বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা - RSU, Rajshahi University

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা - RSU, Rajshahi University

Share

শ্রমজীবী জনতার সাথে একাত্ম হও! Unite with the Working Masses!

18/09/2025

বিশ্ববিদ্যালয়ের মত ক্ষুদ্র পরিসরে পোষ্য কোটা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের এক শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা নিয়ে বিএনপি,আওয়ামীলীগ, জামাতপন্থী,বামপন্থী ও অরাজনৈতিক সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এক জায়গায় দাড়িয়ে গেছেন। আবার প্রত্যেকে দাবি করেন তারা আদর্শের রাজনীতি করেন। উনাদের আদর্শে কি তাহলে পোষ্য কোটা বৈধ?

মো. হাসান শাহরিয়ার খন্দকার আলিফ
সাংগঠনিক সম্পাদক,
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রা. বি.

18/08/2025

রাকসু নির্বাচন-২০২৫ কেন্দ্রীয় সংসদে প্রার্থীতা করছেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রা:বি: শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো: হাসান শাহরিয়ার খন্দকার আলিফ।

03/08/2025

“নিয়োগের অনিয়মে যুক্ত থাকায় ড. ফরিদ খানকে অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।
__উপ-উপাচার্য ড. ফরিদ খানের পোস্টের মাধ্যমে এটা স্পষ্ট হয় যে বিতর্কিত রুয়া নির্বাচন প্রভাবশালী জামাতপন্থীদের সাথে সখ্যতা তৈরির একটি মাধ্যম ছিল মাত্র। এই নির্বাচন শিক্ষার্থী কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আয়োজন করা হয়নি। উনি বললেন, রুয়া নির্বাচনের সময় একজন এলামনাস এমপির সাথে তার পরিচয় হয়েছে। আপনারাই বলুন, আগে থেকে আলাপ-আলোচনা না হলে কি সুপারিশযুক্ত প্রবেশপত্রের ছবি সেই এমপি পাঠাতেন? উনি সেই ছবি ফোনে রেখে দিলেন। কেন দিলেন? কারণ উপ-উপাচার্যের তো অনেক দায়িত্ব, ভুলে যেতে পারেন। সাবেক এমপি বলে কথা—তিনি কি বারবার ছবি পাঠাবেন ! ভাইভা বোর্ডের আগে দেখে নেওয়ার জন্যই ছবিটি রাখা হয়েছিল, যেন বোঝা যায় কার জন্য কে সুপারিশ করেছেন। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস—ছেলের হাতেই ছবিটি ফাঁস হয়ে গেল।
আমরা রাকসু নির্বাচনে জয়ী হলে আমাদের প্রথম কাজ হবে রাকসুর উদ্যোগে কুরআন পোড়ানোর ঘটনার সঠিক তদন্ত করে এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলের পরিচয় শিক্ষার্থীদের সামনে নিয়ে আসা।”
শাহরিয়ার আলিফ
সাংগঠনিক সম্পাদক,
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাঃবিঃ

29/07/2025

তফসিল ঘোষনার মধ্য দিয়ে রাকসু নির্বাচনের উদ্যোগকে স্বাগত।

03/06/2025

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ : উপেক্ষিত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত; স্বস্তি নেই জনগণের
কালো টাকা সাদার বিধান হাসিনার মডেলেই দুর্নীতিকে উৎসাহিত করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য অন্তর্বতীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেছেন। যেখানে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা, যা জাতীয় বাজেটের ১২.১%। অন্যদিকে স্বাস্থ্য খাতের দুই মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪১ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা, যা জাতীয় বাজেটের ৫.৩%।
আজ ৩ জুন '২৫ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায় এবং সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বলেছেন —
"অন্তর্বর্তী সরকারের এই বাজেটে উপেক্ষিত হয়েছে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যখাতের মতো জনগণের জীবনের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত দুটি খাত। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এই বাজেট জনগণের আকাঙ্খাকে ধারণ করেনি, শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের ২০-২৫% বরাদ্দ রাখার দীর্ঘদিনের দাবির পরেও অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। স্বাস্থ্যখাতকে বরাবরের মতো অবহেলা করে জাতীয় বাজেটের ১৫% দাবির জায়গায় ৫% রাখা হয়েছে।"
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারিকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণের যে রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি তারই প্রতিফলন হয়েছে এই জাতীয় বাজেটে। এই রাষ্ট্র জনগণের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার দায়িত্ব গ্রহণ করতে চায় না বলেই বরাবরের মতোই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়েও এই দুটিখাত উপেক্ষিত হয়েছে।"
নেতৃবৃন্দ সর্বশেষ বলেন, "এই বাজেটে কালো টাকা সাদাকরণের যে সুযোগ রাখা হয়েছে তা মূলত দুর্নীতিকে উৎসাহিত করার হাসিনা মডেলেরই ধারাবাহিকতা মাত্র। বাজেটে কয়েক বছরের তীব্র মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব হ্রাস এবং সার্বিকভাবে জনজীবনে স্বস্তি ফেরানোর কোনো উদ্যোগ নেই।"
বার্তা প্রেরক —
তৈয়ব ইসলাম
দপ্তর সম্পাদক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
যোগাযোগ: ০১৭৯২৭৪৯৯৪৩

Photos from বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা - RSU, Rajshahi University's post 31/05/2025

৩৭ তম শহীদ জামিল আখতার রতন দিবসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী মহানগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ।

31/05/2025

আজ ৩৭তম শহীদ জামিল দিবস!
৩১মে ১৯৮৮, স্বৈরশাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল ছাত্র সমাজ। এরশাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিল এই আন্দোলনকে আরও বিস্ফোরিত করে। এই আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলো ছাত্র মৈত্রী। রাজশাহী অঞ্চলে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন ও রাষ্ট্রধর্ম বিল বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন তৎকালীন ছাত্র মৈত্রী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি জামিল আখতার রতন।
এমন সময়েই রাজশাহী মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের কিছু 'ইসলামী ছাত্র শিবির' কর্মীদের সাথে অস্ত্রসস্ত্রসহ বিপুল সংখ্যক বহিরাগত 'ইসলামী ছাত্র শিবির' কর্মী অবস্থান নেয়। রাতে তারা ক্যাম্পাসের কলাপসিবল গেইট বন্ধ করে সেই বহিরাগতদের সাথে নিয়ে অস্ত্রসজ্জিত হয়ে "ধর ধর" বলে মিছিল করতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে 'ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' স্মারকলিপির প্রেক্ষিতে একাডেমিক কাউন্সিলে বসে রাজশাহী মেডিকেলের শিক্ষককেরা। মিটিং শেষে তারা মেইন হোস্টেল সরেজমিনে দেখতে যান। কিন্তু হোস্টেলে ঢোকার মুখে বাধা হয়ে দাঁড়ায় শিবির কর্মীরা, তারা শিক্ষকদের হোস্টেলে ঢুকতে দেয় না, কয়েকজন বহিরাগত তর্ক শুরু করে দেয় শিক্ষকদের সাথে। ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী মেডিকেল শাখার সভাপতি জামিল আখতার রতন ছিলেন শিক্ষকদের পেছনে; তিনি তখন বলেন, "এই যে স্যার, এরা বাহিরের লোক।"
ঠিক তখনই শিবির কর্মীদের থেকে একটা তীব্র হুইসেল বেজে ওঠে, এটাই ছিলো তাদের সংকেত। সাথে সাথে "নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর" ধ্বনিতে কেঁপে ওঠে হোস্টেলটি। মুহূর্তের সাথে কয়েকশো বহিরাগত ইসলামী ছাত্র শিবির কর্মী প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে হোস্টেলের নিচে নেমে আসে, ধাওয়া করে নিরস্ত্র ছাত্রনেতা জামিল আখতার রতনকে। যিনি অনেক দিন ধরেই ইসলামী ছাত্র শিবির হত্যার হিট লিস্টের তালিকায় এক নম্বরে ছিলো। তারা তাকে ধাওয়া করতে করতে একসময় তলোয়ার নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। তলোয়ার দিয়ে কমরেড জামিল আখতার রতনের পেট ও পিঠ এফোড়-ওফোড় করে দিতে থাকে শিবির কর্মীরা। তখন হয়তো জামিল আখতার রতন মাটিতে পড়ে গিয়ে এফোড়-ওফোড় হয়ে যাওয়া পেট চেপে ধরেছিল, রক্ত পড়ছিল অবিরাম। মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন কমরেড জামিল এমন সময় তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে ইট দিয়ে আঘাত করে জামিলের মাথা থেতলে দেয় ঘাতকরা। হয়তো তখনও জামিল তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন নাই, হয়তো তিনি তখনো তার বুজে যাওয়া চোখেও অস্পষ্টভাবে দেখছেন। তিনি দেখছেন তাকে হত্যা করার উল্লাসে ফেটে পড়ছে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মীরা, হত্যা শেষে এবার তারা একজন আরেকজনের সাথে আলিঙ্গন করে, বুক মেলায়, আর মুখে তীব্র সুরে উচ্চারণ করতে থাকে "নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার"।
এই দৃশ্য দেখতে থাকেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ৩৫ জন শিক্ষক, দেখে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এক অকুতোভয় দুঃসাহসী বামপন্থী ছাত্রনেতা, রাষ্ট্রধর্ম বিল বিরোধী আন্দোলনের নেতা হত্যার আনন্দে এবার ধর্মীয় ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মীরা হোস্টেলটির আশেপাশে থাকা গাড়ি ভাঙচুর করে, শেষে বোমা ফাটিয়ে "আল্লাহু আকবর" বলতে বলতে ক্যাম্পাস ছাড়ে। রাষ্ট্রধর্ম বিল বিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ হন ছাত্র মৈত্রীর জামিল আকতার রতন।
শহীদ জামিলের লড়াই থেমে যায়নি। শহীদ জামিল লড়াই করেছিলেন এরশাদ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যে ধর্মকে আঁকড়ে ধরেই ক্ষমতায় টিকে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছিল। জনগণের অব্যাহত সংগ্রামের মধ্য দিয়েই ক্ষমতাচ্যুত হয় স্বৈরশাসক এরশাদ। কিন্তু, ৩৭ বছর পরে এসে বর্তমান বাংলাদেশ পার করছে আরও একটি ভয়াবহ সময়। যে অন্ধকার সময়ে ঘটছে নব্য-ফ্যাসিবাদের উত্থান। অভ্যুত্থান-পূর্ববর্তী সময়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ যেভাবে মৌলবাদী গোষ্ঠীকে প্রত্যক্ষ মদদ জোগাতো। একইভাবে জুলাই-আগস্ট পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র শিবির, হেফাজতে ইসলামসহ উগ্র, সাম্প্রদায়িক ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীগুলোকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার ও বিকশিত করছে।
অভ্যুত্থানের গণআকাঙ্খাকে ভূলুণ্ঠিত করে যখন ইন্টারিম সরকার চট্টগ্রাম বন্দরকে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির হাতে তুলে দেয়, মানবিক করিডোর প্রদানের মাধ্যমে দেশকে যুদ্ধপরিস্থিতিতে ঠেলে দেয়, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের প্রেসক্রিপশনে দেশের অর্থনীতি পরিচালনা করে – তখন জনবিরোধী এসব সিদ্ধান্ত থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, বামপন্থীসহ ভিন্ন মত ও পথের মানুষের ওপর নানা ধরণের মব-সন্ত্রাস ও আক্রমণ চালায়। ক্যাম্পাসে-ক্যাম্পাসে তারা শুরু করছে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। বর্তমানে দেশ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে বড় বাঁধা এই প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী। এই অবস্থায় জনগণতান্ত্রিক সংগ্রাম জারি রাখতে শহীদ জামিল আখতার রতনের স্পর্ধা ও আদর্শকে ধারণ করা আমাদের ঐতিহাসিক কর্তব্য৷
নব্য-ফ্যাসিবাদের কবল থেকে বাংলাদেশের জনগণকে মুক্ত করতে শহীদ জামিলের লড়াইয়ের স্পৃহাই সকল রাজনৈতিক কর্মীদের এখন প্রয়োজন। এই লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার মধ্য দিয়েই শহীদ জামিলকে জয়ী করতে হবে, এই লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার মধ্য দিয়েই শহীদ জামিলকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। শহীদ জামিল, শহীদ রূপম, শহীদ রিমু, শহীদ ফারুক, শহীদ নাসিম, শহীদ আতিকুল বারী, শহীদ পান্না, শহীদ আইয়ুবদের সংগঠন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কাছ থেকে বিপ্লবী অভিবাদন ও লাল সালাম কমরেড জামিল আখতার রতন!

23/05/2025

২২ মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ১২টি ভবন ও স্থাপনার নাম পরিবর্তন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাংগঠনিক শাহরিয়ার আলিফ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রাকিব হোসেব, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সংগঠক তারেক আশরাফ, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শামীন ত্রিপুরা, ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকার এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন -

"শিক্ষার্থীদের সাথে কোনো ধরনের আলোচনা না করে একতরফাভাবে ১২টি স্থাপনার নাম পরিবর্তন সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে আমরা একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক অপচেষ্টার অংশ বলেই আমরা মনে করছি। যে নামগুলো মুছে ফেলা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের জাতীয় ইতিহাস ও সংগ্রামের পথপ্রদর্শকদের স্মৃতি গভীরভাবে জড়িত। এই নাম মুছে দেওয়ার মাধ্যমে একটি মহল মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করার পায়তারা করছে। আমরা এই স্বাধীনতাবিরোধী অপচেষ্টা কখনওই মেনে নেব না।"

বক্তারা আরো বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের স্থাপনার নাম দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র অংশীজন প্রশাসন নয়, এখনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ রয়েছেন। তাই নাম পরিবর্তনের মতো সিদ্ধান্ত সকলের অংশগ্রহণেই হওয়া উচিত। আমরা গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি—

১. অবিলম্বে এই একতরফা নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।
২. শিক্ষার্থীদের মতামত ও ইতিহাস সচেতন সংলাপের ভিত্তিতে যেকোনো নামকরণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে হবে।
৩. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অর্জনকে বিকৃতি বা অস্বীকারের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে।

পরিশেষে বক্তারা বলেন,

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ দল ও মতের ঊর্ধ্বে একটি সর্বজনীন বিষয়। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত এই ক্যাম্পাসে কার্যকর হতে দেওয়া হবে না। অবিলম্বে নাম পরিবর্তনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত বাতিল না হলে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”

বার্তা প্রেরক,
নাসিম সরকার
আহ্বায়ক, ছাত্র গণমঞ্চ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
মোবাইল: ০১৭৩৯৮৯২৪৬৫

12/01/2025

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হলে কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। দোষীদের সনাক্ত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা অতি দ্রুত এই ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করে বিচারের দাবি জানায়। দোষীদের সনাক্ত করতে ব্যর্থ হলে এই প্রশাসনকে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতি ও মুসলিম জনগোষ্ঠী ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করার দায় নিতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বাম ছাত্র সংগঠনকে দোষারোপ করা হচ্ছে যার মাধ্যমে সম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতি করা গোষ্ঠীটি ফায়দা নিতে চাচ্ছে। প্রকৃত দোষীদের শাস্তি নিশ্চিতে করতে এবং বিভাজনের রাজনীতি বন্ধ করতে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দ্রুত সময়ে করতে হবে । এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত থাকলে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকেও সবার সামনে উন্মোচন করতে হবে। ঘটনা উন্মোচনে ব্যর্থ হলে প্রশাসনই এই বিভাজনের রাজনীতি যুক্ত বলে প্রতীয়মান হবে।

31/12/2024

১লা জানুয়ারি শহীদ আশরাফুল ইসলাম নাসিম দিবস। আশরাফুল ইসলাম নাসিম ছিলেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ঢাকা মহানগর শাখার এই নেতা পড়াশোনা করতেন ঢাকা সিটি কলেজে। ঢাকার লালমাটিয়ায় জন্ম এবং বেড়ে ওঠা তার।
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি ও বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হটিয়ে স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করেন। এরপর থেকে এরশাদ দেশের সর্বত্র গণবিরোধী কার্যক্রম চালাতে থাকে। সামরিক আইন জারি করা হয়। যে আইনে কেউ তার সামরিক শাসনের সমালোচনা বা বিরোধিতা করলে কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়।
তৎকালীন সামরিক শাসক, স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে ছাত্ররা প্রথম থেকেই প্রতিবাদ শুরু করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ৩ জুন সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কলাভবনে পোস্টার লাগাতে গিয়ে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর তিন নেতা গ্রেফতার হন। সামরিক আদালতে তাদের সাত বছরের কারাদণ্ড হয়। পরবর্তীতে সারাদেশ এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে।
আশরাফুল ইসলাম নাসিম ছিলেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় কর্মী। ঢাকায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ১৯৮৬ সালের নভেম্বরে সামরিক এরশাদের ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসী সংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজের গুন্ডারা নাসিমকে তার বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে আগারগাঁওয়ের একটি ভবনের ভেতর হাত পা বেঁধে নির্মমভাবে রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে সন্ত্রাসীরা তার শরীরে তাজা বোমা বেঁধে ভবনের ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেয়। বোমার বিস্ফোরণে তার সারা শরীর ঝলসে যায়। প্রায় দু’মাস মৃত্যুর সাথে লড়াই করে অবশেষে ১৯৮৭ সালে বছরের প্রথম দিনে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
শহীদ আশরাফুল ইসলাম নাসিম শুধু স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের কর্মীই ছিলেন না, ছিলেন শোষণ-বৈষম্যের ঘুণে ধরা পুঁজিবাদী সমাজকে ভেঙে মেহনতি মানুষের শোষণহীন সমাজ বিনির্মানের সংগ্রামরত একজন একনিষ্ঠ সৈনিক। শহীদ নাসিমের এই অসম্পন্ন কাজকে সম্পন্ন করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন আজকের সময়ে তার উত্তরাধিকার হিসেবে আমাদের অবশ্য কর্তব্য। তার লড়াইয়ের সাহস ও উৎসর্গকৃত জীবন, শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের জনগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা বিনির্মাণের সংগ্রামে আগুয়ান হওয়ার ক্ষেত্রে স্পর্ধার জ্বলন্ত বাতিঘর। তাই, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ঘটিয়ে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের জন্য জনগণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণের লড়াইয়ে আত্মনিয়োগই হোক ৩৮তম শহীদ নাসিম দিবসের পাথেয়। এটিই হবে তার সাহসী স্মৃতির প্রতি সম্মান ও তার লড়াইয়ে উত্তরাধিকার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সশ্রদ্ধ প্রয়াস।

18/12/2024

শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের দায় রাষ্ট্র ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিতে হবে

সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ে শনাক্ত করে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে

আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি) এর কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র মো. ওয়াজেদ সীমান্ত, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী তাজবীর হোসেন শিহান, মিরপুর ভাষানটেক সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সুজানা এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী কাব্যসহ একাধিক শিক্ষার্থীর নির্মম হত্যাকাণ্ডে দেশব্যাপী উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে৷

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায় এবং সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, "অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে তা অভ্যুত্থানকারীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক শ্রমিকদের বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা, দেশব্যাপী মাজার ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডসহ অন্যান্য মবলিঞ্চিং-এর বিচার না করার মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বজায় রেখেছে, তা সাম্প্রতিক গুপ্ত হত্যাকাণ্ডগুলোকে আরও উসকে দিচ্ছে।"

অভ্যুত্থানকারী শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড ও অনিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রকে দায়ী করে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের শাসনামলে যেমন গুম, খুন ও বিরোধী মত দমনের সংস্কৃতি চালু ছিল, অভ্যুত্থানের পরও সেই ধারাবাহিকতা রয়ে গেছে। এটি অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি ও জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী।"

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী অবিলম্বে সাম্প্রতিক গুপ্ত হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করে বিচার কার্যকর করার দাবি জানায়। পাশাপাশি, নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম সক্রিয় করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এই রাষ্ট্র ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে এর গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

বার্তা প্রেরক
তৈয়ব ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, কেন্দ্রীয় কমিটি
যোগাযোগ: ০১৭৯২৭৪৯৯৪৩

Want your business to be the top-listed Government Service in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


University Of Rajshahi
Rajshahi
6205