Haidgaon Over View

Haidgaon Over View

Share

About this village

27/09/2022
09/10/2021

আসুন ড. জাফরুল্লাহ স্যার সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নিই।

★ চট্টগ্রামের ছেলে জাফরুল্লাহর বাবার শিক্ষক ছিলেন স্বয়ং বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেন।

★ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট শেষ করার পর ভর্তি হন ঢাকা মেডিকেল কলেজে। ছাত্র থাকা অবস্থাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজের দুর্নীতির বিরুদ্ধে করেছিলেন সংবাদ সম্মেলন।

★ ১৯৬৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এম. বি. বি. এস শেষ করার পর ১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ডের রয়েল কলেজ অব সার্জনস থেকে FRCS প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কিন্তু চূড়ান্ত পর্ব শেষ না হতেই দেশের টানে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে দেশে ফিরে আসেন।

★পাকিস্থানি বাহিনীর নির্মমতার প্রতিবাদে লন্ডনের হাইডপার্কে যে কয়জন বাঙ্গালী পাসপোর্ট ছিড়ে আগুন ধরিয়ে রাষ্ট্রবিহীন নাগরিকে পরিণত হয়েছিল তাদের একজন ড. জাফরুল্লাহ।

★মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সহায়তার জন্য বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী প্রবাসী বাঙ্গালীদের কাছ থেকে ১০ লাখ পাউন্ড চাঁদা যোগাড় করেছিলেন। তিনি কাজটি করেছিলেন ড. জাফরুল্লাহর পরামর্শে।

★ শহীদ জননী জাহানারা ইমাম " একাত্তরের দিনগুলি" বইয়ের ১৬১ ও ১৬২ পৃষ্ঠায় ড. জাফরুল্লাহ ও ডা. মোবিনের পাকিস্তানি হানাদারদের হাত থেকে বেঁচে যাওয়ার ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে লিখেন।

★আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য ড. জাফরুল্লাহ ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফের সহযোগিতায় আগরতলার বিশ্রামঘরের মেলাঘরে গড়ে তুলেছিলেন ৪৮০ শয্যা বিশিষ্ট প্রথম ফিল্ড হসপিটাল " বাংলাদেশ হসপিটাল"

★হসপিটালটিতে পর্যাপ্ত নার্স না থাকায় ড. জাফরুল্লাহ নিজে নারী স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষণ দেন।

★দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ড. জাফরুল্লাহ গ্রামে গিয়ে শুরু করেন স্বাস্থ্যযুদ্ধ। ফিল্ড হাসপাতালটিকেই কুমিল্লাতে স্বাধীন দেশের প্রথম হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তুলেন। পরবর্তীতে ঢাকার ইস্কাটনে হাসপাতালটি পুনঃস্থাপিত হয়। কিন্তু গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু রুপে গড়ে তোলার জন্যে " চলো গ্রামে যাই" স্লোগান নিয়ে হাসপাতালটিকে ঢাকার অদূরে সাভারে " গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র" নামে স্থানান্তর করা হয়।

★ হাসপাতালটিকে " গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র" নামে নামকরণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সাভারে হাসপাতালটির জন্য ৩১ একর জমিও বরাদ্দ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

★ সম্পূর্ণ অলাভজনক এই এই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ড. জাফরুল্লাহ ১৯৭৭ সালে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখায় স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

★ড. জাফরুল্লাহ বাকশালে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধুর অনুরোধ যেমন উপেক্ষা করেছিলেন, তেমনি জিয়াউর রহমানের দেয়া মন্ত্রীত্বের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ৪ পৃষ্ঠার একটি চিঠির মাধ্যমে। ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এরশাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাবও!

★ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পর তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান ১৯৮২ সালের জাতীয় ঔষুধ নীতি। স্বাধীনতার পর স্বাস্থ্যখাতে যেটাকে বিবেচনা করা সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে। তাঁর প্রচেষ্টায় আমদানি ওষুধের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২২৫-এ। বর্তমানে ৯০ শতাংশ ওষুধই দেশে তৈরি হচ্ছে এবং বাংলাদেশ একটি ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনে এই মানুষটির অবদান বিশাল।

★ড. জাফরুল্লাহ স্বাস্থ্যনীতির সাথে জড়িত থাকায় বি. এম. এর স্বার্থে আঘাত লাগে। তাই বি. এম. এ ১৯৯২ সালে তাঁর সদস্যপদ বাতিল করে। বিনা বিচারে ড. জাফরুল্লাহর ফাঁসি চেয়ে পোস্টারও সাঁটায় তারা।

আমরা ড. জাফরউল্লাহকে না চিনলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় ঠিকই চিনেছে এই লোকটাকে। বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় "ইন্টারন্যাশনাল হেলথ হিরো" ঘোষণা করে ড. জাফরুল্লাহকে।

মুক্তিযুদ্ধ করেও, গণমানুষের জন্য কাজ করেও ড. জাফরুল্লাহরা হন বিতর্কিত। কারন, উনারা চাটুকারিতা করতে জানেন না, দালালী করতে জানেন না, জানেন না তেল দিতে!

নষ্ট রাজনীতির বিভাজনে থাকা তরুণ প্রজন্মের প্রতি অনুরোধ, এই মানুষটাকে যদি সম্মানিত করতে নাও পারি, অন্ততপক্ষে যেন ছোট না করি।

শুভ সকাল।
(কপি সংগৃহীত)

09/10/2021

একজন চীনা বিত্তবান মারা গেলেন। ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন।
সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বললেন, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি। এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে-অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে দীর্ঘ্য জীবন লাভ করা বেশি জরুরি। তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়া উচিত।

আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়ঃ

* দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

* একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।

* প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

* কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

* সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্যই। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার কবরে যেয়ে প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না। এমনকি বেঁচে থাকতেই আপনার অর্থের প্রাচুর্যে বেড়ে ওঠা মানুষগুলো আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছুড়ে আসতে পারে। তাই বেঁচে থাকতেই ১০০% এর সুরক্ষা এবং পূর্ণ সদ্ব্যবহার করাই শ্রেয়।

করণীয় কী...??

# অসুস্থ না হলেও মেডিকেল চেকআপ করুন।

# অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

# মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

# রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন, কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

# পিপাসার্ত না হলেও পানি পান করুন।

# সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

# যতই বয়স হোক আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসংগীকে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও নিয়ে হাত ধরে হাঁটুন, হোটেলে খাওয়াতে না পারলে বাদাম বা ঝালমুড়ি খান। আর তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

# ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

# সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে নিজের দেশকে এমনকি ভিন্নদেশকে দেখতে বেড়িয়ে পড়ুন।

# ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন।
নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন।। কোরআন তেলাওয়াত ও ভোরে উঠে ফজরের সালাত আদায় করে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন।।।

কেননা আপনার রেখে যাওয়া সম্পত্তি কোন কাজে আসবে না। আপনার ইসলামী জীবন ব্যবস্থা আপনার পরকালের জন্য ১০০% কাজ দিবে।

সৎ ও ভালোবাসার মিশ্রনের জীবন গড়ুন আপনি এর রেজাল্ট দুনিয়া ও আখেরাতে দুই জায়গায় পাবেন।

# মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয়, রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না। বৃষ্টিজলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১০ মিনিট হলেও শরীরে রোদ লাগাবেন।

# মহাব্যস্ত থাকলেও নিয়মিত ব্যায়াম করুন আর ৩০ মিনিট হাঁটুন। আর সৃষ্টিকর্তাকে নিয়মিত স্মরণ করুন।

# সর্বদা হাসিখুশি থাকুন। সুযোগ পেলেই কৌতুক পড়বেন, পরিবারের সবার সঙ্গে মজার ঘটনাগুলো শেয়ার করবেন। মাঝে মাঝে প্রাণবন্ত ভাবে হাসবেন।

ধন্যবাদ আপনাদেরকে গল্পটি পড়ার জন্য ।। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ দেওয়া মহামারী করাল গ্রাস থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজতে রাখে এই কামনায় ।।।

আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুক। আ-মিন।

08/10/2021

# # # বুকের ঠান্ডা জনিত কফ দূর করার উপায় # # #

শীতকালে সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয় শিশুরা। বুকে জমে থাকা কফ ও কাশির কারণে ঘুমাতে পারে না। সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে যায়, নিঃশ্বাস নিতে ছটফট করতে থাকে, পরে কান্না জুরে দেয়। এসময় শিশুর সঙ্গে মা-বাবাকেও নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়।

এ সমস্যা থেকে সমাধান পেতে অনেক মা- বাবা চিকিৎসকের কাছে গিয়ে হাই-এন্টিবায়োটিক ও ঠাণ্ডার ওষুধ খাওয়ান শিশুকে। তবে এসব হালকা বিষয়ে শিশুকে কড়া পাওয়ারের ওষুধ না খাওয়ানোই ভালো।

তবে আপনি চাইলে ঘরোয়া কিছু উপায়ে শিশুর বুকে জমানো কফ দূর করতে পারেন। আসুন সেই কার্যকরী উপায়গুলো জেনে নিই :

* অনেক অভিভাবক শিশুর সর্দি কাশি হলে গোসল করাতে চান না। এটা ঠিক নয়, প্রতিদিন কুসুম গরম পানিতে শিশুটিকে গোসল করাতে হবে।এতে সর্দি বুকে বসতে পারে না।

* রোগ জীবাণুর কারণে আপনার শিশুটি ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। এতে সে দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই এসময়টা শিশুর পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন। এটি শরীরের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি যোগায়।

* একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে সেটি দিয়ে শিশুটিকে ভাপ দিন। এভাবে শিশুটিকে কিছুক্ষণ রাখুন। গরম পানিরভাব শিশুর নাকের ছিদ্র পরিষ্কার করে দেয়।

* সর্দি-কাশিতে দ্রুত আরাম পেতে শিশুকে নাকের ড্রপ দেয়া যেতে পারে। আপনি চাইলে এই ড্রপ ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন। একটি পাত্রে ৪ চা চামুচ গরম পানির সঙ্গে ১/২ চা চামচ লবণ দিয়ে ভাল করে জ্বাল দিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এটি নাকের ড্রপ হিসেবে ব্যবহার করুন।

* ২টি রসুনের কোয়া ও ১ টেবিল চামচ মৌরি ভাল করে ভেজে বেটে নিন। এবার এই মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার কাপড়ে বেঁধে পুটলি তৈরি করে শিশুর ঘুমানোর স্থানে রেখে দিন। এটি গরম হয়ে এর থেকে বের হওয়া বাষ্প শিশুর বন্ধ নাক খুলে দেবে। এবং কফ চলে যাবে। রসুন এবং মৌরিতে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান থাকে, যা শিশুর ঠাণ্ডা দূর করতে সাহায্য করে।

* ঠাণ্ডায় শিশুকে টমেটো এবং রসুনের স্যুপ খাওয়াতে পারেন। এটি শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার সঙ্গে সঙ্গে কফ গলিয়ে শিশুকে আরাম দেবে।

* সর্দি, জ্বরে শিশুকে ঘুমানোর সময় মাথা কিছুটা উঁচু করে রাখুন। এতে করে তার শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া অনেকটা সহজ হবে।

* গরম পানির সঙ্গে এক চামচ মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। এটিও আপনার শিশুটিকে আরাম দেবে।

16/09/2021

***টেস্টিং সল্ট নামে বিষ খাচ্ছেন! জানেন কি?***

কৃত্রিম স্বাদ বৃদ্ধিকারী টেস্টিং সল্ট নিয়ে বিশ্বব্যাপী একাধিক গবেষণার পর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ভয়ানক নীরব ঘাতক! পাশ্চাত্যের একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেস্টিং সল্টের আগ্রাসন বিশ্বজুড়ে এলকোহল ও নিকোটিনের চেয়েও বড় বিপদ ঘটাতে পারে। আবার টেস্টিং সল্ট নানাভাবে মস্তিষ্কের ক্ষতিসাধনও করে।

03/09/2021

What a nice!

30/07/2021

আল্লাহ্ সকলকে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করুক! আমিন

Photos from Haidgaon Over View's post 04/07/2021

এক নজরে
ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম জেলার আওতাধীন স্বনামধন্য পটিয়া উপজেলার একটি অবিচ্ছেদ্য অঞ্চল হল হাইদগাঁও ইউনিয়ন । কালের আবহমানে আজ হাইদগাঁও ইউনিয়ন শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার নিজস্ব স্বকীয়তায় আজ সমুজ্জ্বল। যেখানে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। রয়েছে অনেক সম্ভবনাময় অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক উৎস।

03/07/2021

ইউনিয়ন বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের জন্য নিন্মোক্ত তথ্য কেন্দ্রে প্রবেশ করুন।

03/07/2021


হাইদগাঁও ইউনিয়নের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে:

১. সাতগাছিয়া দরবার শরীফ
২. শাহ আকবরিয়া দরবার শরীফ
৩. বুদবুদি ছড়া
৪. হাইদগাঁও শ্রীমতি বাড়ী মন্দির
৫. হাইদগাঁও ফোড়াতাড়া মন্দির

03/07/2021

# # # # শিক্ষা ব্যাবস্থা # # # #
হাইদগাঁও ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৫০.৬%।[১] এ ইউনিয়নে ১টি আলিম মাদ্রাসা, ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি দাখিল মাদ্রাসা ও ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পাদনা
মাদ্রাসা[৩]
১. হাইদগাঁও মোজাহেরুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসা
২. শাহ আকবরিয়া দাখিল মাদ্রাসা
৩. হাইদগাঁও গোবিন্দেরখীল গাউছিয়া ছোবহানিয়া আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা

মাধ্যমিক বিদ্যালয়[১]
১. হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়[৮]
১. দক্ষিণ হাইদগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
২. পূর্ব হাইদগাঁও যুক্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
৩. হাইদগাঁও এ জে ডেস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
৪. হাইদগাঁও এম আই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
৫. হাইদগাঁও কবিরাজ শ্যামাচরণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
৬. হাইদগাঁও কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
৭. হাইদগাঁও চৌধুরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
৮. হাইদগাঁও হেন্ডস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কিন্ডারগার্টেন[১]
প্রভাতী বিদ্যাপীঠ কিন্ডারগার্টেন

Want your business to be the top-listed Government Service in Patiya?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Patiya
4370