08/06/2026
ইটালিতে চার অভিবাসীকে পুড়িয়ে হত্যা করল দুই পাকিস্তানী
ডয়েচে ভ্যালের খবর
-
ইটালিতে চার অভিবাসীকে গাড়ির ভিতরে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে৷ নিহতদের তিন জন আফগান, বাকি একজন পাকিস্তানি৷
বেঁচে যাওয়া এক অভিবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়ির দরজা বন্ধ করে আগুন লাগিয়ে চারজনকে হত্যা করেছেন দুই পাকিস্তানি ‘গ্যাংমাস্টার'৷
সোমবার ইটালির কালাব্রিয়া দক্ষিণাঞ্চলের আমেনদোলারায় এক পেট্রোল পাম্পে থামানো একটি ভ্যানের ভেতর থেকে ওই চার অভিবাসীর পুড়ে যাওয়া মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়৷ সিসিটিভি ফুটেজে ভেতরে চারজনকে রেখে দুই ব্যক্তি গাড়িটিতে আগুন দিচ্ছেন – এমন দৃশ্য দেখা গেছে৷
হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু হয়েছে৷ তদন্তের নেতৃত্বে রয়েছেন সরকারি কৌঁসুলি আলেসান্দ্রো ডি'আলেসিও৷ বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘আমার ৩০ বছরের কর্মজীবনে এমন নিষ্ঠুরতা কখনো দেখিনি৷''
ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি এই ‘ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের' তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারই প্রতিষ্ঠিত হবে৷ এক বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ‘‘সহিংসতা ও বর্বরতার মুখে ইটালি কখনো পিছু হটে না৷ জঘন্য এই অপরাধে পূর্ণ আলোকপাত করা এবং দায়ীদের সবাইকে ন্যায়বিচারের আওতায় আনা অপরিহার্য৷''
জানা গেছে, নিহত চার অভিবাসী ইটালির দক্ষিণাঞ্চলে ফল তোলার কাজ করতেন৷ সোমবারের ঘটনার একমাত্র জীবিত ব্যক্তি তাজ মোহাম্মদ আলামইয়ার জানান, সেদিন সারাদিন তারা স্ট্রবেরি তোলার কাজ করেছেন৷ দিনের কাজ শেষে দুই পাকিস্তানি ‘গ্যাংমাস্টার' (সর্দার) তাদের গাড়িতে করে বাসস্থানে পৌঁছে দিচ্ছিল৷ পথে জ্বালানি ভরার কথা বলে এক পেট্রোল পাম্পে গাড়ি থামানো হয়৷ কিন্তু জ্বালানি না ভরে তাদের ভেতরে আটকে রেখে ওই দুজন গাড়ির ওপর পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়৷
ইটালির ‘লা রিপাবলিকা' পত্রিকাকে তাজ মোহাম্মদ আলামইয়ার বলেন, ‘‘আমরা চিৎকার করছিলাম, কিন্তু তারা পেছনের দরজা খুলে ভেতরে একটা লাইটার ছুঁড়ে দিলো। মুহূর্তের মধ্যেই সব যেন দোজখ হয়ে গেল৷'' তাজ জানান, এক পর্যায়ে গাড়ির পেছন দিয়ে অতিকষ্টে বের হয়ে কোনোমতে প্রাণে বেঁচেছেন তিনি।
কালাব্রিয়ার আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট রবার্তো ওকিউতো মনে করেন, এই হত্যাকাণ্ড থেকে ইতালির শিক্ষা নেওয়ার আছে৷ তিনি বলেন, ‘‘এ এমন এক মর্মান্তিক কাহিনি, যা আমাদের বিবেককে নাড়া দেয় এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত ট্র্যাজেডি, মানবিক মর্যাদার মূল্য আর সবচেয়ে অসহায় জনগোষ্ঠীর প্রতি সভ্য সমাজের যে দায়িত্ব পালন করা উচিত, সে সম্পর্কে গভীর প্রশ্ন উত্থাপন করে৷''
সোমবারের ঘটনায় কোনোরকমে রক্ষা পাওয়া তাজ মোহাম্মদ আলামইয়ার ইটিলির বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন৷ সাক্ষাৎকারের সময় তার দুই হাত ও ডান বাহুতে ব্যান্ডেজ বাঁধা ছিল৷ তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজন ছিলেন আফগান এবং একজন পাকিস্তানের নাগরিক৷
ঘটনাস্থলের কাছের কাস্ত্রোভিল্লারি শহরের সরকারি কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, একাধিক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে দুজন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে৷ তবে আটক ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি৷
এসিবি/ জেডএইচ (রয়টার্স)
07/06/2026
>
এইমাত্র রাত (১১.৪৩) ঢাকায় ভূ*মি*ক*ম্প অনুভূত!
07/06/2026
শেষ ১১ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনালের ফলাফল।
05/06/2026
বাংলাদেশের সবচেয়ে অবমূল্যায়িত জায়গাগুলোর একটা নিঃসন্দেহে নোয়াখালী।
নোয়াখালীর নাম শুনলেই অনেকের মাথায় আগে আসে একটা আলাদা টানযুক্ত ভাষা।
কিন্তু নোয়াখালী শুধু একটা ভাষা না।
নোয়াখালী একটা মানসিকতা।
একটা সাহস।
একটা বেঁচে থাকার গল্প।
আমি যতবার নোয়াখালীর মানুষের সঙ্গে মিশেছি, ততবার মনে হয়েছে এই জেলার মানুষগুলো অন্যরকম।
এরা সহজে হারে না।
সমুদ্রের সঙ্গে যুদ্ধ করে, নদীভাঙনের সঙ্গে যুদ্ধ করে, ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে যুদ্ধ করে।
তারপরও নতুন করে ঘর বানায়।
নতুন করে স্বপ্ন দেখে।
এই মানসিক শক্তি সবার থাকে না।
ক্রিয়েটিভ হবে না কেমনে?
একদিকে মেঘনার বিশাল মোহনা।
অন্যদিকে হাতিয়া, নিঝুম দ্বীপ, সুবর্ণচরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল।
যে শিশুরা ছোটবেলা থেকেই দিগন্তজোড়া আকাশ আর জলরাশি দেখে বড় হয়, তাদের চিন্তাও একটু বড় হবেই।
নোয়াখালী এমন একটা জায়গা, যেখানে প্রকৃতি প্রতিদিন নতুন করে মানচিত্র আঁকে।
আজ যে জমি আছে, কাল সেটা নদী।
আজ যে নদী, কাল সেটা চর।
এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নিতে এখানকার মানুষও হয়ে উঠেছে অভিযোজনের ওস্তাদ।
বাংলাদেশের রাজনীতি, ব্যবসা, শিক্ষা, প্রশাসন—সব জায়গাতেই নোয়াখালীর মানুষের শক্ত অবস্থান আছে।
দেশের বহু প্রভাবশালী নেতা, শিক্ষাবিদ, উদ্যোক্তা আর চিন্তাবিদ এই অঞ্চলের সন্তান।
কারণ একটা জিনিস তারা ছোটবেলা থেকেই শিখে—
কঠিন পরিস্থিতি মানেই শেষ না।
কঠিন পরিস্থিতি মানে নতুন শুরু।
ঢাকার বাচ্চারা বড় হয় দালানের ফাঁকে আকাশ দেখে।
আর নোয়াখালীর বাচ্চারা বড় হয় খোলা দিগন্ত দেখে।
নদীর পাড়ে বসে।
বাতাসের শব্দ শুনে।
বর্ষার মেঘ দেখে।
সমুদ্রের গল্প শুনে।
ক্রিয়েটিভ হবে না কেমনে?
নোয়াখালীর সবচেয়ে বড় শক্তি তার মানুষ।
পরিশ্রমী।
উদ্যোগী।
আর ভয়ংকর রকমের আত্মবিশ্বাসী।
এরা সুযোগের অপেক্ষা করে না।
সুযোগ তৈরি করে।
প্রতিটা অভিভাবকের উচিত তাদের সন্তানদের একবার হলেও নোয়াখালী নিয়ে যাওয়া।
যাক, নিঝুম দ্বীপ দেখে আসুক।
মেঘনার পাড়ে বসুক।
সন্ধ্যার বাতাস খাক।
চরাঞ্চলের জীবন দেখুক।
বুঝুক, জীবন মানে শুধু শহরের চার দেয়াল না।
জীবন আরও বড়।
অনেক বড়।
এই দেশে আমরা দিন দিন আরামের মধ্যে বন্দী হয়ে যাচ্ছি।
নোয়াখালী এখনো মানুষকে সংগ্রাম করতে শেখায়।
নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখায়।
আর যে জায়গা মানুষকে সংগ্রাম করতে শেখায়, সেই জায়গা কখনো সাধারণ হতে পারে না।
নোয়াখালী তেমনই একটা জায়গা।
সরল।
সংগ্রামী।
কিন্তু অসাধারণ।
লেখাঃ পাবলিকিয়ান পেইজ।
04/06/2026
ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৬ আর মাত্র বাকি ৭ দিন ❤️💥🏆
04/06/2026
গরমে স্বস্তি দিতে প্রায় সারাক্ষণই চলে সিলিং ফ্যান। ঘরে ছোট শিশু বা বয়োজ্যেষ্ঠ থাকলে একাধিক ফ্যান একসঙ্গে চালানোরও প্রয়োজন হয়। তবে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের অঙ্ক দেখে অনেকেই চিন্তায় পড়েন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্যান চালাতে আসলে খুব বেশি খরচ হয় না—বরং অন্যান্য যন্ত্রপাতির ভুল ব্যবহারের কারণেই বিল বাড়ে।
বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞদের হিসাবে দেখা গেছে, একটি সাধারণ সিলিং ফ্যান ৭০ ওয়াট থেকে ১০০ ওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যদি ধরা হয় একটি ফ্যান ৭০ ওয়াটের, তাহলে এটি এক ঘণ্টায় ৭০ ওয়াট বা ০.০৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে।
বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ৭ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসেবে ০.০৭ ইউনিট × ৭.৫০ টাকা = ০.৫২৫ টাকা, অর্থাৎ এক ঘণ্টা ফ্যান চালাতে খরচ হয় মাত্র ৫০ পয়সা।
দিনে যদি ১০ ঘণ্টা ফ্যান চলে, তবে প্রতিদিন খরচ হবে ৫.২৫ টাকা। আর এক মাসে (৩০ দিন) সেই খরচ দাঁড়াবে প্রায় ১৫৮ টাকা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হিসাব থেকেই বোঝা যায় সিলিং ফ্যান বিদ্যুৎ খরচের দিক থেকে খুবই সাশ্রয়ী। বিদ্যুৎ বিল বেড়ে গেলে তার মূল কারণ থাকে ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন বা অন্যান্য উচ্চ ক্ষমতার যন্ত্রপাতি, এবং অনেক সময় লুকানো বিদ্যুৎ অপচয়
04/06/2026
এবারের ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রতি গ্রুপ থেকে ফেভারিট টিম।৷
আপনার পছন্দের দল কোনটি কমেন্ট করে জানিয়ে রাখুন।
04/06/2026
ছবির এই মেয়ের নাম রিয়া, বাড়ি পাবনা, রিয়া ক্লাস এইটের ছাত্রী, বোনের বাসায় গিয়েছিলো বোনকে ডাক্তার দেখানোর জন্য। সেখান থেকে ফেরার সময় তাকে তুলে নিয়ে ধ*র্ষণ করে মেরে ফেলা হয়েছে! লাশ পাওয়া গেছে কচুরিপানা ভর্তি ডোবায়!
খারাপ লাগেনা আপনাদের? কষ্ট হয়না? এই মেয়েগুলোর কি দোষ বলেন তো? বাংলাদেশে জন্মানোই কি ওদের আজন্ম পাপ? আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তা কি এখানে? কি নিরাপত্তা বলেন মাননীয় আইন আদালত?
বলেন আর কত মেয়ে মারা গেলে এই দেশে আপনারা ধর্ষণ বন্ধ করতে পারবেন? আর কত রিয়া রামিসা আছিয়ার জীবন গেলে এখানে ধর্ষকদের থামানো যাবে? জবাব চাই জবাব দেন, বিচার চাই বিচার করেন।। যদিও বিচার চাইতেও লজ্জা লাগে।
লজ্জা লাগে কেন জানেন? কারণ, আছিয়া হত্যার আসামী হিটু শেখ এখনো জেলে বসে সরকারি খাবার খাচ্ছে, তার দৃশ্যমান কোনো শাস্তি দেড় বছরেও হয়নি, রামিসা হত্যার প্রধান আসামী জেলে বসে সরকারি খাবার খাওয়া শুরু করেছে। তার পক্ষে উকিল পাওয়া গেছে, সেই উকিল ইনিয়ে বিনিয়ে আসামীকে নির্দোষ বানানোর চেষ্টা করছে। আর এদিকে নতুন নতুন ধ*র্ষনের ঘটনা প্রতিদিন ঘটে চলছে। প্রত্যেক দিন কেউ না কেউ ধর্ষিতা হচ্ছে সোনার বাংলায়।।
সমস্যা নাই আমরা কথা বলবো, আমরা বিচার চাইবো। ধর্ষণের বিচার হতে হবে, ধর্ষকের বিচার হতে হবে, আমরা যার জায়গা থেকে কথা বলেই যাবো।। বিচার করলেও বলবো, না করলেও বলবো বিচার চাই।।
#রিয়া_হত্যার_বিচার_চাই
#রামিসা_হত্যার_বিচার_চাই
#আছিয়া_হত্যার_বিচাট_চাই