Chapai Nawabganj

Chapai Nawabganj

Share

community

25/06/2025

দেখি জায়গার নাম কে কে বলতে পারেন

24/05/2025

ভালো আম নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন

07/12/2023

এক বৃদ্ধ লোক তার গরুটিকে জবাই করে আস্ত গরুর কাবাব তৈরি করলো। এরপর তার কন্যাকে ডেকে বললো-“আমাদের যত আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধব আছেন তাদেরকে দাওয়াত দাও, ডাকো। একসাথে বসে খানাপিনা করি।

কন্যারত্নটি রাস্তায় গিয়ে চিৎকার করে ডাকতে লাগলো-“আমাদের বাড়িতে আগুন লেগেছে! দ্রুত আসুন সবাই। আগুন নিভাতে সহায়তা করুন!”
সবাই এলো না। কেউ কেউ ঝামেলা মনে করলো।
কেউ কেউ দৌড়ে এলো পানির বালতি নিয়ে।

বিকেলে খেতে বসে আশপাশে তাকিয়ে বৃদ্ধ অবাক। কাউকেই তো চেনেন না তিনি। এরা কারা?

কন্যা বাবাকে বললো-”বাবা, যারা আমাদের বাড়িতে আগুন লেগেছে শুনে দৌড়ে এসেছেন সহায়তা করতে তারাই আমাদের আপনজন। আত্মীয় কিংবা বন্ধু তারাই। তাই তাদেরকেই দাওয়াত করেছি।

(একটা কথা সবাই মনে রাখবেন-“যারা আপনার বিপদে এগিয়ে আসবে,পাশে থাকবে তাঁরাই আপনজন।) Copy

04/08/2023

***Introverted_Personality***

ইন্ট্রোভার্ট মানুষের কিছু বৈশিষ্ট্য...

১.তুমুল আড্ডা বা সিরিয়াস কোন আলোচনায় ইন্ট্রোভার্টদের ভূমিকা জাস্ট ছোট্ট এক টুকরো হাসি।

২. ওরা লেনদেন ক্লিয়ার রাখতে পছন্দ করে। পাওনা টাকা পরিশোধে ওস্তাদ। সহজে ঋণও করতে চায় না।

৩. দলাদলি বা কোন্দলের ভেতর নেই। সমন্বয় করে চলতে ভালোবাসে। মধ্যপন্থায় বিশ্বাসী।

৪. যে কারো মুখের উপর "আমি একমত" বলে কেটে পড়তে পারে।

৫. শ্রোতা হিসেবে প্রথম শ্রেণীর হয়ে থাকে।

৬. এক সঙ্গে অনেক মানুষের সান্নিধ্য ভালো লাগে না।

৭. কাউকে ভালো লাগলে সহসা প্রকাশ করে না।

৮. সহজে কারো সাথে মেশে না। কিন্তু যার সাথে মেশে খুব ভালো ভাবেই মেশে।

৯. ইন্ট্রোভার্টরা আনন্দ করে থাকে এবং তা প্রকাশও করে। মাঝে মাঝে পাগলামিও করতে পারে। তবে তা শুধু বিশেষ মানুষদের কাছে, বিশেষ সময়। সবার সঙ্গে একদমই নয়।

১০. পছন্দের মানুষকে মনের কথা বলতে রাজ্যের অসঙ্কোচ দেখা দেয়।

26/04/2023

প্রচন্ড গরমের হাত থেকে একতলার কিংবা যেকোনো পাকার বাড়িতে শান্তিতে থাকবার একটা অত্যন্ত সহজ উপায়।
AC ব্যবহার করে নিজের এবং পরিবেশের বিপদ নাই বা বাড়ালেন।
কলিচুন + জিঙ্ক অক্সাইড + হোয়াইট সিমেন্ট + ফেবিকল।
পাথুরে চুন পরিমাণমত কিনে নিতে হবে। পাথুরে চুন সারারাত ভিজিয়ে রেখে (ভূষিমাল দোকান থেকে তেলের একটা খালি টিন কিনে এনে, সেটাতেই পারলে ভিজিয়ে রাখবেন) পরের দিন ভোরবেলা সূর্য ওঠার আগেই সব একসাথে মিশিয়ে গাঢ় তরল আকারে করে নিলেন এবং অতঃপর একটি মগ দিয়ে ছাদে ফেলে ঝাঁটা দিয়ে দিতে হবে (ঠিক যেমনটি করে ধান ঝাড়াইয়ের পূর্বে গোবরজল দিয়ে উঠানে ঘোলা মারা হয়)। ব্যবহার করেছি প্রায় তিন বছর। দারুন উপকার পেয়েছি।
11/13 একটা রুমের জন্য 5 কেজি পাথুরে চুন + 1.5 কেজি হোয়াইট সিমেন্ট + 2 কেজি তরল ফেবিকল (প্যাকেটে যেটা পাওয়া যায়) + 1 কেজি জিঙ্ক অক্সাইড। এতেই যথেষ্ট মোটা আস্তরণ হয়ে যাবে এবং কেল্লাফতে।
তবে এটার বৈধতা এক বছর। বর্ষার টানা বৃষ্টি খেলে কিন্তু ওটা আস্তে আস্তে ধুয়ে যাবে।
** একটা রুমের জন্য মাত্র প্রায় 500 টাকার মত খরচ হবে।
** ছাদের কোনোরকম ক্ষতি হবে না।
© শান্তনু চক্রবর্তী, পদার্থবিদ্যার শিক্ষক।

06/11/2022

শুয়ো-পোঁকা দেখেছেন কখনো? যদি না দেখে থাকেন বা মনে না করতে পারেন তাহলে ছবিটার একেবারে সর্ব বামের প্রাণীটাকে দেখুন। এটাই শুয়ো-পোঁকা। দেখতে বিতিকিচ্ছিরি এবং খানিকটা ভয়-জাগানিয়া এই প্রাণীকে পছন্দ করবে এমন লোক অত্যন্ত বিরল।
তবে— আপনি হয়তো জানেন যে, শুয়ো-পোঁকা তার জীবনের একটা পর্যায়ে গিয়ে আর শুয়ো-পোঁকা থাকে না। সেই বিতিকিচ্ছিরি প্রাণীটা একদিন পরিণত হয় জগতের সবচেয়ে সুন্দর প্রাণীগুলোর একটিতে! অনিন্দ্য সুন্দর ডানার যে প্রজাপতিকে একটু ছুঁয়ে দিতে আপনাদের ভীষণ ইচ্ছে করে, সেই প্রজাপতি কিন্তু শুয়ো-পোঁকারই পরিবর্তিত রূপ মাত্র!
প্রজাপতির জীবনচক্রের মতো হতে পারে আপনার জীবনটাও। কখনো আপনাকে থাকতে হতে পারে শুয়ো-পোঁকার পর্যায়ে। চারপাশের সবাই হয়তো আপনাকে অপছন্দ করবে, ঘৃণা করবে, দেখলেই দূরে সরে যাবে।
কিন্তু, মানুষের এমন প্রতিক্রিয়ায় হতোদ্যম না হয়ে যদি আপনি আপনার জীবনচক্রটাকে পূর্ণতা দিতে পারেন, সর্বোচ্চটা দিয়ে যদি নিজেকে বিকশিত করে শুয়ো-পোঁকার স্তর থেকে আপনি প্রজাপতির স্তরে উন্নীত করতে পারেন নিজেকে, দেখবেন চারপাশে তখন আপনাকে ভালোবাসার মানুষের আর অভাব হবে না।
জেনে রাখুন— প্রজাপতির মতো একটা সুন্দর জীবন পেতে হলে শুয়ো-পোঁকার মতো একটা সংগ্রাম-মুখর জীবনের ভেতর দিয়ে আসতে হয়।
.... আরিফ আজাদ

14/07/2022

বহুদিন আগে আমার বাবা তার খালি জমিতে একটা গরিব পরিবারকে থাকতে দিয়েছিলেন।
বেশ কয়েক বছর পর বাবা বাড়ি করার জন্য জমিটা ছাড়তে বললে তারা ছাড়তে রাজি হলো না। পরে অনেক কসরত করে, টাকা পয়সা দিয়ে তাদেরকে সরানো হয়েছিল।
শুনে যা বুঝলাম, তাহলো একটা জমিতে অনেকদিন থাকলে নাকি তাতে তার অধিকার জন্মে যায়।
আমিতো অবাক। দয়া করে থাকতে দিয়েছে। কোথায় কৃতজ্ঞ হবে, তানা উল্টো দখল করে বসে আছে। ভাবলাম জমির ব্যাপারতো
তাই লোভ সামলাতে পারেনি।
আমি যেখানে থাকি সেখানে এক রিক্সাওয়ালা আছে আমার দেশি। বাজারে সে থাকলে আমি তার রিক্সাতেই আসি। বাজার থেকে আমার বাসা পর্যন্ত ভাড়া ৪০ টাকা ফিক্সড। তবে আমি নিয়মিত ৫০ টাকা দিতাম।
একদিন আমার কাছে খুচরা ৪৫ টাকা ছিলো। ঐ টাকাই দিলাম। টাকাটা দেয়ার সাথে সাথে একরকম চিৎকার করে উঠলো, “ আর ৫ টাকা ? " আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম, " ভাড়াতো ৪০ টাকা, বাকি ৫ টাকা ফেরত দেন। "লোকটা হেসে বলল না সবসময়তো ৫০ টাকা দেন তাই কইলাম। ভাবলাম থাক গরিব মানুষতো, তাই এমন করলো।
আমার এক প্রতিবেশী।
রোজ বাচ্চাকে স্কুলে দিতে যায়। তার গোয়ালাটা সে ফেরার আগে দুধ নিয়ে আসে। আমি বাড়িতে না থাকায় সেই দুধ নেয়ার দায়িত্বটা আমার কাজের লোকের উপর পড়ে।
প্রতিবেশি হিসেবে এটুকু উপকারতো করতেই হয়। একদিন আমার কাজের লোকটি কোথাও একটা কাজে বেড়াতে গেছে, দুধটা আর নেয়া হয়নি।
আমি বাসায় ফেরার পর উনি এসে বলল,
" আপনার কাজের লোক কোথায়? "
-- একটু বেড়াতে গেছে।
--আমাকে আগে বলল না। এখন দেখেনতো আমার ছোট ছেলেটা কি খাবে ?
আগে বললে আমি অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতাম।
--ভাবি ও হয়তো ভুলে গেছে।
--না যাই বলেন কোনো দায়িত্ব নিলে ঠিক ভাবে পালন করতে হয়।
--ভাবি ও হয়তো আপনার এই দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিক পায়না তাই অবহেলা করেছে। আপনি বরং দায়িত্বটা অন্য কাউকে দিয়েন।
সে কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থেকে গটগট করে চলে গেলো।
ভাবলাম, অল্প শিক্ষিত মহিলাতো তাই এমন আরকি।
আমার এক কলিগ। গর্ভবতী হয়ে অফিসে কাজ করেন, আমি তার কষ্ট দেখে তার একটা কাজের দায়িত্ব নিজে থেকেই নিলাম।
সে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে গেলো। সে ফিরেও এলো। তাকে কাজটা ফিরিয়ে দিতে চাইলে সে গরিমসি শুরু করলো। ভাবটা এমন যে কাজটা আমারই ছিলো। এবার ভাবনাটা বদলালাম।
আসলে মানুষ একটা সুবিধা বেশিদিন ভোগ করলে সেটাকে তার অধিকার ভেবে নেয়।
ভুলে যায় --"It's facility, not right."
তাই শুধু সুবিধা দেয়া নয়, নেয়ার ক্ষেত্রেও সাবধান থাকা দরকার।
হিউম্যান বিহেভিয়ার খুব অদ্ভুত। এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই কাজ করে।
টিউশনি করানোর সময় আন্টি প্রতিদিন নাস্তা দিতেন। হঠাৎ টানা ২-৩ দিন নাস্তা না দেয়ায় আমার খুব খারাপ লেগেছিল, আরে নাস্তাই দিল না।
পরে অবশ্য আমার নিজের আচরণে আমি নিজেই অবাক হই। আমার সাথে তো কখনো অভিভাবক এর নাস্তা নিয়ে চুক্তি হয়নি,
তারা তো আমাকে নাস্তা দিতে বাধ্য নন।
বরং নাস্তা দেয়ার জন্য আমার তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিৎ ছিল।
কোনটা অধিকার আর কোনটা অতিরিক্ত পাচ্ছি, সেটা বোঝা জরুরি।।
[সংগৃহীত]

16/06/2022

পুরনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁকানো পুষ্পদণ্ডে ফুটে থাকে সাদা সাদা ফুল। গজদন্ত অর্থাৎ হাতির দাঁতের মতো শুভ্র এই ফুল।গাছটি আগাছার সঙ্গে এখানে সেখানে জন্মায় তাই সাধারণের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। মোটামুটি এক দেড় ফুট লম্বা হয়। গাছের কাণ্ড ফাঁপা, নরম। সারা দেহে ছোট ছোট রোম আছে। গাছের ওপরের দিকের কাণ্ড চৌকো, নিচের দিকে অপেক্ষাকৃত গোলাকার। সংস্কৃত নাম শ্রীহস্তিনী।
বৈজ্ঞানিক নামঃ Heliotropium indicum (হেলিওট্রোপিয়াম ইনডিকাম) এবং ইংরেজি নাম 'Indian heliotrope।

হাতিশুর গাছের উপকারিতাঃ

(১)দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।

(২)ফোলায় পাতা বেঁটে অল্প গরম করে ফোলায় লাগালে, ফোলা কমে যায়।

(৩) জ্বর ও কাশিতে এই গাছের মূল জলের সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথও তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।

(৪) বিষাক্ত পোকার কামড়ে – পাতার রস লাগালে জ্বালা এবং ফোলা কমে যায়।

(৫) আঘাতজনিত ফোলায় – পাতা বেঁটে অল্প গরম করে লাগালে, ফোলা এবং ব্যাথা কমে যায়।

(৬)যাদের সর্দি লাগবে তারা এই হাতিশুড়ের পাতা সেচে দুই চামচ পরিমাণ রস খেতে পারেন এতে করে আপনার সর্দি ভাল হবে।

(৭)টাইফয়েড জ্বরে: টাইফয়েড রোগে এই উদ্ভিদটির পাতা হতে পারে কার্যকরী সমাধান। এর পাতার রস হালকা গরম করে পানিতে মিশিয়ে খেলে টাইফয়েড ভাল হয়।

(৮) একজিমা:একজিমা থেকে মুক্তি পেতে হাতিশুড় গাছের পাতা থেতলে আক্রান্ত স্থানে দিন।এভাবে কিছুদিন ব্যবহারে একজিমা সেরে যাবে।

(৯)রিউম্যাটিক বাতে: রেড়ির তেলের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে পাক করে গাঁটে লাগাতে হয়।

(১০) দাঁতের মাড়ি ফোলায়:দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হাতিশুরের মূল চিবালে মাড়ি ফোলা কমে যায়।

১১)কাটা ছেঁড়া: কাটা ছেঁড়া স্থানে হাতিশুরের পাতা থেতলে রস দিতে হবে এতে কাটা ছেঁড়া ঘুচে যাবে।

(১২)ব্রন: ব্রন হলে বা এর দাগ হয়ে গেলে হাতিশুঁড় গাছের পাতা ও তার কচি ডাল থেঁতো করে দুপুরে গোসল করতে যাবার ১ঘন্টা আগে ব্রণের ওপর প্রলেপ দিলে ব্রণ সারে এবং নতুন করে আর ব্রণ হয় না।

(১৪)ফ্যারিঞ্জাইটিস রোগে – পাতার রস অল্প গরম জলে মিশিয়ে গার্গল করা।

05/11/2021

🔽 একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ড মেম্বার এর মাসিক বেতন কত?
🔘 স্থানীয় সরকার ,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ০৯/০৮/২০১৭ খ্রি: তারিখের আদেশ মতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের সম্মানীভাতা নিম্নরুপ নির্ধারণ করা হয়েছে।
🔘 সদস্য (মেম্বার) পাবেন: সরকারি অংশ ৩৬০০ এবং ইউপি অংশ ৪৪০০ সহ সর্বমোট ৮,০০০/- টাকা।
🔘 চেয়ারম্যান পাবেন: সরকারি অংশ ৪৫০০ এবং ইউপি অংশ ৫৫০০ সহ সর্বমোট ১০,০০০/- টাকা।
🔘 সুতরাং একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ৫ বছরে মোট বেতন পাবেন ৬ লক্ষ টাকা এবং একজন ওয়ার্ড মেম্বার ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মাত্র।
🔘 উল্লেখ্য যে, একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন নির্বাচন করতে গিয়ে ৪০-৮০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করে থাকেন। কারণ অধিকাংশ ভোটারদের মনের কথা হলো, যে প্রার্থী আমাকে বেশি টাকা দিবে আমি তাকেই ভোট প্রদান করবো।
🔘 এখন কথা হলো একজন চেয়ারম্যান ৫ বছরে বেতন পাবেন ৬ লক্ষ টাকা, আর নির্ভরযোগ্য তথ্য মতে নির্বাচনে ব্যয় হয় ৫০ লক্ষ টাকা। তাহলে বাকি ৪৪ লক্ষ টাকা কোথায় পাবে? চিন্তা করুন!
🔘 তাই যে আমাকে বেশি টাকা দিতে পারবে অথবা বেশি চা, পান ইত্যাদি খাওয়াতে পারবে আমি তাকে ভোট দিবো এই চিন্তা ভাবনা বাদ দিন। চিন্তা করুন এবার আমি তাকেই ভোট দিবো যে জনগণের সেবা করার জন্য রাজনীতি করে সৎ এবং যোগ্য। নির্বাচন পরবর্তী পাঁচ বছর শতভাগ সেবা মানুষের দ্বারে পৌছে দিবে।
🔘 তাই এবারের স্লোগান হোক, ভোটের বিনিময়ে কারো কাছ থেকে টাকা বা অন্য কিছু নয়, আমি ভোট পরবর্তী পাঁচ বছর শতভাগ সেবা চাই।
💢 "আপনি হবেন যেমন, আপনার শাসক ও হবে তেমন "
আপনি যদি দুর্নীতিবাজ হন তাহলে আপনার শাসক ও হবে দুর্নীতিবাজ, এখন সিদ্ধান্ত আপনার হাতে💢
একজন ভোটার এবং সচেতন নাগরিক।
(সংগৃহীত)

20/07/2021

২০০১ সাল ঢাকায় এই গরুটি দাম হাঁকানো হয় দেড় লক্ষ টাকা, এতো দামে এই গরু কেউ কিনতে পারেনি।

২০২১ সালে মাত্র ২০ বছরের ব্যাবধানে ৩০ লক্ষ টাকা দামের গরুও কুরবানী হবে।

তাহলে কি মানুষ এই ২০ বছরে ব্যাপক স্বাবলম্বী হয়েছে, ব্যাপক উন্নতি করেছে..??

আসল কথা হলো -

★ এই ১৮ বছরে কিছু মানুষ বিবেক ও সততা কে বিসর্জন দিয়েছে।
★ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি অংশ প্রতারণা করছে।
★রাজনীতি সুবিধাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের হাতে চলে গেছে।
★ শিক্ষক সমাজ শিক্ষার নামে ব্যাবসায় নেমেছে।
★ অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের প্রবনতা বেড়ে গেছে।
১৮ বছর আগে মানুষ সৎ ছিলো তাই দেড় লাখ টাকা দামের গরু কুরবানী দিতে পারেনি।

আর এখন ৩০ লাখ দামের লোক দেখানো গরু জবাই দিচ্ছে কিন্তু কুরবানী হচ্ছে না।

23/06/2021

ভারতের সীমান্ত ঘেঁষে নওগা। পাকিস্তানী সেনারা যাতে আসতে না পারে তাই সিদ্ধান্ত হয় ব্রিজটা উড়িয়ে দেওয়ার। ৬ জন তরুণ মুক্তিযোদ্ধা গেলো জায়গাটা রেকি করতে। তাদের দলেরই আরেকটি ছেলের বাড়ি ঐ গ্রামেই। সে বলে দিয়েছিলো কাজ সারতে রাত হয়ে গেলে যেন তাদের বাড়িতে আশ্রয় নেয় সহযোদ্ধারা। মা’কে তার কথা বললেই হবে।
কাজ শেষে প্রায় ভোর রাতে ৬ জনের দলটি আশ্রয় নিলো সেই বাড়িতে। মা পরম যত্নে বিছানা করে দিলো, রান্না চড়ালো। কিন্তু বাবা?
বাবা খবর দিলো পাকিস্তানী সেনাদেরকে। তারা এসে ঘুমন্ত ৬ মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করলো!
কদিন পরে সেই ছেলেটি হাজির হলো নিজ বাড়িতে। সন্তানকে পেয়ে বুকে জড়িয়ে ধরলেন মা। বের হয়ে এলো বাবা। আর সন্তান বের করে আনলো চাদরের নিচে লুকিয়ে আনা স্টেনগানটি। স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী পিতার বুকে গুলি চালাতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের একটুও হাত কাঁপলো না। নির্দ্বিধায় বাবার বুকে ব্রাশ ফায়ার করে নিজের পিতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলো সন্তান!
[সৈয়দ হাসান ইমাম-এর স্মৃতি থেকে এই ঘটনাটি সংকলন করা হলো]
সন্তান জন্ম দিলেই বাবা হওয়া যায় না। বাবাকে হতে হয় বাবার মতো। নইলে ঔরসজাত সন্তানও বাবাকে স্বীকার করে না।

Want your business to be the top-listed Government Service in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rajshahi
6321