16/03/2024
এবিসি ফাউন্ডেশনের প্রথম উদ্যোগ
"পথচারী ইফতার" ২০২৪
আড়াই কোটি জনগোষ্ঠীর শহর ঢাকা। প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে চলে প্রায় ৭০-৮০ লক্ষ মানুষ।
মাহে রমজানের এই সময়ে ঢাকার রাস্তায় থাকে অসহনীয় ট্রাফিক জ্যাম।
ইফতার যত ঘনিয়ে আসে জ্যাম ততো বাড়তে থাকে, আর কোন কারনে রাস্তায় ইফতার করতে হলে নিজেকে খুবই অসহায় মনে হয়, যাদের অভিজ্ঞতা আছে তারা ভাল বুঝবেন।
এই অবস্থায় পথচারীর জন্য ইফতারের একটা ব্যবস্থা থাকা খুবই জরুরী। একটা মানুষ সারাদিন রোজা রেখে অন্তত একটা জায়গায় বসে এক গ্লাস পানি ও দুইটা খেজুর মুখে দিয়ে স্বস্থির ইফতার করবে নাগরিক হিসেবে এইটা আহামরি কোন চাওয়া নয়।
ব্যাক্তি হিসেবে আমি আমার বাসার সামনের রাস্তায় স্বস্তির ইফতারের জন্য "পথচারী ইফতার" নামক ছোট্ট একটা উদ্যোগ নিয়েছি। সামর্থ্য অনুযায়ী যে কয়জনকে পারছি ইফতারে সামিল করছি।
আলহামদুলিল্লাহ প্রথম ২ দিনে প্রচুর মানুষ এই উদ্যোগ সামিল হয়েছে
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও সামর্থ্যবান ব্যাক্তিরা এগিয়ে আসলে এই সমস্যার সুন্দর সমাধান সম্ভব।
সহযোগিতায়: Anydiapers.com
আয়োজনে: ABC Foundation
25/01/2021
২০২০ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন নরসিংদী জেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক,ও প্রত্ন-সংগ্রহকারী জনাব মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ পাঠান। ওনার হাত ধরেই আমরা খুজে পেয়েছি ওয়ারী-বটেশ্বর। যা প্রায় আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দূর্গ নগরী।
04/07/2016
সুপ্রিয় সুহৃদ,
শুভেচ্ছা নিবেন।রাষ্ট্র ও জনগনের জন্য হুমকি স্বরূপ
সন্দেহজনক যে কোন ধরণের অনলাইন
কর্মকাণ্ড,ফেসবুকের কোন সন্দেহজনক পোস্ট,
আইডি ,লিঙ্ক বা cyber crime সংক্রান্ত বা যে কোন
ধরণের Threat জানলে ও এ সংক্রান্ত কোন
information থাকলে সাথে সাথে e-mail করুন -
[email protected] এই ঠিকানায়
অথবা সরাসরি ফোন বা text করুন এই নম্বরেঃ
01769691508
(সবাইকে এটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হল)
সংগৃহীত
12/01/2016
নতুন করে আবার শুরু করাতে লজ্জার কিছু নেই। পুনরায় শুরু করা মানে নিজেকে আরেকটি বড় সুযোগ দেওয়া, সবকিছুকে আগের চেয়েও সুন্দর করে গড়ে তোলার।
12/01/2016
রক্ত নিয়ে ভাবনা আর না ,আর না
যখনি প্রয়োজন রক্তের তখনি পাশে আছে পুলিশ ব্লাড ব্যাংক ঃ ০১৭১৩৩৯৮৩৮৬
রক্ত দেয়া ও নেয়া সবার জন্য উন্মুক্ত !
06/01/2016
জনস্বার্থে জরুরী পোস্ট
"ব্রান্ড নিউ ক্যামেরা, মোবাইল, ল্যাপটপ.... কিনবেন? বাজারমুল্য এক লক্ষ হলেও বিক্রয় মুল্য মাত্র ২০ হাজার"
অনলাইন ক্রয়-বিক্রয় সাইটগুলোতে এই জাতীয় কিছু 'বিশেষ বিজ্ঞাপন' দেখে লোভ সামলানো দায়। নীচে একটা টিএন্ডটি নম্বর দেয়া থাকে। যে-ই ফোন করে জানতে চাইবেন, কেটে দিয়ে মোবাইল থেকে আপনাকে একটা ম্যাসেজ দেয়া হবে, যার অনুবাদ অনেকটা এ রকম...
"আমি বিমানবন্দর/নদীবন্দরের একজন কর্মকর্তা। উক্ত জিনিষটি বিদেশ থেকে আসা কার্গো থেকে অক্ষত অবস্থায় পেয়েছি (চুরি করেছি)। আপনি কিনতে চাইলে আমার এই মোবাইলে সেই পরিমাণ টাকা বিকাশ করতে হবে। বুঝতেই পারছেন, আমার পদবীর কারণে সরাসরি ক্যাশ টাকা নিতে অক্ষম। টাকা পাওয়ার পর আপনাকে ম্যাসেজ দেয়া হবে। সেই অনুযায়ী অফিসের গেইটে আসলে আমার পিয়ন আপনাকে জিনিষটি পৌঁছে দেবে।"
কী করবেন বুঝতে পারছেন না। এক পর্যায়ে স্থির করলেন, যাহ শালার.. গেলে বিশ হাজার..আসলে এক লাখ। মাঝখানে আশি হাজারের ছক্কা। করে দিলেন বিকাশ। এর পর দেখলেন, ঐ মোবাইল বন্ধ.. টিএন্ডটি ব্যস্ত। ছক্কা হয়েছে বটে, তবে ওদের পক্ষে... আপনি আউট
মূলতঃ আমাদের লোভকে পুঁজি করে একটা চক্র এ ধরণের প্রতারণা করে যাচ্ছে। এতে বিমানবন্দর/নদীবন্দরের কোন কর্মকর্তা/কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা আছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায় না। সতর্ক হউন। এদের সন্ধান পেলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করুন। আমাদের প্রত্যাশা, অনলাইন ক্রয়-বিক্রয় সাইটগুলো এ ধরণের আকাশ-পাতাল দর-ব্যবধানের আজগুবি বিজ্ঞাপনগুলো এলাও করবে না।
25/11/2015
মেয়ে : আব্বু , তুমি ঘন্টায় কত টাকায় আয় কর?
বাবা: (স্তম্ভিত হয়ে) কেন সেটা দিয়ে
তোমার কী দরকার?
মেয়ে: দরকার আছে আব্বু , প্লিজ বল না...!
বাবা: ২০০ টাকা।
মেয়ে: আমাকে সেখান থেকে অর্ধেক ধার দিতে পারবে?
বাবা: (রেগে গিয়ে) দেখ,
আমি অনেক কষ্ট করে টাকা রোজগার করি, তুমি যদি ভেবে থাকো আমার সেই টাকা
ধারকরে খেলনা কিনবে, তাহলে খুব খারাপ কাজ করেছো। এখন বরং ঘুমাতে
যাও।.বাবার রাগ কিছুক্ষণ পর নেমে গেলো। তিনি ভাবতে লাগলেন- হয়তো অন্য
কোন কাজে টাকাটা মেয়ের আসলেই দরকার। তিনি মেয়ের ঘরের দরজায় নক
করলেন-.
বাবা: ঘুমিয়েছিস মা?
মেয়ে: না, আব্বু ।
বাবা: এই নে, আমি তোর জন্য ১০০
টাকা নিয়ে এসেছি।
মেয়ে দরজা খুলে দিলো, তার হাতে একটা কাঁচেরবৈয়ামে
অনেকগুলো খুচরো টাকা দেখে বাবার মেজাজ আবারো খারাপ হয়ে গেল....
বাবা:তোমার আছে তো দেখছি যথেষ্ট টাকা আছে, তারপরও তুমি আমার কাছে টাকা ধার
চাইলে কেন?
মেয়ে : না আব্বু , আমার কাছে যথেষ্ট টাকা ছিলো না; তোমার ধার
দেয়া ১০০ মিলিয়ে হয়েছে।
এই নাওআব্বু , এখানে ২০০ টাকা আছে।
তুমি কী আগামী
কাল এক ঘণ্টা আগে বাসায় ফিরে আমার সাথে রাতের খাবার খেতে
পারবে??.তারপর আমাকে একটা গল্প শোনাবে, আমাকে জড়িয়ে আদর করবে... বাবা তার মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন।--------------------
-----কাদের জন্য এত কষ্ট
করছেন? একবারও কী জানতে চেষ্টা করেছেন, তাঁরা আসলে কী চায়? সম্মানিত
অভিভাবকদের কাছে প্রশ্ন রাখলাম?
02/11/2015
সমপূর্ন বিনামূল্যে ঘরে বসেই সেরে ফেলুন আপনার সিম নিবন্ধনের প্রক্রিয়া।
মনে রাখবেন "অবৈধ ও অনিবন্ধিত সিম দেশ ও জাতির জন্য বিপদজনক"
যেভাবে নিবন্ধন করবেন
ঘরে বসে সিম নিবন্ধন বা পুনর্নিবন্ধনের জন্য
এসএমএস পদ্ধতি চালু করেছে দেশের সব কটি
মোবাইল ফোন সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠান। বিনা
মূল্যে নির্দিষ্ট নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে কাজটি
করা যাবে।
সব সংযোগদাতার গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সিম
নিবন্ধনের নিয়ম প্রায় একই রকম। বাংলালিংক,
গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল এবং টেলিটকের
গ্রাহকেরা প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে
গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখবেন। এরপর
পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্মতারিখ এবং পূর্ণ নাম
ইংরেজিতে লিখতে হবে। শেষে তা পাঠিয়ে
দিতে হবে ১৬০০ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে
তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে। ভুল হলে সেটিও
জানা যাবে।
সিটিসেলের গ্রাহকদের ক্ষেত্রে জাতীয়
পরিচয়পত্র নম্বরের আগে U লিখতে হবে। এরপর
বাকি নিয়ম একই। অর্থাৎ জন্মতারিখ ও পূর্ণ নাম
লিখে ১৬০০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
01/08/2015
এ পি জে আবদুল কালাম চলে গেলেন গত ২৭ জুলাই। নানা বক্তব্য দিয়ে তরুণদের উৎসাহিত করেছেন। তাঁর বক্তব্য থেকে পাঁচটি উক্তি তুলে ধরা হলো:
*সমস্যাকে কখনো এড়িয়ে যেতে চাইবে না। বরং সমস্যা এলে তার মুখোমুখি দাঁড়াবে। মনে রাখবে, সমস্যাবিহীন সাফল্যে কোনো আনন্দ নেই। সব সমস্যার সমাধান আছেই।
*জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি আমি আলোকপাত করি। সেগুলো হলো: জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ, জ্ঞান আহরণ, অনেক বড় সমস্যায় পড়লেও লক্ষ্য থেকে সরে না আসা এবং কোনো কাজে সাফল্য ও ব্যর্থতা দুটোকেই নেতৃত্বগুণে সামাল দিতে পারা।
*এখন থেকে সবকিছুতে দেশের কথা মাথায় রাখবে। কোনো স্বপ্ন দেখলে নিজের সঙ্গে বাংলাদেশকে নিয়েও দেখবে, কোনো চিন্তা করলে বাংলাদেশকে নিয়ে করবে আর কোনো কাজে মগ্ন হলে বাংলাদেশের জন্য করবে।
*সমস্যাকে কখনো আমার ওপর চেপে বসতে দেব না। যত কঠিন সময়ই আসুক না কেন, কখনোই হাল ছেড়ে দেব না।
*হতাশ না হয়ে নিজেকে স্বপ্নপূরণের কতটা কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারছ, সেদিকে নজর রাখবে। কখনোই সাহস হারাবে না। নিজের একটি দিনও যাতে বৃথা মনে না হয়, সে চেষ্টা করো।
30/07/2015
ঘুর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পাবার পর দুর্যোগকালে করণীয়ঃ
- আপনার ঘরগুলোর অবস্থা পরীক্ষা করুন, আরও মজবুত
করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যেমন মাটিতে খুঁটি পুঁতে
দড়ি দিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশ বাঁধুন।
- সিপিপি এর স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগ
করুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন৷
- বিপদ সংকেত পাওয়া মাত্র বাড়ির মেয়ে, শিশু ও বৃদ্ধাদের
আগে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে
পৌঁছে দিতে প্রস্তুত হোন এবং অপসারণ নির্দেশের
পরে সময় নষ্ট না করে দ্রত আশ্রয়কেন্দ্রে যান৷
- বাড়ি ছেড়ে যাবার সময় আগুন নিভিয়ে যাবেন৷
- আপনার অতি প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যসামগ্রী যেমনঃ
ডাল, চাল, দিয়াশলাই, শুকনো কাঠ, পানি, ফিটকিরি, চিনি, নিয়মিত
ব্যবহৃত ঔষধ, বইপত্র, ব্যান্ডেজ, তুলা, ওরস্যালাইন ইত্যাদি
পানি নিরোধন পলিথিন ব্যাগে ভরে গর্তে রেখে ঢাকনা
দিয়ে পুঁতে রাখুন৷
- আপনার গরু-ছাগল নিকটস্থ উঁচু বাঁধে অথবা উঁচুস্থানে রাখুন৷
কোন অবস্থায়ই গোয়াল ঘরে বেঁধে রাখবেন না৷
কোন উঁচু জায়গা না থাকলে ছেড়ে দিন, বাঁচার চেষ্টা
করতে দিন৷
- শক্ত গাছের সাথে কয়েক গোছা লম্বা মোটা শক্ত রশি
বেঁধে রাখুন৷ রশি ধরে অথবা রশির সাথে নিজেকে
বেঁধে রাখুন যাতে প্রবল ঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে
ভাসিয়ে নিতে না পারে৷
- আশ্রয় নেয়ার জন্য নির্ধারিত বাড়ির আশেপাশে গাছের
ডালপালা আসন্ন ঝড়ের পূর্বেই কেটে রাখুন, যাতে
ঝড়ে গাছগুলো ভেঙে বা উপড়িয়ে না যায়৷
- রেডিওতে প্রতি ১৫ মিনিট পর পর ঘূর্ণিঝড়ের খবর
শুনতে থাকুন৷
- দলিলপত্র ও টাকা-পয়সা পলিথিনে মুড়ে নিজের শরীরের
সঙ্গে বেঁধে রাখুন অথবা সুনির্দিষ্ট স্থানে পরিবারের
সদস্যদের জানিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখুন৷
- টিউবওয়েলের মাথা খুলে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে
হবে এবং টিউবওয়েলের খোলা মুখ পলিথিন দিয়ে
ভালভাবে আটকে রাখতে হবে যাতে ময়লা বা লবনাক্ত পানি
টিউবওয়েলের মধ্যে প্রবেশ করতে না পারে৷
যে যেভাবে পারেন উপকূলীয় মানুষদের সতর্ক করুন।
আরো তথ্য থাকলে জানান।
উপরের পরামর্শগুলো নিজে জানুন ও অন্যকে জানাতে শেয়ার দিন
04/06/2015
এলসি (LC) করার নিয়ম
বিদেশ
থেকে
পণ্য
বা
যন্ত্রাংশ
আমদানী
করার
জন্য
অবশ্যই
ব্যাংকের
মারফত
এলসি
করতে
হয়
।
এই
এলসির
মাধ্যমেই
সরবরাহকারীরা
একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি রপ্তানি
করে থাকে। এলসি করতে হলে সবার আগে আপনার
কোম্পানীর টিন ভ্যাট করাতে হবে। এরপর ব্যংকে
গিয়ে কোম্পানীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। তারপর
ব্যাংক থেক এলসিএ ফর্ম কালেক্ট করে পূরণ করে
ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এই ফর্মে কিছু তথ্য প্রদান করতে
হয়। যেমন কি পন্য, দাম কত, কোন দেশ থেকে
আসবে প্রভৃতি। এ বিষয়ে নিচে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা
হয়েছে।
পর্যায় ১: কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্যাট করা।
আইআর সি (ইমপোর্ট রেজি: সার্টিফিকেট) করা।
পর্যায় ২: কোন ব্যাংক এ কোম্পানীর একাউন্ট করা।
পর্যায় ৩: যে পন্য আনবেন তার ইনডেন্ট কালেক্ট করা
(ধরা যাক আপনি ১৫ টন নিউজপ্রিন্ট কাগজ আনবেন কোরিয়া
থেকে। এখন যে কোম্পানী থেকে আনবেন সে
কোম্পানীর বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে গিয়ে দাম দর ঠিক
করে একটা ডকুমেন্ট নেবেন। এটাই ইনডেন্ট। আর
সে কোম্পানীর যদি বাংলাদেশ প্রতিনিধি না থাকে তাহলে
সে কোম্পানীতে সরাসরি মেইল করে দাম ঠিক করে
ডকুমেন্ট আনাতে হবে। তখন এটাকে বলা হয় পি আই বা
প্রফরমা ইনভয়েস। এতে পণ্যের বিস্তারিত, দাম, পোর্ট
অব শিপমেন্ট এসব তথ্যাদি থাকে।)
পর্যায় ৪: ব্যাংক থেকে এলসিএ (লেটার অব ক্রেডিট
এপ্লিকেশন) ফর্ম কালেক্ট করে ইনডেন্ট/পিআই
অনুযায়ী তা পূরন করে ব্যাংক এ জমা দেয়া।
পর্যায় ৫: এলসি মার্জিন জমা দেয়া । প্রথম দিকে ব্যাংক এ
পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যলু ২০,০০০
ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে।
তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে
তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার
সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:
আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন,
ভ্রাট, আইআরসি)
ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।
সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট
ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স
কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত
হবে)
এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে।
অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।