ShahiD “BCS, Bank & Other Competitive Exams”

ShahiD “BCS, Bank & Other Competitive Exams”

Share

নিজে জানবো এবং অপরকে জানাবো!

08/07/2025

🟥 হস্তী শব্দের সমার্থক শব্দ কি?

ক) দ্বিপ
খ) দিপ
গ) দ্বীপ
ঘ) দীপ

[সঠিক উত্তর জানা থাকলে কমেন্ট করুন, না জানলে (?) দিয়ে রাখুন৷ দ্রুত সঠিক উত্তর জানিয়ে দেওয়া হবে।] 🙂

02/07/2025

পুনরায় আমাদের পেজের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। আশাকরি পূর্বের ন্যায় আবার সকলে পাশে থাকবেন। ধন্যবাদ। 🥰

18/05/2023

পাবলিক প্লেসে বিসিএসকে ধুয়ে দিয়েও লুকিয়ে লুকিয়ে যারা আগামীকালকে প্রিলিমিনারিতে অংশগ্রহণ করবেন তাঁদের জন্য দো‘আ ও শুভকামনা রইলো।

18/05/2023

৪৫তম বিসিএসে যারা ২০০টা বৃত্ত ভরাট করবেন তারা হাজিরা দেন।

18/05/2023

কেন আপনার বিসিএস হবে না? জেনে নিন কারণসমূহ-
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯

(১) আপনি মোবাইল আর ফেসবুক ছাড়া থাকতে পারেন না।
(২) আপনি এখনো নতুন মেয়ে বন্ধু খুঁজে বেড়ান। মেয়ে পটানোর ধান্দায় থাকেন।
(৩) পড়ার টেবিলে বসলে আপনার দুনিয়ার ঘুম চোখে চলে আসে।
(৪) পড়েন না কিন্তু স্বপ্ন দেখেন অনেক বড়।
(৫) আজ পর্যন্ত কোন বই ই আপনি ভালো মত শেষ করেন নি।
(৬) হতাশ থাকেন বেশির ভাগ সময়।
(৭) ধৈর্য শক্তি নাই বললেই চলে।
(৮) কোচিং নির্ভর পাবলিক আপনি।
(৯) আরাম আয়েশ করতে খুব পছন্দ করেন।
(১০) শুধু বড় ভাইদের পরামর্শ নেন। কিন্তু আমল করেন না।

✑ জয়নুল আবেদীন
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯

17/05/2023

🟥 পড়াশোনায় মন বসানোর বেস্ট উপায়ঃ
🟩 পড়ালেখায় মনযোগ আনার কৌশলঃ
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯

অনেকে আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, "স্যার, পড়তে মন চায় না। কী করব?
পড়তে ভালো লাগে না। কী করব?
কিছুদিন পড়ার পর আর পড়ায় মন বসাতে পারি না। কী করব?

*পড়া ভালো না লাগার বা পড়ায় মন বসাতে না পারার রো*গ কেবল আপনার নয়। খোঁজ নিলে দেখা যাবে পৃথিবীর ৯০% এর বেশি মা*নুষ এই সমস্যায় ভুগছেন।

তাহলে কি এই এই সমস্যার কোনো সমাধান নেই?
- অবশ্যই আছে।
তাহলে দেখে নেওয়া যাক এই সমস্যার সমাধানগুলো-

১। কেন পড়বেন আগে সেটা ঠিক করুন: পড়ার আগে ঠিক করে নিন- 'আপনি কেন পড়বেন? কেন পড়তে হবে? পড়লে কী হবে? না পড়লে কী হবে?'
ফুটবল খেলায় যদি গোলপোস্ট না থাকত, তাহলে রোদের মাঝে ৯০ মিনিট কেউ দৌঁড়াতে চাইতো না, বা দৌঁড়িয়ে আনন্দ পেত না। ক্রিকেট খেলায় বাউন্ডারি লাইন না থাকলে ব্যাটসম্যান ব্যাটিং করে আনন্দ পেত না; উইকেট সিস্টেম না থাকলে বোলার বল করে আনন্দ পেত না।
আমরা যেমন খেলাধুলা করি, যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে যায়, কিন্তু আমরা টের পাই না।

২। বদ অভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করুন: অযথা আড্ডা দেয়া, অযথা ঘোরাফেরা করা পড়াশোনার প্রতি ডিমোটিভেটেড করতে করতে পারে। পরশ্রীকাতরতাও অনেক সময় পড়াশোনার প্রতি অনাগ্রহ তৈরি করতে পারে।

৩। রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন: আপনি যদি নিজের রাগ নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে আপনার মন-মেজাজ সবসময় খিটখিটে থাকবে। পড়তে ইচ্ছে করবে না তখন।

৪। স্টাডিপ্ল্যান ও স্টাডি রুটিন তৈরি করুন: আগামীকাল কী পড়বেন, তা আগের দিন প্ল্যান করে আলাদা খাতায় লিখে রাখুন এবং পরের দিন সেই প্ল্যান অনুযায়ী পড়ুন। খাতার নাম দিতে পারেন "স্টাডি প্ল্যান খাতা"। প্রতি সপ্তাহ ও মাসে কোন কোন সাবজেক্ট বা বই শেষ করবেন, তাও প্ল্যান করে খাতায় লিখে রাখুন এবং একটি দৈনিক পড়ার রুটিন করতে পারেন। এতে করে দ্রুত কোনো বই বা সাবজেক্ট শেষ করতে পারবেন এবং পড়ার প্রতি একটা আগ্রহ তৈরি হবে।

৫। ভালো লাগার বিষয় দিয়ে পড়া শুরু করুন: আপনার যখন পড়তে ইচ্ছে করছে না, তখন যদি এমন সাবজেক্ট পড়তে চান, যেটা পড়তে ভালো লাগে না (যেমন ধরুন- বাংলা ব্যাকরণ) তাহলে আপনার আর পড়তেই ইচ্ছে করবে না। তাই পড়ার টেবিলে আগে নিজেকে বসানোর জন্য এমন কোনো সাবজেক্ট দিয়ে শুরু করুন, যেটা আপনার পড়তে ভালো লাগে বা পড়ে আনন্দ পান। এরপর আস্তে আস্তে পড়ায় মন বসে গেলে তখন অন্য সাবজেক্টও পড়তে ভালো লাগবে আগের থেকে বেশি।

৬। বেশি পড়া ভাগ করে নিন: একটা বইয়ের যদি অনেকগুলো চ্যাপ্টার থাকে, কিংবা কোনো চ্যাপ্টার যদি অনেক বড় হয়; তাহলে সেগুলো ভাগ করে নিন কয়েক ভাগে। এতে করে পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে। কিন্তু একসাথে যদি অনেক মোটা একটা বই শেষ করতে হবে ভাবেন বা অনেক বড় একটি চ্যাপ্টার শেষ করতে হবে ভাবেন, তাহলে ভয়ে আর পড়তে ইচ্ছে নাও করতে পারে; অথবা পড়াটা বোঝা মনে হতে পারে।

৭। কঠিন বিষয়গুলো অল্প অল্প করে পড়ুন: স্বাভাবিকভাবে আমাদের কাছে যে বিষয়গুলো কঠিন লাগে, সেগুলো পড়তে ইচ্ছে করে না। তখন যদি আমরা কঠিন বিষয়গুলো অল্প অল্প করি পড়ি তাহলে সময় একটু বেশি লাগলেও পড়াটা কিন্তু ঠিকই হবে। এই ক্ষেত এই ধরনের বার বার রিভিশন দিলে ও খাতায় লিখে হালকা শব্দ করে পড়তে পারলে মনে থাকে বেশি। যেমন- বিভিন্ন, তারিখ, সাল, নতুন নাম, Preposition, Vocabulary ইত্যাদি।

৮। পড়ার মাঝে ব্রেক দিন: পড়ার মাঝে ছোট ছোট ব্রেক দিলে পড়ার প্রতি এনার্জি থাকে দীর্ঘ সময়। আপনি চাইলে অল্প সময়ে ঘুমিয়েও নিতে পারেন। পড়ার ব্রেকের মধ্যে পানি বা হালকা কিছু খেলে দীর্ঘ সময় পড়তে গেলে ক্লান্ত বোধ হবে না। পড়তে ভালো লাগবে।

৯। পড়ার সময় ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন: পড়ার সময় ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, ইউটিউব, ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে সেগুলোর প্রতি মনোযোগ চলে যেতে পারে। তখন এগুলো ব্যবহার করতে ইচ্ছে করবে; পড়তে ইচ্ছে করবে না। তাই পড়ার সময় এগুলো ব্যবহার থেকে নিজে বিরত রাখুন।

১০। পিছিয়ে পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা পরিহার করুন: অতীত নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করলে আর পড়ার প্রতি মনোযোগ কমে যায়। কেউ কেউ জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পিছিয়ে পড়েন। কিন্তু, পিছিয়ে পড়া আর লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া একই বিষয় নয়৷ তাই জীবনে পিছিয়ে পড়া নিয়ে অযথা না ভেবে, কীভাবে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, সেটা নিয়েই ভাবুন।
আপনার জীবন থেকে যে সময় চলে গেছে, সেটা হয়তো আপনি আর ফিরিয়ে আনতে পারবেন না; বা ফিরিয়ে আনার ক্ষমতা রাখেন না; কিন্তু আপনার বর্তমান ও ভবিষ্যতের সময়টুকুকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার ক্ষমতা আপনি রাখেন। কে ট্রেনের কোন স্টেশন থেকে উঠেছেন, সেটা বড় বড় কথা নয়; কে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলেন, সেটাই বড় কথা।

১১। নিজের উপর আস্থা রাখুন: আপনার সামর্থ্য নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলতে পারেন। 'আপনার দ্বারা হবে না। আপনি জীবনে কিছু করতে পারবেন না।'
-এই ধরনের কথা পড়াশোনার প্রতি আপনাকে ডিমোটিভেটেড করতে পারে। তাই অন্যের কথা এড়িয়ে চলুন এবং নিজের সামর্থ্যের উপর আস্থা রাখুন।

১২। পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে নিন: আপনি যদি রাত রেগে ফেইসবুকিং করেন, মেসেঞ্জারে চ্যাটিং করেন কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখেন; তাহলে আপনার ভিতর একটা ঘুম ঘুম ভাব আসতে পারে কিংবা অবসাদগ্রস্ত হতে পারেন। তাই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ বাড়াতে প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে তাড়াতাড়ি ওঠার চেষ্টা করুন। তাজা পুষ্টিকর খাবার ও শাক-সবজি খেলে সেটা আপনাকে উজ্জীবিত রাখতে সহায়তা করবে এবং পড়তে ভালো লাগবে।

১৩। নিয়মিত খেলাধুলা ও ব্যায়াম করুন: নিয়মিত ও পর্যাপ্ত খেলাধুলা ও ব্যায়াম আমাদের মন-মেজাজ ও মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করে। ফলে আপনার পড়তে ভালো লাগবে।

১৪। মোটিভেশনাল বই পড়ুন: বিভিন্ন মোটিভেশনাল বই ও আত্ম-উন্নয়নমূলক বই আপনাকে পড়াশোনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে সাহায্য করবে। তাই মাঝেমধ্যে এই ধরনের বই পড়তে পারেন। চাইলে মোটিভেশনাল ও আত্ম-উন্নয়নমূলক বই "তুমিও পারবে স্বপ্নকে ছুঁতে" এবং "ঘুরে দাঁড়াও আরেকবার" বই দুটি পড়ার টেবিলে রাখতে পারেন। যখনই পড়তে ইচ্ছে করবে না, তখন এই বইগুলো থেকে কিছু অংশ পড়বেন। দেখবেন, পড়ার নতুন শক্তি ফিরে পাচ্ছেন। প্রতিদিন যেমন শরীরের শক্তির জন্য খাদ্যের প্রয়োজন হয়, ঠিক তেমনি মনকে চাঙ্গা রাখতে, নিজের লক্ষ্যে ফোকাস থাকতে মোটিভেশনের প্রয়োজন হয়।

তবে ভুলেও ইউটিউবের ভিডিও থেকে পড়ার সময় মোটিভেশন নিতে যাবেন না। তাহলে, একটার পর একটা ভিডিও দেখতে দেখতে কখন সময় চলে গেছে, টেরই পাবেন না! আর মোটিভেশনাল ভিডিও থেকে কখন যে গান/নাটক বা ফানি ভিডিওতে ঢুবে গেছেন, বুঝতেই পারবেন না!

আশা করি, উপরিউক্ত পরামর্শগুলো অনুসরণ করলে পড়াশোনা প্রতি আপনার মনোযোগ বৃদ্ধি সহায়তা করবে।

✑ গাজী মিজানুর রহমান
ক্যারিয়ার স্পেশালিস্ট; লেখক ও মোটিভেশনাল স্পিকার।
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯

17/05/2023

দাম্পত্য জীবনে সুখী নন এমন শিক্ষক দয়া করে পরীক্ষার হলে আসবেন না।

দাবী জানিয়েছেন ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার্থীরা।

16/05/2023

৪৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে ঘাড় ঘোরালেই পরীক্ষা বাতিলঃ পিএসসি

সমস্যা নেই, তবে পরীক্ষার হলে যারা দায়িত্বে থাকবেন তারাও এসে যেন সংসারের গল্প খুলে না বসেন সেদিকে নজর দেয়ার জন্য পিএসসির কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

কার বাসায় কি রকম আত্নীয় আসে, কোন বিস্কুটের টেস্ট কেমন, কার জামাই এর টাকা বেশি আর কার কম, কে কোথায় ঘুরতে যাই, কার শাড়ি আর গহনা কেমন ও তার দাম কেমন। চা-শিঙাড়া গরম না ঠাণ্ডা।

বিশ্বাস করেন! যেটুকু পড়ে যাই এদের অত্যাচারে সেটুকুও ভুলে যায় 🤦‍♂️

✑ Muhammad Shahiduzzaman 💚

22/04/2023

একজন স্টুডেন্ট দেখাও,
যে ঈদের দিনেও পড়ে!

21/04/2023

নিচের কোনটি সঠিক?

(ক) ঈদ মোবারক
(খ) ঈদ মুবারক
(গ) ইদ মোবারক
(ঘ) ইদ মুবারক

17/04/2023

রোজা রেখে পড়তে পারি না, ইফতার করে নড়তে পারি না৷
পরামর্শ চাচ্ছি

14/03/2023

🟦 বঙ্গবন্ধুর জীবনী থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯

(১) ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির লেখকের নাম কী?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

(২) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম কত সালে এবং কোথায়?
উত্তর: ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।

(৩) বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় কোন স্কুলে?
উত্তর: গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

(৪) বঙ্গবন্ধু ম্যাট্রিক পাশ করেন কোন স্কুল থেকে এবং কত সালে?
উত্তর: গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে, ১৯৪২ সালে।

(৫) বঙ্গবন্ধু কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের বেকার হোষ্টেলের কত নম্বর কক্ষে থাকতেন?
উত্তর: ২৪ নম্বর কক্ষে।

(৬) বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন কীভাবে?
উত্তর: ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।

(৭) বঙ্গবন্ধু কত সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সহকারী নিযুক্ত হন?
উত্তর: ১৯৪৬ সালে।

(৮) বঙ্গবন্ধু বিএ পাশ করেন কত সালে এবং কোন কলেজ থেকে?
উত্তর: ১৯৪৭ সালে কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে।

(৯) বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?
উত্তর: আইন বিভাগের।

(১০) বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কত সালে কেন বহিস্কৃত হন?
উত্তর: ১৯৪৯ সালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করায় তাঁকে বহিস্কার করা হয়।

(১১) বঙ্গবন্ধু জীবনে প্রথম কারাভোগ করেন কত সালে কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৩৯ সালে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ সভা করার কারণে তাঁকে কারভোগ করতে হয়।

(১২) ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেখানে কী পদ পান?
উত্তর: যুগ্ম সম্পাদক।

(১৩) ১৯৫২ সালের কত তারিখে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন?
উত্তর: ১৪ ফেব্রুয়ারি।

(১৪) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কোন আসনে বিজয়ী হন?
উত্তর: গোপালগঞ্জ আসনে।

(১৫) বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রীসভায় সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন?
উত্তর: ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভায়।

(১৬) ১৯৬৪ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মিলিত বিরোধী দল গঠন করা হয়। দলটির নাম কী?
উত্তর: কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি।

(১৭) বঙ্গবন্ধু মুজিব ছয়দফা ১ম কবে ঘোষনা করেন?
উত্তর: ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬।

(১৮) আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ৬ দফা গৃহীত হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ।

(১৯) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে কবে ছয়দফা ঘোষনা করেন?
উত্তর: ২৩ মার্চ ১৯৬৬।

(২০) কোন প্রস্তাবের ভিত্তিতে ছয়দফা রচিত হয়?
উত্তর: লাহোর প্রস্তাব।

(২১) ছয়দফার প্রথম দফা কি ছিল?
উত্তর: স্বায়ত্বশাসন

(২২) ‘বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
উত্তর: ছয় দফা।

(২৩) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল কত জন? বঙ্গবন্ধু কততম আসামী ছিলেন?
উত্তর: ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন ১ নং আসামী।

(২৪) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কী নামে দায়ের করা হয়েছিল?
উত্তর: রাষ্ট্রদ্রোহীতা বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য।

(২৫) শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।

(২৬) শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি কে দেন?
উত্তর: তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।

(২৭) কোথায় ‘বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়?
উত্তর: রেসকোর্স ময়দানে।

(২৮) বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে ‘বাংলাদেশ’ নামকরন করেন কত সালে?
উত্তর: ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ ।

(২৯) বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ কোথায় দেন?
উত্তর: ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যোন নামে পরিচিতি।

(৩০) বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য কী ছিল?
উত্তর: এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।

(৩১) বঙ্গবন্ধু কখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?
উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।

(৩২) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত অস্থায়ী সরকারের বঙ্গবন্ধুর পদ কী ছিল?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদ ছিল রাষ্ট্রপতি।

(৩৩) বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান কবে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি।

(৩৪) বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে ফেরেন কবে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, যা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নামে পরিচিত।

(৩৫) বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি।

(৩৬) বঙ্গবন্ধু প্রথম নেতা হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দেন কত সালে, কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর।

(৩৭) বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হন কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট।

(৩৮) বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব।

(৩৯) বঙ্গবন্ধুর ছেলে–মেয়ে কত জন? তাদের নাম কী?
উত্তর: ৫ জন। তিন ছেলে দুই মেয়ে। শেখ হাসিনা,শেখ কামাল, শেখ রেহানা, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল

(৪০) বঙ্গবন্ধু জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে।

✅ Important পোস্টটি শেয়ার করুন, ধন্যবাদ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Ramna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Ramna