15/12/2025
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা 🇧🇩❤️
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, মোহনপুর উপজেলা শাখা।
15/12/2025
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা 🇧🇩❤️
24/11/2025
শুভ জন্মদিন ভাই
বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ইতিহাসে ত্যাগ, সাহস আর ভালোবাসার প্রতীক ফয়সাল আহমেদ রুনু। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি শিবির–ছাত্রদলের সহিংস রাজনীতি থেকে ক্যাম্পাসকে মুক্ত করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলেছিলেন।
তাঁর বাবা মরহুম আব্দুল গফুর—নওহাটা পৌরসভার চারবারের মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি—জনকল্যাণে নিবেদিত ছিলেন। ২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা করা হয়; তখন রুনু ভাই বাবার লাশও দেখতে পারেননি।
৫ আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী বিএনপি–জামাত–শিবিরের অসংখ্য মিথ্যা মামলার কারণে জীবন বাঁচাতে ২ নভেম্বর তিনি ভারতে যান। বিএসএফ তাঁকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। এদিকে তাঁর মা মোছাঃ ফজিলাতুন্নেছা ছেলের বন্দিত্বের কষ্টে ২০২৫ সালের ২৯ জুন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জানাজাতেও উপস্থিত হতে পারেননি রুনু ভাই।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে সংগঠিত রাখা, অস্ত্রের ঝনঝনানি থেকে ক্যাম্পাস বাঁচানো—এই সব ত্যাগের পরও আজ তিনি অন্য দেশের কারাগারে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
আমরা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আহ্বান জানাই—ভারত সরকারের সঙ্গে কথা বলে কিংবা আইনি পথে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
রুনু ভাইসহ যেসব নেতা–কর্মী ভারতে বন্দি আছেন, তাঁদের মুক্তি নিশ্চিত করা হোক।
ন্যায়ের জয় হোক,
ফয়সাল আহমেদ রুনুকে মুক্তি দিন।
13/06/2025
ইউনুস-তারেক বৈঠকের সূত্রধর খলিলুর, বিএনপি যাকে সরাতে বলেছিল - Joint statement prepared the night before by Khalilur the person behind the Yunus-Tarek বৈঠকে তাঁরা ইস্যুগুলি নিয়ে আলোচনা করে বেশিরভাগ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান। সেই মতো বিএনপির কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান ...
30/01/2025
দেশরত্ন শেখ হাসিনার আহ্বান:-
07/11/2024
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতি: আন্দোলন, সংগ্রাম ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এই বিশ্ববিদ্যালয় ছিল জ্ঞান সাধনা ও বিপ্লব সাধনার এক অঙ্গীকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার নিজস্ব ঐতিহ্য এবং ভূমিকা অনুসারে সবসময় রাজনৈতিক আন্দোলন, সংগ্রাম এবং দেশের বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনের কেন্দ্রস্থল হিসেবে কাজ করেছে। এর ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক আবেগ, সংগ্রাম ও চিন্তার মুক্ত পরিবেশ সবসময় সক্রিয় ছিল এবং সেটি একসময় ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতি একটি ঐতিহ্যগত বিষয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তবে বর্তমানে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপর নির্ভর করে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থের প্রতি লক্ষ্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি ছাত্ররাজনীতির কাঠামো এবং তার পরিচালনা নিয়ে সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করে, তবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ এবং নিরাপত্তার জন্য একটি উন্নত পদক্ষেপ হতে পারে। ছাত্ররাজনীতি অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের বেঁচে থাকার এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়নের অঙ্গ হিসেবে অব্যাহত থাকতে হবে, তবে তার গুণগত মান উন্নয়ন করতে হবে।
এছাড়া, ছাত্ররাজনীতির প্রয়োগকৃত কাঠামো ও সিদ্ধান্তগুলি এমন হতে হবে যাতে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বজায় থাকে এবং তাদের শিক্ষার পরিবেশ কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্বের তরফ থেকে কোনও জাতীয় নেতৃবৃন্দের ছবি বা পোস্টার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে। এছাড়া, ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন নিয়মাবলী যেমন বয়স্ক সীমা, মিটিং বা মিছিলের সময়সূচী নির্ধারণ, ছাত্রসংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ডাইমেনশন রাখা যেতে পারে।
তবে, যখন ক্যাম্পাসে কোনো ছাত্রসংগঠন, যেমন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালায় এবং উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয়, তখন কেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্ররাজনীতির বিরোধিতা করার দাবি তোলে না?
উল্লেখযোগ্যভাবে, স্বাধীনতা বিরোধী সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম এবং তার ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছিলো। তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা রাজনৈতিকভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। বিশেষ করে, যখন দেশে জঙ্গিবাদের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়, তখন ছাত্ররাজনীতি যেন দেশ ও সমাজের স্বার্থে এগিয়ে আসে এবং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করে।
সর্বোপরি, বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্তবুদ্ধির চর্চা এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে হবে। ছাত্ররাজনীতি যদি সঠিকভাবে পরিচালিত হয় এবং সমাজের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, তবে তা দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
 
01/11/2024
বাবার লাশ কাঁধে নেয়ার অধিকার আমার থেকে কেড়ে নেয়া হলো। আমি বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার রাজনীতি করেছি, ছাত্রলীগ করেছি এই কারণে। রাজনীতিতে আমি কোনদিন যদি কারো সাথে অন্যায় কিছু করতাম তাহলে এতো কম বয়সে সদর উপজেলা নির্বাচনে শক্তিশালী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বুক উঁচু করে নির্বাচন করার সাহস আমার থাকতো না। কিন্তু আমি তা করেছি। মানুষ আমাকে গ্রহণ করেছে, ভালোবেসেছে, গরীব অটোওলা থেকে শুরু করে বাড়ির সাধারণ মা-বোন তার জমানো টাকা আমাকে দিয়েছে নির্বাচন করার জন্য।
বাড়িতে হামলা, মা-চাচা-দাদিকে নির্মমভাবে আহত করা, জমি-পুকুর দখল করার এক সপ্তাহের মধ্যেই আমার বাবার মৃত্যু হলো। অসুস্থ বাবা মৃত্যুর আগে তার সবচেয়ে কাছের মানুষ আমার মা কে ভালো মতো কাছে পায়নি, কারণ মা কে হামলা করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে ওরা। শেষ যেদিন বাড়ি থেকে বের হই, বাবা বালিশের নীচ থেকে ৮০০ টাকা বের করে আমাকে দিয়েছিলো। পরিমাণে কম হলেও এটাই আমার বাবার থেকে পাওয়া শেষ দোয়া।
সব রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেও শেষবার বাবার মুখ দেখার জন্য, জানাজায় অংশ নেয়ার জন্য, কবরে মাটি দেয়ার জন্য বাড়ির দিকে পা বাড়ালেও আর যাওয়া হয়নি মায়ের বুকফাঁটা আর্তনাদের কারণে। স্বামীকে হারিয়ে, নিজের আহত শরীর নিয়ে ছোটছেলেকে হায়েনাদের হাতে তুলে দিতে চায়নি আমার মা। মায়ের এই চাওয়াকে আমি কিভাবে অস্বীকার করি?
মহান আল্লাহ সবকিছুর সাক্ষী। আর সাক্ষী কুড়িগ্রামের সাধারণ মানুষ। আজ আমার, আমার পরিবারের সাথে যে অন্যায় করা হলো সেটা আমার প্রাপ্য ছিলো না। অন্যায় করে কেউ কখনো পার পায় না। ইনশাআল্লাহ মহান আল্লাহ একদিন সবকিছুর উত্তম বিচার করবেন।
আমার মৃত বাবা, আহত মা ও পরিবারবর্গের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমার ও আমার মতো আরও সকল ভাই ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার দায়িত্ব অচিরেই কুড়িগ্রামের সাধারণ জনতা নিজেদের কাঁধে তুলে নিবে ইনশাআল্লাহ।
সাদ্দাম হোসেন নয়ন
সাধারণ সম্পাদক
কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ