Gopalpur - গোপালপুর

Gopalpur - গোপালপুর

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gopalpur - গোপালপুর, Rajshahi.

BANGLADESH এর
অর্থঃ
B=Blood (রক্তে)
A=Achieve (অর্জিত)
N=Noteworthy (স্মরণীয়)
G=Golden (সোনালী)
L=Land (ভূমি)
A=Admirable (প্রশংসিত)
D=Democratic (গণতান্ত্রিক)
E=Evergreen (চিরসবুজ)
S=Sacred (পবিত্র)
H=Habitation (বাসভূমি)

31/01/2026

Ramadan

04/10/2025



সালিম (রহঃ) হতে তাঁর পিতার থেকে বর্ণিতঃ

সাদকা (যাকাত) প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি ফরমান (অধ্যাদেশ) লিখালেন। তার কর্মচারীদের নিকটে এটা পাঠানোর আগেই তিনি মারা যান। তিনি এটা নিজের তরবারির সাথে রেখেছিলেন। তার মৃত্যুর পর আবূ বাকার (রাঃ) তা কার্যকর করেন। তিনিও মারা যান। উমার (রাঃ)-ও সে অনুযায়ী কাজ করেন। তারপর তিনিও মারা যান। তাতে লেখা ছিল পাঁচটি উটের জন্য একটি বকরী, দশটি উটের জন্য দুটি বকরী, পনেরটি উটের জন্য তিনটি বকরী এবং বিশটি উটের জন্য চারটি বকরীর যাকাত আদায় করতে হবে। পঁচিশ হতে পঁয়ত্রিশ পর্যন্ত উটের জন্য একটি বিনতু মাখায (একটি পূর্ণ এক বছরের মাদী উট); এর বেশি হলে পঁয়তাল্লিশ পর্যন্ত (ছত্রিশ হতে পঁয়তাল্লিশ পর্যন্ত) উটের জন্য একটি বিনতু লাবুন (একটি পূর্ণ দুই বছরের মাদী উট); এর বেশি হলে ষাট পর্যন্ত (ছিচল্লিশ হতে ষাট পর্যন্ত) উটের জন্য একটি হিক্কাহ (একটি পূর্ণ তিন বছরের মাদী উট); আবার এর বেশি হলে পঁচাত্তর পর্যন্ত (একষট্টি হতে পঁচাত্তর পর্যন্ত) উটের জন্য একটি জাযাআহ (একটি চার বছরের মাদী উট); আরো বেশি হলে নব্বই পর্যন্ত (ছিয়াত্তর হতে নব্বই পর্যন্ত) উটের জন্য দু’টি বিনতু লাবূন; আরো বেশি হলে একশত বিশ পর্যন্ত (একানব্বই-একশত বিশ) উটের জন্য দু’টি হিক্কাহ এবং যখন একশত বিশের বেশি হবে তখন প্রতি পঞ্চাশ উটের জন্য একটি হিক্কাহ এবং প্রতি চল্লিশ উটের জন্য একটি বিনতু লাবূন যাকাত আদায় করতে হবে।
ভেড়া বকরীর যাকাত হলঃ চল্লিশ হতে এক শত বিশ পর্যন্ত বকরীর জন্য একটি বকরী; এর বেশি হলে দু’শত পর্যন্ত দুটি বকরী; এর বেশি হলে তিনশত পর্যন্ত বকরীর জন্য তিনটি বকরী; তিনশতর বেশি হলে প্রতি একশত বকরীর জন্য একটি করে বকরী যাকাত আদায় করতে হবে। তারপর বকরীর পরিমাণ আবার একশত পর্যন্ত না পৌছালে (পুনরায়) কোন যাকাত দিতে হবে না।
যাকাতের ভয়ে (একাধিক মালিকানায়) বিচ্ছিন্নগুলোকে একত্র করা এবং একত্রগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। এক সাথে দুই শরীকের পশু থাকলে প্রত্যেকে নিজ নিজ অংশের হিসাব করে সঠিকভাবে যাকাত আদায় করবে। যাকাতে বৃদ্ধ এবং ক্রটিযুক্ত পশু গ্রহণ করা হবে না।

-সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭৯৮)।

ফুটনোট: যুহ্‌রী (রহঃ) বলেন, সাদকা আদায়কারী আসলে (মালিক) ৰকরীগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করবে। একটি ভাগে থাকবে উন্নত মানের বকরী, অন্য ভাগে থাকবে মধ্যম মানের বকরী এবং আর এক ভাগে থাকবে নিকৃষ্ট মানের বকরী। মধ্যম মানের বকরী হতে সাদকা আদায়কারী যাকাত গ্রহণ করবে। যুহ্‌রী (রহঃ) গরুর প্রসঙ্গে কিছু বলেননি।
আবূ বাকার সিদীক, বাহ্‌য ইবনু হাকীম পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদা হতে, আবূ যার ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা ইবনু উমারের হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। এই হাদীস অনুসারে সকল ফিক্‌হবিদ মত গ্রহণ করেছেন। একদল রাবী মারফূভাবে এ হাদীসটিকে বর্ণনা করেননি। শুধুমাত্র সুফিয়ান ইবনু হুসাইন মারফূ হিসাবে এটাকে বর্ণনা করেছেন।

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৬২১
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ, irdfoundation․com

04/10/2025



আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইচ্ছা করতাম, আমাদের উপস্থিত থাকা অবস্থায় কোন বুদ্ধিমান বেদুঈন এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করুক! এমন সময় এক বেদুঈন হাযির হল। সে তার হাঁটু গেড়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে বসল। সে বলল, হে মুহাম্মাদ! আমাদের নিকট আপনার প্রতিনিধি এসে বলল, আপনি দাবি করছেন, ‘আপনাকে আল্লাহ তা’আলা তাঁর রাসূল করে পাঠিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। লোকটি বলল, সেই সত্তার শপথ, যিনি আকাশসমূহ সমুন্নত করেছেন, যমীনকে বিস্তৃত করেছেন এবং পাহাড়সমূহ দাঁড় করিয়েছেন, সত্যিই কি আপনাকে আল্লাহ তা’আলা তার রাসূল করে পাঠিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। লোকটি বলল, আমাদেরকে আপনার প্রতিনিধি বলেছে, আপনি মনে করেন আমাদের উপর দিন রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামায বাধ্যতামূলক। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। লোকটি বলল, সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন! আল্লাহ কি এই প্রসঙ্গে আপনাকে আদেশ করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। বেদুঈন বলল, আমাদেরকে আপনার প্রতিনিধি বলেছে, আপনি মনে করেন বছরে এক মাস আমাদের উপর রোযা বাধ্যতামূলক। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে সঠিক বলেছে। লোকটি বলল, সেই সত্তার শপথ, আপনাকে যিনি পাঠিয়েছেন! আল্লাহ তা’আলা কি এই প্রসঙ্গে আপনাকে আদেশ করেছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। সে বলল, আমাদেরকে আপনার প্রতিনিধি বলেছে, আপনি মনে করেন আমাদের ধনদৌলতের উপর যাকাত বাধ্যতামূলক। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে সত্য বলেছে! বেদুঈন বলল, সেই সত্তার শপথ, আপনাকে যিনি রাসূল করে পাঠিয়েছেন! আল্লাহ তা’আলা কি এই প্রসঙ্গে আপনাকে আদেশ করেছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। সে বলল, আমাদেরকে আপনার প্রতিনিধি বলেছে, আমাদের মধ্যে যে লোক দূরত্ব অতিক্রম করার (আর্থিক ও দৈহিক) যোগ্যতা রাখে আপনি মনে করেন তার জন্য বাইতুল্লাহ্‌র হাজ্জ বাধ্যতামূলক। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। বেদুঈন বলল, সেই সত্তার শপথ, আপনাকে যিনি রাসূল করে পাঠিয়েছেন! আল্লাহ তা’আলা কি আপনাকে এই প্রসঙ্গে আদেশ করেছেন। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। লোকটি বলল, সেই সত্তার শপথ, আপনাকে যিনি সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন! আমি এগুলোর কোনটিই ছাড়বো না এবং এগুলোর সীমাও পার করব না। তারপর সে তাড়াতাড়ি উঠে চলে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এই বেদুঈন যদি সত্য বলে থাকে তবে সে জান্নাতে যাবে।

-সহীহ, তাখরীজ ঈমান ইবনু আবী শাইবা (৪/৫), বুখারী, মুসলিম।

ফুটনোট: আবূ ঈসা বলেন, উল্লেখিত সনদে হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীসটি অন্যান্য সূত্রেও আনাস (রাঃ) হতে এবং তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। আমি একথা মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে বলতে শুনেছি যে, একদল মুহাদিস বলেন, এ হাদীসের একটি আইনগত (ফিক্‌হী) দিক এই যে, উস্তাদের নিকট পাঠ করা এবং তা তার শুনা উস্তাদের নিকট হতে শুনার মতই গ্রহণযোগ্য। তারা উক্ত হাদীস দলীল হিসাবে উপস্থাপন করে বলেন, এই বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে (বর্ণনা) উপস্থাপন করল, আর তিনি তার সত্যতা স্বীকার করলেন।

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৬১৯
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ, irdfoundation․com

04/10/2025



আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এলাম। তিনি সে সময় কা’বার ছায়াতে বসে ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে সম্মুখে আসতে দেখে বলেনঃ কা’বার প্রভুর শপথ! তারা কিয়ামাতের দিবসে অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় হাযির হবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মনে মনে বললাম, আমার কি হল, মনে হয় আমার প্রসঙ্গে তার উপর কোন কিছু নাযিল হয়েছে। আমি বললাম, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা নিবেদিত হোক! এধরণের লোক কারা? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অধিক ধনদৌলত আত্মসাৎকারী, কিন্তু যে সব লোক এই, এই ও এই পরিমাণ দিয়েছে সে সব লোক ছাড়া। তিনি সামনে, ডানে ও বামে হাতের ইশারা করলেন। তারপর তিনি বললেনঃ সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার জীবন! যে লোক এধরণের উট অথবা গরু রেখে মৃত্যুবরণ করল যার যাকাত সে দেয়নি, কিয়ামাতের দিন সেগুলো পূর্বাবস্থা হতে বেশি মোটাতাজা হয়ে তার নিকটে আসবে এবং নিজেদের পায়ের ক্ষুর দ্বারা তাকে দলিত করবে এবং শিং দ্বারা গুঁতো মারবে। সবশেষের জন্তুটি চলে যাওয়ার পর আবার প্রথম জন্তুটি ফিরে আসবে। মানুষের সম্পূর্ণ বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত শাস্তির এ ধারা চলতে থাকবে।

-সহীহ্‌, তা’লাকুর রাগীব (১/২৬৭)।

ফুটনোট: আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও একই রকম হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) বলেন, যাকাত অমান্যকারীকে অভিসম্পাত করা হয়েছে। কাবীসা ইবনু হুলব তার পিতা থেকে, জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, আবূ যারের হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ যার (রাঃ)-এর নাম জুনদাব ইবনুস সাকান, কারো মতে ইবনু জুনাদা। দাহ্‌হাক ইবনু মুযাহিম বলেন, যার দশ হাজার (দিরহাম) রয়েছে সেই অধিক সম্পদশালী।

-সহীহ মাকতু অর্থাৎ যাহ্‌হাকের উপর মাওকূফ।

এই হাদীসের এক রাবী আবদুল্লাহ ইবনু মুনীর মারওয়াযী একজন নিষ্ঠাবান লোক ।

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৬১৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ, irdfoundation․com

04/10/2025



বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, কুরআন মাজীদের আয়াত ‘’ওয়া হায়সু মা কুনতুম ফাওয়ালু উজূহাকুম শাত্বরাহ্’’ (অর্থাৎ - এখন যেখানেই তোমরা অবস্হান করো না কেন, ঐ (কা’বাহ ঘরের) দিকে মুখ করে সলাত আদায় করো) অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমরা ষোল মাস যাবৎ বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায়ের পর এ আয়াত অবতীর্ণ হলো। তখন সবার মধ্য হতে জনৈক ব্যাক্তি উঠে রওয়ানা হলো। সে সলাতরত একদল আনসারের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাদের কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তারা সবাই (সলাতরত অবস্থায়ই) মুখ ফিরিয়ে বায়তুল্লাহ বা কা’বাহ্ ঘরের দিকে করে নিলো। (ই. ফা. ১০৫৭ ই. সে. ১০৬৫)

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১০৬৩
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ, irdfoundation․com

04/10/2025



আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অন্য সব নাবীদের চাইতে আমাকে ছয়টি বিশেষ মর্যাদা দান করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আমাকে অত্যন্ত প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমার জন্য গণীমাতের (যুদ্ধলব্ধ) অর্থ সম্পদ হালাল করা হয়েছে। আমার জন্য গোটা পৃথিবীর ভূমি বা মাটি পবিত্রতা হাসিলকারী বা মসজিদ করা হয়েছে। আমাকে সমগ্র সৃষ্টির জন্য (নাবী করে) পাঠানো হয়েছে। আর আমাকে দিয়ে নাবীদের আগমন-ধারা সমাপ্ত করা হয়েছে। (ই. ফা. ১০৪৮ ই. সে. ১০৫৭)

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১০৫৪
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ, irdfoundation․com

04/10/2025

‎حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ سَيَّارٍ، عَنْ يَزِيدَ الْفَقِيرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أُعْطِيتُ خَمْسًا لَمْ يُعْطَهُنَّ أَحَدٌ قَبْلِي كَانَ كُلُّ نَبِيٍّ يُبْعَثُ إِلَى قَوْمِهِ خَاصَّةً وَبُعِثْتُ إِلَى كُلِّ أَحْمَرَ وَأَسْوَدَ وَأُحِلَّتْ لِيَ الْغَنَائِمُ وَلَمْ تُحَلَّ لأَحَدٍ قَبْلِي وَجُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ طَيِّبَةً طَهُورًا وَمَسْجِدًا فَأَيُّمَا رَجُلٍ أَدْرَكَتْهُ الصَّلاَةُ صَلَّى حَيْثُ كَانَ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ بَيْنَ يَدَىْ مَسِيرَةِ شَهْرٍ وَأُعْطِيتُ الشَّفَاعَةَ ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

সূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিশেষ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যা অন্য কোন নাবীকে দেয়া হয়নি, প্রত্যেক নাবীকে শুধু তার কাওমের জন্য পাঠানো হতো। কিন্তু আমাকে সাদা ও কালো সবার জন্য নবী করে পাঠানো হয়েছে। আমার জন্য গণীমাত বা যুদ্ধলব্ধ অর্থ-সম্পদ হালাল করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমার পূর্বে আর কারো (কোন নাবীর) জন্য তা হালাল ছিল না। আমার জন্য গোটা পৃথিবী পাক-পবিত্র ও মসজিদ করে দেয়া হয়েছে। সুতরাং সলাতের সময় হলে যে কোন লোক যে কোন স্হানে সলাত আদায় করে নিতে পারে। আমাকে একমাসের পথের দূরত্ব পর্যন্ত অত্যন্ত শান শাওকাত সহকারে (শত্রু ও অন্তর ভীতি দ্বারা) সাহায্য করা হয়েছে। আর আমাকে শাফা’আতের সুযোগ দান করা হয়েছে। (ই. ফা. ১০৪৪ ই. সে. ১০৫৪)

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১০৫০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ, irdfoundation․com

04/10/2025



আবু যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রসুল! পৃথিবীতে কোন্ মসজিদটি সর্বপ্রথম নির্মিত হয়েছিল? তিনি বললেন, মাসজিদুল হারাম। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম এরপর কোনটি (মসজিদটি)। তিনি বললেন, আল মাসজিদুল আক্বসা বা বায়তুল মাক্বদিস। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম, এ দুটি মাসজিদের নির্মাণকালের মধ্যে ব্যবধান কত? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। (তিনি আরো বললেনঃ) যে স্হানেই সলাতের সময় উপস্হিত হবে, তুমি সেখানেই সলাত আদায় করে নিবে। কারণ সে জায়গাটাও মসজিদ।

আবু কামিল বর্ণিত হাদীসে আছে, তাই যেখানেই সলাতের সময় হবে, তুমি সেখানেই সলাত আদায় করে নিবে। কারণ সেটিও মসজিদ। (ইসলামিক ফাঊন্ডেশন বাংলাদেশ ১০৪২, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার ১০৫২)

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১০৪৮
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ, irdfoundation․com

Want your business to be the top-listed Government Service in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rajshahi
6420