25/03/2026
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস।
সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পূর্ববাংলার মানুষ পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যে জনযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তার সূত্রপাতের দিন আজ। ২৫ শে মার্চ কালোরাতে শহিদ হওয়া প্রতিটি প্রাণকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি। গণমানুষের এই সংগ্রামী মানসিকতার ফলস্বরূপ আজ আমরা পেয়েছি নতুন পরিচয়, নতুন মানচিত্র আর নতুন পতাকা।
20/03/2026
জালিমদের অবসান ঘটে কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক পৃথিবীর সর্বত্র। সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
04/03/2026
আজ ৪ ঠা মার্চ
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক আয়োজিত "বর্তমান বাস্তবতায় ছাত্র সমাজের করণীয়" শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্মানিত ছাত্র উপদেষ্টা ড. আমিরুল ইসলাম কনক স্যার ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. গোলাম সরোয়ার স্যার। আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক নেতা ও গনসংহতি আন্দোলন, রাজশাহী বিভাগের সমন্বয়কারী এড. মুরাদ মোর্শেদ, সাবেক সভাপতি আহসান হাবীব রকি, অন্যান্য সমমনা সংগঠন, সাংবাদিক সমিতিসমূহের নেতৃবৃন্দ ও ছাত্র ফেডারেশনের শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ। সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি
02/03/2026
প্রায় সাড়ে ৫ বছরের আইনি লড়াই শেষে পাটকল রক্ষা আন্দোলন চলাকালীন দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানি মামলা থেকে আজ খালাস পেলেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমীন শেখ৷
মুক্তি পেয়ে শ্রমজীবী-মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে সামনের দিনেও লড়াই অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি৷
01/03/2026
সাপ্তাহিক পাঠচক্র ( সেশন- ২)
শিরোনাম
মুসলিম জাতীয়তাবাদ ও মুসলিম সংস্কৃতি
৩রা মার্চ, বিকাল ৩ টা , বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন চত্বর।
যোগাযোগ : ০১৮৫৪৭৫২২৭৮
01/03/2026
প্রেস বিবৃতি
তারিখ: ০২.০৩.২০২৬
আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী নীতি এবং ইসরায়েলের জায়নবাদী আগ্রাসনের অংশ হিসেবে ইরানের ওপর চালানো সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই আগ্রাসনে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি সহ নিরীহ শিশু, নারী-পুরুষসহ অনেক নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়েছে। আমরা এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যেকোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের মালিক তার জনগণ। আয়াতুল্লাহ খোমেনি কর্তৃত্ববাদী শাসক হলেও, তাঁর পতন বা নিহত হওয়া শুধুমাত্র ইরানের অভ্যন্তরীণ জনগণের সংগ্রাম ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হওয়া উচিত- বহিরাগত সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে নয়। এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন, সার্বভৌমত্ব এবং ন্যায়বিচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করে আধিপত্য বিস্তারের এই প্রচেষ্টা বিশ্বশান্তির জন্য চরম হুমকি। আমরা সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা ও জায়নবাদী ইসরায়েলের এই যুদ্ধনীতি ও আগ্রাসী রাজনীতি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করছি।
আমরা অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক হুমকি, হামলা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবি জানাই। আমরা কূটনৈতিক সমাধান, আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক সংহতির পথকে সমর্থন করি। শান্তি, ন্যায়বিচার এবং জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে আমাদের অবস্থান অটল।
বার্তা প্রেরক
তাসনুভা আমিন
সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
27/02/2026
সাপ্তাহিক পাঠচক্র ( সেশন - ১)
শিরোনাম
বাঙালি সংস্কৃতির সংকট
২৮শে ফেব্রুয়ারী, সকাল ১০ :৩০ মিনিট, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন চত্বর।
যোগাযোগ : ০১৮৫৪৭৫২২৭৮
21/02/2026
ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ
20/02/2026
২১ শে ফেব্রুয়ারী আমাদের অনুপ্রেরণার নাম। ভাষা আন্দোলনের সূত্র থেকে পরবর্তীতে মুক্তিসংগ্রাম ও আজকের দিনের বাংলাদেশ সবই সেই বৈষম্যহীন আকাঙ্খার প্রতিফলন। শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি সকল ভাষা শহিদদের। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেকে তার মায়ের ভাষা চর্চার সুযোগ পাক, এটাই প্রত্যাশা। ভাষা শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আকাঙ্খা ছড়িয়ে পড়ুক পৃথিবীর সর্বত্র।
18/02/2026
রমজানে সিয়ামের শক্তিতে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার লড়াই জোরদার করুন!
সবাইকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা।
17/02/2026
আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি — শহীদ জোহা দিবস। এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অমোঘ অধ্যায়, যেখানে একজন শিক্ষকের আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীনতার পথকে আলোকিত করেছে। আজ আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা (শহীদ জোহা স্যার)-কে, যিনি ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে চিহ্নিত।
ড. শামসুজ্জোহা ১৯৩৪ সালের ১ মে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে তার পরিবার পূর্ববঙ্গে (বর্তমান বাংলাদেশ) চলে আসে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা প্রতিবাদ করছিল। ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। শহীদ জোহা স্যার, প্রক্টর হিসেবে দায়িত্বরত অবস্থায়, ছাত্রদের রক্ষা করতে সেনাদের সামনে দাঁড়ান এবং গুলিবিদ্ধ হন। তিনি ৩৪ বছর বয়সে শহীদ হন।
শহীদ জোহা স্যারের আত্মত্যাগ ছিল একজন ব্যক্তির সাহসিকতা এবং দায়িত্ববোধের চরম উদাহরণ। তিনি শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, ছাত্রদের অভিভাবকও ছিলেন । যখন সেনাবাহিনী ছাত্রদের উপর গুলি চালাতে উদ্যত হয়, তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সামনে দাঁড়ান। এটি তার মানবিকতা এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতিফলন — যেখানে তিনি ছাত্রদের জীবন রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। এই আত্মত্যাগ শুধু ব্যক্তিগত সাহস নয়, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতীক, যা প্রমাণ করে যে একজন ব্যক্তির সিদ্ধান্ত পুরো জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে।
শহীদ জোহা স্যারের আত্মত্যাগ ১৯৬৯ এর আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দেয়, যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ভিত্তি স্থাপন করে। তিনি প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন, যা বাঙালি জাতির প্রতিরোধের প্রতীক। এটি শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যা আমাদের শেখায় যে শিক্ষা শুধু জ্ঞানদান নয়, জীবন রক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়ের লড়াইও। আজও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তার স্মৃতিফলক, হল এবং কবরস্থান তার গুরুত্বকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই দিবসকে জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উঠেছে, যা তার অবদানের স্বীকৃতি।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আজ এই মহান শহীদের প্রতি অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাচ্ছে। তাঁর আদর্শ আমাদের প্রেরণা — আমরা প্রতিজ্ঞা করি, তার মতো নিঃস্বার্থভাবে ছাত্র-শিক্ষক ঐক্য গড়ে তুলবো এবং গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাসের লড়াই চালিয়ে যাবো।
13/02/2026
আজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি – আমাদের ইতিহাসের রক্তাক্ত অধ্যায়ের স্মরণে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস। ১৯৮৩ সালের এই দিনে স্বৈরশাসক এরশাদের ফ্যাসিবাদী মজিদ খান শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে রাস্তায় নেমেছিলেন হাজারো শিক্ষার্থী। শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলি, লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাসে শহীদ হয়েছেন জয়নাল, জাফর, দীপালী সাহা, কাঞ্চন, আইয়ুবসহ অসংখ্য যোদ্ধা। তাদের রক্তের বিনিময়ে শুরু হয়েছে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের অবিচ্ছিন্ন ধারা, যা ১৯৯০-এ এরশাদের পতন ঘটিয়েছে।
আসুন!
শহীদদের স্বরণ করে আমরা একটি গণমুখী, বৈজ্ঞানিক ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করি।