ইসলামিয়া PDF লাইব্রেরী

ইসলামিয়া PDF লাইব্রেরী

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইসলামিয়া PDF লাইব্রেরী, Public Service, Narsingdi.

13/03/2024

সুখবর সুখবর সুখবর
সকল পাঠক পাঠিকা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে দীর্ঘ বিরতির পর ইসলামিয় লাইব্রেরী এপটি আমরা সম্পূর্ণরূপে সমাধান করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ
আমরা প্লে স্টোরে আপডেট করে দিয়েছি প্লিজ কষ্ট করে সবাই পুনরায় একটি ডাউনলোড করে আপনাদের কাঙ্ক্ষা বইটি উপভোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamialibrary.islamicapp

25/12/2023

:
সমস্ত প্রশংসা মহান রাব্বল আলামীনের জন্য, সকল প্রকার জ্ঞানের উৎস হলাে কুরআনুল কারীম। পথভ্রান্ত, সত্য-বিচ্যুত মানুষকে সত্য ও সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য কুরআনুল কারীম বান্দার প্রতি মহান আল্লাহর এক মহান নিয়ামত। মানুষের দৈনন্দিন জীবন পরিচালনায় কুরআনের বিকল্প নেই। কুরআন পড়া যেমন ফরজ, তেমনি কুরআন বুঝে সে অনুযায়ী আমল করাও ফরজ। সেজন্য সকলেরই কুরআনুল কারীম তিলাওয়াত ও এর অর্থ অনুধাবন অত্যাবশ্যক। কুরআন ব্যতীত দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে কল্যাণ লাভের আর কোনাে পথ নেই। কুরআনুল কারীমের মমার্থ ও শিক্ষা যথাযথভাবে অনুধাবন করতে কুরআনুল কারীমের তাফসীরের বিকল্প নেই। আর এ তাফসীর মাতৃভাষায় হওয়ায় খুবই জরুরী। বাংলাভাষায় থাকা তাফসীরগুলাের লিস্ট বৃহৎ হওয়ায়
নিজের পছন্দের তাফসিরটি খুঁজে পাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার,
আমরা গভীরভাবে চিন্তা করে দেখলাম এই কাঙ্ক্ষিত বিষয়টাকে কিভাবে সহজ দ্রব্য করা যায় সেই চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা একটি অ্যাপ তৈরি করেছি যার মধ্যে মাতৃভাষা তথা বাংলা ভাষায় সকল তাফসীর গুলোকে আমরা পিডিএফ রূপান্তর করে সে পিডিএফগুলো আমাদের এই অ্যাপের মধ্যে উন্মুক্ত করে দিয়েছি আপনার পছন্দের তাফসীর গুলো এখান থেকে আপনি ফ্রিতে অধ্যায়ন করতে পারবেন

আমাদের তাফসির গুলো সহজ ভাবে অধ্যায়ন করার জন্য বিশেষ কিছু ফিচার এড করিস
১)এপটির বিতরে প্রতিটি তাফসীর নামে ক্যাটাগরিতে বইগুলো সাজানো হয়েছে যা বই খুঁজে পেতে সহজ হবে।
২) প্রথম বার ডাউনলোড করার পর পরবর্তীতে ইন্টারনেট ছাড়াও ব্যবহার করতে পারবেন।
৩) প্রতিটি বই সুস্পস্ট ছাপা থেকে pdf তৈরী করা হয়েছে
৪) বই pdf পৃষ্ঠা গুলো পরিবর্তন করতে নিচ থেকে উপরে ধিকে টানুন।
এবং পৃষ্ঠা গুলো দুই আঙুলে টেনে ধরে জুম করতে পারবেন।
৫) যে কোন পিষ্টা বুকমার্ক করে রাখতে পারবন, এবং বইয়ে থাকা যে কোন পিষ্টার নাম্বার লেখে সার্চ করে বের করতে পারবেন
৬) ডার্ক মুড করে বই পড়া যায়

এছাড়া আরও আকর্ষণীয় অসংখ্য ফিচার যা আপনাকে ছাপা বই পড়ার থেকে পিডিএফ বই পড়াকে সহজ করবে বরে আমরা আশা বাদি

এপটি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন লিংকে
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ebooklibrary.alltafsir

04/12/2023

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।

আমরা গভীর চিন্তা করে দেখলাম ওস্তাদ ও তলাবা ছাত্র ভাইয়েরা সফর অথবা মাদ্রাসা বন্ধ থাকাকালীন সময় ক্লাসভুক্ত কিতাবগুলো নিয়ে জার্নি করাটা খুবই কষ্টসাধ্য তাই আমরা এ কষ্টকে দূর করতে একটি অ্যাপ তৈরি করেছি যাতে মাদ্রাসার শুরু জামাত থেকে সর্বোচ্চ জামাত তথা দাওরা হাদিস সহ সকল ধরনের কিতাব খুবই সহজভাবে এপটি থেকে অধ্যায়ন করতে পারবে

এপটির বিতরে প্রতিটি ক্লাস নামে ক্যাটাগরিতে বইগুলো সাজানো হয়েছে যা বই খুঁজে পেতে সহজ হবে।
এছাড়া আরও আকর্ষণীয় অসংখ্য ফিচার যা আপনাকে ছাপা বই পড়ার থেকে পিডিএফ বই পড়াকে সহজ করবে বরে আমরা আশা বাদি,

এ ছারাও গ্রাহকদের উনুরোধে যে কোন বই আমরা আমাদের অ্যাপে আপলোড দিব ইনশাআল্লাহ,

প্রিয় পাঠক/পাঠিকা
অ্যাপটি আপনারা শিক্ষনিয় জীবনের বন্ধু হিসাবে পাবেন ইনশাল্লাহ এবং আপনার প্রতি আমাদের উনোরুদ অ্যাপটি আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধদের মাঝে সিয়ার করে ব্যাবহার করার
প্রতি উৎসাহি করবেন।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ebooklibrary.qawmibook

02/11/2023

"মহিমান্বিত কুরআন
সমগ্র মানবজাতির জন্য হিদায়াত।
সর্বোত্তম পবিত্রতম জীবনের জন্য একটি শ্রেষ্ঠ জীবন বিধান।
এই কুরআন প্রাণে প্রাণে জ্বালে রহমানি আলোর জ্যোতি।
পবিত্র কুরআন মজিদ তিলাওয়াতের সময়
আমাদের প্রবলভাবে জানতে ইচ্ছে করে,
আমার আল্লাহ এই আয়াতে আমাকে কী বলছেন!
আমরা আল্লাহর সমস্ত কথা বুঝতে চাই—
বাক্যে বাক্যে বুঝতে চাই, শব্দে শব্দে বুঝতে চাই।
আমাদের এই চাওয়া পূরণ করেছে মহিমান্বিত কুরআন।
চমতকার কুরআনটি মোবাইলে পড়তে এপটি ডাউনলোড করুন"

#মহিমান্বিতকুরআন

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamicapp.mohimannitoquran

03/08/2023

রিফ্লেকশন ফ্রম সূরা ইউসুফ বইটির pdf
স্বপ্ন-ষড়যন্ত্র-দাসত্ব-দুর্ভিক্ষ-রাজত্ব—কী দারুণ এক সত্য আখ্যান! বাধা-বিপত্তির দেয়াল পেরিয়ে মঞ্জিলে পৌঁছার এই অসাধারণ গল্প কোটি হৃদয়কে উজ্জীবিত করছে শত সহস্র বছর ধরে। হতাশার পাহাড় মাড়িয়ে আশার আলো জ্বালিয়ে দেওয়ার এ গল্প আজকের প্রজন্মকেও স্পর্শ করে খুব। লালসার সমুদ্রে এ যেন পবিত্র একফোঁটা স্বচ্ছ জলবিন্দু! ইউসুফ আলাইহিস সালাম আমাদের বিজয়ী মহানায়ক, বিশ্বাসীদের নকিব। সূরা ইউসুফ আমাদের প্রত্যাশিত জীবনের এক অনন্য রিফ্লেকশন

কালজয়ী বইটি কি আমরা সফটওয়্যারে ভিতরে এমন ভাবে রোপণ করেছি আপনি হার্ড কভার বই পড়ে যতটা না স্বাদ পাবেন তার চেয়ে বেশি স্বাদ পাবেন ১০০% গ্যারান্টি তাই এপটি থেকে বইটি উপভোগ করুন একদম ফ্রিতে
দিরি না করে এখনি ডাউনলোড

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ebooklibrary.re_surahyusuf

07/04/2023

যে কোরআন তেলাওয়াত করে বিশ্ব জয়ী হলেন হাফেজ তাকরিম

25/03/2023

মোবাইলে আসল কোরআনের সাধ পেতে এখনি ডাউনলোড করুন

১) মূল কুরআন স্ক্যান করে তৈরিকৃত pdf হওয়ায় প্রতিটি পৃষ্ঠা কোয়ালিটি hd পাচ্ছে
২) কোরআন পড়া শেষ হলে অটু সেভ হয়ে যাবে কততম পারা ও পৃষ্টা আজ পড়েছে
৩) কোরানের যে কোন পৃষ্টা নাম্বার দিয়ে সার্চ করে বেরকরতে পারবে
১) মূল কুরআন স্ক্যান করে তৈরিকৃত pdf হওয়ায় প্রতিটি পৃষ্ঠা কোয়ালিটি hd পাচ্ছে
৬) প্রতিদিনের ক্লাসের পড়াগুলো pdf বই করে এপে দেওয়া হয়েছে
৪) ইচ্ছেমত যেকোন পৃষ্টা বুক মার করে রাখতে পারবেন, পরে যেকোন সময় পড়া যাবে
৫) বিখ্যাত কারী গনের মাধ্যেমে সহীহ ও শুদ্ধ পদ্ধতিতে কুরআন পাঠ দান

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ebooklibrary.HafeziQuranSharif&hl=en&gl=US

#হাফেজীকোরআনশরীফ


15 line hafizi quranpdf download
15 line hafizi quran pdf download for pc
15 line hafizi quran pdf download for pc
hifz quran download
3d quran download pc
হাফেজী কোরআন শরীফ এমদাদিয়া লাইব্রেরী
নূরানী হাফেজী কোরআন শরীফ ডাউনলোড
নূরানী হাফেজী কোরআন শরীফ pdf
হাফেজী কোরআন শরীফ ৩০ পারা
হাফেজি কুরআন শরীফ - Hafezi Qur

হাফেজী কোরআন শরীফ এমদাদিয়া লাইব্রেরী
নূরানী হাফেজী কোরআন শরীফ ডাউনলোড
হাফেজী কোরআন শরীফ এমদাদিয়া লাইব্রেরী pdf
নূরানী হাফেজী কোরআন শরীফ apk
হাফেজি কুরআন শরীফ
হাফেজী কোরআন শরীফ app
হাফেজী কোরআন শরীফ pdf download

25/03/2023

মোবাইলে আসল কোরআনের সাধ পেতে এখনি ডাউনলোড করুন

১) মূল কুরআন স্ক্যান করে তৈরিকৃত pdf হওয়ায় প্রতিটি পৃষ্ঠা কোয়ালিটি hd পাচ্ছে
২) কোরআন পড়া শেষ হলে অটু সেভ হয়ে যাবে কততম পারা ও পৃষ্টা আজ পড়েছে
৩) কোরানের যে কোন পৃষ্টা নাম্বার দিয়ে সার্চ করে বেরকরতে পারবে
১) মূল কুরআন স্ক্যান করে তৈরিকৃত pdf হওয়ায় প্রতিটি পৃষ্ঠা কোয়ালিটি hd পাচ্ছে
৬) প্রতিদিনের ক্লাসের পড়াগুলো pdf বই করে এপে দেওয়া হয়েছে
৪) ইচ্ছেমত যেকোন পৃষ্টা বুক মার করে রাখতে পারবেন, পরে যেকোন সময় পড়া যাবে
৫) বিখ্যাত কারী গনের মাধ্যেমে সহীহ ও শুদ্ধ পদ্ধতিতে কুরআন পাঠ দান

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ebooklibrary.HafeziQuranSharif&hl=en&gl=US

🤲 🤲🤲

23/02/2023

তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ছোঁয়া লেগেছে প্রযুক্তির। সময়ের সাথে বই পাঠকরাদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে E- book। কাগজের তৈরি বইয়ের চেয়ে এখন মোবাইলে বা কম্পিউটারের পর্দায় বইয়ের ডিজিটাল ভার্সন বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তাই সময়ের প্রয়োজনে এই ভার্চুয়াল জগতের সাথে তাল মিলিয়ে গড়ে উঠছে Islamia Library নামে একটি অ্যাপ । পাঠকদের নতুন এই চাহিদা পূরণে আমরাও কাজ করে যাচ্ছি সমৃদ্ধ একটি E-book লাইব্রেরি তৈরিতে। বিভিন্ন জনপ্রিয় বইয়ের pdf ভার্সন সংগ্রহ করেই বিনামূল্যে শেয়ার করছি আমাদের অ্যাপে ও ওয়েব সাইটে।

আমাদের এপটিতে যে দরনের ক্যাটাগরি দিয়ে সাজিয়েছি

১) কুরআনের একাধিক ফ্রন্টের pdf
২) বিভিন্ন ভাষার কুরআন তাফসির বই pdf
৩) বিভিন্ন ভাষার হাদীসের বই pdf
৪) বিভিন্ন ভাষার ফাতওয়ার বই pdf
৫) বিভিন্ন ভাষার অভিধান বই pdf
৬) বিভিন্ন ভাষার ইসলামিক বই pdf
৭) কওমি মাদ্রাসার শুরু জামাত থেকে সর্বোচ্চ জামাতের, মতন, বাংলা সরা, আরবি ও উর্দু সরা সহ সকল বই থাকচ্ছে।

এ ছাড়াও গ্রাহকের অনুরোধে যেকোনো বই আপলোড করা হয়

তবে আর দেরি কেন এখনি ডাউনলোড করুন আমাদের অ্যাপটি

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamialibrary.islamicapp

31/12/2022

তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ছোঁয়া লেগেছে প্রযুক্তির। সময়ের সাথে মানুষের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে ভার্চুয়াল জগত।
এই ভার্চুয়াল জগতকে কাজে লাগিয়ে মানুষ শিখতে চায় পড়তে চায়।
সে চাহিদা দিন দিন বাড়ছে, সে চাহিদাকে আরও সহজ ও সুন্দর করার লক্ষ্যে আমরা হাফেজী কোরআন শরীফ এন্ড শিক্ষা নামে একটি এপ তৈরী করেছি।

এপটির ভিতর থাকছে, মূল কুরআনকে স্ক্যান করে তৈরি কৃত PDF ও ৩০টি কোর্স ভিডিও

পাঠক/পাঠিকা
কুরআনের আলোয় আপনাকে আলোকিত করে তুলতে আমাদের এপে যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রেখে সাজানো হয়েছে।
১)সহীহ ও শুদ্ধ পদ্ধতিতে কুরআন পাঠ
২)সঠিক ভাবে আরবি পড়তে পারা
৩)আরবি ব্যাকরণ সম্বন্ধে জানা
৪)আরবি বর্ণমালার সঠিক উচ্চারণ
৫)কোরআন তিলাওয়াতের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি
৬)গুরুত্বপূর্ণ সুরা
৭)সুরার ফজিলত
৮), প্রতিদিনের ক্লাসের পড়াগুলো pdf বই থাকচ্ছে
৯)কোরআন শরীফ পরা শেষ হলে অটু সেভ হয়ে যাবে কততম পারা ও পিষ্টা আজ পড়েছে
১০) কোরানের যে কোন পিষ্টা নাম্বার দিয়ে সার্চ করে বেরকরতে পারবে

পাঠক/পাঠিকা
আমারা হাফিজী কোরআন এপটি খুবই আকর্ষণীয় ও সুন্দর ডিজাইন দিয়ে তৈরি করেছি যা প্রতিটি গ্রাহককে স্বাচ্ছন্দের সাথে পড়তে আগ্রহ তৈরি করবে।

পাঠক/পাঠিকা
হাফিজী কোরআন এপটি ব্যবহার করা খুবি সহজ, অ্যাপটি অফলাইন এবং অনলাইন উভয়ই পড়া যাবে।
আমরা দৃঢ় বিশ্বাস করি আপনি এই অ্যাপটি থেকে খুবি উপকৃত হবেন। এই অ্যাপে থাকা কুরআন শরীফের প্রতিটি পৃষ্ঠা HD কোয়ালিটি দেওয়া হয়েছে তাই কোরআন পড়তে কোন অসুবিধা হবে না।

ডাউনলোড করতে লিংকে ক্লিক করুন
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ebooklibrary.HafeziQuranSharif

30/04/2022

যারা ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি বেফাকের রেজাল্ট দেখতে পাচ্ছেন না এখান থেকে পিডিএফ ডাউনলোড করে খুব সহজে দেখে নিতে পারবেন
https://drive.google.com/file/d/1tsbHgb7EeTZkK43NWh3k5QSMQ9C17N-r/view?usp=sharing
ফযীলাত পুরুষ-2022

https://drive.google.com/file/d/1IjZKppKa0L-TAJJK7HtlzZlfl1HEmzHE/view?usp=sharing
ফযীলাত মহিলা-2022

https://drive.google.com/file/d/15NHIkIbvCmgakJK8LRU2D7EoiHymUlqU/view?usp=sharing
সানাবিয়া পুরুষ-2022

https://drive.google.com/file/d/1AT2o35_rgP8UX-4b-O6TT7pMShFR7P53/view?usp=sharing
সানাবিয়া মহিলা-2022

https://drive.google.com/file/d/1fhBPKl3vfHUU6sgR5cWvFuqzxzkMbOjP/view?usp=sharing
মুতাওয়াসসিতা পুরুষ-2022

https://drive.google.com/file/d/1LPtL5AWWMmyClTw0fjodHuzfvXGUtggy/view?usp=sharing
মুতাওয়াসসিতা মহিলা-2022

ইবতিদাইয়া পুরুষ-2022
ইবতিদাইয়া মহিলা-2022

https://drive.google.com/file/d/1FHEddSw1X5c_N820_JgPFRVlFeO606F-/view?usp=sharing
হিফযুল কুরআন-2022

https://drive.google.com/file/d/1BWb-1NaAWllCNIR3aWmiPSe4lBO3Utlx/view?usp=sharing
কিরাআত-2022

23/03/2022

বাবা ও ভাইয়ের সংসারে ডিভোর্সি নারী: নানা সমীকরণ...

আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখনও আশপাশের পরিবারগুলোতে খুব বেশি তালাকপ্রাপ্তা ও ডিভোর্সি নারী দেখা যেত না। ষোল-সতের বছরের ব্যবধানে সামাজিক বাস্তবতা এমন দাঁড়িয়েছে যে, এখন প্রায় প্রতিটি ঘরেই দুই একজন ডিভোর্সি নারীর হাহাকার শোনা যায়।
একেকটা ডিভোর্সের পিছনে একেক রকম গল্প থাকে; সেসবের কোনোটি সত্য, কোনোটি মিথ্যা; কোনোটি যৌক্তিক, কোনোটি অযৌক্তিক; কোনোটি মানবিক, কোনোটি অমানবিক। তবে কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে, সবগুলোর ফলাফলই দুঃখজনক; দীর্ঘশ্বাসপূর্ণ।

সঙ্গত কারণেই ডিভোর্সের সবগুলো গল্প এখানে আলাপ করা হবে না; তাছাড়া সেটা সম্ভবও নয়। কাজেই যে ডিভোর্স যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত এবং যে ডিভোর্স জীবন বাঁচানোর তাগিদে হয়, আমরা কেবল সেটা নিয়ে আলাপ করব এখানে।

ডিভোর্সের যৌক্তিক কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দম্পতি ও তাদের পরিবারের আন্তরিক প্রচেষ্টার পরেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বোঝাপড়ার না হওয়া, কোন একজনের শারীরিক, মানসিক বা চারিত্রিক ত্রুটি ও স্খলন এত বেশি হওয়া, যেটা নিয়ে বাস্তবিক অর্থেই সংসার ধর্ম নির্বাহ করা সম্ভব নয়, ধর্মী-বিষয়ে দম্পতির মধ্যে ঈমান ও কুফরের দেয়াল তৈরি হওয়া অথবা কোন একজনের মধ্যে এতটা ধর্মীয় বিচ্যুতি দেখা দেওয়া, যেটা সঙ্গে করে আসলে সুখী দাম্পত্য বজায় রাখা সম্ভব নয়।

ডিভোর্সগুলো উপর্যুক্ত যৌক্তিক কারণে হোক কিংবা অন্য কোন অযৌক্তিক কারণে, ফলাফল সর্বাবস্থায় প্রায় অভিন্ন হয়ে থাকে। নারীকে তার বাবা বা ভাইয়ের সংসারে আশ্রিত হতে হয়। নারী স্বাবলম্বী হলে, অর্থনৈতিক দিকটা বাদে সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রায় সব ক্ষেত্রেই বাবা ও ভাইয়ের উপর তাকে নির্ভর করতে হয়। এটা আমাদের সমাজের একটা অলঙ্ঘনীয় বাস্তবতা। তবে এটা সত্য যে, স্বাবলম্বী একজন নারী সাধারণ নারীর চেয়ে তুলনামূলক ন্যায্য বা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে। তদুপরি অনেকক্ষেত্রে স্বাবলম্বী নারীর দ্বিতীয় বিয়ে প্রথম স্বামীর চেয়েও ভাল পাত্রে হতে দেখা যায়। ‌

অবশ্য সমাজ এখন এমন একটা তিক্ত বাস্তবতা দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে যে, পর্যাপ্ত পারিবারিক শিক্ষা ও সংসারী মন মানসিকতা না থাকলে, অনেক ক্ষেত্রে নারীর স্বাবলম্বিতা অথবা বাবা-বা ও ভাই কর্তৃক সেই স্বাবলম্বিতাকে পুঁজি করার মানসিকতা নারীকে বা দম্পতিকে অযৌক্তিক ডিভোর্সে প্ররোচিত করে।

এবার আসা যাক বাবা বা ভাইয়ের সংসারে ডিভোর্সি নারী জীবন যাপন প্রসঙ্গে। আমরা যেহেতু এমন ডিভোর্স নিয়ে আলোচনা করছি, যেটা সম্পন্ন হয় নারী এবং তার পরিবারের সদস্যদের পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে, সেহেতু এটা হলফ করেই বলা যায় যে, এই ডিভোর্স পরবর্তী নারীর জীবন একক ব্যক্তি কেন্দ্রিক গৃহীত ডিভোর্স পরবর্তী জীবনের চেয়ে অনেকটা সহজ। কারণ সবাই মিলে ডিভোর্সের সিদ্ধান্তে গেলে, সে ক্ষেত্রে নারীর প্রতি বাড়তি একটু সহমর্মিতা কাজ করে, সে সহমর্মিতা পরিবারের সদস্যদের কাজে শতভাগ প্রকাশ না পেলেও তারা মুখে অন্তত তাদের দায়টা স্বীকার করে। সংসার জীবনে দায়ের স্বীকারোক্তিটুকুরও মূল্য অনেক। পক্ষান্তরে যে নারী একক ইচ্ছা বা কর্তৃত্ববলে পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেয়, তার ক্ষেত্রে মৌখিক দায়টুকুও রক্ষা করতে চায় না তার পরিবার।

বাবার পরিবারের ডিভোর্সি বা তালাকপ্রাপ্তা নারীর সমস্যা

স্বামীর সংসার ছেড়ে একজন নারী যখন বাবার ঘরে এসে ঠাঁই নেয়, তখন তার মানসিক অবস্থা কেমন থাকে সেটা সহজেই অনুমেয়। এসময় তার যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেটা হচ্ছে মানসিক সাপোর্ট ও পুনর্গঠন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, কোনো নারীই সাধারণত ডিভোর্স পরবর্তী মন-মানসের ভাঙ্গা-গড়ার সময়ে এই সাপোর্ট পায় না; উল্টো পরিবারের সদস্যদের থেকে এমন সব আচরণের সম্মুখীন হয়, যেগুলি তাদের মানসিক ভাঙ্গন ও আত্মার ক্ষত আরো বাড়িয়ে তোলে।

পরিবারে বিবাহ-উপযুক্ত ভাই বোন থাকলে, তারা ওই নারীকে নিজেদের জন্য অভিশাপ মনে করে। তারা ভাবে, তাদের ঘাড়ে স্বামীর সংসার বঞ্চিত বড় বোনের বোঝা যতদিন আছে, ততদিন তারা ভালো ঘরে সম্বন্ধ করতে পারবে না। এটা শুধু তারা মনেই করে না অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে বলে বেড়ায় এবং সংসার বঞ্চিত নারীকে কোণঠাসা করে রাখে। শুধু তারা কেন, অনেক ক্ষেত্রে আপন মা বাবার আচরণ থেকেও বুঝা যায়, তালাকপ্রাপ্তা বা ডিভোর্সি মেয়েটি তাদের সংসারে অনাহুত। তার কারণে অনেক ক্লেদ ও বিড়ম্বনার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তাদের সকলের।

অবশ্য মা বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা যথেষ্ট সচেতন ও আন্তরিক হলে ভাবে, মেয়েটাকে ভালো কোথাও পাত্রস্থ করতে পারাই একমাত্র সমাধান। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই তাদের এই ভাবনাটা বাস্তবে রূপ নিতে দেখা যায়। যখনই নতুন কোন জায়গা থেকে সম্বন্ধ আসে, পূর্বের তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদেরকে অস্থির ও সন্দিহান করে তুলে। তাদের মন-মগজে তখন একটা ব্যাপারই শুধু ঘুরতে থাকে, এটাও আগের মতো হবে না তো? একবার চুন খেয়ে মুখ পুড়েছি; তাই দই দেখলেও ভয় করে!

ভাই-বোনদের যদি এই ডিভোর্সের আগেই বিয়ে হয়ে থাকে তাহলে, তার জীবনে ভিন্নমাত্রায় আরো গুরুতর সমস্যা নেমে আসে। মেয়েদের জন্য বাবা মার সংসার তুলনামূলক সহজ হলেও, ভাবিদের সঙ্গে ভাইয়ের সমস্যার অত্যন্ত কঠিন। সে ক্ষেত্রে তাকে সঙ্গত ও সঙ্গত কারণে, পরিবারের কাছের এবং দূরের মানুষদের থেকে কটুকথা শুনতে হয়।

অধিকন্তু, ভাইদের যদি বাচ্চা কাচ্চা থেকে থাকে, তাহলে অনাহুত নারীর ভালোমন্দ অনেকটাই নির্ভর করে রান্নাবান্না এবং বাচ্চা কাচ্চার দেখাশোনা করার উপর। অর্থাৎ ডিভোর্সি যদি ভাবিদের প্রসূতিকালীন সেবা যত্ন করতে পারে, সেইসাথে বাচ্চাকাচ্চার কিছুটা দেখভালও করে, তাহলে ভাইদের সংসারে দুই দণ্ড স্থির শ্বাস নেওয়া তার পক্ষে তুলনামূলক সহজ হয়। এরপরও যখন তখন কটু কথা শুনতে হয়, যেহেতু এটা অন্যের সংসার।

এই নারীর যদি কোনো সন্তান থেকে থাকে, তাহলে জটিলতা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। সংসারের কাজে-কর্মে এবং কর্তাব্যক্তিদের উপার্জিত সম্পদ কোথায় কার জন্য কতটুকু ব্যয় হচ্ছে, তার হার নির্ধারণে মা-বাবা, মেয়ে, ছেলে, ছেলের বউ এবং মেয়ের ঘরের ও ছেলের ঘরের নাতি-নাতনিদের মধ্যে বিশাল গ্যাঞ্জাম তৈরি হয়। মা বাবা তখন ভাবেন, ছেলেদের অর্থনৈতিক অবস্থা যেমনই হোক, মেয়েটা তো বিধবা! তার বাচ্চাকাচ্চাগুলো তো এতিম! এই ভাবনার কারণেই ছেলের ঘরের ও মেয়ের ঘরের নাতিনাতনিদের প্রতি মা-বাবার আচরণে বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়; আর সেই বৈষম্য থেকে জন্ম নেয় ভাই বোন, মামা-ভাগনা-ভাগনি এবং ফুফু-ভাতিজা-ভাতিজির মধ্যে বিদ্বেষভাব ও সম্পর্কহীনতা। এর বাজে প্রভাব পড়তে থাকে সংসার জীবনের সর্বক্ষেত্রেই।

ডিভোর্সি নারীদের পুনর্বাসনে করণীয়

ডিভোর্সকে যদি ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনের একটা বাস্তবতা বলে মেনে নেওয়া হয়, তবে এটার সমাধানে বাস্তবসম্মত বিকল্প কিছু কার্যকর পদক্ষেপ আমাদেরকে অবশ্যই নিতে হবে। যে সকল পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে—

১) বিয়ে। এটা সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর সমাধান। মা-বাবা এবং ভাইবোন সর্ব দিক বিচারে ডিভোর্সি নারীর জন্য অনুকূল প্রমাণিত হলেও, স্বামীর প্রয়োজন কখনই তাদেরকে দিয়ে পূরণ হবার নয়। তাছাড়া বিয়ের সঙ্গে ধর্মীয়, চারিত্রিক ও নৈতিক এমন কিছু বিষয় সম্পৃক্ত, যেগুলোর সহজ কোন বিকল্প হতে পারে না। কিন্তু ডিভোর্সি নারীর বিয়েতে বেশ কিছু জটিলতা দেখা দেয়, বিশেষ করে, যখন তার সন্তান থাকে কিংবা নিঃসন্তান বিধবার পারিবারিক ও অর্থনৈতিক ভালো ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকে। কারণ, আমাদের সমাজে অবিবাহিত পুরুষের এমন নারী বিয়ে করার প্রচলন নেই। আমাদের অবিবাহিত পুরুষরা সাধারণত কুমারী নারীদেরকেই বিয়ে করে।

তো এই সংকট নিরসনের জন্য সমাজে দ্বিতীয় বা একাদিক্রমে চতুর্থ বিয়ের ধারণাটা আমরা ধর্মীয়, শাস্ত্রীয়, পারিবারিক ও সামাজিক ঢঙে প্রচার করা যেতে পারে। দৃষ্টিবঞ্চিত কিছু মানুষের চোখে হয়তো এই বিশাল লেখার শুধু এই অংশটাই চোখে পড়বে এবং এটাকে কেন্দ্র করে তারা নানা আপত্তি তুলবে। তা তুলুক। কোথাও সমস্যা দেখা দিলে, সেইটাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আরেকটা বিধানের কল্পিত সমস্যা তুলে আনা কোনো সমাধান নয়। বরং বিকল্প বিধানটা কিভাবে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত রেখে প্রয়োগ করা যায়, সেটা ভাবাই বিজ্ঞ মানুষের কাজ।

তো বলছিলাম, বিধবা সঙ্কট দূর করার ক্ষেত্রে বিয়ে প্রথম সমাধান। কিন্তু অবিবাহিত পুরুষের কাছে বিবাহিত নারীর বিয়ে আমাদের সমাজে দুঃসাধ্য হওয়ায় দ্বিতীয় বিয়ে আরেকটি সমাধান হতে পারে। দ্বিতীয় বিয়েকেই অনেকে সমস্যা মনে করে; এটা একটা ভুল ধারণা। দ্বিতীয় বিয়ের বিধান দেওয়া হয়েছে সমাধান হিসেবে। কিন্তু কোথাও কারও ক্ষেত্রে সেটা সমাধান না হয়ে, বিপদের কারণ হলে, বুঝতে হবে, উদ্ভূত সমস্যাটা বিধানের নয় বরং তার প্রয়োগ পদ্ধতির। কত চিকিৎসার প্রয়োগ পদ্ধতির ত্রুটির কারণেই তো মানুষের জীবন বিপন্ন হতে দেখা যায়, কিন্তু তাই বলে মানুষ তো চিকিৎসা গ্রহণ বাদ দিয়ে দেয়নি।

তাছাড়া দ্বিতীয় বিয়ের ব্যাপারে আমাদের মধ্যে যে বাজে ধারণার জন্ম হয়েছে, সেটা আমাদেরই মধ্যকার এমন কিছু পুরুষের কারণে, যারা দ্বিতীয় বিয়ে করেছে দ্বীনের অংশ হিসেবে নয়; বরং নিজেদের প্রবৃত্তির তাড়নায়। তবে হ্যাঁ, কেউ কেউ প্রবৃত্তি পরায়ণতার মুখোশ হিসেবে ধর্মের ছদ্মবেশ ধারণ করতে পারে। সেটা আমাদের বুঝতে হবে তার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার প্রবণতা ও সার্বিক জীবনাচার থেকে। এদুটো ক্ষেত্রে কেউ মানোত্তীর্ণ হলে, তাকে শুধু দ্বিতীয় বিয়ে নয়, চতুর্থ বিয়ে করালেও কোন স্ত্রী তার অবিচারের শিকার হবে না।

ব্যাপারটাতে নিজেকে পরিষ্কার একটি অবস্থানে রাখার জন্য আমরা আমাদের সমাজে একটু চোখ বুলাতে পারি। দেখতে পারি, ধর্মীয় অনুশাসন ও জীবনাচারে শুদ্ধ কোন ব্যক্তি একাধিক বিয়ে করেছে কিনা? করলে, স্ত্রীদের সাথে তার আচরণ এবং স্ত্রীদের পারস্পরিক আচরণ কেমন? সেটা প্রশংসিত হলে, মনে হয় চিন্তার বদ্ধ দুয়ার টা আরেকটু মেলে ধরা যেতে পারে। এমন শুদ্ধ কাউকে পাওয়া না গেলে, আমরা দেখতে পারি, যারা দ্বিতীয় বিয়ে করেছে তারা এটাকে আদৌ ধর্মীয় অনুশাসন মনে করে করেছে কিনা? যদি না করে থাকে, তাহলে তাদেরকে দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ের মতো সমাধানমূলক একটি বিধানের ব্যাপারে বাজে মন্তব্য বা ধারণা পোষণ করা যাবে না।

২) আলাদা বাসস্থান। হ্যাঁ, বিয়ে সম্ভব না হলে, মা-বাবার জীবদ্দশায় স্বামীহীনা নারীর জন্য আলাদা বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। সেইসাথে সে যেন নিজের অর্থায়নে অন্ন-বস্ত্রের ব্যবস্থা করতে পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ এমন নারীর জন্য বাবা-ভাইয়ের সঙ্গে যৌথ পরিবারে বসবাস সর্ব বিবেচনায়ই ক্ষতিকর। মা-বাবার জীবদ্দশায় বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে এ জন্য যে, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাকে উত্তরাধিকার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পারে অথবা অন্য কোন উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, মেয়ের জন্য এই বাসস্থান বা উপার্জনমূলক ব্যবস্থা যেন ছেলে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর প্রমানিত না হয়। বিষয়টির সুরতহালের জন্য বিজ্ঞ হালিমের শরণাপন্ন হওয়া যেতে পারে।

৩) সমান শ্রম ব্যয়ে যৌথ পরিবার। হ্যাঁ, আলাদা বাসস্থানের ব্যবস্থা করা না গেলে, যৌথ পরিবারই হবে শেষ ঠিকানা। তবে যৌথ পরিবারের সিদ্ধান্তে আসতে হলে, প্রথমে মেয়ে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাউন্সেলিং করে নিতে হবে। সবাইকে বোঝাতে হবে এবং বুঝতে হবে যে, একজন মানুষ বিয়ের আগে যেহেতু পরিবারের বোঝা যাচ্ছিল না, সুতরাং বিয়ের একদুই বছরে এমন কিছু হয়ে যায় নি যে, সে এখন পরিবারের সবার বোঝা হয়ে থাকবে।

মেয়েকেও এটা মনে করতে হবে যে, মৌলিকভাবে এখন এটা তার বাবা ও ভাই-ভাবিদের সংসার। সংসারে অন্যান্যদের দায় ও দায়িত্ব যতখানি, ভালো থাকতে হলে তাকেও ঠিক ততটাই করতে হবে। বিয়ের আগের সময়ের সাথে ডিভোর্স পরবর্তী সময়কে তুলনা করা যাবে না।

বিয়ের আগে হয়তো আপনি রাজকন্যার মর্যাদা নিয়ে বিরাজ করেছেন সবার মধ্যে, হয়তো আপনার কোন ব্যস্ততা ছিল না তখন, বরং সবাই ব্যস্ত থাকত আপনাকে নিয়ে, কিন্তু আপনাকে এটা বিশ্বাস করতে হবে যে, সময় ও অবস্থানের পরিবর্তনে ব্যক্তির দায় ও দায়িত্বে পরিবর্তন আসে বড় রকমের। এই অমোঘ সত্যটা উপেক্ষা করলে, আপনি সুখী হতে পারবেন না কখনোই।

মেয়ের পাশাপাশি মা-বাবাকেও বিষয়টা বুঝতে হবে। মেয়ে এবং মেয়ের সন্তানকে ছেলে ছেলের বউ এবং তাদের সন্তানদের চেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া যাবে না। কথায়, কাজে ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে—কোথাও না। এটা করতে গেলে, নৌকার এক ফুটো বন্ধ করতে গিয়ে আপনি হাজারটা ফুটো করে ফেলবেন। সংসার তরী ডুবে যাবে তখন মাঝ নদীতে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুমতি দিন। সংসার জীবনটাকে সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে তুলুন।

Want your business to be the top-listed Government Service in Narsingdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Narsingdi