স্বপ্নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ-Swopner Chapainawabganj
চাঁপাইনবাবগঞ্জই আমাদের স্বপ্ন...আমাদ?
আমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের একটি জেলা। আমাদের প্রিয় এই জেলাটি বিভিন্ন দিক থেকে এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। এই জেলাকে এগিয়ে নিতে রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত এই জেলার কিছু সপ্নবাজ মেধাবী সন্তান স্বপ্নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়ে নিতে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি তাদের স্বপ্ন নিজ এলাকার সীমানা ছাড়িয়ে দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের স্বপ্নের পথের সঙ্গী হতেই এই পেজের যাত্রা শুরু।
তাই আ
#দেখার_কেউ_নেই
২৮ ডিসেম্বর,২০১৬ তারিখে ১০ টা ৫০ এর গেটলক গাড়িতে উঠেছি। এ যেন নরক দশা!
বাসের ফিটনেস নেই বলেই মনে হল! নড়বড় করছে সব! তার উপরে ছোট বাস। এই ছোট বাসেই ৪৯ জনকে ঠুসিয়ে দিয়েছে!
সিটের সামনের জায়গা দেখলে মনে হয় এটা লিলিপুটদের জন্য বানানো বাস! পা রাখার জায়গা নেই!
বলা হয়েছে গেটলকে দাঁড়িয়ে লোক নেয়া হয় না! তারপরেও দাঁড়িয়ে লোক নিয়েছে!
অভিযোগ জানানোর জন্য টিকিটের গায়ে কোন নম্বরও দেয়া নাই!
এ যেন ঘন্টা দেড়েকের সাক্ষাৎ নরক!
একই অবস্থা মহানন্দারও! এরা তো যাত্রীদের গরুর মত ঠুসিয়ে বাসের ভিতর ঢুকায়!
পর্যাপ্ত বাস সার্ভিস নেই বলে এদের ভাব এমন যে আমরা যা দিবো তাই যাত্রীদের গিলতে হবে! মাঝে মাঝে যাত্রীরা দুর্ব্যবহারেরও শিকার হচ্ছে।
দেখার কি কেউ নেই? কতদিন আর এই ভোগান্তি?
#দেখার_কেউ_নেই
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী মহাসড়োকের বেহাল দশা! এতই বাজে দশা যে ঘন ঘন দুর্ঘটনা ঘটছে, গ্লাস ভেঙে যাচ্ছে! বড় কথা হচ্ছে রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সময়ের দূরত্ব বেড়ে গেছে! প্রতিদিন মানুষের সময় নষ্ট হচ্ছে। এম্বুলেন্সে যাত্রী পরবিবহণের কথা বাদই থাকলো! কর্তৃপক্ষের দয়া হবে কবে?
31/10/2016
নামঃ আব্দুন নূর শিমুল
প্রাইমারী স্কুলঃ নবাবগঞ্জ পিটিআই প্রাইমারী স্কুল
হাই স্কুলঃ রাজারামপুর হামিদুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়
কলেজঃ নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ
উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ফারসি ভাষা ও সাহিত্য, চতুর্থ বর্ষ)
প্রাতিষ্ঠানিক সুশিক্ষা অর্জন করে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশের মানুষের সেবা করাকেই নিজের লক্ষ্য বানিয়েছেন তিনি। আর এর মাধ্যম হিসেবে তিনি রাজনীতিকেই বেছে নিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারার একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত আছেন। এছাড়া তিনি অন্যান্য সৃষ্টিশীল সংগঠনের সাথেও জড়িত আছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের তিনি একজন নির্বাহী সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সংগঠন বিজয় নিশান এরও সদস্য তিনি। এছাড়া সময় পেলেই তিনি কবিতা-গল্প লিখেন বিভিন্ন শিশু কিশোর পত্রপত্রিকায়। অবসর সময়টা অবশ্য বাইক চালিয়ে কিংবা আড্ডা দিয়ে কেটে যায়। ঘুমকাতুরে এই স্বপ্নবাজের অন্যতম শখ মুভি দেখা! বাংলাদেশ শিশু একাডেমী থেকে কুটির শিল্পে প্রথম স্থান অর্জন ও বিভাগীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান ধরে রাখা এবং সংগঠক হিসেবে বিভিন্ন স্বীকৃতি আদায়কে এখন পর্যন্ত তার অর্জন বলে মনে করেন।
স্বল্পভাষী এই স্বপ্নবাজ এতকিছুর মাঝেও নিজের শিকড়কে ভুলে যান নি। তিনি অন্য সবকিছুর সমান্তরালে নিজের জেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ সাধনে কাজ করে চলেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রথম চলচ্চিত্র সংসদের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক। এর মাধ্যমে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
উদ্যোমী এই স্বপ্নবাজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উন্নয়নে আরও অগ্রসর হোক এবং তার স্বপ্নের আঁচড়ে এই অঞ্চল আরও বর্নীল হোক এই কামনা রইলো।
30/10/2016
নামঃ আফিয়া ফাহমিদা
প্রাইমারী স্কুলঃ মসজিদ মিশন একাডেমী, রাজশাহী
হাই স্কুলঃ গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনাবাবগঞ্জ
কলেজঃ রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সিটিউট
উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ( কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং)
সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন করে একজন বড় সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হওয়াই নিজের জীবনের লক্ষ্য। গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইনে নিজের দক্ষতা এবং বিভিন্ন সংগঠনে নিজের সংশ্লিষ্টতাকেই নিজের অর্জন বলে মনে করেন তিনি। নিজের ক্যারিয়ার ছাড়াও নিজের শিকড় নিয়েও ভাবেন তিনি। তিনি তার স্বপ্নের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জকে নিয়েও স্বপ্ন দেখেন। তিনি উপযুক্ত সময়ে এই জেলায় নিজের একটি সফটওয়ার ফার্ম দিতে চান যাতে এই জেলাটি ডিজিটাল জেলার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়।
নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা দিয়েই নিজের জন্মস্থানকে সেবা দেয়ার স্বপ্নপূরণ হোক সেই কামনাই রইলো এই স্বপ্নবাজ আপুর জন্য। অনেক অনেক শুভ কামনা।
23/10/2016
নামঃ মো: মাশফিকুল হক হিমেল
প্রাইমারী স্কুলঃ মহারাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
হাই স্কুলঃ গ্রীন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়
কলেজঃ নববাগঞ্জ সরকারি কলেজ
উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (বিবিএ)
পড়াশোনা শেষে নিজেকে ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত করেই নিজেকে প্রতিষ্ঠত করতে চান তিনি। শুধু তাই না ব্যবসার মাধ্যমে সুন্দর সমাজ গঠনেও ভূমিকা রাখতে চান তিনি। তবে এখন পর্যন নিজের ব্যক্তিগত অর্জন নাই বলেই তিনি বিশ্বাস করেন। বেশ কিছু সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থাকলেও ভবিষ্যতে আরও বেশি সক্রিয় থাকতে চান সামাজিক কাজে। এ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে তার আলাদা কিছু পরিকল্পনাও আছে। তাঁর স্বপ্ন এই জেলার অনগ্রসর গ্রাম ও দুর্গম চরাঞ্চল নিয়ে যেখানে উন্নত চিকিৎসা এবং শিক্ষার আলো পৌঁছে নি। উন্নত নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত এইসব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়েই কিছু করার স্বপ্ন তার। তার বিশ্বাস এদের বাদ দিয়ে কোনভাবেই এই জেলার সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জকে নিয়ে তার বাস্তবসম্মত স্বপ্নগুলো বাস্তব হোক এই কামনা রইলো।
গতকাল আপনাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম এই মুহূর্তে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সমস্যাগুলো কী কী? আপনারা বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়েছেন। সেগুলা নিচে একে একে উল্লেখ করছিঃ
১) রাস্তাঘাটের বেহাল দশাঃ সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটির কথা এসেছে এবং প্রায় সবাই এই সমস্যাটির কথা বলেছেন!
২) ফিটনেসবিহীন যানবাহন! যেমন- লসিমন, করিমন নামক লাইসেন্স বিহীন যানবাহন!! বর্তমানে এসব যানবাহনই ভয়াবহ দুর্ঘটনাগুলোর অন্যতম কারণ! নির্ধারিত কিছু রুটে নিয়মিত বাস চলাচল শুরু করলে এইসব যানবাহন থাকবে না বলে মনে করছেন অনেকে।
৩) আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ হলেও সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল এই জেলায় আমের বাজারের জন্য আলাদা কোন জায়গা নেই! এর ফলে কানসাটে বাধ্য হয়ে রাস্তায় বাজার বসাতে হয়। এতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
৪) মাদক সমস্যাকে বেশ কয়েকজন মারাত্মক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন! এটা একদিকে যেমন উঠতি বয়সের তারুণ্যকে ধ্বংস করছে তেমনি অবক্ষয় ঘটছে নৈতিকতার। এর কারণ হিসেবে অরক্ষিত সীমান্ত, বেকারত্ব, আইনের শাসনের অভাব এবং সচেতনতার অভাবকে দায়ী করেছেন সাধারণ মানুষ।
৫) আইন শৃঙ্খলার অবনতিকে অনেকেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন!
৬) সুপেয় পানির অভাবও অন্যতম সমস্যা! বিশেষ করে গরমকালে। পানির পাম্প নিয়ন্ত্রনে দক্ষ লোকদের নিয়োগ না দেয়াকেই এর কারণ মনে করা হচ্ছে।
৭) শহরে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো না! এটা অন্যতম এক সমস্যা।
৮) ইভ টিজিং!! বর্তমানে মারাত্মক একটি সমস্যা! পারিবারিক শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ না থাকা এর অন্যতম কারণ। মাদক এই সমস্যার অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।
আমাদের জানামতে এই পেজে অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এমনকি সংসদ সদস্যরা ফলো করেন বলে তথ্য আছে। তাদের সকলের কাছে এই সমস্যাগুলো সবিনয়ে তুলে ধরা হল। অথবা উপযুক্ত ব্যক্তিগন চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই সমস্যাগুলো তাদের কাছে তুলে ধরবেন বলে আশা করি।
এই সমস্যাগুলা স্বপ্নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ গঠনের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে! চাঁপাইনবাবগঞ্জের তরুণ প্রজন্মের দেখিয়ে দেয়া এই বাধাগুলো দূর করে স্বপ্নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ গঠনে সহযোগিতা করবেন বলে আমাদের তরুণ প্রজন্ম দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করছে। :)
বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সমস্যাগুলো কী কী বলে মনে করেন আপনি যেগুলার আশু সমাধান হওয়া উচিত?
নির্দ্বিধায় কমেন্ট করুন!
07/05/2015
নামঃ সাদিয়া ইফাত মৌ
প্রাইমারী স্কুলঃ শিশু শিক্ষা নিকেতন
হাই স্কুলঃ গ্রীন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়
কলেজঃ নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ
উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ ন্যাশনাল সায়েন্স রিসার্চ অ্যান্ড টেকনলজি কলেজ (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, দ্বিতীয় বর্ষ)
নিজের পড়াশোনার বিষয়ে দক্ষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া আর নিজের পরিবারকে সাপোর্ট দেয়াই তার জীবনের লক্ষ্য। তিনি নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তার অভিজ্ঞতা দিতে চান। নানা গুণের অধিকারী মৌ আপু শিক্ষা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের সাথে ছোটবেলা থেকেই জড়িত। ছবি আকা-গান গাওয়া তার প্রিয় কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম। এছাড়া বাংলাদেশ গার্লস গাইডস এবং রেড ক্রিসেন্টের সাথে জড়িত আছেন তিনি। বর্তমানে স্বপ্নের র্যাক্সের কমিনিকেশন ডিপার্টমেন্টে যুগ্ন আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার স্বপ্ন 'স্বপ্ন' নামের সংগঠনটির কথা একদিন পুরো বিশ্ব জানবে এবং যতদিন পারবেন এই টিমের সাথে কাজ করে যেতে চান। শিক্ষা ক্ষেত্রে অন্যান্যদের নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগীতা করার চেষ্টা করেন তিনি। তবে সবকিছুর পরেও চাঁপাইনবাবগঞ্জকে ভুলে যান নি। তার নিজের জন্মস্থান নিয়েও তার অনেক স্বপ্ন আছে। তিনি স্বপ্ন দেখেন এই জেলা আরও উন্নত হবে এবং এই এলাকার মানুষ আরও সচেতন হবে। এই জেলার জন্য তিনি তার জায়গা থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন। মৌ আপুর সুন্দর সুন্দর স্বপ্নগুলো আমাদের জেলার পটে বাস্তবের তুলির আঁচড়ে রঙিন হোক এই কামনা রইলো।
08/04/2015
নামঃ মোঃ জামিলুর রহমান
প্রাইমারী স্কুলঃ নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
হাই স্কুলঃ হরিমোহন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়
কলেজঃ নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ
উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ)
নিজের লক্ষ্য একজন সৎ সাংবাদিক হওয়া। দেশের কোনায় কোনায় সকল মানুষের কাছে তথ্য পোঁছে দেয়া তার স্বপ্ন। সাথে সাথে রাজনীতিতেও তার আগ্রহ আছে। তাই রাজনৈতিক সাংবাদিকতায় নিজেকে প্রতিবেদক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তিনি। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইন নিউজ পোর্টাল 'স্বদেশ নিউজে ২৪ ডট কমে' কাজ করছেন। এমনি অনলাইন রেডিও স্বদেশে আর জে হিসেবেও কাজ করছেন।
ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি নানারকম পাঠ্য বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত। আবৃত্তি, উপস্থাপনা, নিউজ প্রেজেন্টেশনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সম্মানজনক স্থান লাভ করেছেন এবং দেড়শর অধিক সম্মাননা পত্র লাভ করেন তিনি। ২০০৭ সালে জাতীয় মৌসুমি প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার্স আপ এবং ২০০৯ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত 'কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন তিনি। তবে এত কিছুর পরেও তিনি তার স্বপ্নের চাঁপাইনবাবগঞ্জকে ভুলে যান নি। স্বপ্নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে তার কিছু পরিকল্পনা আছে এবং এখন থেকেই তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তিনি তার জেলায় উপস্থাপনার উপর ক্যাম্প পরিচালনা করেছেন। তিনি মনে করেন মিডিয়াতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নেগেটিভ দিকটা বেশি আসে। তাই তিনি তার লক্ষ্যে পোঁছার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভালো দিকগুলা সারা বিশ্বের সামনে ফোকাস করার স্বপ্ন দেখেন। সাথে সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আবৃত্তি, উপস্থাপনা, বিতর্কের জন্য একটা প্রশিক্ষনশালা খোলার স্বপ্ন দেখেন তিনি। মোটকথা তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জকে সারা বাংলাদেশর কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার স্বপ্ন দেখেন।
তার অসম্ভব সুন্দর সুন্দর স্বপ্নগুলো তুলির আঁচড়ে রঙ্গিন হোক এই কামনা ও শুভেচ্ছা রইলো।
07/04/2015
বাংলাদেশের নাট্য জগতে যারা আকাশসম খ্যাতি পেয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম মমতাজউদদীন আহমদ। মমতাজউদদীন আহমদ একাধারে নাট্যকার, অভিনেতা, শিক্ষক,নাট্য নির্দেশক, কলামিষ্ট ও সুবক্তা। নাট্য জগতে জড়িত হবার পর থেকেই তিনি নানাভাবে এই জগতকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের খ্যাতিমান এই শিক্ষক মমতাজউদদীন ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারী জন্মগ্রহন করেন তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের মালদহ। সেখানেই তাঁর শৈশব কৈশোর কেটেছে। পরবর্তীতে সাতচল্লিশের দেশবিভাগের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে বসবাস শুরু করেন। তিনি রাজশাহী কলেজে ইন্টারমিডিয়েট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ে অনার্স এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম এ পাশ করেন। নানা প্রতিভার অধিকারী হলেও তিনি মূলত তাঁর অভিনয় প্রতিভা দিয়েই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তিনি রেডিও ও টেলিভিশনে প্রচুর নাটক করেছেন।
মঞ্চে তার লেখা ও নির্দেশিত প্রথম নাটক ছিলো ‘তবুও আমরা বাঁচবো’। বেতারে প্রচারিত তার প্রিয় নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘কী চাহো শঙ্খচিল’। এ নাটকটি প্রতি বিজয় দিবসে বেতারে প্রচার করা হয়। টেলিভিশনে তার লেখা প্রচারিত প্রথম নাটক ছিলো ‘দখিনের জানালা’। তাঁর রচিত নাটকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল 'ঝড়ের মধ্যে বসবাস', স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা, বিবাহঘটিত ব্যাপার স্যাপার, সাতঘাটের কানাকড়ি, ক্ষতবিক্ষত, হাস্য লাস্য ভাষ্য ইত্যাদি।
একাত্তর সালে বেশ কিছু জনপ্রিয় নাট্যকরের মৃত্যুতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয় সেই শূন্যতা পূরণে তিনি অগ্রণী ভুমিকা রেখে চলেছেন। তিনি অনেক মৌলিক নাটক রচনা করেন, নাটক বিষয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ লেখেন, নাটক প্রযোজনা করেন, নাটকের নির্দেশনা দেন, বিশ্ব নাটকের বিশেষভাবে ইংরেজি নাটকের অনুবাদ করেন, নাটক মঞ্চস্থ করেন, নিজের নাট্যদল থিয়েটার গড়ে তোলেন এবং নিজে অভিনয় করেন।
এছাড়া তিনি অজস্র নাটক ও বেশ কিছু সিনেমাতেও অভিনয় করেন। হুমায়ূন আহমেদের নির্দেশনায় দশটি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। এইসবের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি ১৯৭৭ সালে একুশে পদক লাভ করেন।
এছাড়া তিনি সুদীর্ঘকাল শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত ছিলেন।নাটক বিষয়ে শিক্ষকতা করার পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষাক্রম এবং পাঠ্যসূচি প্রণয়নেও কাজ করেছেন তিনি। তার লেখা নাটক 'কী চাহ শঙ্খচিল' এবং 'রাজা অনুস্বরের পালা' রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যতালিকাভুক্ত।
ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়া নিউইয়র্কে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ মিশনের কালচারাল মিনিস্টারের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
তিনি যেকোনো অনুষ্ঠানে গর্বভরে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে নিজের জেলা বলে উল্লেখ করেন। দেশবরেণ্য এই গুণী ব্যক্তি সারাবিশ্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। উনি আমাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জের গর্ব, বাংলাদেশের গর্ব। স্বপ্নের চাঁপাইনবাবগঞ্জের পক্ষ থেকে তার জন্য রইল অনেক অনেক শুভ কামনা।
16/01/2015
নামঃ রাজিউল হুদা দীপ্ত
প্রাইমারী স্কুলঃগ্রীন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়
হাই স্কুলঃহরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
কলেজঃ নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ
উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (ইংরেজি)
বাবা মায়ের স্বপ্ন ছিল ছেলে ডাক্তার হবে। কিন্তু তার নিজের ইংরেজির প্রতি ঝোঁক ছিল ছোটবেলা থেকে। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিষয় হিসেবে তিনি ইংরেজিকেই বেছে নিয়েছেন। বি এ অনার্স শেষ করে উচ্চতর শিক্ষার জন্য তিনি দেশের বাইরে যেতে চান। সুযোগ পেলে সাংবাদিকতা বিভাগে উচ্চ শিক্ষা নিতে চান তিনি। ছোটবেলা থেকেই নিজেকে তিনি সৃষ্টিশীল কাজে জড়িয়ে রেখেছেন। আঁকাআঁকি,ফটোগ্রাফি,ফেসবুক-ব্লগে লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন তাই। ফেসবুকে তার লেখা একটি কবিতা দেখে সুদূর অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেইডের একটি কমিউনিটি রেডিও আরবিএ তে তার সেই কবিতা পড়া হয়। এমনকি সেখানে তিনি স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবেও কাজের সুযোগ পেয়ে যান! এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান একটি ব্যান্ড দলের সাথে লিরিসিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। লেখালিখির উপর তার একটি সাক্ষাৎকারসম্বলিত কানাডিয়ান ডকুমেন্টরী প্রচারিত হয়েছে। 'দিকের শেষ' নামে তার একটি কবিতার বই বের হয় ২০১৩ সালে। তবে এত কিছুর ভীড়েও তার একটি সুপ্ত স্বপ্ন আছে। শেষ পর্যন্ত নিজেকে তিনি একজন ফিল্মমেকার হিসেবেই গড়ে তুলতে চান। সাড়া বিশ্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে চান অন্যভাবে! তিনি মনে করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ অর্থনৈতিকভাবে অনেক সমৃদ্ধ। তিনি স্বপ্ন দেখেন একদিন তিনি ফিল্মের মাধ্যমে সারাবিশ্বকে দেখিয়ে দেবেন যে কীভাবে একটি ছোট্ট শহর আম রপ্তানী করে একটা দেশের অর্থনীতিকে কতটা উপরের দিকে নিয়ে গেছে। মনিটরের চার কোণায় আবদ্ধ করতে চান আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জকে; ছড়িয়ে দিতে চান এই এলাকার সৌন্দর্য সারাবিশ্বে। দীপ্ত ভাইয়ের বর্ণিল স্বপ্নগুলো তুলির আঁচড়ে বাস্তবের ক্যানভাসে ভাষা পাক এই কামনা রইলো। আমাদের পেজের পক্ষ থেকে তার জন্য রইলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Z6816
Nawabganj
6300RAJSHAHI
