Our Senbag ,Our Pride

Our Senbag ,Our Pride

Share

25/12/2023
15/11/2023

Jatiyo Party , the Joker of Bangladesh since 2013 in the political arena of the Country, will come up with no surprises. People know them well .

27/06/2022

শুধু এই জুনে সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য উত্তলনকৃত অর্থের হিসেব।😷😷😷
গোপনে একাউন্টস অফিস থেকে উত্তলন করা হয় কোন শিক্ষক এই হিসাব সম্পর্কে কিছুই জানে না।নিজের উন্নতি বেশ ভালো হচ্ছে। এই যেন হরিলুটের বাংলাদেশ। তার উপর ছাত্রদের জিম্মি করা হচ্ছে হয় প্রাইভেট না হয় ফেল আর প্রাইভেট পড়লে প্রশ্ন দিবে এমন নিশ্চয়তা তো আছে ই। আমরা যা শেখাচ্ছি বাচ্চারা তাই শিখতাছি কিভাবে আমরা পরবর্তী প্রজন্মে ভবিষ্যৎ গলা টিপে হত্যা করছি। অভিভাবকহীন সেনবাগ তাই এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক 😥😥😥😥

শহিদুল ইসলাম , খন্ডকালীন শিক্ষক , সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় l

24/06/2020

বিশ্বায়নের এ যুগে উন্নত দেশগুলোতে ইতোমধ্যেই কোম্পানি সচিব বা কোম্পানি সেক্রেটারি তথা কর্পোরেট সেক্রেটারী একটি মর্যদাশীল পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত । উপরন্তু, সব দেশে কোম্পানি সুশাসন আজ একটি বহুল আলোচিত বিষয়। আর সুশাসন প্রতিষ্ঠার সাথে কাজ করছে চার্টার্ড সেক্রেটারি প্রফেশন। এ কারণে আজ সারা বিশ্বে চার্টার্ড সেক্রেটারি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক পেশা হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া কোম্পানিকে লাভজনক ও যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন। এজন্য এ পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিকে আইনি পরিপালন (compliance) হিসাব ও ব্যবসা প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে হতে হয় দক্ষ, অভিজ্ঞ ও কৌশলী।

বাংলাদেশেও বর্তমানে এটি একটি মর্যদাশীল পেশায় পরিনত হয়ছে । কেননা ,বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কোম্পানি, ব্যাংক, বিমা ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানে কোম্পানি সেক্রেটারি এবং চীফ কম্প্লায়েন্স অফিসার পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পদের জন্য উপযুক্ত প্রার্থীর অভাব কোম্পানি সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায়। তবে আশার কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারের চার্টার্ড সেক্রেটারিজ আইন, ২০১০ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) এ পেশার উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

যদি ব্যবসায়িক আইন ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় আপনার আগ্রহ থাকে, তাহলে আপনি একজন কোম্পানি সচিব হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। একজন কোম্পানি সচিব মূলত যেকোন পাবলিক অথবা প্রাইভেট কোম্পানির সর্বোচ্চ সিনিয়র পদের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সহজ ভাষায় বলতে গেলে কোন কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের পক্ষে কোম্পানির বোর্ড অব ডিরেক্টর্স তথা পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানিটি পরিচালনা করেন । কোম্পানি সচিব উক্ত পরিচালনা পর্ষদ এবং কোম্পানির টপ মেনেজেন্টের মাঝে প্রধান সমন্বয়কের কাজ করেন । কোম্পানি সচিব পরিচালনা পর্ষদ সভায় ,সভা সঞ্চালনে কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টরদের সহযোগীতা করেন এবং সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করেন। এক কথায় কোম্পানি সচিব পরিচালনা পর্ষদের চোখ,মুখ এবং হাতের কাজ করেন ।শুনতে অবাক হতে পারেন এই জেনে যে , অন্যান্য চাকুরীতে ৩০ বছর বয়স হলো উক্ত চাকুরীতে প্রবেশের সর্বোচ্চ সীমা ,কিন্তু কোম্পানি সচিব পেশার জন্য ৩০ বছর বয়স হলো উক্ত চাকুরীতে প্রবেশের সর্ব নিম্ন বয়স সীমা ।

বিস্তারিত:

#কর্পোরেট_সংবাদ :

https://www.corporatesangbad.com/298088/?fbclid=IwAR1_vonJx0kxt_aYWTWamcDEzMneZ6UxeLxCmkIDh62BBXnnneO0twM4gRI

#কর্পোরেট_চার্টার :

https://corporate-charter.news/?p=786

#ব্যাংক_বীমা_শিল্প:

http://bankbimashilpa.com/news-view/718

#বিনিয়োগ_বার্তা :
http://biniyougbarta.com/কোম্পানি-সেক্রেটারি-হিসে/

:

https://insurancenewsbd.com/article/insurance-advice/2674/

.news
http://insurancebd.news/description/1763/

.com:
http://www.sharenews24.com/article/24079/index.html

#শেয়ার_বাজার_নিউজ:
http://www.allbanglanewspapersbd.com/sharebazarnews/

:
http://www.coxsbazarnews.com/archives/267420.html/

.com :
https://www.bahumatrik.com/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F/75835

28/05/2020

// উই আর জাস্ট ফ্রেন্ড //

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গায় আজ জাস্ট ফ্রেন্ড এ সয়লাব। জাস্ট ফ্রেন্ড হয়ে একজনের গায়ে হাত দেওয়া, তার কান মলে দেওয়া, ছবি তুলে দেওয়া একসাথে খেতে যাওয়া এগুলো সবি হারামের অন্তর্ভুক্ত। আজ যারা আমরা জাস্ট ফ্রেন্ড নামক নোংরামিতে লিপ্ত তাদের ভাবা উচিত আমরা আগুন নিয়ে খেলা করছি না তো??

ইমাম ইবনু তাইমিয়া রহ. বলেন -"নারীদের সাথে পুরুষের অবাধ মেলামেশা যেনো আগুনের সাথে কাঠকে মেশানোর মতো"।

আগুন যেমন আস্তে আস্তে সব ভস্মীভূত করে দেয়, তেমনি এই ফ্রি মিক্সিং ও আস্তে আস্তে আপনার আমল, আখলাক নষ্ট করে দেয়। জাস্ট ফ্রেন্ড বলে আপনি তার শরীরে হাত দিচ্ছেন, তাকে নিয়ে ঘুরতে যাচ্ছেন তার দিকে তাকিয়ে থাকেন আবার আপনিই বলছেন এতে কোন সমস্যা নাই!!

রাসূল (ﷺ) বলেছেন -"নিশ্চয়ই তোমাদের কারো মাথায় লোহার পেরেক ঠুকে দেওয়া ঐ মহিলাকে স্পর্শ করা থেকে অনেক ভাল যে তার জন্য হালাল নয়"।[ত্বাবারানী; সহীহুল জামে-হাদিস নং: ৪৯২১]

কত গুরুত্বপূর্ণ কথা মাথায় পেরেক মারা কত কষ্টের বিষয় যেখানে পায়ে একটা কাটা বিধলেই আমরা কুপকাত হয়ে যাই। তাহলে আপনি কি একটা মেয়ের হাত ধরাকে মাথায় পেরেক মারার চেয়েও উত্তম মনে করেন?! যদি উত্তর হয় হ্যা তাহলে বুঝবো আপনি সত্যিকারের পুরুষ নন।

কিন্তু কুরআন বলছে- "নরনারীরা তোমরা তোমাদের দৃষ্টিকে অবনমিত রাখ এবং লজ্জাস্হানকে হেফাজত কর "।[সূরা নূর আয়াত : ৩০,৩১]।

আপনি একটা মেয়ের দিকে তাকাবেন আর বলবেন আমি ত তাকে অন্য দৃষ্টিতে দেখি না তাহলে বলবো আপনি পুরুষ না।

একটি হাদিস বলি তাহলে বিষয়টা বোধগম্য হবে-রাসূল (ﷺ) বলেছেন - "চোখের যিনা হলো তাকিয়ে থাকা, কানের যিনা হলো অশ্লীল কিছু শোনা, হাতের যিনা হারাম কিছু স্পর্শ করা, পায়ের যিনা হারাম কাজ বাস্তবায়ন করতে যাওয়া।" [বুখারী : ৬২৪৩]

তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন, আপনি কতগুলো গুনাহর অংশীদার হচ্ছেন শুধুমাত্র জাস্ট ফ্রেন্ড এর কারনে। আপনি চোখ দিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছেন, হাত দিয়ে স্পর্শ করছেন, পা দিয়ে হেঁটে তার সাথে চলছেন এগুলো সবি যিনার অন্তর্ভুক্ত। যিনাকারীর শাস্তি জাহান্নাম। হে যুবক একবার ভাবো, এই জাস্টফ্রেন্ড ই তোমাকে জাহান্নামে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট আর জাহান্নামের শাস্তি সম্পর্কে তুমি জানো!! এর আগুনের তীব্রতা দুনিয়ার আগুনের চেয়েও ৭০ গুণ বেশি!!

তারপরও কি তুমি তোমার জাস্ট ফ্রেন্ড নিয়ে মেতে থাকবে!!

আল্লাহ বলেছেন - "কেউ যদি আমার জন্য কোন হারাম কাজ ছেড়ে দেয় আমি তাকে এমন কিছু দেব যা তার কল্পনার ও বাইরে"..

তাই আসুন রবের ডাকে সাড়া দিয়ে নিজের জীবনকে আলোকিত করি এবং জাস্ট ফ্রেন্ড নামক নোংরামি থেকে বেঁচে চলি। এ থেকে বেরিয়ে আসার কিছু টিপস:

১.আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করুন, সর্বাবস্থায় তাঁকে স্মরণ করুন ;

২.মৃত্যুকে স্মরণ করুন আপনি কি এই হারাম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করতে চান??

৩.নিজের দৃষ্টিকে অবনত রাখুন, নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করুন ;

৪.আল্লাহর কাছে সাহায্য চান ও দোয়া করুন ;

বি.দ্রঃ এরপরও কিছু মানুষ তা থেকে দূরে থাকবে না তাদের কান, চোখ, মাথা আছে কিন্তু উপলব্ধির জায়গা নেই। আফসোস তাদের জন্য!!

|| জাস্ট ফ্রেন্ড ||

28/05/2020

সহজে ভেঙ্গে পড়বেন না
১) যখন রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথে
প্রতারণা করবে ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে
রাখবেন, হযরত ইউসুফ (আঃ) আপন ভাইদের দ্বারা
প্রতারিত হয়েছিলেন।
.
২) যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াবেন,
ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত
ইব্রাহীম (আঃ) নিজ পিতার দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত
হয়েছিলেন।
.
৩) যখন ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে
আসার আর কোন উপয়ান্তর খুঁজে না পান, আশার
শেষ আলোটুকুও দেখতে না পান, ভেঙ্গে
পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইউনুস (আঃ )
মাছের পেটের অন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও
উদ্ধার হয়েছিলেন।
.
৪) যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করা হবে
আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙ্গে
পড়বেন না, এসবে কান দিবেন না। মনে রাখবেন,
হযরত আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) এর বিরুদ্ধেও অপবাদ
আরোপ করা হয়েছিল।
.
৫) যখন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন, ব্যাথায়
কাঁতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে
রাখবেন, হযরত আইয়ুব (আঃ) আপনার চেয়েও
হাজারগুন বেশী অসুস্থ ছিলেন।
.
৬) যখন আপনি নির্জন/একাকীত্বে ভোগেন,
ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরন করুন, হযরত আদম
(আঃ) কে, যাকে প্রথমে একাকী সঙ্গীবিহীন
সৃষ্টি করা হয়েছিল।
.
৭) যখন কোন যুক্তি দিয়েই আপনি কোন একটি
অবস্থার পেছনের কারণ খুঁজে পাবেন না, তখন
কোন প্রশ্ন ব্যতীতই স্মরণ করুন হযরত নুহ (আঃ)
এর কথা। যিনি অসময়ে কিস্তি/নৌকা তৈরি করেছিলেন।
.
৮) যখন আপনি পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব,
সর্বোপরি সারা দুনিয়ার দৃষ্টিতে কৌতুকের পাত্রে
পরিণত হবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরণ করুন,
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ
ﷺ এর কথা। যিনি তাঁর আপনজনের হাসি-
তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন।
.
আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রেরিত সকল পয়গম্বরগণকেই
পরীক্ষায় ফেলেছিলেন এবং তাঁদেরকে উদ্ধার
করেছিলেন। এজন্য যে, যাতে করে দ্বীন
পালনের ক্ষেত্রে পরবর্তী উন্মতেরা ধৈর্য্য
ধারন করতে পারে, কষ্টসহিষ্ণু হতে পারে। ‘নিশ্চয়
আল্লাহ ধৈর্য ধারনকারীদের সাথেই আছেন’।

[সুরা আনফালঃ ৪৬].

28/05/2020

জনস্বার্থে।।

28/05/2020

সেনবাগে করোনা আক্রান্তদের সাথে মানবিক আচরণ করুন, প্রয়োজনে সাহায্যের হাত তুলুন, অমানবিক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়! ======================================= আমার জানা তথ্যে অদ্যাবধি পর্যন্ত সেনবাগ থানা এলাকায় মৃত্যু ও অবস্থান'সহ সর্বমোট করোনা রোগীর সংখ্যা ২৩ জন । সম্প্রতি তথ্য পাওয়া যায় যে, করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে প্রতিবেশীরা ও এলাকার লোকজন খারাপ ব্যবহারসহ অশোভন মন্তব্য করছেন। অথচ বিপদের এ দিনে প্রতিবেশী ও এলাকার লোকজনই সবচেয়ে কাছের স্বজন বলে এতদিন পরিচিত ছিলো প্রবাদটি। তবে করোনা সেই সহানুভূতির কথাটাও দিন দিন কেড়ে নিতে যাচ্ছে ।
তবে সবার মনে রাখা উচিত, এ পরিস্থিতিতে কাল আপনিও পড়তে পারেন। তাই আমাদের উচিৎ
নিজের নিরাপত্তা বজায় রেখে যতটা সম্ভব এ সময় আক্রান্ত প্রতিবেশীর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া।

এ বিষয়ে গুনিজনদের সাথে পরামর্শে আমি কয়েকটি মতামত তুলে ধরছিঃ
১. আপনারা প্রথমেই যাচাই করে নিন তিনি সত্যিই করোনা আক্রান্ত কিনা? অথবা তার সর্দি, জ্বর বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনো উপসর্গ আছে কিনা? প্রতিবেশীদের কারও এ রকম সমস্যা থাকলে তার পরিবারের সদস্যরাই হয়তো আক্রান্তকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে চাইবেন। যদি কেউ আপনার সাহায্য চান, তাহলে তাকে সাহায্য করুন। প্রয়োজনে অ্যাম্বুল্যান্স ডেকে দিন বা জরুরি(০১৭৩০৩২৪৮৬৪/০১৭১৮৩২৭৯২৫/০৩২১-৬১০৬৮/৩৩৩/৯৯৯নাম্বারগুলোতে ফোন করে রোগীর খবর জানান।

২. করোনা আক্রান্ত প্রতিবেশীর বাড়ির অন্য সদস্যদের ঘরেই থাকার অনুরোধ করুন। প্রয়োজনে (০১৭৯৬ ৬৫৬২৭৫) স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য নিন।
৩. আক্রান্তের পরিবারকে বাইরে না যেতে অনুরোধ করুন। তাদের প্রতিদিনের খাবার বা ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে ফোনে তাদের নিয়মিত খোঁজ নিন এবং প্রয়োজনে খাবার বা ওষুধ কিনে তার দরাজার বাইরে রেখে আসুন।
৪. পাশাপাশি দরজা থাকলে দরজার হাতল বা নবে হাত দিলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নেবেন। নিজের বাড়ির দরজা নিয়ম করে জীবাণুমুক্ত করা উচিত। নব বা হাতল সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
৫. একই অ্যাপার্টমেন্টে থাকলে নিয়মিত সিঁড়ি, লিফট জীবাণুমুক্ত করা উচিত।
৬. প্রতিবেশীর বাড়ির অন্যদের মধ্যে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কিনা নিয়মিত ফোনে খবর রাখুন।
৭. মুখোমুখি বা পাশাপাশি জানালা থাকলে তা বন্ধ করে রাখাই ভালো।
৮. বাড়িতে থাকলে খাবার আগে তো বটেই, মুখে চোখে হাত দেয়ার আগেও হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নেয়া আবশ্যক।
৯. রোগী বা তার পরিবার যেন এক ঘরে না থাকে সে ব্যাপারে খোঁজ রাখুন।
১০. আক্রান্ত পরিবার এমনিতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। এ কারণে তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করবেন না। নিজেদের নিরাপত্তা বজায় রেখে যথাসম্ভব তাদেরকে সহযোগিতা সাহায্য করুন।

বিঃদ্রঃ আমার স্ট্যাটাসটি কপি না করার জন্য অনুরোধ রইল, প্রয়োজনে শেয়ার করতে পারেন।

27/05/2020

1) মন্দির,মসজিদ কি অপূর্ব জায়গা? এখানে গরীব মানুষ বাইরে আর ধনী ব্যক্তি ভিতরে ভিক্ষা চায় !!!

2) বরযাত্রার সময় বর সবার পিছনে থাকে আর সমস্ত মানুষ আগে আগে যায়! শ্মশান যাত্রায় মৃতদেহ সবার আগে থাকে আর মানুষজন পিছনে! সমস্ত দুনিয়া সুখের দিনে আগে থাকে আর দুঃখের দিনে পিছনে!

3) মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষ কে স্মরণ করা হয়!
মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয় !!

4) সারাটা জীবন বোঝা বইলো দেওয়ালের পেরেকটা আর মানুষ সুনাম করল পেরেকে টাঙ্গানো ছবিটার!

5) নূপুরের দাম ১০০০ টাকা কিন্তু তার স্থান পায়েই হয়!
টিপের দাম ১ টাকা হলেও সে কিন্তু কপালেই রয় !!

6) যে নুনের মতো তিতকুটে জ্ঞান দেয়, সেই আসল বন্ধু হয় ! মিষ্টি কথার আড়ালে থাকে চতুর অভিসন্ধির ভয়! ইতিহাস সাক্ষী আছে আজ পর্যন্ত নুনে কখনোই পোকা ধরেনি ! আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা! পিঁপড়েরাও ছাড়েনি !!

7) সঠিক পথে মানুষ চলতেই চায় না আর বাঁকা পথে সবাই যেতে চায়! এই কারণেই মদ বিক্রেতাকে কোথাও যেতে হয় না ! দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায় লোকের দরজায় দরজায় যেতে হয়! আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা সন্দেহ করি- জল মেশাননি তো? আর মদ নিজে হাতে জল মিশিয়ে খাই!

8) একই গ্রন্থাগারে গীতা আর কোরআন একসাথে থাকে! নিজেদের মধ্যে কখনোই লড়াই করে না! যারা এদের নিয়ে লড়াই করে ? তারা গীতা আর কোরআন কোনদিনও পড়ে না !!

9) মানুষকে এইটুকুই বুঝলাম ! তাকে জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়, কিন্তু সিংহ বললে খুশি হয়!

#সংগৃহীত

Want your business to be the top-listed Government Service in Noakhali Sadar Upazila?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Senbag
Noakhali Sadar Upazila
3860