27/03/2022
অভিনন্দন♥
শেখ কামাল বিন হারুন সিয়াম,
নবনিযুক্ত সভাপতি ❤
ও
আব্দুল্লাহ আল মারুফ,
সাধারন সম্পাদক।
সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ।
সহ সকলকে মুজিবীয় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ♥
22/02/2022
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত হল সম্মেলন সফল হোক, সার্থক হোক।
নাজমুল ইসলাম (সজল),
সভাপতি,সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগ।
সৈকত হোসাইন,
সাধারণ সম্পাদক,
সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
সাবেক হবার অপেক্ষায়♥
04/07/2020
অভিনন্দন স্যার♥
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সৈয়দ আমীর আলী হলের নতুন প্রাধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন স্যার।
সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো♥
23/06/2020
গৌরবের অভিযাত্রায় ৭১ বছর।
২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু,
জয়তু দেশরত্ন
শেখ হাসিনা।
03/06/2020
🌹শুভ জন্মদিন 🌹
গুরু
এম মিজানুর রহমান রানা
ভাই...❤❤
সাধারন-সম্পাদক,
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ,রাজশাহী জেলা।
সাবেক সফল সভাপতি,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
সফলতায় ভরে উঠুক আপনার প্রতিটি মুহূর্ত,,, এবং আল্লাহর কাছে আপনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি,💞💞💞
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ইতিহাসে আপনার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
01/06/2020
🌹শুভ জন্মদিন🌹
সৈকত হোসাইন,
সাধারণ সম্পাদক, সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগ,রাবি।
সহ-সভাপতি, রাবি ছাত্রলীগ।
শুভ কামনা নিরন্তর ♥
03/05/2020
জাহানারা ইমাম!
একটি নাম, একটি চেতনা, একটি ভালোবাসার প্রতীক!
কী অসম্ভব ভালোবাসা তিনি ধারণ করতেন দেশের জন্য, কি ত্যাগই না তিনি করেছেন, কি কষ্টই না তিনি সয়েছেন মৃত্যুর আগপর্যন্ত এই দেশের জন্য। মুক্তিযুদ্ধে স্বামী ও পুত্র হারানোর শোক কিংবা মৃত্যুব্যাধি ক্যান্সার, কিছুই তাকে দমাতে পারেনি দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সংগ্রাম থেকে। এই শোক-যন্ত্রণা তাঁকে বরং আরও সাহসী করেছে। আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামের এক রক্ষণশীল পরিবারে ১৯২৯ সালের ৩ মে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশবকালে মুসলিম পরিবারের মেয়েদের নিকট আধুনিক শিক্ষালাভের দ্বার উন্মুক্ত ছিল না। তবে তিনি তাঁর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পিতা আবদুল আলীর তত্ত্বাবধানে রক্ষণশীলতার বাইরে এসে আধুনিক শিক্ষা লাভ করেছিলেন। ফুলব্রাইট স্কলার জাহানারা ইমাম আমেরিকা থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে ১৯৬৬ সালে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৬৮-র দিকে সে চাকরি ছেড়ে দেন। এরপর তিনি জড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনে। পাশাপাশি চলতে থাকে সংসার জীবন ও লেখালেখি।
শুরু হয় ৬৯- এর গণঅভ্যুত্থান। এরই ধারাবাহিকতায় ’৭১এ প্রিয় সন্তান রুমী যোগ দেয় মুক্তিযুদ্ধে। ট্রেনিং থেকে ঢাকায় ফিরে রুমী নিয়মিত অংশ নিতে থাকে বিভিন্ন অপারেশনে। রুমী ও তার সঙ্গীদের একজন সহযোদ্ধা হযে যান জাহানারা ইমাম। গাড়িতে অস্ত্র আনা নেয়া, পৌঁছে দেয়া, মুক্তিযোদ্ধাদের বাসায় আশ্রয় দেয়া, খবর আদান-প্রদান, এসব ছিলো তাঁর নিয়মিত কাজ। যুদ্ধের শেষ দিকে রুমী ধরা পড়েন এবং পাকবাহিনীর নির্মম অত্যাচারে শহীদ হন। জাহানারা ইমামের স্বামী শরিফ ইমাম পুত্র হারানোর শোকে হার্টফেল করে মারা যান। যুদ্ধ বিজয়ের আনন্দটুকু তাঁর বিষাদে ছেয়ে যায়।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি থেকে ডায়েরি আকারে লেখা তাঁর অমর গ্রন্থ একাত্তরের দিনগুলি প্রকাশ হয় ১৯৮৬ সালে এ গ্রন্থ দেশ-বিদেশে ব্যাপক সাড়া জাগায়। তিনি হয়ে ওঠেন স্বনামধম্য লেখিকা।
১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে জামায়াতে ইসলামী তাদের দলের আমীর ঘোষণা করলে বাংলাদেশে জনবিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। বিক্ষোভের অংশ হিসাবে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ১০১ সদস্যবিশিষ্ট একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয় জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে। তিনি হন এর আহ্বায়ক। এর পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী প্রতিরোধ মঞ্চ, ১৪টি ছাত্র সংগঠন, প্রধান প্রধান রাজনৈতিক জোট, শ্রমিক-কৃষক-নারী এবং সাংস্কৃতিক জোটসহ ৭০টি সংগঠনের সমন্বয়ে পরবর্তীতে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠিত হয়। সর্বসম্মতিক্রমে এর আহ্বায়ক নির্বাচিত হন জাহানারা ইমাম। এই কমিটি ১৯৯২ সালে ২৬ মার্চ ‘গণআদালত’ এর মাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একাত্তরের নরঘাতক গোলাম আযমের ঐতিহাসিক বিচার অনুষ্ঠান করে। গণআদালাতে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে দশটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত হয়। ১২ জন বিচারক সমন্বয়ে গঠিত গণআদালতের চেয়ারম্যান জাহানারা ইমাম গোলাম আযমের ১০টি অপরাধ মৃত্যুদন্ডযোগ্য বলে ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রীয় আদালতে বিচারের মাধ্যমে এ রায় বাস্তবায়নের জন্য তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান। কিন্তু জাহানারা ইমামসহ গণআদালতের সাথে জড়িত ২৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে উল্টো রাষ্ট্রদ্রোহের অজামিনযোগ্য মামলা দায়ের করা হয়। পরে হাইকোর্ট তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
জাহানারা ইমাম ১৯৯২ এর ১২ এপ্রিল গণআদালতের রায় কার্যকরের জন্য লাখো জনতার পদযাত্রার মাধ্যমে সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং বিরোধী দলীয় নেতার কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে এরপর তিনি দেশজুড়ে গণসমাবেশ, গণস্বাক্ষর এবং মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন।
১৯৯৩ সালের ১৮ মার্চ জাহানারা ইমাম আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশের আঘাতে আহত হন এবং সে সময়ের পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে জীবন রক্ষা করেন। তাঁর আপসহীন ভূমিকায় দেশ-বিদেশে এ আন্দোলনের জোয়ার তৈরি হয় এবং বিভিন্ন কমিটি গঠন হয়। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট গোলাম আযমসহ ’৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবির আন্দেলনকে সমর্থন দেয়।
গণআদালতের তৃতীয় বার্ষিকীতে অর্থাৎ, ১৯৯৪ এর স্বাধীনতা দিবসে জাহানারা ইমাম ৮ জন যুদ্ধাপরাধীর তদন্ত রিপোর্ট পেশ করেন এবং নতুন আরও ৮ জনের বিরুদ্ধে তদন্তের ঘোষণা দেন। ১৯৯৪ এর ৭ মার্চ নারী গ্রন্থ প্রবর্তনা তাঁকে শ্রেষ্ঠ সংগ্রামী নারী হিসেবে জাতীয় সংবর্ধনা দেয়। ১৪০১ সালের পয়লা বৈশাখ ‘আজকের কাগজ’ তাঁকে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার সম্মান দেয়। তবে এ পুরস্কার গ্রহণের আগেই ১৯৯৪ এর ২ এপ্রিল তিনি চিকিৎসার জন্যে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হন। ২২ এপ্রিল ডাক্তাররা জানিয়ে দেন, ক্যান্সারের বিপদজনক বীজ অপসারণ আর সম্ভব নয়। ২৬ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তখনও তাঁর নামে দেশদ্রোহের মামলা ঝুলছিল। জাহানারা ইমাম এর শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী মরদেহ দেশে এনে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ডাক্তাররা মৃত্যুর পূর্বাভাস দিয়ে দেয়ার পরও জাহানারা ইমাম এতটুকু বিচলিত হননি। জীবনের শেষ দিনগুলোতেও তিনি অন্যদের সাহস দিয়ে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের আন্দোলনে তাঁর স্বপ্ন ছড়িয়ে দিয়ে গেছেন। কণ্ঠরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর কাঁপা হাতে লেখা চিঠিতে দেশের মানুষের জন্য তিনি লিখেছেন ‘একাত্তরের ঘাতক ও যুদ্ধাপরাধী বিরোধী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ৭১ এর ঘাতক দালাল নির্মূল আন্দোলনের দায়িত্বভার আমি আপনাদের, বাংলাদেশের জনগণের হাতে অর্পণ করলাম। জয় আমাদের হবেই।’
Copied from Aparajita neel
09/04/2020
আমরা Covid-19 এর এ প্রবেশ করে ফেলেছি। মানে community spread হচ্ছে এবার। এই ক্ষেত্রে কি হবে আর কি করতে হবে:
3rd Stage মানে কার কিভাবে কোত্থেকে কার থেকে Corona virus সংক্রমণ হচ্ছে তা আর খোজ পাত্তা পাওয়া সম্ভব না।
এখন কি কি করতে হবে?
Check list:
1) বয়স্কদের ভুলেও ঘরের বাইরে যেতে দেয়া যাবেনা।
2) যেকোনো বয়সের শারীরিক ভাবে দুর্বল, ডায়াবেটিস এর রোগী, প্রেসার এর রোগী, কিডনি সমস্যা, লিভার সমস্যা, ফুসফুসের সমস্যা, হার্টের সমস্যা ইত্যাদি রোগী ভুলেও ঘরের বাইরে যেতে দেয়া যাবেনা, কারন তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে।
3) এক্কেবারে বিশেষ দরকারে সুস্থ সবল যুবক/যুবতী যদি বের হতেই হয় তবে কম করে average 3 ফুট দুরত্ব ( range 1.5 থেকে 5 মিটার) বজায় রাখতেই হবে যেকোনো বাইরের জানা/অজানা লোকের সাথে। ভীর / লোক জমায়েতে যাওয়ার তো প্রশ্নই উঠেনা।
4) বাইরে বের হতে হলে অবশ্যই mask ব্যবহার করতে হবে।
5) বাজারে থাকা কালীন / বাজার থেকে এসে নিজের নাক, মুখ, চোখ এমন কি কানেও হাত দেয়া যাবেনা যতক্ষণ না hand-wash / সাবান দিয়ে 20 সেকেন্ড ভালোভাবে ঘষে হাতধোয়া না হচ্ছে।
6) হাতধোয়া শেষ হলে বাজারে ব্যবহৃত জামা-কাপড় detergent গোলা পানিতে কম করে 1/2 ঘন্টা ভিজিয়ে তারপর ধুতে হবে + গোসল করতে হবে।
7) ঘরের মধ্যে কোনো Covid-19 রোগী / সন্দেহজনক কেউ না থাকলে mask ব্যবহার এর প্রয়োজন নেই।তবে যেহেতু এটা বাতাসে অনেক্ক্ষণ ভেসে থাকতে পারে তাই দরজা জানালা যতটা সম্ভব আটকে রাখতে হবে।
9) ভাল ভাবে ধুয়ে ভিটামিন - C যুক্ত ফল বেশী খেলে ভাল।ফলগুলো আধ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে তারপর খাবেন। বাইরে থেকে আনা বিস্কুট, কেক ইত্যাদির যেকোনো প্যাকেট ব্যবহার এর আগে ধুয়ে নিতে হবে।
10) ঘরের ভিতরে ঝাড়ু_দেয়া_যাবেনা। বরং সরাসরি ব্লিচিং পাউডার/ lizol জাতীয় floor cleaner দিয়ে মুছে ফেলতে হবে। কোনোভাবেই ধুলো উড়তে দেয়া যাবে না।
11) বাজারে / বাইরে ব্যবহৃত জুতা ঘরের বাইরেই রাখতে হবে।
12) বাইরের যেকোনো ব্যাক্তি কেই covid-19 +ve রোগী ভাবুন এবং সেই মতো নিজেকে সচেতন রাখুন।(যেহেতু Stage-3 তে প্রবেশ করেছি।)
13) খবরের কাগজ, parcel, কাজের লোক, বাইরের যেকোনো লোক ঘরে আসতে চাইলে সরাসরি_না_বলুন। কোনো খরব জানতে online এ জানুন।
14) শুধুমাত্র ঘরে রান্না করা খাবার খান।
15) দয়া করে কোনো খাবার_অপচয় বা নষ্ট করবেন না। বাসায় বাজার/তরিতরকারি যা আছে সেগুলো প্রোপার ইউটিলাইজ করার চেষ্টা করুন।
15) ঠান্ডা খাবার / পানীয় সম্পূর্ণ ভাবে বর্জন করুন।
16) ঘর থেকে একদম না বের হওয়া হল best way.
বিঃদ্রঃ এই সময়ে ঠান্ডা,কাশি,জ্বর,গলা ব্যাথা,নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি জাতীয় সমস্যা হলে নিকটস্থ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
May god bless us all.
Home, Stay Safe.
-Collected.
05/04/2020
https://www.bd-pratidin.com/coronavirus/2020/04/05/517978
রাজধানীর সবুজবাগে এক পরিবারের ৬ জন করোনা আক্রান্ত | বাংলাদেশ প্রতিদিন
রাজধানীর সবুজবাগ থানার দক্ষিণগাঁও এলাকার এক পরিবারের ছয় জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া তাদের প্রতিবেশ....
05/04/2020
করোনা আপডেট বাংলাদেশ
৫ এপ্রিল ২০২০ ইং