শিবপুর উপজেলা ছাত্রদলের বিপ্লবী সভাপতি মাছুম ভাইয়ের পিতা মো: চান মিয়া মোল্লা অদ্য বেলা ৩ টা ৪০ মিনিটে ইন্তেকাল করিয়াছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)।
মরহুমের নামাজের জানাযা আজ রাত ১০ টায় শিবপুর কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হইবে।
নরসিংদী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রদল
আমরা সবাই জিয়ার সেনা,,, ভয় করি না বুলেট ?
সবাই কে পবিত্র মাহে রমজান এর শুভেচ্ছা।।।
নরসিংদী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ছাত্রদল এর
সম্মেলন সফল হউক।।।
হ্যাপি নিউ ইয়ার,,,,,,,,
Ekhun o ki ei polytechnic er sutdent ra B.N.P valo baso.......naki B.N.P korte voy pau
voy nai amra harai nai... asi sobar sathei... asce agami din e abar o buk jholsamo sahos niye ..... amar sathe asis to sobai
**********স্বাধীনতা তুমি ***********
স্বাধীনতা তুমি অবৈধ সরকারের
সাজানো ইলেকশন, স্বাধীনতা
তুমি মন্ত্রী তালিকায় অযোগ্য
সিলেকশন।
স্বাধীনতা তুমি মন্ত্রী সভায়
বলে বেড়ানো ফাঁকা বুলি,
স্বাধীনতা তুমি শাপলা চত্ত্বরে
নির্বিচারে চালানো গুলি।
স্বাধীনতা তুমি প্রতিবাদী
নারীর বুকে পুলিশের বুটের
লাথি, স্বাধীনতা তুমি
ছাত্রলীগের সব কুকর্মের সাথী।
স্বাধীনতা তুমি বাংলা
মায়ের বুকে দীর্ঘশ্বাস,
স্বাধীনতা তুমি রানা প্লাজায়
চাপা পড়া বিভৎস লাশ।
স্বাধীনতা তুমি পদ্মা সেতুতে
মিশে থাকা আবুলের হাসি,
স্বাধীনতা তুমি অবৈধ রায়ে
নির্বিচারে দেওয়া ফাঁসি।
স্বাধীনতা তুমি রক্তে রঞ্জিত
পিলখানা, স্বাধীনতা তুমি
শাহবাগে সব মাতালের
আস্তানা।
স্বাধীনতা তুমি শেয়ার
বাজারের টাকা লুট করে জমা,
স্বাধীনতা তুমি বৃদ্ধ কালে
রেলমন্ত্রীর প্রিয়তমা।
স্বাধীনতা তুমি ছাত্রলীগের
অবাধ গুলিবর্ষণ, স্বাধীনতা তুমি
রাস্তাঘাটে মা বোনদের ধর্ষন।
স্বাধীনতা তুমি দুচোখে দেখা
আমাদের সর্বনাশ, স্বাধীনতা
তুমি সকল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস।
স্বাধীনতা তুমি মুক্তিযুদ্ধের
বিকৃত ইতিহাস, স্বাধীনতা তুমি
সর্ষের মাঝে ভূতের বসবাস।
স্বাধীনতা তুমি বৈশাখী
মেলার পান্তা ইলিশ খাই,
স্বাধীনতা তুমি বটমূলে বসে
বৈশাখী গান গাই।
স্বাধীনতা তুমি বুদ্ধিজীবীর
বক্তৃতা সেমিনার, স্বাধীনতা
তুমি শহীদ বেদীতে পুষ্পের
সমাহার।
স্বাধীনতা তুমি ঢাকা শহরের
আকাশচুম্বি বাড়ী, স্বাধীনতা
তুমি ফুটপাথে শোওয়া গৃহহীন নর
নারী।
স্বাধীনতা তুমি হোটেলে
হোটেলে গ্রান্ড ফ্যাশন শো,
স্বাধীনতা তুমি দুঃখীনি
নারীর জরাজীর্ণ বস্তু।
স্বাধীনতা তুমি গজিয়ে ওঠা
অভিজাত পান্থশালা,
স্বাধীনতা তুমি অন্নের খোঁজে
কিশোরী।
স্বাধীনতা তুমি টিএসসিতে মা
বোনদের চিৎকার, স্বাধীনতা
তুমি ছাত্রলীগের ১০০ ধর্ষনের
পুরষ্কার।
স্বাধীনতা তুমি ফসলের মাঠে
মূল্য না পাওয়া চাষী,
স্বাধীনতা তুমি সৈরাচারী সোনার
বাংলা, তোবুও আমি তোমায়
ভালোবাসি।
11/04/2015
ভোট করবেন প্লিজ
micropage.opera.com/gpselfie/viewimage.php?fn=v8284.jpg
Opera Mini Grameenphone Selfie Contest আমার ছবিতে ভোট করে আমার Samsung Digital Camera জিতার সুযোগ বাড়ান। কনটেস্টে অংশগ্রহন করে আপনিও জিততে পারেন।
যারা বিএনপির এই হরতাল অবরোধ এর জন্য
মায়া কান্না দেখাচ্ছেন তাদের জন্য!!!
ফিরে দেখা ১৯৯৬ থেকে ২০০৫ (আওয়ামী কাল)
☛ ২০০২ সালের HSC পরীক্ষার সময় পর পর
দুই বার হরতাল দিয়েছিলো হাসিনা।
☛ ২০০৫ সালের HSC পরীক্ষার সময় লাগাতার
হরতাল দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।
☛ ১৯৯৫ সালের SSC পরীক্ষার সময়ও ৮ দিন
হরতাল দিয়েছিলো আওয়ামী লীগ।
☛ ১৯৯৬ সালে HSC পরীক্ষার সময়
আওয়ামীলীগের অবরোধের কারণে ৩ মাস
পরীক্ষা পিছিয়েছিল।
☛ ১৯৯৬ তেই স্কুল-
কলেজে তালা লাগিয়ে দিয়েছিলো হাসিনা
বাহিনী, শিক্ষা সচিবদের রাস্তায় উলঙ্গ
করে লাঞ্চিত করা হয়েছিল তখন।
মনে করে দেখুন......১৯৯৮ সালের ১৫ নভেম্বর,
হাতে তসবিহ এবং মাথায় পট্টি বেধেই
জাতির
কাছে হরতাল না করার
ওয়াদা করে হাসিনা বলেছিলো,-
বিরোধী দলে গেলেও আমরা কখনও হরতাল
করব না। কিন্তু ২০০১ সালেই তিনি নেন
ঐতিহাসিক পাল্টি, হয়ে যান মোনাফেক।
পরীক্ষার সময়ই দেন একাধিকবার হরতাল।
১৯৯১ থেকে ৯৬, ১৭৩ দিন এবং২০০১ থেকে ০৭,
১৩০ দিন হরতাল-অবরোধ দিয়েছিলো পীর
সাহেবা গোপালী।
দেখুন, হাসিনার ৯৪, ৯৫ ও ৯৬
সালে ডাকা হরতাল, অবরোধ
এবং অসহযোগের কিছু চিত্রঃ
→ ১৯৯৪ সাল (৬ দিন হরতাল, ৫ দিন
অবরোধ)
★২৬ এপ্রিল হরতাল,
★১০ সেপ্টেম্বর অবরোধ,
★১১, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর হরতাল,
★২৭ সেপ্টেম্বর অবরোধ,
★৩০ নভেম্বর অবরোধ,
★৭ ও ৮ ডিসেম্বর হরতাল,
★২৪ ডিসেম্বর অবরোধ,
★২৯ ডিসেম্বর অবরোধ।
→ ১৯৯৫ সাল (৩০ দিন হরতাল, ৪ দিন
অবরোধ)
★২, ৩ ও ৪ জানুয়ারি হরতাল,
★১৯ জানুয়ারি অবরোধ,
★২৪ ও ২৫ জানুয়ারি হরতাল,
★১২ ও ১৩ মার্চ লাগাতার ৪৮ ঘণ্টা হরতাল,
★২৮ মার্চ ঢাকা অবরোধ,
★৯ এপ্রিল ৫ বিভাগে হরতাল,
★২ ও ৩ সেপ্টেম্বর লাগাতার ৩২
ঘণ্টা হরতাল,
★৬ সেপ্টেম্বর সকাল-সন্ধ্যা হরতাল,
★১৬, ১৭, ১৮সেপ্টেম্বর লাগাতার ৭২
ঘণ্টা হরতাল,
★৭, ৮ অক্টোবর পাঁচ বিভাগে লাগাতার ৩২
ঘণ্টা হরতাল,
★১৬, ১৭, ১৮ এবং ১৯ অক্টোবর লাগাতার ৯৬
ঘণ্টা হরতাল,
★৬ নভেম্বর ঢাকা অবরোধ,
★১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ এবং ১৬ নভেম্বর
প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা হরতাল,
★৯, ১০ এবং ১১ ডিসেম্বরলাগাতার ৭২
ঘণ্টা হরতাল,
★১৭ ডিসেম্বর সকাল-সন্ধ্যা হরতাল,
★৩০ ডিসেম্বর দেশব্যাপী অবরোধ।
→ ১৯৯৬ সাল (৮৫ দিন হরতাল, ১ দিন
অবরোধ, ২৬দিন অসহযোগ)
★৩ ও ৪ জানুয়ারি লাগাতার ৪৮
ঘণ্টা হরতাল,
★৮ ও ৯ জানুয়ারি লাগাতার ৪৮ ঘণ্টা হরতাল,
★১৭ জানুয়ারি সকাল-সন্ধ্যা হরতাল,
★২৪ জানুয়ারি সিলেটে ১১ ঘণ্টা হরতাল,
★২৭ জানুয়ারি খুলনায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল,
★২৮ জানুয়ারি খুলনায় অর্ধদিবস হরতাল,
★২৯ জানুয়ারি ঢাকায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল,
★৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের
বাঁশখালীতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল,
★১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়
(পাবলিক পরীক্ষা) হরতাল,
★৩ ফেব্রুয়ারি অর্ধদিবস হরতাল,
★৭ফেব্রুয়ারি ফেনীতে সকাল
৬টা থেকে বিকাল
৩টা পর্যন্ত হরতাল,
★৮ ফেব্রুয়ারি ফেনীতে হরতাল,
★১০ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীতে হরতাল,
★১১ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জে হরতাল,
★১৩ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী অবরোধ,
★১৪ এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী ৪৮
ঘণ্টা লাগাতার হরতাল,
★২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি লাগাতার
অসহযোগ,
★৯ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত লাগাতার ২২
দিন অসহযোগ।
এই আওয়ামী লীগই ০২, ০৫, ৯৫, ৯৬
তে পরীক্ষার সময় হরতাল-অবরোধ
দিয়ে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে ক্ষমতা দখল
করার পায়তারা করেছিলো, তারাই এখন
বলছে-“জামায়াত-শিবির-
বিএনপি পরীক্ষার্থীদের
জিম্মি করে ক্ষমতা ছিনতাই করতে চায়!”
আন্দালিব রহমান পার্থ
গুলশান কার্যালয়ের দক্ষিণ
পাশে সিটি কর্পোরেশন এর আঞ্চলিক
কার্যালয়ের ভিতর যুবলীগ জড় হয়ে ককটেল
মারছে। পুলিশ কিছু বলছেনা তাদের।
ব্রাকিং নিউজ
এই
মুহুর্তে দাউদকান্দি বিশ্বরোডে ছাত্রলীগের
কর্মীরা দেশনেত্রীর ব্য়ানার,ফেষ্টুন সব
ছিঁড়ে ফেলতেছে। বেগম জিয়ার
সমাবেশকে কেন্দ্র করে তৈরী করা স্বাগত
ফটকে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ।
গণহত্যার শুরু : অপারেশন সার্চলাইট
................................................................
গণহত্যার জন্যে জেনারেল ইয়াহিয়া খান ২৫
মার্চ তারিখটা বেছে নিয়েছিল কারণ
সে বিশ্বাস করত এটা তার
জন্যে একটি শুভদিন। দুই
বছর আগে এই দিনে সে আইয়ুব খানের কাছ
থেকে ক্ষমতা পেয়ে পাকিস্তানের
প্রেসিডেন্ট হয়েছিল। ২৫ মার্চ
রাতে বাংলাদেশের ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম
গণহত্যার আদেশ দিয়ে সে সন্ধেবেলাপশ্চিম
পাকিস্তানে যাত্রা শুরু করে দিল।
জেনারেল
ইয়াহিয়া খান সেনাবাহিনীকে বলেছিল,
তিরিশ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা কর, তখন
দেখবে তারা আমাদের হাত চেটে খাবে!
১৯
গণহত্যার নিখুঁত পরিকল্পনা অনেক
আগে থেকে করা আছে সেই নীল নকশার নাম
অপারেশন সার্চলাইট,২০ সেখানে স্পষ্ট
করে লেখা আছে কেমনকরে আলাপ
আলোচনার
ভান করে কালক্ষেপণ করা হবে,
কীভাবে বাঙালি সৈন্যদের নিশ্চিহ্ন
করা হবে,
কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ
করা হবে,
সোজা কথায়,
কীভাবে একটি জাতিকে ধ্বংস
করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
শহরের প্রতিটি রাস্তায় ব্যারিকেড
দিয়ে রাখা হয়েছে,
লক্ষ্যস্থলে পৌঁছাতে দেরি হবে তাই
নির্দিষ্ট
সময়ের আগেই রাত সাড়ে এগারোটায়
পাকিস্তান সেনাবাহিনী অপারেশন
সার্চলাইটের কাজ শুরু করে দিল। শুরু
হলো পৃথিবীর
জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ, এই হত্যাযজ্ঞের যেন
কোনো সাক্ষী না থাকে সেজন্যে সকল
বিদেশী সাংবাদিককেদেশ থেকে বের
করে দেয়া হয়েছিল। তারপরেও সাইমন
ড্রিং নামে একজন অত্যন্ত
দুঃসাহসী সাংবাদিক জীবনের
ঝুঁকি নিয়ে ঢাকা শহরে লুকিয়ে এই ভয়াবহ
গণহত্যার খবর ওয়াশিংটন পোস্টের
মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে জানিয়েছিলেন।
২১
ঢাকা শহরের নিরীহ মানুষের ওপর
ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে পাকিস্তান
মিলিটারি সব
বাঙালি অফিসারকে হয় হত্যা না হয়
গ্রেপ্তার
করে নেয়, সাধারণ সৈন্যদের নিরস্ত্র
করে রাখে।
পিলখানায় ই.পি.আরদেরকে নিরস্ত্র
করা হয়েছিল, তারপরেও তাদের যেটুকু
সামর্থ্য
ছিল সেটি নিয়ে সারারাত যুদ্ধ করেছে।
রাজারবাগ পুলিশলাইনে পুলিশদের নিরস্ত্র
করা সম্ভব হয়নি এবং এই পুলিশবাহিনীই সবার
আগে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর
সাথে সত্যিকার একটি যুদ্ধ শুরু করে।
পাকিস্তান
সেনাবাহিনী অনেক ক্ষতি স্বীকার
করে পিছিয়ে গিয়ে ট্যাংক, মর্টার,
ভারি অস্ত্র, মেশিনগান
নিয়ে পালটা আক্রমণ
করে শেষ পর্যন্ত রাজারবাগ পুলিশ লাইনের
নিয়ন্ত্রণ নেয়।২২
২৫ মার্চের বিভীষিকার কোনো শেষ নেই।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি দল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এসে ইকবাল
হল
(বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) আর জগন্নাথ
হলের
সব ছাত্রকে হত্যা করল। হত্যার আগে তাদের
দিয়েই জগন্নাথ হলের সামনে একটি গর্ত
করা হয়,
যেখানে তাদের
মৃতদেহকে মাটি চাপা দেয়াহয়। এই নিষ্ঠুর
হত্যাকা-ের দৃশ্যটি বুয়েটের প্রফেসর নুরুল
উলা তাঁর বাসা থেকে যে ভিডিও
করতে পেরেছিলেন, সেটি এখন
ইন্টারনেটে মুক্তিযুদ্ধের
আর্কাইভে সংরক্ষিত
আছে, পৃথিবীর মানুষ চাইলেই নিজের
চোখে সেটি দেখতে পারে।২৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু ছাত্রদের নয়-
সাধারণ
কর্মচারী এমনকি শিক্ষকদেরকেওতারা হত্যা
করে। আশেপাশে যে বস্তিগুলো ছিল
সেগুলো জ্বালিয়ে দিয়ে মেশিনগানের
গুলিতে অসহায় মানুষগুলোকে হত্যা করে।
এরপর
তারা পুরানো ঢাকার হিন্দুপ্রধান
এলাকাগুলো আক্রমণ করে,
মন্দিরগুলো গুঁড়িয়ে দেয়, বাড়িঘর
জ্বালিয়ে দেয়। যারা পালানোর
চেষ্টা করেছে সবাইকে পাকিস্তান
মিলিটারি গুলি করে হত্যাকরেছে। ২৫ মার্চ
ঢাকা শহর ছিল নরকের মতো,
যেদিকে তাকানো যায় সেদিকে আগুন আর
আগুন,
গোলাগুলির শব্দ আর মানুষের আর্তচিৎকার।
tar por o রহস্য আছে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Narsingdi
