😱😱😱😱 aita ki Sotti ? 🤐🤐😶😶😰😰
মুহাম্মাদীয়া ইসলামিয়া পাঠাগার
المكتبة الاسلامية المحمدية
আহলান সাহলান, মাহ?
06/01/2017
সকল মুসলিমদের জানাই
মহান আল্লাহ্ রাব্বুল ‘আলামীন বলেনঃ "হে ঈমানদার গন! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ কর না। নিশ্চিত রূপে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। অতঃপর তোমাদের মাঝে পরিস্কার নির্দেশ এসে গেছে বলে জানার পরেও যদি তোমরা পদস্খলিত হও, তাহলে নিশ্চিত জেনে রেখো, আল্লাহ, পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।"
- (সূরা বাক্বারাহঃ আয়াত ২০৮-২০৯)
পাক-পবিত্র লোকেদেরকে তিনি নাপাক ও অপবিত্র লোকদের থেকে আলাদা করেই ছাড়বেনঃ
---------------------------------------------------------------------------
----------------------
মহান আল্লাহ রব্বুল আ’লামীন বলেনঃ "তোমরা বর্তমানে যে অবস্থায় আছো আল্লাহ মুমিনদের কখনো সেই অবস্থায় থাকতে দেবেন না। পাক-পবিত্র লোকেদেরকে তিনি নাপাক ও অপবিত্র লোকদের থেকে আলাদা করেই ছাড়বেন। কিন্তু তোমাদেরকে গায়েবের খবর জানিয়ে দেয়া আল্লাহর রীতি নয়। গায়েবের খবর জানাবার জন্য তিনি নিজের রসূলদের মধ্য থেকে যাকে চান বাছাই করে নেন। কাজেই ( গায়েবের ব্যাপারে) আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ওপর ঈমান রাখো ৷ যদি তোমরা ঈমান ও আল্লাহকে ভয় করার নীতি অবলম্বন করো তাহলে বিরাট প্রতিদান পাবে।"
- (সূরা আলে ইমরানঃ আয়াত ১৭৯)
আল্লাহর কিতাবের প্রতি অবহেলা প্রদর্শনের ভয়াবহ পরিণাম
---------------------------------------------------------------
মহান আল্লাহ রব্বুল আ’লামীন বলেনঃ "আর যে আমার জিকির (কুরআন) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ করা হবে এবং আমি কিয়ামতের দিন তাকে অন্ধ করে উঠাব। সে বলবে: হে আমার রব! আমাকে কেন অন্ধ করে উঠালেন, আমিতো (দুনিয়ায়) চুক্ষষ্মান ছিলাম। তিনি (আল্লাহ) বলবেন: যেমনিভাবে তোমার কাছে আমার আয়াত সমূহ এসেছিল, অতঃপর তুমি তা ভুলে গিয়েছিলে, তেমনিভাবে আজ তোমাকেও ভুলে যাওয়া হবে।"
- (সূরা ত্ব-হাঃ...
কল্যাণময় কাজের সুপারিশের মাঝেও কল্যাণ রয়েছেঃ
-------------------------------------------------------
মহান আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন বলেন : "যে লোক সৎকাজের জন্য কোন সুপারিশ করবে, তা থেকে সে একটি অংশ পাবে। আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। বস্তুতঃ আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।"
- (সুরা নিসাঃ আয়াত- ৮৫)
পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে ধোঁকা না দেয়ঃ
--------------------------------------------------
মহান আল্লাহ্ রাব্বুল ‘আলামীন বলেনঃ "হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর এবং ভয় কর এমন এক দিবসকে, যখন পিতা পুত্রের কোন কাজে আসবে না এবং পুত্রও তার পিতার কোন উপকার করতে পারবে না। নিঃসন্দেহে আল্লাহর ওয়াদা সত্য। অতএব, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে ধোঁকা না দেয় এবং আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারক শয়তানও যেন তোমাদেরকে প্রতারিত না করে।" - (সুরা লুকমানঃ আয়াত ৩৩)
তওবা ও ইস্তিগফারের সঠিক পদ্ধতিঃ
---------------------------------------
মহান আল্লাহ্ রাব্বুল ‘আলামীন বলেন : "অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।"
- [সূরা নিসাঃ আয়াত ১৭-১৮]
ওগো আল্লাহ্ !! শুকুর তোমার আমারে যে মুসলিম করেছো_____
।
ওগো আল্লাহ্ !! শুকুর তোমার আমারে যে মুসলিম করেছো_____।
# রাসুল সাঃ এর মুজিজা:
মুজাহিদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রা:)
বলতেন, আল্লাহ্র কসম, যিনি ছাড়া কোন (হক) ইলাহ
নেই। আমি ক্ষুধার যন্ত্রণায় উপুড় হয়ে পড়ে
থাকতাম।আর কখনও পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম।
একদা আমি তাঁদের (রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এবং ছাহাবীদের)
রাস্তায় বসেছিলাম, যেখান দিয়ে তারা বের হ’তেন।
আবূ বকর (রা:) রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে
কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম।
আমি এ উদ্দেশ্যেই তা করলাম, যেন তিনি আমাকে
কিছু খেতে দিয়ে পরিতৃপ্ত করেন। কিন্তু তিনি
চলে গেলেন, কিছুই করলেন না। এরপর ওমর (রা:)
আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁকেও সেই একই
উদ্দেশ্যে কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে
প্রশ্ন করলাম। কিন্তু তিনিও চলে গেলেন, কিছুই
করলেন না।
অতঃপর আবুল কাসেম [অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)] আমার
পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, আমাকে দেখে তিনি মুচকি
হাসলেন। তিনি আমার চেহারা দেখে মনের কথা
বুঝতে পারলেন এবং বললেন, ‘হে আবূ হুরায়রা (রা:)!
আমি বললাম, ‘হে আল্লাহ্র রাসূল (সাঃ)! আমি উপস্থিত।
তিনি বললেন, ‘তুমি আমার সঙ্গে চল’! অতঃপর তিনি
চললেন, আমি তাঁর অনুসরণ করলাম। তিনি বাড়ীতে
প্রবেশ করলেন। অতঃপর আমি ভিতরে
প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি অনুমতি দিলে আমি
প্রবেশ করলাম। তিনি ঘরে প্রবেশ করে একটি
পেয়ালায় কিছু দুধ দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এ
দুধ কোথা থেকে এসেছে’?বাড়ির লোকজন
উত্তর দিল, ‘অমুক পুরুষ অথবা অমুক মহিলা আপনার
জন্য হাদিয়াস্বরূপ দিয়েছে’। তিনি বললেন, ‘হে আবূ
হুরায়রা (রা:)’! আমি বললাম, ‘আমি হাযির হে আল্লাহ্র
রাসূল’! তিনি বললেন, ‘আহলে ছুফ্ফার
লোকদেরকে গিয়ে এখানে ডেকে আন’।
রাবী বলেন) ‘আহলে ছুফফা’ ছিল ইসলামের
মেহমান। তাদের পরিবার- পরিজন, ধন-সম্পদ কিছুই ছিল
না। আর এমন কেউ ছিল না, যার উপর ভরসা করা যায়।
যখন কোন ছাদাকার মাল রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট
আসত, তখন তিনি তাদের জন্য পাঠিয়ে দিতেন।
নিজে সেখান থেকে কিছুই গ্রহণ করতেন না।
আর যদি কোন হাদিয়া (উপঢৌকন) আসত, তিনি সেখান
থেকেও এক অংশ তাদের জন্য পাঠিয়ে দিয়ে
এতে তাদেরকে শরীক করতেন এবং নিজে এক
অংশ গ্রহণ করতেন। (আবু হুরায়রা বলেন) রাসূলুল্লাহ
(সাঃ)-এর আদেশ শুনে আমি হতাশ হয়ে পড়লাম।
(মনে মনে) বললাম, এতটুকু দুধ দ্বারা ‘আহলে
ছুফফা’র কি হবে? আমিই এ দুধ পানের বেশী
হকদার। আমি তা পান করলে আমার শরীরে শক্তি
ফিরে পেতাম। যখন তারা এসে গেলেন, তখন তিনি
আমাকে আদেশ দিলেন, আমিই যেন তাদেরকে
দুধ পান করতে দেই। আর আমার আশা রইল না যে,
এ দুধ থেকে আমি কিছু পাব।
কিন্তু আল্লাহ্ ও তার রাসূল (সাঃ)-এর আদেশ মান্য করা
ছাড়া আমার কোন গত্যন্তর ছিল না।সুতরাং আমি
‘আহলে ছুফ্ফার নিকট গিয়ে তাদেরকে ডেকে
আনলাম’। তারা এসে (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি
চাইলে তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলেন। তারা ঘরে
এসে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করলেন। তিনি বললেন,
হে আবূ হুরায়রা! আমি বললাম, আমি হাযির হে আল্লাহ্র
রাসূল! রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে বললেন, এটি
তাদেরকে দাও। আমি (দুধের) পেয়ালা হাতে নিয়ে
দিতে শুরু করলাম। এক ব্যক্তির হাতে দিলাম, সে পান
করে পরিতপ্তৃ হ’ল এবং আমাকে পেয়ালা ফেরত
দিল।
অতঃপর আমি অন্য একজনকে দিলাম, সেও তৃপ্তি
সহকারে পান করে পেয়ালা ফেরত দিল। তৃতীয়
জনকে দিলে সেও তাই করল। এভাবে আমি
(সর্বশেষে) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট পৌছলাম। সবাই
পরিতৃপ্ত হ’ল। তিনি পেয়ালা নিলেন এবং আমার দিকে
তাকিয়ে মুচকি হেসে বললেন, ‘হে আবূ হুরায়রা’!
আমি বললাম, ‘আমি হাযির হে আল্লাহ্র রাসূল’! তিনি
বললেন, ‘এখন আমি আর তুমি বাকী’। আমি বললাম,
‘আপনি ঠিকই বলেছেন হে আল্লাহ্র রাসূল’। তিনি
বললেন, ‘বসে পড় এবং পান কর’। আমি বসে পান
করলাম। তিনি (পুনরায়) বললেন, ‘পান কর’। আমি পান
করলাম। তিনি একথা বলতেই থাকলেন, অবশেষে
আমি বলতে বাধ্য হ’লাম যে, ‘আল্লাহ্র শপথ! যিনি
আপনাকে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন, আমার
পেটে আর জায়গা নেই’। তিনি বললেন, ‘তাহলে
আমাকে দাও’। আমি তাঁকে দিলে তিনি আল্লাহ্র প্রশংসা
করলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে বাকী দুধ পান
করলেন (ছহীহ বুখারী হা/৬৪৫২, ‘রিকাক’অধ্যায়,
অনুচেছদ-১৭, মিশকাত হা/৪৬৭০ ‘শিষ্টাচার’অধ্যায়,
‘অনুমতি’অনুচেছদ)।
শিক্ষা:
১. রাসূল (সাঃ) ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণ। তিনি তাঁর
ছাহাবীদের মুখ দেখেই তাদের অন্তরের
অবস্থা বুঝতে পারতেন।
২. বসে পান করা সুন্নত।
৩. বিসমিল্লাহ বলে পান করতে হবে।
৪. আমন্ত্রিত ব্যক্তি অনুমতি না নিয়ে বাড়ীতে
প্রবেশ করবে না।
৫. পরস্পর ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধির জন্য হাদিয়া বা উপঢৌকন
প্রদান করা সুন্নত।
৬. বিপদগ্রস্ত বা অভাবগ্রস্তে ক সাহায্য করা মুমিনের
অবশ্য কর্তব্য।
কাদীয়ানীদের কে আমরা কাফের বলি কেন?
কারন তাদের অনেক আকিদা কোরআন হাদিসের
বিপরীত, তাদের কুফরি আকিদা সমূহ তিন পর্বে
শেয়ার করব ইনশাআল্লাহ।
১ম পর্ব:--
১। মুহাম্মাদ সাঃ শেষ নবী নন,বরং তার পর মির্জা
কাদীয়ানী হাকীকি নবী, ছায়া নবী ও বরুজী
নবী এবং সর্বশেষ নবী। নাউযুবিল্লাহ এই আকিদার
জন্য তারা কাফের।
(কিশতিয়ে নূহ খাযায়েন ১/৬১,হাকীকাতুন নবুয়াহ ১৭৭৪
পৃষ্ঠা)
'
২। মির্জা কাদীয়ানী স্বয়ং মুহাম্মাদ সাঃ এবং তার অনুগত
দলে অংশ গ্রহনকারীরা সাহাবী। নাউযুবিল্লাহ এই
আকিদার জন্য তারা কাফের।
(খুতবাতুল হামিয়াত দার খাযায়েন ৪/২৫৬)
'
৩। মির্জা কাদীয়ানী দাবিকৃত অহি, শিক্ষা ও তালিমই
মুক্তির একমাত্র মাধ্যম। নাউযুবিল্লাহ
(খাযায়েন ১৭/৪০৫)
'
৪। মির্জা কাদীয়ানীর দাবিকৃত ইলহামসমূহ
কোরআনের মতোই সুনিশ্চিত ও অলংঘনীয়।
নাউযুবিল্লাহ।
(হাকীকাতুলল ওহী খাযায়েন ২২/২২০)
এই সকল কুফরি আকিদার জন্য তারা কাফের,
তাদেরকে যারা কাফের বলবেনা তারাও কাফের।
সারা বাংলার আলেমদের মধ্যে যিনি প্রতিটি মাহফিলে
এই শয়তানদের বিরুদ্ধে মানুষকে সর্তক করেন,
তিনি আল্লামা মুফতী ডঃ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
পীর সাহেব জৈনপুরী হুজুর।
আল্লাহ পাক যেন আমাদের শায়েখ আব্বাসী
হুজুরকে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করেন। আমিন ইয়া
রাব্বাল আলামীন।
15/11/2015
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
পাঠানটুলী, সিদ্বিরগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ
Narayanganj
1400
