প্রাচীন

প্রাচীন

Share

শব্দের সুন্দর অনুভূতি পূর্ণ ভুবন।।

Photos from প্রাচীন's post 19/10/2025

আশ্বিন শেষ। কার্তিক এসে গেছে। সারাটা বছর এই আশ্বিনের জন্য এতো অপেক্ষা। কেমন হু হু করে সময় গুলো বেরিয়ে গেলো। এই যে শরৎ আর হেমন্ত এই দুই এর মধ্যকার এক অদ্ভুত মেলবন্ধন পূর্ববঙ্গীয় উৎসব গাড়ু সংক্রান্তি। গ্রীষ্ম, বর্ষা আর শীতকে একপাতে নিয়ে আসে এই গাড়ুর ডাল। গ্রীষ্মের সবজি যেমন বরবটি, পেপে, লাউ আবার বর্ষায় যে শাপলা ফোটে আর বর্ষার শেষে বিলের জল কমে গেলে যে শালু পাওয়া যায় সেই শালু সাথে গাটি কচু, মানকচু, ওল, রাঙা আলু সাথে শীতের শুরুতে নতুন শীম, মূলা আরো হরেক রকম সবজি মিলে একটা পদ এই গাড়ুর ডাল। আমাদের এই বাংলার কত বৈচিত্র্য! ভীষণ সুস্বাদু খেতে এই ডাল।

যত দেখি এই বাংলাকে আর এই বাংলার এক এক জায়গার মানুষ এবং তাদের সংস্কৃতিকে তত অবাক হই। এখানে জীবন কত রঙিন এই সবজির ঝুড়ির মত। শরৎ মানেই একটার পর একটা উৎসব৷ হেমন্ত মানেই নতুনত্ব। শরৎ এর বিকেলগুলো কেমন যেমন মন খারাপ মন খারাপ আবহাওয়া আবার সকালগুলো কি প্রাণবন্ত! ঐ মিষ্টি রোদটা দেখলেই মন ভরে যায়। এতো বৈচিত্রতা আর কোথাও আছে কিনা জানি না। আমাদের বাংলা আমাদের সনাতন ভীষণ সম্পদশালী৷

02/10/2025

আবার এসো মা।

দুগ্গা দুগ্গা।

19/09/2025

আড়ং এর শপিং ব্যাগ ফ্রি দেয়া বন্ধ নিয়ে রীতিমতো ফেসবুকে ঝড় বইছে। আমার সামনে যেসব পোস্ট আসছে বেশিরভাগই ব্যাগের দাম নেবার বিপক্ষে। তারা শপিং করে হাতে করে জিনিসপত্র নিয়ে আসছে তবুও কেও ব্যাগ কিনবে না। এই যে এই আন্দোলনটা করছে মানে আড়ং এর সাথে মান অভিমানের দরুণ ব্যাগ না কেনা এটা কিন্তু বেশ ভালো। নিজের অজান্তেই পরিবেশ রক্ষায় একধাপ এগিয়ে এসেছে৷ পরিবেশ রক্ষায় "রি ইউস" একটা গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। কিন্তু আড়ংয়ের এই সুন্দর সিদ্ধান্তের পর বুঝলাম আমাদের দেশের মানুষগুলো পরিবেশ নিয়ে একটুও ভাবে না। অথচ বিশ্বের নামি-দামি বেশিরভাগ ব্রান্ডেরই সেম স্ট্রাটেজি। Primark (ইউকে, ইউরোপ) – কাগজের ব্যাগের জন্য কয়েক পেন্স লাগে। H&M (বিশ্বজুড়ে) – কাগজের ব্যাগ ৫–২০ সেন্ট। Zara / Bershka / Pull&Bear (Inditex Group) – ইউরোপে ব্যাগের দাম ১৫–৩০ সেন্ট। Uniqlo (জাপান ও ইউরোপ) – কাগজের ব্যাগ প্রায় ১০ ইয়েন বা ২০ সেন্ট। Marks & Spencer (ইউকে) – প্লাস্টিক ব্যাগ ১০–২০ পেন্স।

আরও কিছু বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ড যেমন Nike, Adidas, Levi’s-এরও ইউরোপ বা জাপানের দোকানে ব্যাগের জন্য চার্জ থাকে।

তবে Louis Vuitton, Gucci, Chanel-এর মতো লাক্সারি ব্র্যান্ডগুলোতে (যেখানে প্রোডাক্টই হাজার হাজার ডলার) সাধারণত ডিজাইন করা কাগজের ব্যাগ ফ্রি দেয়, কারণ সেটাও ব্র্যান্ডের প্রেজেন্টেশনের অংশ।

অর্থাৎ,
মিড-রেঞ্জ ও ফাস্ট-ফ্যাশন ব্র্যান্ডের ব্যাগ কিনতে হয়
হাই-এন্ড লাক্সারি ব্র্যান্ড সাধারণত ব্যাগ ফ্রি দেয়।

আড়ং কে আমার হাই এন্ড লাক্সারি ব্রান্ড বলে আমার মনে হয় না। কারন আড়ং এ ১০০ টাকা দিলেও কিছু না কিছু পাওয়া যায় এবং ক্রেতাও সেখানে যে শুধু ধনীরা তেমনটা না৷ আমি একজন মিডল ক্লাস ফ্যামিলি থেকে বিলং করি এবং ছোটখাটো অনেক জিনিস আড়ং থেকে কিনি। ১০০০ টাকার ভেতেরে আড়ং থেকে কুর্তি কেনা যায়। তাহলে আমার মতন কত ক্রেতা আড়ং থেকে শপিং করবে আর কত কত ব্যাগ আমাদের পরিবেশে জমা হবে! ধরুন আমি ৫ বার আড়ং থেকে বাজার করলাম। ৫ বার ব্যাগ নিয়ে আসলাম। তবে ব্যাগের দাম নেবার ফলে আমি কিন্তু ১ বার ব্যাগ কিনে রিইউস করবো৷ এমনভাবে যদি একহাজার জন ক্রেতাও জিনিস কেনে তাহলে হয়তো ৪০০০ ব্যাগের প্রোডাকশন কমবে। গাছ কেটেই তো ব্যাগ তৈরি হচ্ছে। হয়তো আরো কিছু গাছ কম কাটা পড়বে।

এটা কি একটা ভালো উদ্যোগ না! শুধু আমরা বাঁচবো এই চিন্তা থেকে সরে এসে ভবিষ্যত প্রজন্মকে এই সুন্দর পৃথিবীতে বাঁচতে সাহায্য করাই তো সাস্টেনেবিলিটি। ভবিষ্যতে প্রজন্মের জন্য কেন একটা অসুন্দর পৃথিবী রেখে যাবেন। কেনো তারা আমাদের কর্মের ফল ভোগ করবে। এই যে তাপমাত্রা বাড়ছে, বরফ গলছে। এগুলো কি আপনাদের একটু ভাবায় না! আর না ভাবালো, অন্যের ভালো কাজে তো সাহায্য করা যেতে পারে! আমাদের ছোট সচেতন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য বড় উপকার বয়ে আনতে পারে।

#আড়ং #আড়ংব্যাগ #আড়ংশপিং

19/05/2025

নিজ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর খাসা।

DM to Customize.🌿

Photos from প্রাচীন's post 19/05/2025
19/05/2025

সূর্যমুখী৷

Photos from প্রাচীন's post 05/04/2025

মাথায় এক আকাশ চৈত্রের রোদ নিয়ে বাজার গিয়েছিলাম। গ্রীষ্ম এলো বলে। আর কদিন পর তো রোদে পা দেয়াই ভার। তবে এই যে বৈচিত্র্যতা লোকাল মার্কেটের তা কোনো সুপার শপের এয়ার কান্ডিশনে পাওয়া যায় না। কত গল্প থাকে এমন জায়গায়! চোখ মেললেই গল্প শোনা যায়! হলুদের প্যাঁটরা কিংবা ঝুড়িভর্তি কচুশাকের গল্প। তাদের রঙের গল্প। চৈত্রের দিনগুলো আমার কেমন যেন বিষন্ন লাগে। জীবনের ভাজে ভাজে বসন্তের রঙ মলিন হতে থাকে চৈত্রের দিনগুলোতে। পলাশের গাঢ় রঙের আভিজাত্য প্রায় শেষের পথে। তবে আজ মনে হলো প্রকৃতি নিজের মত করে ঠিক মরসুমে ঠিক রঙে সাজিয়ে তোলে নিজেকে। আর এই যে একেকটা মানুষ তাদের এক এক রকম গল্প তাতেও তো রঙ থাকে। সেই গল্পগুলোকেই মুঠোফোনে বন্দি করার চেষ্টা করেছি যেন গ্যালারিতে রঙগুলো ধরে রাখা যায়।

08/03/2025

সাদাকালোর অতীতে রঙিন সুতোর বর্তমান।

পুরোনো স্মৃতির ফ্রেমকে সূচের ছোয়ায় সাজিয়ে নিতে ইনবক্স করুন।

Photos from প্রাচীন's post 31/10/2024

এইতো এলো! আবার যাবার বেলাও চলে এলো। শিউলির ঝরে পড়ার মতন অক্টোবর ফুরোলো। দিয়ে গেলো হেমন্তের মিষ্টি রোদ, হিম সকাল। অক্টোবর ফুরোলেও আমার ইট পাথরের শহরে আরো কিছুদিন কমলা রঙের বোটা ঝরে পড়বে। তার সাথে পাল্লা দেবে ছাতিমের গন্ধ। বাতাসে ভাসবে আরো এক অপেক্ষার গল্প।

28/09/2024

ভোরের আলোতে একটু একটু শীত জমতে শুরু করেছে। একটা কাঁথা না জরালে বেশ শীত শীত লাগে। এই সকাল গুলো অন্যরকম। অন্যরকম একটা গন্ধ মিশে থাকে। আগমনীর গন্ধ হয়তো। বোধহয় একটা না অনেকগুলো গন্ধ। তারমধ্যে মনে পড়ে দিদার শাড়ির গন্ধ। যার মধ্যে শৈশব আটকে থাকে। কাঁথার ওম ছেড়ে ভোরের আলোয় দিদার আঁচল ধরে শিউলি কুড়োনোর দিনগুলোর গন্ধ মিশে থাকে।

অক্টোবর না বলে কত কি নিয়ে আসে। কবেকার স্মৃতি, গন্ধ, আনন্দ, দুঃখ! কবেকার হারানো শিউলি, পুরোনো মুখ। তবে এই এতো পুরোনো জিনিসে দুঃখ থাকলেও মন কেমন করে না বরং ঠোঁটের পাশে এক চিলতে হাসি ভেসে ওঠে কবেকার সেসব পুরোনো কথা ভেবে।

08/05/2023

ডুয়ার্সের জঙ্গল, পাহাড়ী নদী যতটা মনে আটকে গেছে আর কোনো জায়গা বোধহয় ততটা প্রভাব ফেলতে পারবে না। ছোট্ট দীপার বেড়ে ওঠা। ছেলেবেলা পেরিয়ে মেয়েবেলায় পা দেয়া। জলপাইগুরি থেকে কলকাতা ভয়ঙ্কর রকম ভাবে মনে আটকে দিয়ে গেছেন মানুষটা। শুধু কি দীপাবলি! অনিমেষের জীবনটা? কিভাবে এতোটা ভাবতে পারে একজন মানুষ। স্বর্গছেড়ার অনিমেষ বিভৎস থ্রিলার নিয়ে কলকাতায় পা দিলো। মাধবীলতার সাথে পরিচয় হলো। প্রেম বলতে কি বোঝায় কেও যদি প্রশ্ন করে, আমার উত্তর হবে মাধবীলতার প্রেম অনিমেষের প্রতি। মেয়েরা কি পারে না! মেয়েমানুষ ভালোবাসলে সবটা উজার করে দিতে পারে। অনি বুঝেছিলো।"পুরুষ মানুষ যদি কোনও নারীর আষ্টেপৃষ্ঠে জড়ানো ভালোবাসা না পায় তাহলে তার বেচেঁ থাকা অর্থহীন"। আর মেয়েদের কাছে ভালোবাসার চেয়ে বড় মরণ আর কিছু নেই। সব চলে যাচ্ছে জেনেও অন্ধ হয়ে থাকতে হয়। একটা খোড়া ছেলের হাত ধরে পুরো পৃথিবী ছেড়ে দিতে পেরেছিলো এই মাধবীলতা। এই আমার কাছে প্রেম। যা আমাকে সমরেশ মজুমদার শিখিয়েছিলো তার কালবেলার মাধ্যমে।
গর্ভধারিণী? সেখানেও ভিন্ন রূপে একটা মেয়েকে দেখিয়েছেন যা আগের পড়া চরিত্র থেকে ভিন্ন। এই মানুষটা আমার চিন্তাধারাকে চিরতরে বদলে দিয়েছেন।
কোনোভাবেই ভাবতে পারি না তিনি আর লিখবেন না। কোনোভাবেই না। বেচেঁ তো থাকবেন সাতকাহনের ডুয়ার্সে, উত্তরাধিকারের স্বর্গছেড়ায় কিন্তু আর নতুন কিছু যে আসবে না। এর চেয়ে দুঃখ একজন পাঠকের জন্য আর কি হতে পারে।

“মানুষের জন্ম তার অস্তিত্তের প্রকাশে কোন বিশিষ্ট ভূমিকা গ্রহন করে না । কর্মই তার জীবনের প্রতীক । কর্মই তার জীবনের ফলাফল নির্ধারণ করে”

ভালো থাকবেন প্রিয় লেখক। আপনাকে ধন্যবাদ, লেখার মাধ্যমে এতো সুন্দর সময় দেবার জন্য। 🥀

" মৃত্যু কি সহজ, কি নিঃশব্দে আসে অথচ মানুষ চিরকালই জীবন নিয়ে গর্ব করে যায়! "

Want your business to be the top-listed Government Service in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Sagar Para
Rajshahi
6100