকায় ১৬তম স্থান অধিকার করেন এবং চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। কলেজে তিনি নাটকে অভিনয় করে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা এবং আজাদী পত্রিকায় কলাম লেখার কাজে যুক্ত ছিলেন। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি বয়েজ স্কাউটসে যোগ দেন এবং বয়েজ স্কাউটসের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।

#কর্ম জীবন

১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ যোগ দেন গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি লাভ করেন। ইউনূস বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের পক্ষে বিদেশে জনমত গড়ে তোলা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা প্রদানের জন্য সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এ পদে কর্মরত ছিলেন।
ইউনুস দারিদ্র্যতার বিরুদ্ধে তার সংগ্রাম শুরু করেন ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত দুর্ভিক্ষের সময়। তিনি বুঝতে পারেন স্বল্প পরিমাণে ঋণ দরিদ্র মানুষের জীবন মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে। সেই সময়ে তিনি গবেষণার লক্ষ্যে গ্রামীণ অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু করেন। ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনুস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন যা সরকার প্যাকেজ প্রোগ্রামের আওতায় অধিগ্রহণ করে।

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য। তখন থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ৫.৩ মিলিয়ন ঋণগ্রহীতার মধ্যে ৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান করে। ঋণের টাকা ফেরত নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক “সংহতি দল” পদ্ধতি ব্যবহার করে। একটি অনানুষ্ঠানিক ছোট দল একত্রে ঋণের জন্য আবেদন করে এবং এর সদস্যবৃন্দ একে অন্যের জামিনদার হিসেবে থাকে এবং একে অন্যের উন্নয়নে সাহায্য করে। ব্যাংকের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে গরিবকে রক্ষা করার জন্য ব্যাংক অন্যান্য পদ্ধতিও প্রয়োগ করে। ক্ষুদ্রঋণের সাথে যোগ হয় গৃহঋণ, মৎস খামাড় এবং সেচ ঋণ প্রকল্প সহ অন্যান্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা। গরিবের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্য উন্নত বিশ্ব এমন কি যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশসমূহকে গ্রামীণের এই মডেল ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ হয়।

প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ

Banker to the Poor:Micro-lending and The battle against World Proverty. (১৯৯৮)
Three Farmers of Jobra; Department of Economics, Chittagong University; (১৯৭৪)

#সম্মাননা

ডঃ ইউনুস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪৮টি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শান্তিতে নোবেলজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডাল গ্রহণ করেছেন। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেয়া হলো ইউনূসকে, যিনি এই পদক পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ও মুসলিম।
বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পদশালী দুই শতাধিক ব্যক্তির সম্মেলনে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। ২০১৩, ৫ মে বুধবার জাতিসংঘ ভবনে এ সম্মাননা জানানো হয়। জাতিসংঘে বিশ্বের সম্পদশালী ব্যক্তিদের এ সমাবেশের আয়োজন করে বিশ্ববিখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিন। একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে ইউনূসকে এ ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়।

অ্যাওয়ার্ড

প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড। (১৯৭৮)
রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার। (১৯৮৪)
কেন্দ্রীয় ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৫)
স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭)
আগা খান অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৯)
কেয়ার পুরস্কার। (১৯৯৩)
নোবেল পুরস্কার (শান্তি)। (২০০৬)
মানবহিতৈষণা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র। (১৯৯৩)
মুহাম্মদ সাহেবুদ্দিন বিজ্ঞান (সামাজিক অর্থনীতি) পুরস্কার,শ্রীলঙ্কা (১৯৯৩)
রিয়াল এডমিরাল এম এ খান স্মৃতি পদক,বাংলাদেশ (১৯৯৩)
বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার,যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
পিফার শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
ডঃ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণ পদক, বাংলাদেশ (১৯৯৪)
ম্যাক্স সছমিধেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম পুরস্কার,সুইজারল্যান্ড (১৯৯৫)
ঢাকা মেট্রোপলিটন রোটারারি ক্লাব ফাউন্ডেশন পুরস্কার, বাংলাদেশ (১৯৯৫)
আন্তর্জাতিক সাইমন বলিভার পুরস্কার (১৯৯৬)
ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিশিষ্ট আলামনাই পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৬)
আন্তর্জাতিক একটিভিটিস্ট পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
প্লানেটরি কনশিয়াশনেস বিজনেস ইনোভেশন পুরস্কার, জার্মানি (১৯৯৭)
হেল্প ফর সেলফ হেল্প পুরস্কার,নরওয়ে (১৯৯৭)
শান্তি মানব পুরস্কার (ম্যান ফর পিস এওয়ার্ড), ইতালি (১৯৯৭)
বিশ্ব ফোরাম পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
ওয়ান ওয়ার্ল্ড ব্রডকাস্টিং ট্রাস্ট মিডিয়া পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (১৯৯৮)বিশ্ব
দ্যা প্রিন্স অফ আউস্তুরিয়া এ্যাওয়ার্ড ফর কনকর্ড, স্পেন (১৯৯৮)
সিডনি শান্তি পুরস্কার, অস্ট্রেলিয়া (১৯৯৮)
অযাকি (গাকুডো) পুরস্কার, জাপান (১৯৯৮)
ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
জাস্টটি অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার,ফ্রান্স (১৯৯৮) ( Les Justes D’or )
রোটারারি এ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৯)
গোল্ডেন পেগাসাস এ্যাওয়ার্ড, ইটালি (১৯৯৯)
রোমা এ্যাওয়ার্ড ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান, ইটালি (১৯৯৯)
রাথিন্দ্রা পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
অমেগা এ্যাওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্সি ফরব লাইফ টাইম এচিভমেন্ট, সুইজারল্যান্ড (২০০০)
এ্যাওয়ার্ড অফ দ্যা মেডেল অফ দ্যা প্রেসিডেন্সি,ইটালি (২০০০)
কিং হুসেইন হিউম্যানিটারিয়ান লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড, জর্ডান (২০০০)
আই ডি ই বি গোল্ড মেডেল এ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ (২০০০)
আরতুসি পুরস্কার, ইটালি (২০০১)
গ্র্যান্ড প্রাইজ অফ দ্যা ফুকুওকা এশিয়ান কালচার পুরস্কার, জাপান (২০০১)
হো চি মীণ পুরস্কার, ভিয়েতনাম (২০০১)
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুরস্কার ‘কাজা ডি গ্রানাডা’, স্পেন (২০০১)
নাভারা ইন্টারন্যাশনাল এইড এ্যাওয়ার্ড, স্পেন (২০০১)
মহাত্মা গান্ধী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০২)
বিশ্ব টেকনোলজি নেটওয়ার্ক পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (২০০৩)
ভলভো পরিবেশ পুরস্কার, সুইডেন (২০০৩)
জাতীয় মেধা পুরস্কার, কলম্বিয়া (২০০৩)
দ্যা মেডেল অফ দ্যা পেইন্টার অসওয়াল্ড গুয়ায়াসামিন পুরস্কার, ফ্রান্স (২০০৩)
তেলিছিনকো পুরস্কার, স্পেন (২০০৪)
সিটি অফ অরভিতো পুরস্কার, ইটালি (২০০৪)
দ্যা ইকোনমিস্ট ইনোভেশন পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
লিডারশীপ ইন সোশ্যাল অন্টাপ্রিনেয়ার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
প্রিমিও গ্যালিলীয় ২০০০ স্পেশাল প্রাইজ ফর পিস ২০০৪, ইটালি (২০০৪)
নিক্কেই এশিয়া পুরস্কার, জাপান (২০০৪)
গোল্ডেন ক্রস অফ দ্যা সিভিল অর্ডার অফ দ্যা সোশ্যাল সলিডারিটি,স্পেন (২০০৫)
ফ্রিডম এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৫)
বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি গোল্ড মেডেল, বাংলাদেশ (২০০৫)
প্রাইজ ২ পন্টে, ইটালি (২০০৫)
ফাউন্ডেশন অফ জাস্টিস, স্পেন (২০০৫)
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি নেউসতাদ এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
গ্লোব সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার এ্যাওয়ার্ড,যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট স্বাধীনতা পুরস্কার, নেদারল্যান্ড (২০০৬)
ইতু বিশ্ব তথ্য সংগঠন পুরস্কার, সুইজারল্যান্ড (২০০৬)
সিউল শান্তি পুরস্কার, কোরিয়া (২০০৬)
কনভিভেঞ্চিয়া (উত্তম সহকারিতা) সেউতা পুরস্কার, স্পেন (২০০৬)
দুর্যোগ উপশম পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৬)
সেরা বাঙালী, ইন্ডিয়া (২০০৬)
গ্লোবাল ট্রেইলব্লেজার পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
এ বি আই সি সি এ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশীপ ইন গ্লোবাল ট্রেড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
সামাজিক উদ্যোক্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
বিশ্ব উদ্যোগী নেতৃত্ব পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
রেড ক্রস স্বর্ণ পদক, স্পেন (২০০৭)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম শত বার্ষিকী স্মারক, ইন্ডিয়া (২০০৭)
ই এফ আর বাণিজ্য সপ্তাহ পুরস্কার,নেদারল্যান্ড (২০০৭)
নিকলস চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
ভিশন এ্যাওয়ার্ড, জার্মানি (২০০৭)
বাফি গ্লোবাল এচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
রুবিন মিউজিয়াম মানডালা এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
সাকাল বর্ষ ব্যক্তিত্ব পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৭)
১ম আহপাডা গ্লোবাল পুরস্কার, ফিলিপাইন (২০০৭)
মেডেল অফ ওনার, ব্রাজিল (২০০৭)
জাতিসংঘ সাউথ- সাউথ সহযোগিতা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
প্রোজেক্ট উদ্যোগী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
আন্তর্জাতিক নারী স্বাস্থ্য মিশন পুরস্কার, নিউইয়র্ক (২০০৮)
কিতাকইয়ুশু পরিবেশ পুরস্কার, জাপান (২০০৮)
চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
প্রেসিডেন্স পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
মানব নিরাপত্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
বাৎসরিক উন্নয়ন পুরস্কার, অস্টিয়া (২০০৮)
মানবসেবা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
শিশু বন্ধু পুরস্কার,স্পেন (২০০৮)
এ জি আই আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
করিনি আন্তর্জাতিক গ্রন্থ পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
টু উয়িংস প্রাইজ,জার্মানি (২০০৮)
বিশ্ব মানবতাবাদী পুরস্কার, ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড ,ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
এস্টরিল গ্লোবাল ইস্যু’স ডিসটিনগুইশড বুক প্রাইজ, পর্তুগাল (২০০৯)
এইসেনহওয়ের মেডেল ফর লিডারশীপ অ্যান্ড সার্ভিস, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
গোল্ডেন বিয়াটেক এ্যাওয়ার্ড, স্লোভাকিয়া (২০০৯)
গোল্ড মেডেল অফ ওনার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
পি আই সি এম ই টি এ্যাওয়ার্ড, পোর্টল্যান্ড (২০০৯)
বৈরুত লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড (২০০৯)
সোলারওয়ার্ল্ড আইন্সটাইন এ্যাওয়ার্ড (২০১০)
©সংগৃহীত।

13/07/2024

যুগে যুগে এই দায়িত্বটা তরুণরাই কাধে তুলে নিয়েছে❤️

আরো অনেক কিছু সংস্কার করা লাগবো 😐

এগিয়ে যাও…❤️

#কোটা #কোটাআন্দোলন

Photos from 𝔓𝔯𝔢𝔰𝔰 𝔟𝔞𝔭𝔭𝔶's post 23/04/2024

বন্দরে শর্টগানের গুলিতে আনসার সদস্য আফজালের মৃত্যু

বন্দরে নিজের ব্যবহৃত শর্টগানের গুলিতে মারা গেলেন আফজাল হোসেন(২২) নামের এক আনসার সদস্য।

সোমবার বিকেলে বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনের সামনের গার্ড রুমে এ ঘটনাটি ঘটে । নিহত আনসার সদস্য আফজাল হোসেন চট্টগ্রামের মীর- সরাই এলাকার মৃত ওয়াহিদুর রহমানের ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে শর্টগান ও এক রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এ মুহাইমিন আল জিহান জানান, আনসার সদস্য আফজাল হোসেন রোববার সোনারগাঁ উপজেলা থেকে বন্দর উপজেলায় যোগদান করেন। সোমবার বিকেলে তিনি ডিউটিতে আসেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি তার শর্টগান থেকে মাথায় গুলি ছুড়েন। এরপর মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থা ঘটনাটি তদন্ত করছে। কি কারণে এ ঘটনাটি ঘটেছে তা তদন্তের পর বলা যাবে বলে তিনি জানান।

22/03/2024

যখন কোন কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায়,
বুঝে নিও তার জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হবে।

নোবেল বিজয়ী ডেসমন্ট টু টু একবার বলেছিলেন, 'যখন মিশনারীরা আফ্রিকায় এসেছিল, তখন তাদের বাইবেল ছিল এবং আমাদের জমি ছিল' । তারা বলল, 'আমরা আপনার জন্য দোয়া করতে এসেছি'। আমরা চোখ বন্ধ করেছি, যখন খুললাম তখন আমাদের হাতে বাইবেল ছিল, আর তাদের হাতে আমাদের জমি ছিল ।

একইভাবে যখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট এলো। তখন তাদের ফেসবুক - হোয়াটসঅ্যাপ ছিল, আর আমাদের ছিল স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা।

তারা বলেছিল 'এটা বিনামূল্যে'। আমরা চোখ বন্ধ করেছিলাম এবং যখন খুললাম তখন আমাদের ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ আছে এবং তাদের কাছে আমাদের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত তথ্য আছে।

যখনই কোন কিছু ফ্রী পাওয়া যায় তখনই তার মূল্য আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে দিতে হয়।

"জ্ঞান থেকে শব্দ বোঝা যায়, অভিজ্ঞতা থেকে অর্থ বোঝা যায়"

Collected.

25/02/2024

"-তা তোর সফটওয়্যারের দাম কত করে রাখবি?
- কোন টাকা দিতে হবে না।
-কি! কোন টাকা নিবি না?
- হ্যাঁ। ভাষার জন্য টাকা নেব কেন?"
- ডা. মেহেদী হাসান খান (অভ্র সফটওয়ারের নির্মাতা)
‘একুশ শতকের এক নিঃস্বার্থ ভাষা সৈনিক, যার কারণে আমরা আজ আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় এত সহজে টাইপ করে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারছি।’ 🖤

17/02/2024

বন্দরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ তিন পরিবারের পাশে দাড়ালেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সেলিম ওসমান।
--------------------------------------------------------------------------
সংবাদদাতা: তরিক হোসেন বাপ্পি।

বন্দরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ তিন পরিবারের পাশে দাড়ালেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সেলিম ওসমান। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৫:৩০ মিনিটে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ মাহমুদ নগর কলাবাগানে সেই বাড়ীতে তিনি সশরীরে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকদের সাথে কথা বলেন।

সেই সময় তিনি জানতে চায় যে দুই দিন আগে তার পাঠানো উপহারটি সুষ্ঠুভাবে পেয়েছেন কিনা ও তাদের কাছ থেকে পুনরায় ঘর নির্মাণের একটি তালিকা করতে বলা হয়েছিলো সেই তালিকা টা প্রস্তুত করা হয়েছে কিনা।

এর আগে বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১টায় বন্দর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক সভায়, সাংবাদিক সাব্বির আহমেদ সেন্টু ও নারী উদ্যোক্তা সালমা চৌধুরী পাপিয়ার মুখে ঘটে যাওয়া রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) মাহমুদ নগর কলাবাগানে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের বর্ণণা শুনে তাৎক্ষনিকভাবে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানুকে তিনি নির্দেশ দেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর খোঁজখবর নিতে ।

এমপি সেলিম ওসমানের নির্দেশে তাৎক্ষণিক সেই দিনই সানাউল্লাহ সানু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালিমা হোসেন শান্তা সশরীরে মাহমুদ নগর কলাবাগান এলাকায় গিয়ে তাদের খোঁজ-খবর নেন। একই সাথে এমপি সাহেবের তরফ থেকে তাদের এক মাসের আহারের জন্য ৩বস্তা চাউল, ১৫কেজি ডাল, ১৫কেজি তেল, ১৫ কেজি আলু, ১৫ কেজি পিয়াজ, ৩কেজি সিম, ৩কেজি কাচা মরিচ, ৩কেজি আদা, ৩কেজি রসুন উপহার স্বরূপ দেন। পরবর্তীতে তিনি চারটি ঘর নির্মাণের জন্য কি কি লাগবে সে বিষয়ে ২দিনের মধ্যে জানানোর কথা বলেন। সেই কথামতন তিনি আজ বিকাল ৫:৩০ ঘটিকায় সশরীরে মাহমুদ নগর কলাবাগান এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকদের সাথে কথা বলে তাদের খোঁজ-খবর নেন। পরিবারের সদস্যরা এম পি সেলিম ওসমান কে কাছে পেয়ে আবেগে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ও তারা জানায় যে আমারা তো
সব হারিয়ে ভেঙ্গে পড়েছিলাম আপনি আমাদের জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতিনিধি হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন আমরা কখন কল্পনাও করিনি কিন্তু এইটাই সত্যি সৃষ্টিকর্তা আপনাকে সুস্থতা দান করুক দুঃখিনী দোয়া আল্লাহপাক বেশি কবুল করে আজ পবিত্র জুম্মার দিন আমরা খোলা মনে আপনার জন্য দোয়া করছি । পরবর্তীতে পরিবারটি দানবীর বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব এ কে এম সেলিম ওসমান এর কাছে পুনরায় ঘর নির্মাণের একটি লিখিত তালিকা তুলে দিন। এবং এমপি সাহেব তাদেরকে আশ্বস্ত করেন যে পুনরায় তাদেরকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে।

11/02/2024

বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনে মুহূর্তে তিনটি ঘর পুড়ে ছাই।

১১ ই ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যা ছয় টায় বন্দরের সবচেয়ে জনবহুল এলাকা মাহমুদ নগর কলাবাগানের ২নং গলিতে এই অগ্নিকাণ্ডেr ঘটনা ঘটে।

আগুনের সূত্রপাত বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে কামুনি,রুবেল ও জজ মিয়ার ৩ টি ঘর মুহূর্তেই পুড়ে ছারখার।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এলাকার বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী আগুন নিভানোর প্রচেষ্টার চালান যাহাতে ফায়ার সার্ভিস আসার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অন্যান্য বাড়ি গুলোতে আগুন যেন না ছড়িয়ে পড়ে ।

এলাকাবাসীর সূত্রে জানতে পারি যে আগুনের শিখা যখন উদ্দোমুখি সেই সময় নিজ থেকে সাহস করে জ্বলন্ত ঘর গুলোর ভিতরে গিয়ে হাতে গুলুস পড়ে আগুনে উত্তপ্ত ২ টি এল পি গ্যাসের বোতল নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে আনেন এমদাদ নামে এর ছেলে।

সে সময় রাজন ও ফারুক , জ্বলন্ত ঘর গুলোর একেবারে সামনে গিয়ে লম্বা লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে যাতে ঘরগুলোকে একত্রে চাপানো যায় এতে করে আগুন টা অন্যান্য জায়গায় আর ছড়িয়ে যেন না পড়তে পারে ,রবিন,রুসান ইমন মারুফ রিফাত সাদ্দাম সাগর সহ অন্যান্য আরো অনেকে একত্রে প্রচেষ্টা চালান আগুনটি নিয়ন্ত্রণে আনতে ।

একই সময় অন্য আরেকটি গ্রুপ অগ্নিদস্ত বাড়ির পূর্ব পাশের থাকা তাউলাদ মিয়ার কারখানার তৈরিকৃত কাপড় ও মালামাল নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে আনতে সহযোগিতা করে।

অগ্নিদস্ত বাড়ির উত্তর পাশের বাড়ি দই ব্যবসায়িক মঙ্গল মিয়ার বিপুলসংখ্যক জ্বালানি কাঠে যেন আগুন না জ্বলে সেই জন্য মুন্না, শান্ত,সাকিল,শাহিন,জুবায়েল,সানি সহ অনেকেই পানি দিতে থাকেন যাহাতে পার্শ্ববর্তী এই বাড়ী গুরতে জেনো আগুনটি অগ্রসন না হতে পারে।

সে সময় ঘটনাস্থলে কাসেম নামে একজনের অগ্নিদস্ত ঘরের টিনের আঘাতে তার পা বেশ কিছুটা কেটে জায় এ ছাড়া আর কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।

সৌদি প্রবাসী সাদ্দাম ও সিয়াম এর বাসার তিন তলা ছাদ থেকে বিপুল পরিমাণ পানি অগ্নিদস্ত ঘর গুলো উপর নিক্ষেপ করা হয় যাতে আগুনটি নিয়ন্ত্রণ আনা যায় ।

পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে দমকল কর্মীরা এসে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন এবং ব্যবসায়িক হাজী মুরাদ সাহেবের বাসার সেফটি ট্যাংক থেকে পানি নিয়ে, ফায়ার সার্ভিসের পাইপ গুলো রাসের ইসলাম জীবন,মিরান,নায়েম সহ বিপুলসংখ্যক অত্র এলাকার স্বেচ্ছাসেবীগণ এর সহযোগিতায় পাইম গুলো টেনে অগ্নিকাণ্ডের সামনে নিয়ে যাওয়া হয় উত্তপ্ত আগুন টিকে ৫৫ মিনিট পর নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় বন্দরের ফায়ার ব্রিগেড ইউনিট ।তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বন্দর থানার ডিএসবি এমদাদুল হক।

বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনে মুহূর্তে তিনটি ঘর পুড়ে ছাই। - দৈনিক আজকের বাংলাদেশ 11/02/2024

বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনে মুহূর্তে তিনটি ঘর পুড়ে ছাই। - দৈনিক আজকের বাংলাদেশ ১১ ই ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যা ছয় টায় বন্দরের সবচেয়ে জনবহুল এলাকা মাহমুদ নগর কলাবাগানের ২নং গলিতে এই অগ্নিকা....

02/02/2024

জাইকা ও ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোং ২০৩০ সাল নাগাদ ১২৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মোট ৬টি মেট্রো লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে। এই নেটওয়ার্কে ৫১টি এলিভেটেড স্টেশন ও ৫৩টি আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশন থাকবে। ছয়টি লাইন মিলিতভাবে দিনে ৪৭ লাখ যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।

ইতিমধ্যে এমআরটি লাইন -৬ এর দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত খুলে দেওয়া হয়েছে।

[১] এম আর টি লাইন-১
----------------------------
দৈর্ঘ্য : ২৬.৬ কি. মি. রুট : হযরত শাহজালাল (রঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর - খিলক্ষেত -কুড়িল- যমুনা ফিউচার পার্ক- বাড্ডা -রামপুরা -মালিবাগ- রাজারবাগ- কমলাপুর এবং কুড়িল হতে কাঞ্চন সেতুর পশ্চিম পাশ পর্যন্ত। নগর এলাকাতে বিমানবন্দর হতে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল আন্ডারগ্রাউন্ড দিয়ে যাবে।

[২] এম আর টি লাইন-২
___________________
ঢাকা মহানগরী ও আশপাশের এলাকার যানজট নিরসনে গাবতলী থেকে চট্টগ্রাম রোড পর্যন্ত আন্ডারগ্রাউন্ড ও এলিভেটেড সমন্বয়ে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল (মাস র্যাপিড ট্রানজিট -এমআরটি লাইন- ২) নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জাপান সরকারের সহযোগিতায় জি-টু-জি ভিত্তিতে ‘পাবলিক-প্রাইভেটপার্টনারশিপ’ (পিপিপি)-এর আওতায় এটি নির্মাণ করা হবে।

[৩] এমআরটি লাইন -৩
-----------------------------
নামে যে প্রকল্প সেটি গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত নির্মাণ হবে। এটিকে বলা হচ্ছে মেট্রোরেল বিআরটি। এর নির্মাণ এখন চলছে। মেট্রোরেল নিয়ে সরকারের এই পরিকল্পনার সঙ্গে খানিকটা দ্বিমত জানান বুয়েটের অধ্যাপক ও গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ শামসুল ইসলাম।

[৪] এমআরটি লাইন-৪
_______________
২০৩০ সালের মধ্যে কমলাপুর-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের পাশ দিয়ে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

[৫] এম আর টি লাইন-৫
________________
দৈর্ঘ্য : ১৯.৬ কি. মি. রুট : হেমায়েতপুর- গাবতলি-টেকনিক্যাল-মিরপুর ১- মিরপুর ১০- মিরপুর ১৪- কচুক্ষেত- বনানী-গুলশান২- নতুন বাজার-ভাটারা।

[৬] এমআরটি লাইন-৬
-------------------------------
ঢাকা মেট্রো লাইন ৬ হল ঢাকা মেট্রো রেলের একটি রেলপথ। উত্তরা থেকে মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত মেট্রোরেলের এই রুটের দূরত্ব ২০.১ কিলোমিটার। এই পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ৩৫ মিনিট। ১৬টি স্থানে স্টেশন থাকবে।

04/01/2024

The dark night is a long drive 300 Feet Purbachal Expressway...

18/12/2023

Rapid pass নাকি MRT pass?
এক কথায় উত্তর দেই। হ্যা
র‍্যাপিড পাস নিবেন।

কারণ: র‍্যাপিড পাস আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ডের মত স্থায়ী, যার মেয়াদ আজীবন। এটাকে তৈরি করাও হয়েছে আধুনিক মাইক্রো পিভিসি প্রিন্ট করে। যতই ঘষামাজা করা হোক; কার্ডে থাকা প্রিন্ট সহজে নষ্ট হবে না। পুরো প্লাস্টিকেই প্রিন্ট করা, উপরে কোনো এক্সট্রা লেয়ার নেই। এই কার্ড অদুর ভবিষ্যতে জাতীয় পরিবহন কার্ড হতে পারে, কিছুটা এটিএম কার্ডের মত-কার্ড সাথে থাকলেই ডেডিকেটেড পরিবহনে এটা ব্যবহার করতে পারবেন। ইউরোপের অনেক দেশে ট্রান্সপোর্টেসন কার্ড চালু আছে। এছাড়াও এই কার্ড কোনো একটা সময় আপনার মোবাইল ফোন দিয়েও রিচার্জ করতে পারবেন। ওয়েবসাইটে গিয়ে কার্ড নাম্বার দিয়ে ট্র‍্যাক করলে ব্যালেন্স, ট্রান্সপোর্ট হিস্ট্রি সব পেয়ে যাবেন।

অন্যদিকে MRT pass এ সরাসরি উল্লেখ করা আছে ; Rapid pass compatible, অর্থাৎ; র‍্যাপিড পাসের সাথে সামঞ্জস্য। তারমানে এটা র‍্যাপিড পাসকে ফলো করে। এই কার্ডের মেয়াদ ১০ বছর। তবে এই কার্ডের স্থায়িত্ব কম। কারণ পলি কার্বোনেটেড পিভিসির উপরে পাতলা একটা লেয়ার দিয়ে প্রিন্ট করা হয়েছে। সামান্য ঘষামাজার ফলে প্রিন্টের লেখা তো ক্ষতিগ্রস্ত হয় ই সেই সাথে উপরের আবরণটাকে তুলে ফেলা যায়। তার মানে একটা কার্ডকে খুব বেশি দিন ব্যবহার করা যাবে না, এটাকে রিসাইকেল করে নতুন করে ইউজ করতে হবে। এই কার্ডে রিচার্জ করতে চাইলে আপনাকে সরাসরি মেট্রো স্টেশনে টিকেট ভেন্ডিং মেশিনে বা সার্ভিস লেনে গিয়ে ম্যানুয়ালি রিচার্জ করতে হবে। তবে এখানে রিচার্জের লিমিট প্রায় ১০,০০০৳। এখানে অন্য একটা সুবিধা হল; মেট্রোর বাণিজ্যিক যে শপগুলো থাকবে মেট্রোরেল স্টেশনে, সেগুলোর বিল এই কার্ড দিয়ে পে করতে পারবেন। ইতিমধ্যে ফার্মগেট এবং কাওরানবাজার স্টেশনে বাণিজ্যিকভাবে শপের জন্যে আলাদা পুরো একটা ফ্লোর ই বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এবার আসি দুটোর মধ্যে কে এগিয়ে।
দুটোই এগিয়ে আছে। পার্থক্য ১৯/২০.
তবে অদুর ভবিষ্যতে র‍্যাপিড পাসের ব্যবহার এবং সুবিধা বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা আছে। এ জন্যে কার্ডকেও বানানো হয়েছে সেই ভাবেই স্থায়িত্ব করে; আমাদের এন আই ডি কার্ডের মত। র‍্যাপিড পাস বিআরটিসি বাসে প্রথম চালু হয়েছিলো ২০১৮ তে....

আমার নিজস্ব মতামত হলো; যারা শুধুমাত্র যাতায়াতের জন্যে দীর্ঘদিন এই কার্ড ইউজ করবেন তারা র‍্যাপিড পাস নিয়ে নিন। এই কার্ডের বিল্ট কোয়ালিটি অনেক ভালো। যদিও এমআরটি পাসের প্রিন্ট সুন্দর,র‍্যাপিড পাসের চেয়ে।

বিঃদ্রঃ এই বিষয়গুলো সম্পুর্ণ আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা এবং মতামত থেকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। অনেকে আমার সাথে দ্বিমত পোষণও করতে পারেন।

ধন্যবাদ......

Want your business to be the top-listed Government Service in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


135/K, N, Sen-Road, Mahmud Nagar, Bondor
Narayanganj
1410