রাজশাহী

রাজশাহী

Share

Rajshahi (Bengali: রাজশাহী; historically Rampur Boalia; nicknamed "Silk City") is a metropolitan city in Bangladesh and a major urban and industrial centre

Rajshahi district was a part of the Pundra region of ancient Bengal. The capital of Vijay Sen, the king who led military operations in Sri Lanka and Southeast Asia was located 9 miles (14 km) to the west of Rajshahi town. In medieval times, the region came to be known as "Rampur Boalia". The origin of the present name of "Rajshahi" is debated among scholars. Most say that it takes its name from Hi

30/10/2025

আবার বর্ষা

30/10/2025

'না' এর মানে

23/10/2025

রাজশাহীতে বসে খেতে পারবেন সব বাহারি জাপানিজ খাবার।

ভিডিওঃ Araf Ofcl

23/10/2025

মা ❤️

23/10/2025

নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন বন্দী করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানুষ হা করে নীরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য উপভোগ করেছিল। শুধু তাই নয়, পিঠে ছুরিকাঘাত করার পূর্বে নবাবকে কাঁটাওয়ালা সিংহাসনে বসিয়ে ও ছেঁড়া জুতা দিয়ে পিটিয়ে যখন অপমান করা হচ্ছিল, তখন হাজার হাজার মানুষ সেই তামাশা দেখে ব্যাপক বিনোদিত হয়েছিল! মাস সাইকোলজিটা একটু খেয়াল করে দেখুন, এই জাতি দুইশত বছরের গোলামি সাদরে গ্রহণ করেছিল ওভাবেই।

একটি মজার তথ্য দেই। লর্ড ক্লাইভ তার ব্যক্তিগত ডায়েরিতে লিখেছেন, নবাবকে যখন ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন দাঁড়িয়ে থেকে যারা এসব প্রত্যক্ষ করেছিল তারা যদি একটি করেও ঢিল ছুঁড়ত তবে ইংরেজদের করুণ পরাজয় বরণ করতে হতো। আরো চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, প্রায় ১০ হাজার অশ্বারোহী, ৩০ হাজার পদাতিক এবং অসংখ্য কামান, গোলাবারুদ সহ বিশাল সুসজ্জিত সৈন্যবাহিনী নিয়েই পলাশীর ময়দানে এসেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা । কিন্তু তার বিপরীতে রবার্ট ক্লাইভের সৈন্যসংখ্যা ছিলো মাত্র ৩ হাজার, যার মধ্যে ৯ শত জনই ছিল হাতেপায়ে ধরে নিয়ে আসা সৌখিন ব্রিটিশ অফিসার যাদের অধিকাংশেরই তলোয়ার ধরার মতো সুপ্রশিক্ষণ ছিল না, এরা কোনোদিন যুদ্ধও করেনি।

এত কিছু জেনেও রবার্ট ক্লাইভ যুদ্ধে নেমেছিলেন এবং জিতবেন জেনেই নেমেছিলেন। কারণ, তিনি খুব ভালো করেই জানতেন একটি হীনমন্য ব্যক্তিস্বার্থলোভী দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে পরাস্ত করতে খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন নেই, বড় সৈন্যবাহিনী এদের জন্য মশা মারতে কামান দাগার মতো। যাদেরকে সামান্য দাবার চালেই মাত করে দেয়া যায়, তাদের জন্য হাজার হাজার সৈন্যের জীবনের ঝুঁকি তিনি কেন নেবেন? এছাড়াও, মীরজাফরকে যখন নবাবীর টোপ গেলানো হয়, রবার্ট ক্লাইভ তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন যে, সিরাজকে পরাজিত করার পর এই বদমাশটি সহ বাকিগুলোর পরিণতিও তাদের নবাবের মতোই হবে এবং হয়েছেও তাই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মীরজাফর, উমিচাঁদ, রায়বল্লভ, ঘষেটি বেগম সহ প্রত্যেকটি বেইমানের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের বেঈমানির উপর ভরসা করে যুদ্ধ করতে আসেননি। তিনি যুদ্ধে নেমেছিলেন বাঙালির মানসিকতা নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ আন্দাজ করে। তিনি জানতন, যুদ্ধশেষে জনসম্মুখে নবাবকে হেনস্থা করলে এই জাতি বিনোদনে দাঁত কেলাবে কিংবা হা করে চেয়ে চেয়ে দেখবে। তাই বিনা দ্বিধায় সার্টিফিকেট দেয়াই যায়, বাঙালি জাতির মানসিকতা সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মাপতে পারা ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিটির নাম রবার্ট ক্লাইভ!

17/10/2025

"তিস্তা বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও" ✊🇧🇩
তিস্তা আমাদের অধিকার!
সবার আগে বাংলাদেশ 🇧🇩❤️

15/10/2025

সিটিসেল ফিরছে নতুন রূপে, থাকছে ২৫ পয়সা কলরেট ও নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট

সব থেকে কম কলরেট এবং অল্প দামে বেশি গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আবারও বাজারে ফিরছে মোবাইল অপারেটর সিটিসেল। এবারও গ্রাহকদের জন্য কলরেট ধরা হবে মাত্র ২৫ পয়সা।

সিটিসেলের মাতৃপ্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক টেলিকম জানিয়েছে, এবার তারা শুধু কম কলরেটই নয়, সেই সঙ্গে মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ এবং দেশব্যাপী টাওয়ার সংযোজন করে নিরবিচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করবে।

বিশেষ করে, সিটিসেল এবার জিএসএম (GSM) প্রযুক্তি নিয়ে আসছে। এর ফলে সিটিসেলের সিম যেকোনো ফোনেই ব্যবহার করা যাবে, যা গ্রাহকদের জন্য আরও সুবিধা দেবে

10/10/2025

অবশেষে ন্যায্য বিচার প্রতিষ্ঠা হল

08/10/2025

সন্তান নেওয়ার আগে যে ১০ বিষয় জানা জরুরি।

সন্তান নেবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলে কয়েক মাস আগে থেকেই কিছু প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। এতে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা যেমন বাড়ে, তেমনি মা ও সন্তানের সুস্থতার জন্যও এই কাজগুলো সাহায্য করে।

#ফলিক_অ্যাসিড

সুস্থ বাচ্চা জন্মদানের জন্য ফলিক অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে ফলিক অ্যাসিডের অভাব থাকলে শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে গুরুতর জন্মগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে। সন্তান পেটে আসার আগে থেকেই তাই সচেতন থাকতে হবে। সন্তান গর্ভে আসার অন্তত ১ মাস আগে থেকেই মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত ফলিক অ্যাসিড থাকা জরুরি। তাই সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ৪০০ মাইক্রোগ্রামের ফলিক অ্যাসিড খাওয়া শুরু করুন। সন্তান পেটে আসার পর ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত খান এটি।

#টিকা

কোনো টিকা নেওয়া বাকি থাকলে সেটা নিয়ে নিন। এতে আপনি ও সন্তান সুস্থ থাকবেন। বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি টিকা নেওয়া না থাকলে অবশ্যই নিয়ে নেবেন। কারণ গর্ভাবস্থায় আপনার এই রোগ হলে সন্তানও আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া ছোট বেলায় কোনো টিকা না দেওয়া হলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

#আয়রন

অনেক নারীই আয়রনের অভাবে রক্তস্বল্পতায় ভোগেন। বিভিন্ন কারণে আয়রনের অভাব হতে পারে। গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতিতে ভুগলে সন্তানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। চিকিৎসার মাধ্যমে রক্তস্বল্পতা পুরোপুরি দূর করা সম্ভব। তাই সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে পরীক্ষা করিয়ে নিন যে আপনি রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন কিনা।

#ভিটামিন_ডি

ভিটামিন ডি আমাদের হাড়, দাঁত ও মাংসপেশির জন্য খুব জরুরি। শিশুর সঠিক গঠনের জন্যও এই ভিটামিন প্রয়োজন। তবে আজকাল অনেকেই ভিটামিন ডি এর ঘাটতিতে ভোগেন। ২০১১-১২ সালের একটি জাতীয় জরিপে দেখা যায়, আমাদের দেশের প্রতি চার নারীর একজন এই ভিটামিনের ঘাটতিতে ভুগছেন। শুধু খাবার থেকে ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় না। রোদে গেলে শরীর ভিটামিন ডি তৈরি করে নেয়। তবে নিয়মিত রোদে না যাওয়া কিংবা কাপড় দিয়ে শরীর ঢেকে রাখার কারণে অনেকেই ভোগেন ভিটামিনটির ঘাটতিতে। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে জানবেন এই ভিটামিনের ঘাটতিতে ভুগছেন কিনা।

#ক্যাফেইন

গর্ভবতী অবস্থায় অনেক বেশি ক্যাফেইন খাওয়া শিশুর জন্য ক্ষতিকর। এতে শিশু কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে। এছাড়া গর্ভপাতের মতো জটিলতাও দেখা দিতে পারে উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন খেলে। গর্ভবতী অবস্থায় ক্যাফেইন গ্রহণ ২০০ মিলির মধ্যে রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। যেহেতু হুট করে ক্যাফেইনের মাত্রা কমিয়ে দেওয়া কষ্টকর, তা সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরপরই চেষ্টা করুন একটু একটু করে পরিমাণ কমিয়ে দিতে। গর্ভবতী অবস্থায় দুই কাপ কফি কিংবা আড়াই কাপের একটু বেশি পরিমাণ চা খেতে পারেন। এর বেশি খাওয়াটা ঝুঁকি তৈরি করে।

#ওজন

আপনার ওজন যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তবে গর্ভধারণের সময় নানা ধরনের রোগ যেমন ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে। আবার সন্তান প্রসবের সময়েও নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে গর্ভবতী অবস্থায় কোনোভাবেই ওজন কমানোর চেষ্টা করা যাবে না। ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলেও সন্তান প্রসবে জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই মায়ের স্বাভাবিক ওজন থাকা খুব জরুরি। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করার পর তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

#স্বাস্থ্যকর_খাবার

আমাদের সবারই সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। তবে সন্তান জন্মদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর বিশেষভাবে নজর দিতে হবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের প্রতি। প্লেটে আগে ভাত না নিয়ে সবজি নিন। চেষ্টা করবেন প্লেটের অর্ধেক শাকসবজি দিয়ে ভর্তি করতে। একভাগ নেবেন আমিষ জাতীয় খাবার। বাকি একভাগ নেবেন লাল চালের ভাত। ফাস্টফুড, অতিরিক্ত লবণ, চিনি, তেলযুক্ত খাবার বাদ দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

#শরীর_প্রস্তুত_করা

সন্তান ধারণ ও জন্মদান একটি লম্বা জার্নি। এই ধকলের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করুন ব্যায়ামের মাধ্যমে। এতে গর্ভধারণের পর নানা ধরনের রোগ থেকেও দূরে থাকতে পারবেন।

#ধূমপান

নারী-পুরুষ উভয়েরই সন্তান জন্মদান ক্ষমতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে ধূমপানের অভ্যাস। এমনকি আশেপাশের কেউ ধূমপান করলেও নানা ধরনের জটিলতা বড়তে পারে। তাই সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

#রোগ_নিয়ন্ত্রণ

গর্ভধারণের সময় কিছু রোগ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। তাই সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরপরই একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ে। যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, খিঁচুনি ইত্যাদি আছে কিনা, থাকলে সেটা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি এগুলো নিয়ে বিষদ আলোচনা করে নেবেন।

08/10/2025

#অবশ্যই_পড়ুন_ও_শেয়ার_করুন।

এক যুগ পরও দাম্পত্যজীবনে সুখে থাকার পাঁচ সূত্র।

কিছু সম্পর্ক হয় একেবারেই আলাদা হয়। প্রেমকে আপনার কাছে পৃথিবীর মধুরতম অনুভূতি মনে হতে পারে। আবার ‘জানালা দিয়ে পালিয়ে’ যেতে থাকা প্রেমকে আপনার সংসারে আটকে রাখাটাই হয়ে দাঁড়াতে পারে জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সম্পর্ককে সুন্দর রাখার সাধারণ কিছু নিয়ম সম্পর্কে অনেকেই জানেন। একটু ভিন্ন আঙ্গিকের পাঁচটি বিষয় জেনে নিন, যা খুঁজে পাওয়া যায় সুখী দম্পতিদের মধ্যে।

#আবেগ_প্রকাশে_সমতা

অনেকে ভাবেন, মিল থাকলেই বুঝি সম্পর্ক সুন্দর হবে। তবে কে কোন ধরনের সিনেমা পছন্দ করেন, কে কোন বই ভালোবাসেন, কে খেলাপাগল, কে কোন ধারার ফ্যাশনকে গুরুত্ব দেন, এসব বিষয় আদতে খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়।

সংসারে এমন ‘সামান্য’ বিষয় নিয়ে মতের অমিল হতে পারে, যা আগে থেকে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। মতের অমিল হলে দুজন কীভাবে আবেগ প্রকাশ করেন, একে অন্যের আবেগকে কীভাবে গ্রহণ করেন—এসব বিষয়ই আদতে গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকতে চাইলে যার হাত ধরেছেন, তাঁকে ছেড়ে যাওয়ার কথা চট করে ভেবে ফেলবেন না। দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকতে চাইলে যার হাত ধরেছেন, তাঁকে ছেড়ে যাওয়ার কথা চট করে ভেবে ফেলবেন না।

#তর্ক_এড়ানো_নয়

একে অন্যের জন্য ছাড় দেওয়া আবশ্যক। তবে তার মানে এই নয় যে তর্ক হবে না কোনো বিষয় নিয়েই। প্রেম যত গভীরই হোক, দুজনের স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য নষ্ট হতে দেওয়া উচিত নয়। ভালো লাগা বা খারাপ লাগার কথা মন খুলে বলতে গেলে মতের অমিল হতেই পারে। সেখান থেকে হতে পারে তর্ক। সঙ্গী তর্ক করলে ধরে নেবেন না যে তিনি আপনাকে ভালোবাসেন না।

#সম্পর্কের_দায়িত্ব_গ্রহণ

প্রেম আপনার জীবনের সব দুঃখকষ্ট ভুলিয়ে দেবে না। বরং নিজেকে আগে থেকে বলে রাখুন, জীবনের সব ঝড়ঝাপটার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ককে আগলে রাখাটা দুজনেরই দায়িত্ব হয়ে দাঁড়াবে। সেই দায়িত্ব পালন করতে পারলে তবেই সম্পর্কে সুখ থাকবে যুগের পর যুগ।

সব সময়ই ধরে নেবেন না যে আপনার না বলা কথা সঙ্গী বুঝে নেবেন। সঙ্গীর প্রত্যাশা পূরণে আপনি যেমন আত্মত্যাগ করবেন, তেমনি নিজের প্রত্যাশার কথাও তাঁকে জানাতে হবে। সব ক্ষেত্রেই এভাবে স্বচ্ছতা বজায় রাখা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা দায়িত্ব।

সঙ্গীর সঙ্গে মনোমালিন্য হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেটা নিয়ে না লেখাই ভালো
কখনোই ভালোবাসার জায়গাটা নষ্ট হতে দেবেন না
কখনোই ভালোবাসার জায়গাটা নষ্ট হতে দেবেন না।

#চারিত্রিক_দৃঢ়তা

দুজনেরই চারিত্রিক স্থিরতা ও দৃঢ়তা থাকা আবশ্যক। প্রলোভন আসতেই পারে সামনে। সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকুন। দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকতে চান বলেই আপনি যাঁর হাত ধরেছেন, তাঁকে ছেড়ে যাওয়ার কথা চট করে ভেবে ফেলবেন না। ভালো–মন্দ মিলিয়েই মানুষ। আপনি হয়তো ‘ভালো’ দিক দেখেই ভালোবেসেছেন।

কিন্তু যেকোনো ব্যক্তিরই এমন অনেক দিক থাকে, যা তাঁর সঙ্গীর পছন্দ নয়। কিছু ভালো না লাগলেই সেটিকে বড় বিষয় বলে গণ্য করবেন না। সহজভাবে কথা বলুন। আলোচনা করুন। ভালোবাসার মানুষের জন্য কিছু ছাড় দিন।

ব্যক্তিগত জীবনে খানিকটা হলেও বৈচিত্র্য আনুন। সম্পর্কটাকে সতেজ রাখতে নিজের মধ্যে যে চেষ্টা থাকা প্রয়োজন, সে বিষয়ে অধ্যবসায়ী হোন।

#কষ্টের_স্বীকৃতি

সম্পর্কে কোনো কিছুই ‘টেকেন ফর গ্রান্টেড’ নয়। ধরে নেবেন না ‘এটা তো ওরই করার কথা’। বরং সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। তর্কের মুহূর্তগুলোও নিজেদের কাছে কষ্টের মনে হতে পারে অবশ্যই। তবে কষ্ট পেলেই সঙ্গীকে বিরক্তিকর বা ‘খারাপ’ ভেবে নেবেন না।

তর্কের স্বাভাবিক ছন্দকে গ্রহণ করুন। তর্ক থেকে একটা সুন্দর সমাধান বের করুন দুজন মিলে। কখনোই ভালোবাসার জায়গাটা নষ্ট হতে দেবেন না। যত যা-ই হোক, তর্কের শেষটা যেন অপ্রীতিকর না হয়।

08/10/2025

কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ-সৌদি আরব প্রথমবারের মতো চুক্তি স্বাক্ষর

রিয়াদ, ৬ অক্টোবর ২০২৫: আজ রিয়াদে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং সৌদি আরবের পক্ষে মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ বিন সোলাইমান আল-রাজী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরের ইতিহাসে এটিই প্রথম সাধারণ কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক চুক্তি।

১৯৭৬ সাল থেকে সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার হিসেবে কর্মী নিয়োগ করে আসছে, তবে এতদিন পর্যন্ত সাধারণ কর্মী নিয়োগে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছিল না।

এর আগে ২০১৫ সালে গৃহকর্মী নিয়োগ এবং ২০২২ সালে দক্ষতা যাচাই সংক্রান্ত দুটি বিশেষ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবে বিভিন্ন পেশায় বাংলাদেশের দক্ষ কর্মী নিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মী ও নিয়োগকর্তা উভয়ের অধিকার ও স্বার্থ আরও সুরক্ষিত হবে। এটি ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের আগে সৌদি মন্ত্রী ও ড. আসিফ নজরুলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সৌদি আরবে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া যেন স্বচ্ছ ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, ইকামা নবায়নের দায়িত্ব যেন নিয়োগকর্তারা পালন করে এবং দেশে ফেরার ইচ্ছুক কর্মীরা যেন দ্রুত এক্সিট ভিসা পান—এসব বিষয় গুরুত্বসহ তুলে ধরেন।

সৌদি মন্ত্রী এসব বিষয়ে দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন এবং নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ, প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণ এবং সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

এ সময় সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন, মিশনের উপপ্রধান এস এম নাজমুল হাসান, শ্রম কাউন্সেলর মুহাম্মাদ রেজায়ে রাব্বীসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

08/10/2025

জোরপূর্বক পদত্যাগকৃত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষসহ শিক্ষকদের নাম ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে তাদের বেতন-ভাতা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Saheb Bazar
Rajshahi
6000