নারায়ণগজ্ঞের সাতগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান মৃত !
সাতগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওয়ামী চেতনায় ছোট থেকে বড় হয়ে একজন ইউ পি চেয়ারম্যান হয় জনমতের রায়ে আর নির্বাচিত চেয়ারম্যান তার এলাকার মানুষের ও রাস্তা-ঘাটের যে উন্নয়ণ করে তাতে সবাই খুব খুশি । আওয়ামীলীগের উন্নয়ণের রোল মডেল হিসেবে এই ইউনিয়নটি তুলে ধরা যেতে পারে । এখানকার ৮০% লোকজন তার পক্ষে । তিনি প্রচুর পয়সা কামাতো যা খুশি-মনে গার্মেন্টস, বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিজ ও ইপিজেড থেকে সম্মানী পেত তবে অধিকাংশ রাস্তাঘাট উন্নয়ণে ব্যয় করতো আর বলত য তিনি নেতৃকে অনুসরণ করছে ।
শেখ হাসিনা পালানোর পর এই ইউপি চেয়ারম্যানকে মেরে ফেলার জন্য যখন আসছিল তখন কোনভাবে জীবন নিয়ে পালাতে পেরেছিল ।
তার বাড়ী-ঘর পুড়িয়ে সব সৃত্মি রিসেট বাটনে ক্লিক করে মুছে দিয়েছে ।
আওয়ামী লীগের হাল ধরার মত শক্তি আর সাহস আর কেউ রইল না । তার করা ঢালাই করা রাস্তার দিকে তাকালে মনে পরে এক পরশি ভাই অদুদ মাহমুদ কত দূরে আজ মন ভাঙ্গা কষ্ট নিয়ে পরে আছে অথচ এলাকার স্বর্থপর জনগোষ্ঠী আজ সম্মানী নিয়ে তার সব উন্নয়ণ ভোগ করছে আর বলছে এই ফ্যাছিস্ট আসলেই মারবো !
Amdia union Awami league of Narsingdi
Amdia union awami league supporters and leaders.
এটা কি বললে লজ্জা হবে না-কি গর্বের বিষয় যে ২৬ লাখ ভারতীয় চাকরীরত ও ভারত নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ! যে মিথ্যা বলে সমগ্র জনগণ আওয়ামীলীগ কে বঞ্চিত করল । আওয়ামী লীগ দেশটা ধ্বংস করেছে ! দূর্নীতিতে সমৃদ্ধ এক জনগোষ্ঠী ! কত ঘুম আর খুনের অভিযোগ আর এগুলু বলে আজ যে ছাএ জনমত দেশটা স্বাধীন করল তার সুফল কি শুধু জামাত - বি এন পি ভোগ করবে আর আওয়ামীলীগ ভোটার ও তৃণমূল নেতা ও কর্মী যারা ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় গড়া জনমত শুধু জেলে ভাত খাবে ? এটাই তো কি নতুন স্বাধীনতার moral compass !!
ইলিশ তো বাঙ্গালী এবার পেট ভরে খাচ্ছে তাই নয় কি ? এখন কি চাদাঁ দিতে হয় না ? এখন কি প্রশাসনে দলীয়করণ হয় না ? এই স্বাধীনতা >>??
আমি জানি কি হবে !! এই সমন্বয়ক ও নেতারা তো বর্ডার এলাকার লোক তাই না ? তবুও কি আশা রাখা যাবে ??
শেখ হাসিনা, তারেক জিয়া ও ডঃ ইউনূস কিংবা সমন্বয়ক কাউকেই কি আমি বিশ্বাস করব ?
এরা কেউ কি সিস্টেম চালু করবে যা সকল দলীয় মানুষের উপকারে আসবে । এরা পারবে না ।
গঙ্গারিডায়ের মানুষের মানসিকতা এদের কারো মধ্যে নেই ।
আওয়ামী লীগ ধ্বংসের মূল কারণ - আদর্শবান নিজ ভোটারদের দূরে সরিয়ে হাই-ব্রীড নেতা নিয়োগ ও মূর্খ কর্মী নিয়োগ । যারা আঔয়ামী লীগের কর্মী হয়েও বেঈমানী করেছে তাদের রাজাকার না-কি মীরজাফর বলবেন । আপনি কি জানেন হাই-ব্রীডদের কর্মীরা ছিল বি এন পি'র নেতাকর্মী ! আদর্শবান আওয়ামী ভোটারগণ কোন আশা নিয়ে আওয়ামী লীগের সমর্থক থাকবে !! আমার মতে আওয়ামী লীগ মুছে যাক চিরতরে কেননা আওয়ামী এম পি, চেয়ারম্যান কখনোই তার ভোটারদের পক্ষেও কথা বলে নি তবে যারা পয়সা দিত তারা জামাত বা বি এন পি যেই হোক তাদের ইচ্ছায় একজন আদর্শবান আওয়ামীলীগারকে ডোবাতো । আমার কাছে কয়কশ প্পমাণ আছে ।
এজন্য বছর ২ আগে লিখেছিলাম যে এই জন্মে আমি আওয়ামীলীগ কিন্তু আবার জন্মালে যেন বি এন পি কর্মী হই ।
এখানকার আওয়ামী কর্মীরা লোভী ও স্বার্থপর কারণ একাই খেতো কাউকে দিত না ।
২ বছর আগে গঙ্গারিডাই পেইজে লিখেছিলাম গঙ্গারাষ্ট্রের প্রধানদের ধ্বংস করে কিভাবে ভারতীয়রা বঙ্গরাষ্ট্র তাদের অধীনে করেছিল তার একটা সিনেমা বানাবো তবে তা আর দরকার হবে না কারণ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ও পরে প্রধানদের লাঞ্চনা ও বিভিন্ন দোষে হাজতবাস এবং জামাতের অন্তরভর্তী সরকার পরিচালনা এটাই তো হতো সিনেমার পটভূমি ।
মনে রাখবেন - গঙ্গারিডাই রাজ্যের সত্যিকারের প্রধানদের আধ্যাত্বিকতা অতি চমকপ্রদ আর এটা গর্বের বিষয় নয় । আবেগ থেকে যদি সমসাময়িক পরিস্থতিতে কিছু লিখলে আধ্যাত্বিকতা হয়ে যায় ।
আমার মা ও মুক্তিযোদ্ধা ছিল কিন্তু সরকারের সুবিধাটা ভোগ করিনি। আমাদের কর্তব্য বলে জানি ।
গঙ্গারিডাই রাষ্ট্রের প্রধানরা ত্যাগী, কেউ ছোট করতে পারে না ।
আমি ২-৩ বছর আগে প্রধান মন্ত্রী হতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমি হই নি তবে আমার মতো সাধারণরাই প্রধান এখন । আমাকে প্রধান বানালে তো আজ এই অবস্থা হতো না । আমি তো আওয়ামীলীগের ভোটের যোগ্যতা রাখি তাই না ! প্রধান হওয়ার যোগ্যতা নাই ।
আওয়ামীলীগের সকল মেম্বার ও ওয়ার্ড নেতা কর্মী গ্রেফতার হচ্ছে আর্মী ও পুলিশ বাহিনীর কাছে । তৃণমূল কর্মীরা হাজতে যাচ্ছে ।
সংঘ দোষে শেখ হাসিনার মত ডঃ ইউনূসও কাল হয়ে যাবে !!
শেখ হাসিনা আমাদের শ্রদ্ধেয় নেতৃ যিনি ভারতের সাথে অতি মাএায় ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল যার প্রভাবে এদেশের মাটিতে ভারতীয় রাস্তা নির্মানাধীন আছে যা মানুষ সহ্য করতে পারেনি । বৈষম্য বিরোধী প্রধানগণ ২৬ লক্ষ ভারতীয় চাকরীরত আছে আর ভারতের কাছে বাংলাদেশ অধিনস্থ উপ-দেশে রূপান্তরিত তা রটিয়েছে যা অতিরঞ্চিত ও বটে আর তা ক্ষমতা লাভ ছাড়া কিছুই না । এদেশের যত রাাজনীতিবীদ আছেন তারা অতি লোভী ও স্বার্থপর তবে গঙ্গারিডাইয়ের মধ্যে কিছু নেতা আছেন যারা সত্যিই অন্যদেরমতো হবে না । দেশীয় মানুষ বুক ভরা আশায় ছিল যে কম মুল্যে ইলিশ মাছ খাবে তা আর পেল কই ঠকই ভারতীয়রা পাচ্ছে ।
আমরা পিছনে তাকালে দেখবো একমাএ গঙ্গা রাষ্ট্রের সীমার মধ্যে অবস্থিত নেতাগণ সর্বাধিক মর্যাদাবান ও মেধাবী যা প্রত্যেক দেশে সৃষ্টিকর্তা প্রিয় জনগোষ্ঠী থাকে যাদের পূর্ব-পূরূষ প্রকৃতি নির্ভর ছিল ।
মহান মুক্তিযোদ্ধে শেখ মুজিব জানতেও চাইলেন না কিভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধের ডাক আসলো আর এই কৃতিত্বটা কেন তাজউদ্দিন আহমেদকে দিলেন না যিনি ইন্ডিয়া থেেকে যৌথ বাহিনী তৈরীর করার চিন্তা বয়ে আনলো স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য । শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে বারবার লিখেছি যে ব্যক্তিত্ব বজায় রেখে ভারতীয়দের সাথে ব্যবসায়িক সমপর্ক গড়ে তুলুন । শেখ হাসিনার যে বিশাল বাহিনী ছিল তারা তো আমার মতো ভোটার ছিল না তারা পা চাটতো স্বার্থের জন্য । একজন ইউ পি চেয়ারম্যানের কাছে বহু চাটাচাটি করে তার শুভদৃষ্টি পাওয়া যেত ।
গঙ্গারিডাই পরিপূর্ণ বহুদেশীয় ও বহু ভিন্ন বংশীয় লোকজন তাদের মধ্যই বিরাজমান দেশীয় রত্ন যারা পিছনে থেকে মূল কাজটি করতো । এদের চিনিয়ে দিচ্ছি যথাঃ তাজউদ্দীন আহমেদ, আহসানুল্লা মাস্টার ও সোহেল তাজ এবং বি এন পি তে ছিল মান্নান ভূইয়া ও ডঃ আঃ মঈন খান তবে তাদের মধ্যে তাজউদ্দিন আহমেদ গঙ্গারিডাই এর প্রধান বংশীয় বলে আমি বিশ্লষক হিসবে মনে করি । যদিও খান ও ভূইয়া এদেশীয় বংশগত নয় তবে মান্নন ভূইয়া ও মঈন খানের চরিএ অনেকটা গঙ্গারিডাই রাজ্যর মহান মানুষদের চরিএগত বৈশিষ্ট লক্ষনীয় আর এটা হয়েছে তাদের পূর্বপূরূষ এদেশীয় মেয়ে বিয়ে করেছিল ।
আপনারা যারাই ক্ষমতায় আসেন তারা একজন অন্যজনের দোষ ধরে ক্ষমতা ছিনিয়ে ক্ষমতা লাভ করতে পারেন কিন্তু আপনাদের চরিএ ও আচরণ কি হবে তা আমি জানি ।
শেখ হাসিনা যেরকম ভুল করেছেন এরকম ভুল অজান্তেই করবেন ডঃ ইউনূস বা তারেক রহমান । দিন শেষে বদনাম ।।
কি আছে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যার জন্য শেখ হাসিনা ক্ষমতা হাড়ালো ?
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ হলো- ডোবানো পাহারের উপরিভাগ যা প্রবাল দ্বীপের স্বাক্ষ্য বহন করে আসছে ।
সেন্ট মার্টিন এর নিচের ভাগ ও চারপাশে আছে অগন্ত একুয়াটিক স্প্যাছিচ আরও আছে মহা-মুল্যবান রত্ন ভান্ডার যা এদেশের সম্পদ ।
এদেশের স্বক্ষমতার বাহিরের সম্পদ যা পশ্চিমা দেশগুলুর জন্য সহজতর । সেন্ট মার্টিন হাতছাড়া হওয়া মানে বিরাট সম্পদ হাড়ানো ।
সরকারের অজান্তে এমনিতেই আমরা হারিয়েছি পন্ডিত বিহারের মতো প্রাচিন বিশাল বৌদ্ধ ইউনিভার্সিটি যার মধ্যে ছিল ঐতিহাসিক ও প্রত্নত্বাওিক নিদর্শন । কোরিয়ান ডেভোলেপমেন্ট কম্পানি জেনে-শুনে ধ্বংস করে গড়ে তুলছে ব্যবসায়িক দুর্গ ।
বাংলাদেশের মানুষ কতটা নির্বোধ তা প্রথম বুঝে ছিল বৃটিশ কূটনীতিবীদরা যখন কয়েক হাজার সৈন্য নিয়ে কয়েক লক্ষ বাঙ্গালী-ভারতীয়দের হটিয়ে ২০০ বছর শাসন করেছিল । প্রকৃতপক্ষে শেখ হাসিনা নিজের দেশের প্রতি মায়া ছিল ঠিকই কিন্তু গতানুগতিক রজনৈতিক প্রক্রিয়া ভুলে ভরা ছিল আর এই প্রক্রিয়ায় দূর্নীতি ও চাদাঁবাজি করলে শাস্তির ব্যবস্থা ছিল না । আজ ডঃ ইউনূসের অজান্তেই দেশ সর্বহাড়া হওয়ার পথে । বিদুৎ ও গ্যাস সংকটে মানুষ রাস্তায় নামতে পারে । সমন্নয়কগণ সংস্কারের নামে জেলায় জেলায় নির্বাচনে ক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ।
বর্তমান ক্ষমতায় আসা মানুষদের প্রকৃত চরিএ ধরা পরেছে !
কয়েকজন লোভী ও দূর্নীতিগ্রস্থ আওয়ামী নেতা কর্মীর জন্য মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দিতে চলছে বর্তমান ছাএ জনতা । এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেড়ে উঠা মানুষই না বরং ইতিহিস জানা মানুষদের মনেও আঘাত দিচ্ছে । আমি গঙ্গারিডাই কিংডম পেইজে এদেশের মানুষর স্বার্থপরতা নিয়ে অনেকবার লিখেছি কিন্তু এই সমাজটাই নষ্ট হয়ে গেছে আর মানুষগলু উশৃঙ্খল ও অসেচেতন ও বিবেকহীন । একটা সত্যি মিলিয়ে নেবেন আজ যারা ক্ষমতার চেয়ারে বসে আছেন তারাও এমনভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করবেন যেন অন্যরা কিছু বলারও সুযোগ পাবে না আর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চিন্তা মাথায় ও আনার সাহসও করবে না ।
গঙ্গারিডাই কিংডমে হিন্দু পন্ডিতরা যাদের ধর্ম শিক্ষায় দিক্ষিত করেছিল তারা একটা সভ্য জাতিতে পরিণত হয় । এদিকে গঙ্গারাষ্ট্রের মানুষেরা ছিল সরল ও অসভ্য জাতি কিন্তু মানসিকতায় মহান । যারা ধর্মে শিক্ষিত ও সভ্য হয়েছিল তারা মাহেনজোদারো ও হরপ্পা ধ্বংসের পর বিভিন্ন সময় আসা বসবাসকারী জনগোষ্ঠী যারা বর্তমান নরসিংদীর ১০০ বর্গ কিঃমিঃ এর মধ্যে অবস্থিত নয় তবে কুমিল্লা, বিক্রমপুর ও ঢাকা শহর ও গঙ্গারাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত না । প্রধানদের এবং এদেশীয় মানুষদের চলার পথে বিভিন্ন ভুল ধরে আর অপমানিত করতো পরবর্তিতে চোরের অপবাদ ও বিভন্নভাবে ধ্বংস করে দেয় গঙ্গারিডাইয়ের সোনালী অধ্যায় ।
ভারত ঘরভর্তি মানুষের উন্নয়নের একটা অংশ ধর্মর নামে আর তামলুকের জন্য কর নিত যখন এদেশীয় মার্কেন্টাইল টাউন " বাবুরহাট " বাণিজ্য নগর কার্য মহাস্থান ও তামলুক ভিওিক হয় ।
অন্তবর্তীকালীন সরকার যদিও বিভিন্নভাবে সংস্কার করতে চায় সেখানে বি এন পি কিন্তু আওয়ামীলীগের মতই ধর-মার গতিতে এগুতে চায় তাহলে আর স্বাধীনতা রইল কই । আমরা চাই বি এন পি ক্ষমতায় আসুক কিন্তু এমন একটি ব্যবস্থা চালু করুক যাতে মানুষ কে এতো সমস্যায় পড়তে না হয় যেন শেখ মুজিবের কৃতিত্বের পাশে ডঃ ইউনূসের নাম চির অম্লান হয়ে রয় ।
অন্তবর্তীকললীন সরকারের শাষন ব্যবস্থা-
১. গণতন্ত্র প্রতিষঠার নামে গণহারে হত্যা মামলা এটা আইন ও বিচার বিভাগীয় উপদেষ্টার প্রতিহিংসা মূলক কাজ যা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত । বিচার ব্যবস্থায় অগণতান্ত্রিক ইচ্ছা ও মনোভাব পোষন ।
২. চাদাঁবাদির ঘটনায় চাদাঁবাচদেের দল-বদল ।
৩. স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সব পর্যায়ের নেতা কর্মীর বাড়ী-ঘর ও প্রতিষ্ঠান লুট অগ্নি-সংযোগ ।
৪. অপরাধী মন্ত্রী ও এমপিদের বিচারের নামে নাটকীয়ভাবে প্রতিশোধ পরায়ণ শাস্তির ব্যবস্থা ও মানহানী ।
৫. অস্থীতিশীল পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারা ।
৬. সমাজ সংস্কার করা ও রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা ছাএ জনতার নৈতিক দায়িত্ব তাই তাদেরকে কোন দল গঠনমূলক তৎপরতায় উস্কানী দিয়ে নতুন স্বার্থান্বেসী মহলের ইচ্ছা পূরণের সমর্থন করা ।
৭. সহনশীলতার অভাব ।
৮. সাধারণ আওয়ামীলীগ ভোটারদের হত্যার হুমকি ও কর্মে বিঘ্ন ঘটানো ।
৯. পূর্ববর্তী শাষন ও প্রসাশন প্রকৃয়ায় ববস্থা চালু রেখে দল বদল করা
১০. ঘুষ খেলে বা চাদাঁবাজি করলে ৫ বছরের কারাদন্ড আইন প্রতিষ্ঠা না করে এমন একটি অবস্থায় বহাল থাকা যে সাধারণ মানুষ একটি নতুন দল গঠনের আভাস পাওয়ার গুঞ্জন রটানোর সুযগ করে দেওয়া ।
১১. পূর্বাচল যা কাঞ্চন থেকে আমদিয়া ও সাতগাঁও পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকার কৃষকগণের ধানের জমি ভরট করে নেয় আমেরিকান সিটি সহ অনেক ল্যান্ড ডেভেলপার যারা জমি ভরাট করে বাজার মুল্যর চেয়ে অধক কম মুল্যে জমি কিনতে চাইছে আর কৃষক ন্যায্য মুল্য চাইলে দশ বছর অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে । এদিকে স্থানীয় নতুন নেতাদের ভাতা দিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছে ।
আওয়ামী লীগের আদর্শবাণ ভোটারগণ ভিন্ন দলে ভীর জমাতে পারে !
আওয়ামী লীগ ক্ষমতাকালীন পদ-মর্যাদা নিয়ে যে বাণিজ্য করতো তাতে আদর্শবান ভোটারগণ অঅবহেলিত হতো আর পদ-মর্যাদা লাভ করতো অশিক্ষিত ও কম-শিক্ষিত স্বার্থপর জনগোষ্ঠী তাই আওয়ামী লীগের একজন ভোটার হিসেবে আমি আজ মর্মাহত যে ১৫ বছর ক্ষমতা থাকা কালীন কোন ভোটারের খোজঁ যেহেতু নেন নি তাই আগামী নির্বাচনে কেউ প্রতিদ্বন্ধী হয়ে আমাদের আর লজ্জা দিবেন না ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Bonaid, Amdiya Union Road, Bonaid
Narsingdi
1603
