আগামী সপ্তাহ হতে অনিবার্য কারণে লাইব্রেরির কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো। কোনো বোন বই ফেরত দিতে চাইলে ইনবক্সে জানাবেন ইন শা আল্লাহ। জাযাকামুল্লাহ খয়রন।
Al Guroba Library-Female Zone.Rajshahi
ইলমের জানালা উন্মুক্ত হোক ইসলামিক বই পাঠদানে
গ্রীষ্মের খাঁ খাঁ রোদ্দুরে আম গাছের ছায়ায় বসে গ্রামের প্রকৃতি দেখতে দেখতে চা পান এবং একান্তে বই পড়ার অনুভূতিটা আসলেই ভিন্ন রকমের; আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহুম্মা বারিক লাহা।
04/04/2026
এহেম এহেম, বোনেরা আমার সব কি ঈদের পর থেকে কোনো বই পড়া শুরু করতে পেরেছেন নাকি এখোনো রিডিং ব্লকেই আটকে রয়েছেন! একটু জানান তো কি অবস্থা আপনাদের?
27/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ, দীর্ঘ ছুটি কাটানোর পর অবশেষে ১লা এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ হতে লাইব্রেরির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে ইন শা আল্লাহ।
আগামী মাসে পুরাতন পাঠিকা বোনেরা যারা বই ধার করা শুরু করবেন তাদের মধ্যে প্রথম ৫ জন বোনকে দারুল কারার পাবলিকেশন্স কর্তৃক প্রকাশিত "নারীদের জ্ঞানঅর্জনে শারয়ী সীমারেখা" নামক গুরুত্বপূর্ণ পিচ্চি বইটি হাদীয়া দেওয়া হবে এবং বাকি পাঠিকা বোনেরাও চাইলে এই বই ধার করে পড়তে পারবেন, ইনশা আল্লাহ।
আশা করি, বোনেরা আমার নিজেরাও সাদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং আপনাদের পরিচিত বোনদেরকেও ইলম অর্জন করার সুযোগ করে দেয়ার জন্য পেইজে ইনভাইট করে, পোষ্ট শেয়ার করে, মেনশন করে একটু প্রচার করতে সহযোগিতা করবেন, ইন শা আল্লাহ।
বারকাল্লাহু ফি ইলমিক,
জাযাকামুল্লাহু খয়রন।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহু, বোনেরা। কেমন আছেন সবাই? ঈদ কেমন কাটলো?
04/02/2026
আলহামদুলিল্লাহ, লাইব্রেরির নতুন পাঠিকা বোনদেরকে আল-ইলম একাডেমী কর্তৃক প্রকাশিত "ত্বলিবুল ইলমের চোখে ইলমের দুনিয়া" নামক গুরুত্বপূর্ণ পিচ্চি বইটি হাদীয়া দেওয়া হবে এবং
পুরাতন পাঠিকা বোনেরা চাইলে এই বই ধার করে পড়তে পারবেন, ইনশা আল্লাহ।
আশা করি, বোনেরা আমার নিজেরাও সাদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং আপনাদের পরিচিত বোনদেরকেও ইলম অর্জন করার সুযোগ করে দেয়ার জন্য পেইজে ইনভাইট করে, পোষ্ট শেয়ার করে, মেনশন করে একটু প্রচার করতে সহযোগিতা করবেন, ইন শা আল্লাহ।
বারকাল্লাহু ফি ইলমিক,
জাযাকামুল্লাহু খয়রন।
03/02/2026
কথিত ‘শবে বরাত’ উপলক্ষে প্রচলিত কতিপয় বিদআত:
আমাদের সমাজে ‘শবে বরাত’ নামক রাতটি খুব জমজমাটভাবে উদযাপন করা হয়। আর এ উপলক্ষে সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনে ছড়িয়ে আছে অনেক অজ্ঞতা, অনেক বিদআত ও শরিয়াহবিরোধী বিষয়।
নিম্নে এমন কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরা হলো:
◈ ১) কথিত শবে বরাত উপলক্ষে একশত রাকআত নামাজ আদায় করা:
এ রাতে এক অদ্ভুত পদ্ধতিতে একশত রাকআত নামাজ আদায় করা হয়। পদ্ধতিটি হলো নিম্নরূপ:
মোট একশত রাকআত নামাজ পড়তে হয়। প্রতি দুই রাকআত পর সালাম ফিরাতে হবে। প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহার পর দশবার সূরা ইখলাস পাঠ করতে হবে। একশত রাকআত নামাজে সূরা ইখলাস পাঠ করতে হয় মোট এক হাজার বার। তাই এ নামাজকে সালাতুল আলফিয়া বলা হয়। [ইমাম গাজ্জালি (রহ.) এ পদ্ধতিটি ইহইয়াউ উলূমিদ্দিন কিতাবে উল্লেখ করেছেন। দেখুন: ১ম খণ্ড, ২০৩ পৃষ্ঠা।]
◯ কথিত শবে বরাতে একশত রাকআত নামাজ পড়ার বিধান:
ইসলামে এ ধরনের নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পূর্ণ নতুন আবিষ্কৃত বিদআত। এ ব্যাপারে সর্বযুগের সমস্ত আলেম একমত। কারণ, তা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং খুলাফায়ে রাশেদিন কখনো পড়েননি। তাছাড়া ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালিক, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল, সুফিয়ান সাওরি, আওযাঈ, লায়স প্রমুখ যুগশ্রেষ্ঠ ইমামগণ কেউ এ ধরনের বিশেষ নামাজ পড়ার কথা বলেননি। এ সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসটি হাদিস বিশেষজ্ঞদের মতে বানোয়াট এবং জাল। যেমন: ইবনুল জাওযী উক্ত হাদিসটি "আল মাওজু'আত" (জাল হাদিস সংকলন) কিতাবে তিনটি সনদে উল্লেখ করে বলেছেন, এটি যে বানোয়াট তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তিনটি সনদেই এমন সব বর্ণনাকারী রয়েছে যাদের অধিকাংশের পরিচয় অজ্ঞাত। আরও কতিপয় বর্ণনাকারী খুব দুর্বল। সুতরাং হাদিসটি নিশ্চিতভাবে জাল। [আল মাওজু'আত, ২য় খণ্ড, ১২৭-১৩০ পৃষ্ঠা।]
◯ এ নামাজ কে কখন কীভাবে চালু করল?
ইমাম তরতূশী (রহ.) বলেন: শাবান মাসের পনের তারিখ রাতে একশত রাকআত নামাজ পড়ার পদ্ধতি সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি চালু করে তার নাম হলো ইবনে আবুল হামরা। তিনি ছিলেন ফিলিস্তিনের নাবলুস শহরের অধিবাসী। তিনি ৪৪৮ হিজরি সনে বায়তুল মাকদিসে আসেন। তার তেলাওয়াত ছিল খুব সুন্দর। তিনি শাবান মাসের পনের তারিখ রাতে মসজিদুল আকসায় এসে নামাজ শুরু করেন। এক লোক তার পেছনে অনুসরণ করে। অতঃপর আরও একজন আসে। কিছুক্ষণ পর আরও একজন। এভাবে নামাজ শেষে দেখা গেল বিরাট জামাআতে পরিণত হয়েছে।
পরবর্তী বছর শবে বরাতে সে ব্যক্তির সাথে প্রচুর পরিমাণ মানুষ নামাজে শরিক হয়। এভাবে এ নামাজটি মসজিদুল আকসাসহ বিভিন্ন মসজিদে পড়া আরম্ভ হয়ে গেল। কিছু মানুষ নিজেদের বাড়িতে এ নামাজ পড়া শুরু করে দিল। পরিশেষে এমন অবস্থা দাঁড়ালো যেন এটি একটি সুন্নত। [আত্ ত্বারতূশী রচিত আত্ তাহযীর মিনাল বিদা, পৃষ্ঠা: ১২১-১২২]
◈ ২) এ রাতে কুরআন অবতীর্ণ হওয়া এবং এ রাতেই মানুষের আগামী বছরের ভাগ্য নির্ধারিত হওয়ার ধারণা:
কুরআন কোন রাতে অবতীর্ণ হয়? শাবান মাসের শবে বরাতে নাকি রমজান মাসের শবে কদরে?
আল্লাহ তাআলা বলেন:
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ * فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ
“আমি ইহা অবতীর্ণ করেছি এক বরকতময় রাতে। কেননা, আমি মানুষকে সতর্ককারী। এ রাতে প্রতিটি প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থির করা হয়।” [সূরা দুখান: ৩ ও ৪]
◯ এ ‘বরকতময় রাত‘ দ্বারা কোন রাত উদ্দেশ্য?
উক্ত আয়াতে উল্লেখিত রাত দ্বারা কোন রাত বোঝানো হয়েছে? শবে কদর না শবে বরাত?
● অধিকাংশ তাফসীর বিশারদগণ বলেন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো শবে কদর যা রমজান মাসে রয়েছে। যারা বলেন, শবে বরাত, তাদের কথা ঠিক নয়।
● তাফসিরে ইবনে কাসির (রহ.) বলেন: উক্ত আয়াতে আল্লাহ তাআলা এ মর্মে সংবাদ দিচ্ছেন যে, তিনি এ কুরআনকে এক বরকতময় রাতে অবতীর্ণ করেছেন। আর সেটি হলো কদরের রাত। যেমন আল্লাহ বলেন:
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ
“আমি তো ইহা (কুরআন) কদরের রাতে অবতীর্ণ করেছি।” [সূরা কদর: ১]
আর এ রাতটি ছিল রমজান মাসে। যেমন: আল্লাহ বলেন,
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ
“রমজান মাস। যে মাসে আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি।” [সূরা বাকারা: ১৮৫]
সুতরাং আমাদের জন্য প্রয়োজন সকল প্রমাণহীন অনুষ্ঠানাদী বর্জন করা এবং সঠিক দ্বীনের দিকে ফিরে আসা।
এ প্রসঙ্গে হাদিসগুলো সূরা বাকারায় উল্লেখ করেছি যা পুণরোল্লেখ করার নিষ্প্রয়োজন মনে করছি। আর যারা বলে যে উক্ত রাতটি হল অর্ধ শাবানের রাত-যেমন ইকরিমা বর্ণনা করেছেন-তাদের এ মত অনেক দূরবর্তী। কারণ, তা কুরআনের সুস্পষ্ট বক্তব্য বিরোধী। [তাফসিরে ইবনে কাসির, ৪র্থ খণ্ড ৫৭০ পৃষ্ঠা]
● ইকরিমা রহ. উক্ত আয়াতের তাফসিরে বলেন: “এ রাত হল অর্ধ শাবানের রাত। এ রাতেই সারা বছরের সকল ফয়সালা চূড়ান্ত করা হয়…।” [আল জামিউল কুরতুবী ১৬/১২৬।] কিন্তু এ দাবী মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ তা সরাসরি কুরআন বিরোধী। আর এ সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসগুলো সহিহ তো নই বরং সেগুলো ভিত্তিহীন। যেমনটি ইবনুল আরবি প্রমুখ গবেষক আলেমগণ দৃঢ়তার সাথে করেছেন। সেই সাথে সেগুলো কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক (যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে)।
সুতরাং অবাক হতে হয় সে সকল মুসলমানদের অবস্থা দেখে যারা কুরআন ও সহীহ হাদিসের দলীল ছাড়া কুরআনের স্পষ্ট বক্তব্যের বিরোধিতা করে। [আযওয়াউল বায়ান ৭/৩১৯]
◈ ৩) হালুয়া-রুটি খাওয়া:
শবে বরাত উপলক্ষে ঘরে ঘরে হালুয়া-রুটি খাওয়ার হিড়িক পড়ে যায়। শুধু তাই নয় বরং সে দিন গরীব মানুষও টাকা হাওলত করে হলেও এক বেলা গোস্ত কিনে খায়। কারণ, সে দিন যদি ভাল খাবার খাওয়া যায় তাহলে নাকি সারা বছর ভাল খাবার খাওয়া যাবে। আর হালুয়া-রুটি খাওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওহুদ যুদ্ধে দাঁত ভাঙ্গার পর শক্ত খাবার খেতে পারেন নি। তাই তাঁর প্রতি সমবেদনা জানানোর উদ্দেশ্যে এ দিন ঘটা করে হালুয়া রুটি খাওয়া হয়।
কিন্তু বাস্তবতা কি তাই? আমরা জানি ওহোদের এক রক্তক্ষয়ী ও অসম যুদ্ধে কাফেরদের আঘাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁত ভেঙ্গে গিয়ে ছিল। কিন্তু শাবান মাসে তো ওহুদ যুদ্ধ হয় নি। বরং তা হয়েছিল ৩য় হিজরি শাওয়াল মাসের সাত তারিখে। তাহলে এ সমবেদনা শাবান মাসের পনের তারিখে টেনে নিয়ে আসার অর্থ কী?
২য় কথা হল, তিনি নরম খাবার কি শুধু একদিন খেয়ে ছিলেন? তাহলে এ কেমন ভালবাসা?
আপনি শাবান মাসের পনের তারিখে কিছু হালুয়া-রুটি খেলেন আবার কিছুক্ষণ পর গরুর গোস্ত তো ঠিকই চাবিয়ে চাবিয়ে ভক্ষণ করতে থাকেন??
৩য়ত: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো কাফেরদের সাথে এক কঠিন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বীরে মত যুদ্ধ করে তার পবিত্র দাঁত হারিয়েছেন কিন্তু আমাদের এসব নবী ভক্তদের (!) অধিকাংশের অবস্থা হল, এরা আল্লাহর নবীর রেখে যাওয়া সাধারণ সুন্নতগুলোও ঠিকমত পালন করে না! অনেকে তো ফরজ নামাযই ঠিকমত আদায় করে না। এটাই হল এদের তথাকথিত ভালবাসার নমুনা!
◈ ৪) ছবি ও মূর্তি তৈরি:
শবে বরাত উপলক্ষে দেখা যায় নানা রং-বেরঙ্গের ছবি ও মূর্তি তৈরি কৃত মিষ্টান্নতে বাজার ছেয়ে যায়। অথচ ছবি ও মূর্তি-প্রকৃতি ইত্যাদি তৈরি করা ইসলামে হারাম। আবার আল্লাহর দেয়া রিজিক নিয়ে এভাবে খেল-তামাশা?!
◈ ৫) মিলাদ ও জিকির:
শবে বরাত উপলক্ষে মসজিদ, খানকা ও দরগায় সমূহে শুরু হয় মিলাদ মাহফিল। চলে মিষ্টি খওয়ার ধুম। চলতে থাকে বিদআতি পন্থায় গরম জিকিরের মজলিশ। এ সব কাজ দ্বীনের মধ্যে বিদআত ছাড়া কিছু নয়।
◈ ৬) কবর জিয়ারত:
এক শ্রেণীর মানুষ এ রাতে গোরস্থান বা মাযার জিয়ারতে বের হয়। এমনকি কোথাও কোথাও এ প্রথাও দেখা যায় যে, একদল মানুষ এ রাতে ধারাবাহিকভাবে এলাকার সকল কবর যিয়ারত করে থাকে। এদের দলিল হল, শাবান মাসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাকী গোরস্থান যিয়ারতের হাদিস অথচ মুহাদ্দিসগণ উক্ত হাদিসটি জঈফ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।
◯ নিম্নে কবর যিয়ারতের হাদিসটি এবং এ সম্পর্কে মুহাদ্দিসদের বক্তব্য তুলে ধরা হল:
আয়েশা (রা:) হতে বর্ণিত। এক রাতে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (আমার ঘরে) পেলাম না। তাই তাকে খুঁজতে বের হলাম। খুঁজতে খুঁজতে তাকে বাকী গোরস্থানে পেলাম। তিনি আমাকে দেখে বললেন: “তুমি কি এ আশংকা কর যে, আল্লাহ এবং তার রাসূল তোমার প্রতি অবিচার করবেন?” আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমি ধারণা করে ছিলাম যে, আপনি হয়ত আপনার অন্য কোন স্ত্রীর ঘরে গিয়েছেন। একথা শুনে তিনি বললেন: “আল্লাহ তায়ালা অর্ধ শাবানের রাতে নিচের আসমানে নেমে আসেন এবং কালব গোত্রের ছাগল সমূহের লোম সমপরিমাণ মানুষকে ক্ষমা করে দেন।”
(তিরমিযী। অনুচ্ছেদ; অর্ধ শাবানের ব্যাপারে যা এসেছে। তবে তিনি নিজেই এর পরে উল্লেখ করেছেন, মুহাম্মদ অর্থাৎ ইমাম বুখারী রহ. কে বলতে শুনেছি তিনি এ হাদিসটিকে জঈফ বলেছেন। ইমাম দারাকুতনী (রাহ:) বলেন: এ হাদিসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। তবে সনদগুলো মুযতারাব এবং সু প্রমাণিত নয়। বর্তমান শতকের শ্রেষ্ঠ হাদিস বিশারদ আল্লামা আলবানী রাহ: ও এ হাদিসটিকে জঈফ বলে সাব্যস্ত করেছেন। দেখুন: সহীহ ওয়া জঈফ তিরমিযী, হাদিস নং ৭৩৯, মাকতাবা শামেলা
◈ ৭) আলোক সজ্জা:
শবে বরাত উপলক্ষে রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ি, মসজিদ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি আলোকসজ্জা করা হয়। মূলত: এসব কাজ একদিকে লক্ষ লক্ষ টাকা শুধু অপচয় করা হয় না তেমনি এটা অগ্নি পূজকদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
◈ ৮) মৃতদের আত্মার দুনিয়ায় পুনরাগমনের বিশ্বাস:
এ উপলক্ষে দেখা যায় মহিলাগণ ঘর-বাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে আতর সুগন্ধি লাগিয়ে পরিপাটি করে রাখে। বিশেষ করে বিধবা মহিলাগণ এমনটি করেন। এমনকি তারা কিছু খাবার একটুকরো কাপড়ে পুরে ঘরে ঝুলিয়ে রাখে। কারণ, তাদের বিশ্বাস হল, তাদের মৃত স্বামী-স্বজনদের আত্মা এ রাতে ছাড়া পেয়ে নিজ নিজ পরিবারের সাথে দেখা করতে আসে। এটা যে কত বড় মূর্খতা তা একমাত্র আল্লাহ জানেন।
মানুষ মারা গেলে তাদের আত্মা বছরের কোন একটি সময় আবার দুনিয়াতে ফিরে আসা মুসলমানদের আকীদা নয়। বরং অনেকটা তা হিন্দুয়ানী আকীদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আমাদের জন্য প্রয়োজন সকল প্রমাণ হীন অনুষ্ঠানাদী বর্জন করা এবং সঠিক দ্বীনের দিকে ফিরে আসা।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল বিদআত ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
[আল বিদা আল হাওলিয়া গ্রন্থ থেকে মূল তথ্যগুলো সংগৃহীত]
লেখক:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব
অনেকদিন ধরেই আমার লাইব্রেরি হতে বোনদেরকে কোনো বই হাদীয়া দেওয়া হয়নি। খুব শীঘ্রই বিস্তারিত আসবে ইন শা আল্লাহ।
02/02/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহু, বোনেরা।
আর মাত্র কিছুদিন পরেই রমাদান।
তাই, রমাদান আসার পূর্বে আমাদের উচিৎ সিয়ামের বিধি-বিধান গুলো শিখে নেওয়া।
ইমাম বুখারী রহিমাহুল্লাহ বলেন:-
باب: العلم قبل القول العمل
কথা ও কাজের পূর্বে জ্ঞানের অবস্থান।
আর এর জন্য রয়েছে সিয়াম সম্পর্কিত Al Usul Academy -তে হওয়া কোর্সের ক্লাস। যে বোনেরা কোর্স করার জন্য সামর্থ্য নেই তারা এই ক্লাস গুলো করলে সিয়াম সম্পর্কে যতটুকু জানা প্রয়োজন সব জানা হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ।
ক্লাস লিংক:-https://youtube.com/playlist?list=PLBSd9V2aTA3bNqN6BEEeaEYdZRDjrB_2N
সাথে আল ফিকহুল মুয়াসসার বইয়ের সিয়াম অধ্যায় অনুসরণ করতে পারেন:https://drive.google.com/file/d/1eeRjG5jO8Tj0bkeP5Yu85p5pdC_JpZS7/view?usp=drivesdk
এছাড়াও দেখতে পারেন
ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আল উসাইমিন (রহি.) লিখিত বই
রমজান মাসের ত্রিশ আসর এর উপরে ক্লাস লিংক:-
https://youtube.com/playlist?list=PLBSd9V2aTA3Zhj3g9bUv31OlDl8ESMJAX&si=q507MbQ-di8lM2vc
শিক্ষক: শাইখ আবু নাবিলা মতিউর রহমান মাদানী।
01/02/2026
জীবনের বিভিন্ন ধরনের উত্থান-পতন এবং কর্ম ব্যস্ততাকে সাথে নিয়েই অবশেষে দীর্ঘ দুই মাস ধরে বন্ধ পড়ে থাকা আমার এই লাইব্রেরির কার্যক্রম আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার ভরসায় পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, আলহামদুলিল্লাহ।
যেহেতু, দীর্ঘদিন ধরে পেইজে কোনো ধরনের পোষ্ট করা হয়নি সেহেতু, আজ হতে কার্যক্রম শুরু হলেও আপনাদের নিউজফিডে পেইজের গুরুত্বপূর্ণ পোষ্টগুলো হয়তো না পৌঁছাতেও পারে। তাই, বোনেরা আমার, আপনারা একটু দয়া করে পোষ্টে রিয়াক্ট, কমেন্ট করে শেয়ার করে রাজশাহীতে অবস্থিত অন্যান্য বোনদের মাঝে জানিয়ে দেয়ারও চেস্টা করবেন ইন শা আল্লাহ।
বিভিন্ন কারণে লাইব্রেরি সংযুক্ত কথাসমূহ যথা সময়ে পালন করতে না পারার জন্য ক্ষমা করে দিবেন এবং
আশা করি, এখন থেকে বোনেরা আমার লাইব্রেরির সাথেই থাকবেন ইন শা আল্লাহ।
জাযাকামুল্লাহু খয়রন।
এই বছরে আজকে প্রথম বই বিলি করার স্থিরচিত্র।আলহামদুলিল্লাহ, তাবারকাল্লাহ।
বইতালিকা এখোনো প্রকাশ করা হয়নি তাই, বোনেরা কোনো বই ধার নিতে চাইলে সরাসরি পেইজের ইনবক্সে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলো এবং বিভিন্ন ধরনের আপডেট পেতে লাইব্রেরির গ্রুপেও যুক্ত হয়ে থাকবেন ইন শা আল্লাহ।
গ্রুপ লিংক:-
https://facebook.com/groups/178228138580351/
01/02/2026
নবী ﷺ কিছু নফল সাওম এমনভাবে পালন করতেন যে সেগুলো কখনোই ছাড়তেন না,তারমধ্যে অন্যতম আইয়ামে বীজের সাওম তথা আরবি চন্দ্র মাসের ১৩,১৪,১৫ তারিখ।
নবী ﷺ বলেন, প্রতি মাসে তিন দিন সাওম রাখা সারাবছর সাওম রাখার সমান।
(বুখারি, মুসলিম)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Rajshahi
