Borokuthi Rajshahi, Bangladesh

Borokuthi Rajshahi, Bangladesh

Share

This is a most famous place in Rajshahi city Beside of Padma garden. Here is available wifi Zone open for all.

24/12/2022

Testing

Photos from রাজ মেট্রো's post 08/04/2016

শিক্ষা নগরী রাজশাহী

Photos from Borokuthi Rajshahi, Bangladesh's post 15/02/2015

১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবস ২০১৫ উপলক্ষে Lense media এর
উদ্দগে ছোট নাটক দেখানো হয় প্রজেক্টর এ তার
আগে দর্শক দের মাতিয়ে তোলেন রাজশাহীর জনপ্রিয়
band Spark উপস্থিত ছিলেন হাজারো দর্শক

Photos 22/07/2014

'ওয়াই-ফাই জোন' বড়কুঠি পদ্মার পাড়, রাজশাহী।

Photos 19/07/2014

রাজশাহীর প্রাচীন দালান বড় কুঠি'র ইতিহাস

রাজশাহী মহানগরীর সবচেয়ে প্রাচীন দালান পদ্মা পাড়ের বড় কুঠি। এই কুঠিকে কেন্দ্র করে ঐ এলাকার নামকরণ হয়েছে বড়কুঠি। ব্রিটিশ শাসনামলের পূর্ব থেকেই ব্যবসা বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ইউরোপীয়রা এ ধরনের কুঠি তৈরী করে ছিল। রাজশাহী মহানগরীর বড় কুঠি তৈরী করেছিল ওলন্দাজরা বা ডাচরা। কুঠিটি নিমার্ণের তারিখ জানা যায় না। তবে অষ্টাদশ শতকের প্রথমভাগে বড়কুঠি ওলন্দাজাদের এই অঞ্চলের বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হতো। ১৭৫৭ সালে ইংরেজরা বাংলার ক্ষমতা দখল করলে ওলন্দাজরা মিরজাফরের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে ইংরেজদের ক্ষমতা খর্ব করতে চাইলে ইংরেজদের হাতে তাদের পরাজয় ঘটে। এরপরও তারা রাজশাহী অঞ্চলে কিছু দিন রেশম ব্যবসা করে ছিল। রাজশাহীতে ওলন্দাজদের বড়কুঠি ক্রয় করে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী। কোম্পানীর একজন প্রতিনিধি বসবাস করতে আরম্ভ করেন বড় কুঠিতে। ১৮৩৩ সালে ওলন্দাজরা পরিত্যাগ করলে বড়কুঠি ইংরেজদের মালিকানায় চলে আসে। ১৮৩৫ সালে বড়কুঠি মেসার্স রবার্ট ওয়াটশন কোম্পানীর হাতে যায়। রবার্ট ওয়াটসন কোম্পানী রাজশাহী ও সরদহের কুঠিবাড়ি কিনে নেয়। রেশম ও নীল ব্যবসাকে নির্ভর করে রাজশাহী হয়ে ওঠে একটা সমৃদ্ধ নদী বন্দর। এখান থেকে প্রচুর রেশম ও নীল বিদেশে চালান হতে থাকে।

ইউরোপীয় বাজারে বাংলার রেশম বিদেশী রেশমের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পরাজিত হয় এবং ১৮৫৯-৬০ সালে নীল বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার কারণে বাণিজ্যিক শহর হিসাবে রাজশাহীর অবনতি ঘটে। ১৮৯০ সালে জার্মানীতে হিউম্যান (Heumann) খুব সস্তায় কয়লা থেকে নীল তৈরীর কৌশল আবিস্কার করে। এর ফলে নীল গাছের পাতা থেকে নীল রঙ তৈরী আর লাভজনক ছিল না।

রবার্ট ওয়াটসন কোম্পানীর কাছ থেকে বড়কুঠি ও তার সংলগ্ন সম্পত্তি মেদিনীপুর জমিদারী কোম্পনী কিনে নেয়। এই জমিদারী কোম্পানীও ছিল ইংরেজদের। এই কোম্পানী রাজশাহী মহানগরীর যে স্থানে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীর বাজার বসাত তা এখনও সাহেব বাজার হিসাবে খ্যাত। ভারতবর্ষ ব্রিটিশ উপনিবেশের থাবা মুক্ত হয়ে পাকিস্তানের জম্ম হওয়ার পর ১৯৫১ সালে তৎকালীন সরকার বড়কুঠি একোয়ার করে নেয়। ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে বড়কুঠি ভাইস চ্যান্সেলরের অফিস ও বাসভবনে পরিণত হয়। নীচতলা অফিস ও ওপর তলা বাস ভবন। বতমার্ন বড়কুঠির নীচতলা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়ক কর্মচারী ইউনিয়নের অফিস ও উপরতলা টিচার্স ক্লাব হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

১৮৯৭ সালের প্রবল ভূমিকম্পে বড়কুঠির বেশ ক্ষতি সাধিত হয়েছিল। রাজশাহী মহানগরীর সবচেয়ে পুরনো দালান হয়েও অনেকবার সংস্কারের কারণে আজও টিকে আছে। এর মূলকুঠির দৈর্ঘ্য ৮২ফুট ও প্রস্থ ৬৭ ফুট, মোট কামরার সংখ্যা ১২টি, একটি সভা কক্ষসহ উপরে ৬টি কামরা আছে। বাড়িটির দুপাশে আছে দোতলার ছাদে যাবার ঘোরানো সিঁড়ি । সিঁড়ি ঘরের দেওয়ালে নিদির্ষ্ট দূরে দূরে ফোকর আছে । যার মধ্যে দিয়ে গুলি ছোড়া সম্ভব।

সে সময় নীচের কামরাগুলো রেশমের গুদাম ও উপরের কামরাগুলো আবাসিক কাজে ব্যবহৃত হতো। ওলন্দাজদের আমলে কুঠিটি ছিল বেশ সুরক্ষিত । ছাদের ওপরে বিশেষ ধরনের কামান স্থাপন করা ছিল নিরাপত্তার জন্য। নীচের ঘরগুলোই গোলাবারুদ রাখা হতো। আঙ্গিনাতেও বসানো ছিল ছোট ছোট কামান । পরে এগুলো এখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল । ওয়াটসন কোম্পানীর আমলে নীচের ঘরগুলোকে বন্দিশালা হিসাবে ব্যবহার করা হতো। বহু মানুষকে ধরে এনে এখানে খুন ও বহু নারীকে ধষর্ণ করা হয়েছে। নীল চাষে অবাধ্য কৃষকদের পিটানো হতো চামড়া মোড়ানো বেতের লাঠি শ্যামাচাঁদ দিয়ে। ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিল্পবের সময় বড়কুঠি ইংরেজদের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর বিশেষ হেড কোয়ার্টার রূপে ব্যবহৃত হয়েছিল।

ইংরেজ রেশম কুঠিয়ালদের ব্যবসায়-বাণিজ্যের সময়ে এখানে তাদের একটি কলোনী ও বাজার গড়ে উঠে। তা 'সাহেবগঞ্জ' নামে খ্যাত ছিল, এই 'সাহেবগঞ্জ' নদী গর্ভে ভেঙ্গে গেলে বর্তমান 'সাহেব বাজারের' সৃষ্টি হয়। এই সময়ে (ইংরেজ আমলে) প্রাচীন পাকা বাড়ীগুলোর মধ্যে কেমিষ্ট্রী বিল্ডিং, কলেজের মেইন বিল্ডিং, মাদ্রাসা বিল্ডিং, উল্লেখযোগ্য। কলেজিয়েট স্কুল বিল্ডিংও প্রাচীন। এতদব্যতীত রাজশাহী সেন্ট্রাল জেলের চত্বরের উত্তর ধারে পূর্ব-পশ্চিম লম্বা একটি বিশিষ্ট ব্যারাক প্রাচীন বলে মনে হয়। এই জেলখানার দাক্ষিণে শ্রীরামপুর মৌজায় ইংরেজদের আর একটি কলোনী গড়ে উঠেছিল। অত:পর শ্রীরামপুর মৌজায় অবস্থিত সরকারী অফিসাদিসহ কলোনীটি পদ্মাগর্ভে নিমজ্জিত হয়ে গেলে জেলখানার চত্ত্বরে ইংরেজ আমলের উক্ত সুবৃহৎ এক তালা ব্যারাকটিকে কেন্দ্র করে ১৮২৫ ইং সালে বুয়ালিয়াতে প্রথম জেলখানা স্থাপিত হয়। এতদব্যতীত মতিহার, কাজলা প্রভৃতি স্থানে এবং বুয়ালিয়া, রাণীবাজার প্রভৃতি প্রাচীন পল্লীতে অনেক পুরাতন পাকা বাড়ী ঊনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে রেশম ব্যবসায়ী কর্তৃক বিনির্মিত হয়ে ছিল। তার নিদর্শন এখনও এই সব অঞ্চলে দৃষ্ট হয়ে থাকে। ওলন্দাজ, ইংরেজ ও দেশী রেশম ব্যবসায়ীদের কর্ম কীর্তির এই হলো মোটামুটি কথা। ইংরেজী ১৮২৫ সালে জেলার সদর দপ্তর রামপুর-বুয়ালিয়াতে স্থানান্তরিত হবার পর থেকে ইংরেজ শাসকদের হস্তক্ষেপ ও রাজশাহী রাজা জমিদারদের প্রচেষ্টায় বুয়ালিয়া-টাউনের গুরুত্ব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিবিধ জন কল্যাণমূলক সংস্থার মাধ্যমে রামপুর-বুয়ালিয়ার আয়তন ও জন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

ছবি : গুগল
সুত্র : erajshahi.gov.bd

Photos 17/07/2014

৬ লাখ ডলার গাজার শিশুদের দেবেন ওজিল

জার্মানি এবং আর্সেনালের তারকা খেলোয়াড় মেসুত ওজিল বিশ্বকাপ জেতার ফলে যে অর্থ পেয়েছেন তা গাজার শিশুদের দিয়ে সাহায্য করবেন। এমনটাই জানিয়েছে বেশকয়েকটি সংবাদ মাধ্যম। জানা গিয়েছে, মেসুত ওজিল ৬ লাখ ডলার গাজার শিশুদের সাহায্যার্থে প্রদান করবেন।

বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করায় জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তিন লাখ ইউরো বোনাস দেওয়ার ঘোষণা দেয়। আর সেমিফাইনাল জেতায় প্রত্যেককে আরো দেড় লাখ ইউরো দেওয়া হয়। সেই অর্থ গাজার শিশুদের দিবেন বলে জানান ওজিল।

তুর্কি বংশদ্ভূত ওজিল ফাইনালের আগে কোরআন তেলাওয়াত করে মাঠে নামেন। এর আগে রোজার মাসে রোজা রেখে তিনি প্রতিটি ম্যাচে মাঠে নামতেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও ইসরাইলকে সমর্থন দেওয়ার কারণে ফিফা কর্মকর্তাদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেননি এই মুসলিম ফুটবল তারকা।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ চলাকালে আলজেরিয়া ফুটবল দল তাদের প্রাইজমানি গাজার বাসিন্দাদের জন্য অনুদান হিসেবে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। সূত্র-আইবিএম, মিডলিস্ট মনিটর

Photos 08/07/2014

বাড়তে শুরু করেছে পদ্মার পানি। আবার সেই আগে কার রুপ ধারণ করছে আমাদের পদ্মা।
পদ্মার পার এ গেছেন এবার? না গেলে কিংবা গেলেও কাল বিকেল ৪ টায় চলে আসেন বড় কুটি বালুর ঘাট এর মুক্ত মঞ্চে। পথ শিশু দের নিয়ে কাল আমরা আলোচনা করবো। ওদের মুখে কি করে ঈদ এর হাসি ফুটানো যায় সে ব্যাপারে আলোচনা হবে। অনেকেই আসবে তাই আপনারাও পারলে আসেন।
আমি কিন্তু আপনাদের জন্যে অপেক্ষা করবো সময় পেলে অবশ্যয় আসেন।
অসহায় শিশু দের মুখে হাসি ফুটাতে এগিয়ে আসুন।
https://www.facebook.com/events/461305353972371/465407423562164?refid=13&_ft_=qid.6033698912219388236%3Amf_story_key.-8043340791528095835

Photos 05/07/2014
Photos 23/05/2014

কফি বার, রাজশাহী

Photo credit : Nahid Hossain

09/11/2013

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এর ৯ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের ২৫,২৮ ও ২৯ নং ওয়ার্ড
কাউন্সিলর নুরুন্নাহার বেগম কে প্যানেল মেয়র ৩ ঘোষণা করেছেন৷
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন সর্বস্তরের জনগনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন৷

25/10/2013

' , ' , ' , ' , ' , ' , '
, ' , ' , ' , ' , '
''_______
/____,_/\ .;';';.
l__[]__l_ l ,,)(,,
কি দারুন বৃষ্টি হচ্ছে...
Shuvo sokal

Want your business to be the top-listed Government Service in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Borokuthi Balur Ghat Beside Of Padma River
Rajshahi
6000