18/02/2026
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে Transparency International প্রকাশ করেছে করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স (CPI) ২০২৫-এর বৈশ্বিক ফলাফল। এবারের সূচকে ৮৯ স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্ক। অন্যদিকে মাত্র ৯ স্কোর নিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকার শীর্ষে আছে দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়া।
এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কেমন? আমরা সবাই কি তা জানি? আচ্ছা জেনে নেন তবে,
১৮২টি দেশের মধ্যে ১০০-এর মধ্যে ২৪ স্কোর পেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নিম্নক্রম অনুযায়ী (দুর্নীতিগ্রস্ত অবস্থান) ১৩তম এবং উচ্চক্রম অনুযায়ী ১৫০তম । এর আগে ২০২৪ সালে ২৩ স্কোর নিয়ে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ছিল দুর্নীতিগ্রস্ত ১৪তম অবস্থানে, আর ২০২৩ সালে ছিল ১০ম।
দুর্নীতির ধারণা সূচকে এই অবস্থান দেশের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে।
বাংলাদেশের এই অবস্থান দেখায় যে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ রয়েছে। টানা কয়েক বছর ধরে নিম্ন স্কোর পাওয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরে।
(বিশেষ দ্রষ্টব্য: Transparency International Bangladesh (টিআইবি) সহ বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই তথ্যের কাঠামো তৈরি করেছি। কোনো ভুল চোখে পড়লে সংশোধনের লক্ষ্যে জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।)
15/02/2026
যেকোনো প্রেক্ষাপটে ধর্ষনের অভিযোগ যদি প্রমানিত হয়, তাহলে সেই ধর্ষকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ায় বিচারের সময় দেওয়ার কোনো মানেই হয়না।
ধর্ষককে জনসম্মুখে পিটিয়ে মেরে ফেলা উত্তম।
14/02/2026
বসন্ত এসে পড়লো!
আপনার মনের অবস্থা কি?
20/08/2025
মুক্তির তাগিদে এ মিনতি-
করুন এই পৃথিবীর হে হতভাগা অনিল,তরু আর তরঙ্গিনী ও আহত সরীসৃপ
তোমরা আমাকে শোনো;
অম্লান ব্যথার ভারে নত আমি, ব্যথিত প্রাণ, নিঃসহায় সত্তা- নির্বোধ প্রকৃতির নির্দয় নৈঃশব্দ্যের সমান আমিও।
বিনম্র মিনতি করি- হে প্রভাতস্নিগ্ধ শ্যামল-শ্যাওলা, হে অরণ্যের হিংস্র শিথিল জীব গুলো শোনো! আমার অন্তর্লীন দুঃখের ধ্বনিমালা তোমরা শোনো কাব্যরূপ সুরলিপিতে, যেন ব্যথার ভার মোর লঘু হয়ে বিলীন হয় আত্মার অন্তঃসলিলে।
নিঃশব্দ অন্তর্দহন আন্তরিত অগন্য যে গূঢ় আত্মচাপ, আমাকে মোচন করো হে বধির বিষ্ময়কর নিস্তব্ধ শান্ত ধরণী। আমাকে মুক্ত করো! আমাকে শোনো; আমার স্বার্থে, আমারই মুক্তির নিমিত্তে।
-আব্দুর রউফ
আত্মচাপ ও মূঢ় মস্তিষ্ক থেকে নির্গত ভাব।
17/08/2025
নিশ্চয়ই এটি নিছক বেঁচে থাকা;
মানব কেন্দ্রিক কোলাহল, চাঞ্চল্য নগর বাহন শব্দ সম্পর্ক ছাড়া সবই প্রায় শান্ত লাগে প্রাণে। লেবু পাতায় কালো পিপড়ের দল, কংক্রিটের কোনায় মাকড়সা পোকার ফাঁদ! শূকর, কুকুর, বিড়াল আর শিমুল গাছে বসা আঁধার ধূসর কাকের ডাক। তাজা ঘাসে শুঁয়োপোকার বিচরণ ভালো লাগে।
মগজের চিৎকার জেগে রাখে পচনশীল স্বয়ং উদাসীন অস্তিত্ব;
ক্লেশ বলে মুছে যাবে ভেবে আজও সুখী হই কৃত্রিম, এবং অন্তর্লোকে ভেসে চলা এই স্রোত ভুলতে ইচ্ছে করে। তাই হয়তো কখনো সুখী হতে চাই না অশোক-প্রণোদিত এই দেহে। অসুখের নামে সম্বাদে যেতে চাইনা, তবুও বলতে ইচ্ছে করে- এতো অসহ্য হলো কিভাবে এই মস্তক! এত বীভৎস কেন এই শব্দগুলো মানুষ আর মানুষ-তন্ত্র। কি করে এতো দীর্ঘ হলো এই আবর্জনার স্তুপ! মানুষের অসংখ্য রূপ কোথা থেকে এলো? কি করে স্থায়ী হলো মানব দর্পনে বেদনাবিধুর সুর।
এই অসুখের কোলাহল আর মানুষ ছাড়া সব কিছুই প্রায় শান্ত লাগে প্রাণে। ভালো লাগে নব্য অঙ্কুরিত নবীন কান্না।
জীর্ণ এপিটাফ দেখে ভালো লাগে- আরো নিরব সুনশান গোরস্থান।
অতিকায় আমি আজও বেঁচে আছি অনির্মল সত্তায়। ধোয়ার মতো শীতল ধূলি মোড়া স্বপ্নে।
বীভৎস এই বঙ্গ থেকে | আজ ২ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, রবিবার।
-আব্দুর রউফ
ছবি: গোলাবাড়ি, গাবতলি, বগুড়া।
29/07/2025
প্রাণ ফিরেছে বগুড়ার করতোয়ায়।
বগুড়ার করতোয়া নাম শুনলেন আমাদের মনে ভেসে উঠে নোংরা কালো পানির দুর্গন্ধ আর ময়লার ভাগাড়। যা মাঝে মাঝে ব্যস্ত নগরী ঢাকার বুড়িগঙ্গাকেও হার মানায়। বগুড়া জেলা তথা উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর একটি করতোয়া। যা বগুড়ার চারটি উপজেলা শিবগঞ্জ, সদর, শাজাহানপুর ও শেরপুর সহ শহরের প্রাণ কেন্দ্র ভেদ করে প্রবাহিত হয়ে আসছে উত্তর থেকে দক্ষিণে। একসময় করতোয়া ছিল পানিসমৃদ্ধ, খরস্রোতা ও প্রাণবন্ত নদী। কিন্তু সেটি এখন শুধুই ইতিহাস। বর্তমানে এটি অনেক জায়গায় শুকিয়ে গেছে, দখল-দূষণের শিকার। নদীর পাড় দখল করে নির্মিত হয়েছে অবৈধ স্থাপনা, নিক্ষিপ্ত হচ্ছে বর্জ্য। মানুষের এই অমানবিক নির্যাতনে নদী তার শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের সক্ষমতা হারিয়েছে, হারিয়েছে স্বাধীনভাবে বয়ে চলার ক্ষমতা। বলাই চলে, প্রাণ নেই আর বগুড়ার করতোয়ায়। শুধু নদী প্রাণ হারায়নি, প্রাণ হারিয়েছে জলজ প্রাণিকুল এবং নদী নির্ভর কৃষি ও বাণিজ্য।
তবে সম্প্রতি নতুন এক রূপে রূপান্তরিত হয়েছে বগুড়ার করতোয়া। সরকারি উদ্যোগে খননকাজ করা হয়েছে নদীর কিছু অংশ। বিশেষ করে বগুড়ার ডিসি অফিস ও জেলা কারাগার সংলগ্ন করতোয়ার পাড় ঘেঁষে গড়ে তোলা হচ্ছে নদী পার্ক। যা ইতিমধ্যে ডিসি পার্ক নামে পরিচিতি পেয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন পাড়ের ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর একাংশে ফিরে আসছে স্বাভাবিক প্রবাহ। যা শহুরে পরিবেশের জন্য ভূমিকা রাখতে পারে কিছুটা। এবং এতে শুধু সৌন্দর্য বর্ধনই নয় বরং মানুষ নদী ব্যবহার করছে এখন স্বাচ্ছন্দে। ফিরে পাওয়া নদীর এই প্রাণে- নদী কেন্দ্রিক শিশু কিশোররা ফিরে পেয়েছে শৈশবের উৎসব।
তবে শুধু নদীর সুনির্দিষ্ট কিছু স্থানেই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এই চমৎকার উদ্যোগ। নদীই বাংলার মূল শ্বাসনালী। সরকারি উদ্যোগে বয়ে চলা গোটা নদীর প্রাণ ফেরাতে এমন মহৎ চেষ্টা অব্যাহত রাখলে বাংলাদেশ ফিরে পাবে তার হারানো শীতল নিঃশ্বাস।
তবে শুধু সরকারি উদ্যোগই নয়, নদীর প্রতি আমাদেরই হতে হবে সচেতন ও সহানুভূতিশীল। নদীকে বাঁচিয়ে রাখা ও যত্নশীল হওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নদী বাঁচলে বাঁচবে বাংলার ফুসফুস।
-আব্দুর রউফ
১৪ শ্রাবণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫ | বগুড়া।
ছবি: এসপি ব্রিজ, বগুড়া সদর।
24/07/2025
এটি আজকের (২৪/০৭/২৫) ছোট্ট ২ টি পত্রিকার আংশিক শিরোনাম মাত্র।
এই শিরোনাম গুলো আমাদের শহর/নগরকেন্দ্রিক। আমাদের বাংলাদেশের দৈনন্দিন বাস্তব চিত্র এটিই। এই শিরোনাম গুলো শুধু বাস্তবতাতেই সীমাবদ্ধ নয় এই দেশে। এগুলো সহ আরো ভয়ংকর সব শিরোনাম এই দেশের নিয়ম। দৈনন্দিন এই গোষ্ঠীর পুঞ্জিকা।
আব্দুর রউফ | ২৪ জুলাই ২৫ | বৃহস্পতিবার।