Shuaib Rufsan

Shuaib Rufsan

Share

This page is my social work page. Here I show my activities in society. Thank you all.✌️✌

02/03/2024
Photos from Shuaib Rufsan's post 30/10/2023

ধরা খেলো এভাবে!!!

11/09/2023

ছবিতে আছেন ৯৯ বছরের একজন বৃদ্ধা এবং তার ৭৯ বছর বয়সী সন্তান।
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন (অক্টোবর ৭১) সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁও এলাকা দিয়ে ভারতের বাগদা (Bagda) 'য় প্রবেশের মুহূর্তে photographer সন্তোষ বসাক এই দুর্লভ ছবিটি তুলেন।
'বসাক সেই লোকটিকে জিজ্ঞেস করেছিলো, 'কে এই বৃদ্ধা মহিলা? '
উত্তরে লোকটি জানায়, 'তিনি আমার মাতা। আমার মা এখন একটি শিশুর মতো। তিনি ঠিকমতো হাটতেও পারেন না। এই অবস্থায় আমি তাকে ছেড়ে কিভাবে যাই!! '
★উল্লেখ্য, এই ছবিটি পরবর্তীতে World Press Photo 1972 পুরস্কার লাভ করে।

19/06/2023

☘️|| ফুলুকে বলা হয় 'বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞানী' ||☘️

ব্রিটিশ গোয়েন্দারা বলত ফুলু নাকি বিজ্ঞানীর ছদ্মবেশে বিপ্লবী। ফুলু নাকি বঙ্গভঙ্গ আন্দোলোনের সময় বিপ্লবীদের অস্ত্র কেনার টাকা দিত। ফুলুর দেশপ্রেম এতই উগ্র ছিল, যে ঢাকার একজন উচ্চপদস্থ অফিসার বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, 'স্যার পি.সি. রায়ের মতো লোক যদি আধ-ডজন থাকতেন, এতদিনে দেশ স্বাধীন হয়ে যেত।' ১৯১৯ সালে ফুলুকে ব্রিটিশরা দিয়েছিল Companion of the Indian Empire(C.I.E.) উপাধি, সেই বছরই কলকাতার টাউন হলে রাউলাট বিলের বিরোধিতায় গর্জে উঠেছিল ফুলু, বলেছিল,

“ দেশের জন্য প্রয়োজন হলে বিজ্ঞানীকে টেস্ট টিউব ছেড়ে গবেষণাগারের বাইরে আসতে হবে। বিজ্ঞানের গবেষণা অপেক্ষা করতে পারে, কিন্তু স্বরাজের জন্য সংগ্রাম অপেক্ষা করতে পারে না।”

প্রেসিডেন্সি কলেজে ২৭ বছর পড়িয়েছে ফুলু। ক্লাসে ফুলু পড়াতো বাংলা ভাষায়। নীচের দিকেই ক্লাস নিতে ভালোবাসত ফুলু, সে বলত 'কুমোর যেমন কাদার ডেলাকে তার পচ্ছন্দমত আকার দিতে পারে হাইস্কুল থেকে সদ্য কলেজে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের তেমনি সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায়।' সে সব সময় চাইত তার ছাত্রছাত্রীরা তাকে ছাপিয়ে যাক।

তাই সে লিখেছিল , ' সর্বত্র জয় অনুসন্ধান করিবে, কিন্ত পুত্র ও শিষ্যের নিকট পরাজয় স্বীকার করিয়া সুখী হইবে।' ফুলুর এক মুসলিম ছাত্র ছিলেন ডঃ কুদরত-ই খুদা। ১৯১৫ সালে কেমিস্ট্রিতে এম.এস.সি পরীক্ষায় কুদরত-ই খুদা প্রথম শ্রেণী পাওয়ায় কয়েকজন কট্টর হিন্দু শিক্ষক ফুলুকে অনুরোধ করেছিলেন কুদরত-ই খুদাকে প্রথম শ্রেণী না দেওয়ার জন্য। কিন্ত ফুলু যে অসাম্প্রদায়িক পিতার ভাবাদর্শে দীক্ষিত। ফুলুর কাছে যে যোগ্য সে যোগ্যই। তাই ফুলু রাজি হয়নি।

ফুলুকে একবার বিশ্বকবি লিখেওছিলেন, '…যেসব জন্ম-সাহিত্যিক গোলমালের মধ্যে ল্যাবরেটরির মধ্যে ঢুকে পড়ে, জাত খুইয়ে বৈজ্ঞানিকের হাটে হারিয়ে গিয়েছেন তাদের ফের জাতে তুলব। আমার এক একবার সন্দেহ হয় আপনিও বা সেই দলের একজন হবেন।' আসলে বিশ্বকবি অনুভব করেছিলেন, বিলেতে পড়াশুনা করলেও এবং ইংরেজিতে চোস্ত হলেও বাংলা ভাষা ছিল ফুলুর প্রাণ এবং ফুলুর মধ্যে লুকিয়ে ছিল এক সাহিত্যিক।

ফুলুর ৭০ তম জন্মজয়ন্তীর দিনে রবীন্দ্রনাথ এসেছিলেন, আবেগমথিত কণ্ঠে বিশ্বকবি বলেছিলেন, 'আমরা দুজনে সহযাত্রী, কালের তরীতে আমরা প্রায় একঘাটে এসে পৌছেছি।' সেদিন রবীন্দ্রনাথ ফুলুর হাতে তুলে দিয়েছিলেন একটি তাম্রফলক, তাতে খোদাই করা ছিল কবির লেখা দুটি লাইন -'প্রেম রসায়নে ওগো সর্বজনপ্রিয়, করিলে বিশ্বের জনে আপন আত্মীয়।'

ছোটবেলা থেকেই কলা খেতে ভালোবাসত ফুলু, সকালে টিফিন করত দুটো কলা দিয়ে। চাঁপাকলা ফুলুর খুব প্রিয় ছিল। সেই সময় এক পয়সায় দুটো চাঁপাকলা পাওয়া যেত। একদিন এক ছাত্র স্যারের জন্য তিন পয়সা দিয়ে দুটো কলা নিয়ে আসায় কি রাগ ফুলুর, ছাত্রকে বলেছিল, 'নবাবি করতে শিখেছ, আমায় পথে বসাবে?'

এর কিছুক্ষণ পরেই কংগ্রেস নেতা ড . প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ এসেছিলেন ফুলুর কাছে, তাঁর তিনহাজার টাকা দরকার ছিল। যে যুগে এক পয়সায় দুটো কলা পাওয়া যেত, সে যুগে তিন হাজার টাকার মুল্য সহজেই অনুমেয়। বিনা বাক্যব্যয়ে তিনহাজার টাকার চেক লিখে দিয়েছিল ফুলু।

'বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞানী' রাড়ুলীর ফুলুর নাম তখন সারা বিশ্ব জানে। সাইমন কমিশনের সদস্যরা বিজ্ঞান কলেজের কথা ও ফুলুর কথা লন্ডনে অনেক শুনেছিল। তারা কলকাতায় এসে বিজ্ঞান কলেজ পরিদর্শনে এসেছিল, আসল উদ্দেশ্য ছিল ফুলুকে দেখা। এক দুপুরে তারা ফুলুর ঘরে এসে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিল। 'বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞানী' মারকিউরাস নাইট্রাইটের আবিস্কারক স্যার পি,সি,রায় গামছা পরে চেয়ারে বসে আছেন। কারণ ফুলু তার ধুতি খানা কেচে রোদে শুকাতে দিয়েছিল। ঘরের এক কোণে স্টোভ জ্বলছে, নিজের খাবার নিজেই রান্না করছিল ফুলু। একটু লজ্জা না পেয়ে ফুলু নাকি সেই অবস্থাতেই সাইমন কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।

তিনি বুঝেছিলেন, ‘‘একটা সমগ্র জাতি শুধুমাত্র কেরানী বা মসীজীবী’’ হয়ে টিকে থাকতে পারে না। বাঙালি জাতিকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ দেখালেন তিনি। ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠা করলেন ‘ বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিকল ওয়ার্কস ’।

মূলধন বলতে ছিল, মাত্র আটশো টাকা আর পূর্ণ আত্মবিশ্বাস।

তাঁর আদর্শ বাঙালি আজ পালন করে না। আমাদের ক্ষমা করবেন ফুলু বাবু ওরফে ‘আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়’.. প্রয়াণ দিবসে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি..♥️🌿

🙏|| প্রনাম ||🙏

কলমে ✒️ রূপাঞ্জন গোস্বামী (The Wall)

© এক যে ছিলো নেতা

Photos from Shuaib Rufsan's post 15/06/2023
31/05/2023

হঠাৎ মুক্তিযোদ্ধা !
বাঙালির হাজার বছরের লড়াই ও সংগ্রামের সব অর্জন জিয়া ক্ষমতা দখল করে ধ্বংস করে দেন, যা আইয়ুব ইয়াহিয়া করতে পারেননি।পাকিস্তানিরা শত চেষ্টা করেও বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি, কিন্তু কিছু কুলাঙ্গার বাঙালির হাতে তিনি শহীদের মৃত্যুবরণ করেন, যে হত্যাকাণ্ড থেকে জিয়াকে এখন আর আড়াল করা যাচ্ছে না। জুলফিকার আলী ভূট্টোও বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।১৯৭৫-এর জুনে জুলফিকার আলী ভুট্টো কাকুলের পাকিস্তান সামরিক একাডেমিতে সেনা কর্মকর্তাদের এক সমাবেশে বলেন, ‘এ অঞ্চলে শিগগিরই কিছু পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে।’ (জুলফি ভুট্টো অব পাকিস্তান , স্ট্যানলি উলপার্ট) বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুতে গদগদ হয়ে ভুট্টো ‘বাংলাদেশি মুসলিম ভাইদের’ জন্য ৫০ হাজার টন চাল ও ১৫ মিলিয়ন গজকাপড় পাঠানোরও নির্দেশ দেন।’ (হু কিলড মুজিব, এ এল খতিব)।
মেজর রফিক বীর উত্তম একাত্তর সালের ২৫ মার্চের আগে তাঁর অধিনস্ত ১৩০০ বিডিআর সশস্ত্র জোয়ানকে সংগঠিত করে চট্টগ্রামে অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।খবর পেয়ে লে. কর্নেল এম আর চৌধুরী ও মেজর জিয়া ২৪ মার্চ রাত ৯ টায় বেবীটেক্সি করে এসে মেজর রফিকের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা দু’জন মিলে মেজর রফিককে বিদ্রোহের পরিকল্পনা পরিত্যাগ করার জন্য অনেক পীড়াপীড়ি করেন। কিন্তু মেজর রফিক তাঁর সিদ্ধান্তে অটল রইলেন, তখন তাঁরা যাবার সময় বিরক্তির সুরে মেজর রফিককে বলে যান, এমন কোন কাজ করবেন না, যা আমাদের চাকুরির জন্য বিপদ ডেকে আনে।
এরপর মেজর রফিক ‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ গ্রন্থে লেখেন, “তাঁর মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।…দু’জন অফিসারের একজন– লে. কর্নেল এম আর চৌধুরীকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বন্দি করল। তিনি পশ্চিম পাকিস্তানিদের যে বিশ্বাস করেছিলেন, ২০ বালুচ রেজিমেন্টের সৈন্যরা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে সেই বিশ্বাসের জবাব দিল।অফিসারদ্বয়ের অন্যজন, মেজর জিয়াউর রহমান, রাত সাড়ে এগারোটায় যাচ্ছিলেন চট্টগ্রাম পোর্টে, ‘সোয়াত’ জাহাজ থেকে অস্ত্র গোলাবারুদ নামিয়ে ক্যান্টনমেন্টে আনার কাজে পশ্চিম পাকিস্তানিদের সাহায্য করার জন্য।”
এদিকে মেজর রফিক তাঁর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মার্চ রাত ৮.৩০ মিনিটে পাকিস্তান সেনাবাহিনী সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। তারও দু’ঘন্টা পরে রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি সৈন্যরা বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মেজর রফিক জিয়াউর রহমানকে ফিরিয়ে আনতে প্রতিনিধি পাঠান। পাকিস্তানিদের বিশ্বস্ত জিয়া তখন সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাসের জন্য যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মেজর রফিকের প্রতিনিধি দল জিয়াকে থামিয়ে ঢাকার সার্বিক অবস্থা বোঝালেন, জিয়া অবস্থা বেগতিক দেখে এবং স্বীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে শেষ মুহূর্তে লেজ গুটিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করতে বাধ্য হন। মেজর রফিকের মত স্বতঃস্ফূর্তভাবে জিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন নি।জীবন বাঁচানোর জন্য মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করা ছাড়া তাঁর সামনে অন্য কোন পথ খোলা ছিল না। ‘হঠাৎ মুক্তিযোদ্ধা জিয়া’ পরে রাতারাতি স্বাধীনতার ঘোষক বনে যান।
বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর ভুট্টো ও পাকিস্তান উল্লাস প্রকাশ করেছিল। পক্ষান্তরে জিয়ার নিহত হলে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছিল।
জিয়া বাংলা লিখতে বা পড়তে পারতেন না। তাঁর পিতা-মাতার কবরও পাকিস্তানে হয়েছিল। বাংলার মাটিতে শেকড়বিহীন এমন একজন নেতাকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং এদেশের স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধুর আসনে বসানোর বাসনায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বারবার বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে। ৩০ মে খুনী
জিয়া সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন। তাঁর ভাগ্য ভাল বলতে হয়, এভাবে নিহত না হলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে তাঁকে অন্যতম আসামী করা হত ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Pabna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Doharpara
Pabna
6600