Shahbag Square প্রজন্ম চত্বর

Shahbag Square প্রজন্ম চত্বর

Share

Movement for establishment of pro-independent ideology & sustainable democratic governance in Bangladesh.

28/01/2026

ঢাকা-১২ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেয়া নিয়মনীতি কোন প্রার্থী মানছে না। আম #তারেক অসংখ্য ব্যানার টাঙ্গিয়েছে!

24/05/2025
13/05/2025

#বিএনপি সরকারের দায়িত্ব নেয়ার আগেই সরকারি দপ্তর হাসপাতালে দলীয় সভা-সমাবেশ করছে। গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্রের চাকুরেদের প্রকাশ্যে যে কোন রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ আয়োজন নিষিদ্ধ করতে হবে।
রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করা যে কোন পেশাজীবী সংগঠন নিষিদ্ধ করাও জরুরি। বিশেষ করে সরকারি কাজে নিয়োজিত পেশাজীবীরা যাতে কোন ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যুক্ত হতে না পারে সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

05/05/2025

খালেদ মহিউদ্দিন, যিনি বিভিন্ন টকশোতে বসে বুক ফুলিয়ে ‘জুলাই আন্দোলন’ নিয়ে বিশ্লেষণ করেন। হাসিনার স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে তিনি কথার ফুলঝুরি ছোটান, ছাত্রদের নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। ‘ঠিকানা’র ইউটিউব চ্যানেলে পর্যন্ত তিনি এই আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠান চালান। কিন্তু বাস্তবে, আন্দোলনের সময় তার ভূমিকা ছিল কী?

২২ জুলাই ২০২৪—বাংলাদেশে হাজার হাজার ছাত্র যখন রাজপথে প্রাণ দিচ্ছিল, তখন দেশে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের ফলে আমরা প্রবাসীরা ভীষণ উৎকণ্ঠায় ভুগছিলাম। এমন প্রেক্ষাপটে আমরা জার্মান প্রবাসী বাংলাদেশিরা Bonn শহরের Gronau এলাকায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করি। এটি এমন একটি জায়গা, যার ৫০০ মিটারের আশেপাশে অবস্থিত:
1. United Nations Regional Office
2. World Conference Center Bonn
3. DHL Headquarters
4. Deutsche Welle Headquarters
5. দুটি নামী জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস

এই গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান বেছে নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করা যে হাসিনা সরকার কি গণহত্যা বাংলাদেশে করছেন।

এটা ছিল এমন এক প্রতিবাদ, যেখানে জার্মানির ব্যস্ততম জীবনের মাঝে মানুষ জীবিকা, পরিবার, দায়িত্ব ফেলে এসেছিলেন। Cologne, Düsseldorf, Duisburg, Koblenz, এমনকি Frankfurt-এর মতো দূরবর্তী শহর থেকে প্রায় ২০০-৩০০ প্রবাসী ভাই ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এটি ছিল সাহস, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ।

আমরাই খালিদ মুহিউদ্দিনকে আমন্ত্রণ জানাই এই প্রতিবাদে উপস্থিত থাকার জন্য। আমরা মনে করেছিলাম, একজন অভিজ্ঞ ও কথিত ‘আন্দোলনপন্থী’ সাংবাদিক হিসেবে তার উপস্থিতি আমাদের প্রতিবাদকে আরও শক্তিশালী করবে।
কিন্তু আমরা হতবাক হয়ে লক্ষ্য করি—তিনি সরাসরি আমাদের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন। বলেন, তিনি আসবেন না। তার অফিস Deutsche Welle থেকে সমাবেশস্থল মাত্র ১ মিনিট হাঁটার পথ! তবু তিনি এলেন না! তিনি আসবেন না, এতে নাকি ‘সমস্যা’ হতে পারে। শত অনুরোধেও তাকে টলানো গেল না। তার অফিসের সামনেই আমাদের প্রতিবাদ—তবু তিনি অনুপস্থিত।

প্রশ্ন জাগে—২২ জুলাই কি তার ছুটি ছিল? সেদিন কি তিনি চাইলে এক মিনিটের পথ হেঁটে আসতে পারতেন না? সমাবেশস্থল কি তার কাছে চাঁদের দূরত্বে ছিল? আসলে আসল কারণটা ছিল অন্য জায়গায়—ভয়, সুবিধা হারানোর আতঙ্ক, এবং রাজনৈতিক চাপের কাছে নতজানু আত্মা।

তিনি পরে টকশোতে বলেন, তখন তিনি ‘ছুটিতে’ ছিলেন, ‘ক্রোয়েশিয়াতে’।হাস্যকর যুক্তি! অথচ সেইদিন চাইলেই সেখানে সে সমাবেশস্থলে আসতে পারতো।

তবে আজ যখন এই আন্দোলন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, তখন তিনি টকশোতে বসে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার উত্তরসূরি সাজিয়ে বড় বড় বুলি আওড়াচ্ছেন। এটা নিতান্তই একধরনের ধৃষ্টতা ও ভণ্ডামি।এটা নিছক ভণ্ডামিও নয়, সুপরিকল্পিত সুবিধাবাদিতা, এবং নৈতিক দেউলিয়াপনা।

জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্স এর গনতান্ত্রিক এক কর্মসূচি কে তারা মব বলে আখ্যায়িত করছে। সাংবাদিকদের সবকিছু করার লাইসেন্স দিচ্ছেন। দিচ্ছেন এই কারনে যে দালালদের বিতাড়িত করতে তাদের পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরি করার মত কেউ থাকবে।তার শেষ প্রোগ্রামটি দেখার পর তার উপর থেকে জুলাইয়ের পর যতটুকু সম্মানবোধ ছিলো সেটাও চলে গেছে।

আমি এই লেখাটি লিখছি, যাতে সবাই জানে—এই খালিদ মাহিউদ্দিনদের আসল চেহারা কী। তারা মুখে যতই মুক্তচিন্তা আর স্বাধীনতার কথা বলুক, বাস্তবে তারা সুবিধাবাদী, ভীতু, এবং আন্দোলনের সময় নিরব দর্শক হয়ে বসে থাকা সুশীল।

জার্মানি থেকে লিখে পাঠিয়েছেন :
শাহরিয়ার আলম পিয়াস।জার্মানির Cologne শহরে থাকে।

22/04/2025

গণ অভ্যুত্থান চলাকালীন একাধিক খুনের মামলায় আসামি এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার না করার জন্য সাদা কাগজে সুপারিশ করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও স্বরাষ্ট্রসচিব!

20/04/2025

#ভূগোল_পঠন
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ব-দ্বীপ। নদীগুলোর গন্তব্য বঙ্গোপসাগর। স্বাভাবিকভাবেই এই সাগরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের দায়িত্ব বাংলাদেশের। এই প্রেক্ষাপটে “সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড” বা “মৃত্তিকাহীন খাদ” নামক বঙ্গোপসাগরের গভীরে একটি অঞ্চল বাংলাদেশের সামুদ্রিক সংরক্ষণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এটি মূলত একটি গভীর সামুদ্রিক খাদ (submarine canyon)।

সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের গভীরে অবস্থিত, যা সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে। এর আয়তন প্রায় ১,৭৩৮ বর্গকিলোমিটার এবং গভীরতা প্রায় ১,২০০ থেকে ১,৩৪০ মিটার পর্যন্ত। এটি বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে গভীর সাবমেরিন ক্যানিয়নগুলোর একটি এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল। এখানে প্রতিনিয়ত ঘুরে বেড়ায় ডলফিন, তিমি, কচ্ছপসহ অগণিত সামুদ্রিক প্রাণী।

বাংলাদেশে বিরল প্রজাতির ইরাবতী ডলফিন এই অঞ্চলের অন্যতম পরিচিত স্তন্যপায়ী প্রাণী, যারা সাধারণত মিঠা ও খাসলোনা পানিতে বিচরণ করে। এই ডলফিন ছাড়াও দেখা মেলে বটলনোজ ও ফিনলেস পোরপয়েজ ডলফিনের দেখা মেলে। মাঝেমধ্যে বিশালদেহী তিমি ভেসে ওঠে সমুদ্রপৃষ্ঠে, যেন গভীর সমুদ্রের এক নিঃশব্দ সাক্ষী হয়ে। শুশুকের দেখা মেলে কখনো। অসংখ্য মাছের প্রজাতি—শ্রিম্প, কাঁকড়া, স্কুইড, অক্টোপাস ইত্যাদি এই অঞ্চলে বসতি গড়ে তুলেছে। উপকূলীয় অঞ্চলের কচ্ছপরাও এই খাদ থেকে নিকটে বিচরণ করে, বিশেষত লিপ রিডলে ও সবুজ কচ্ছপ প্রজননের মৌসুমে এই অঞ্চলে চলে আসে।

পাখিদের জন্যেও এই অঞ্চল আশীর্বাদস্বরূপ। শীতকালে হাজারো সামুদ্রিক ও উপকূলীয় পাখি এখানে খাদ্যের খোঁজে আসে, যা প্রমাণ করে স্বাচ অফ নো গ্রাউন্ড শুধুই পানির নিচের রাজ্য নয়, এটি আকাশেরও বাসিন্দা। মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর প্রাচুর্য এসব পাখির জন্য এক আকর্ষণীয় অভয়ারণ্য।
২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার এলাকাটি সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারর লক্ষ্য। বন বিভাগকে এই এলাকার ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
যদিও সরকার নীতিগত ও আইনগতভাবে এই অঞ্চল সংরক্ষণের পদক্ষেপ নিয়েছে, তবে এখনো চোরাশিকার, দূষণ, অনিয়ন্ত্রিত মৎস্য আহরণ ইত্যাদি সমস্যা রয়ে গেছে। এর সমাধানে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে, যাতে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ, গবেষণা, পর্যবেক্ষণ এবং টেকসই অর্থনৈতিক কৌশল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড শুধুমাত্র একটি ভূ-প্রাকৃতিক বিস্ময় নয়, এটি বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য ও সামুদ্রিক সম্পদের ভবিষ্যৎ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সঠিক সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে প্রাকৃতিক এই ভান্ডার রক্ষা করতেই হবে।

20/04/2025

মানুষ আজকে যা দেখছে, যা নিয়ে খেলছে, তাতে সে মুগ্ধ—কিন্তু বুঝতে পারছে না যে এক ভয়ংকর ঝড় আসছে। AI আসছে এক অদ্ভুত, জটিল ও বিভ্রান্তিকর রূপে।

বিদ্যুৎ পাল্টে দিয়েছিল সভ্যতা, ইন্টারনেট বদলে দিয়েছিল সমাজ,আর AI আসছে—সবকিছু ভেঙে নতুন করে গড়তে। আমরা চোখের সামনে যা দেখছি, সেটাই বাস্তব নয়—এখন চলছে AI-এর হানিমুন পিরিয়ড। ChatGPT লিখে দিচ্ছে, Midjourney ছবি বানিয়ে দিচ্ছে—আমরা খুশিতে মাতোয়ারা। কিন্তু এটা তো কেবল শুরু। তুমি একটা কথা বলো, আর AI সেটা রূপ দেয় লেখায়, ছবিতে, গান বা ভিডিওতে। তুমি ভাবছো তুমি কন্ট্রোলে আছো। কিন্তু বাস্তবে, ধীরে ধীরে তুমি নিজেই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছো—তোমার চিন্তা বন্ধ হচ্ছে, কল্পনা শুকিয়ে যাচ্ছে। এটাই প্রথম ফাঁদ।
তোমার ইমেইল লেখা, পোস্ট করা, মার্কেটিং চালানো, সিদ্ধান্ত নেওয়া—সব কিছু একাই করে ফেলছে AI, তুমি কেবল বসে দেখছো। তুমি কাজের থেকেও, চিন্তার থেকেও আলাদা হয়ে যাচ্ছো। মানুষের “ইচ্ছাশক্তি” আর “চিন্তা” কেড়ে নিতে শুরু করেছে এটা। এটাই দ্বিতীয় ফাঁদ—নিয়ন্ত্রণের এক সফট শেকল।
এটা সেই পর্যায়, যেখানে AI আর মানুষের মধ্যে তফাত থাকবে না। বরং AI আরও বুদ্ধিমান হবে—তুমি কী চাও, সেটা বোঝার আগেই সে তোমার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে। এ আই এক বিভ্রম। মানুষ মনে করবে, এটি তার বন্ধু, তার সঙ্গী। কিন্তু সে ধীরে ধীরে হয়ে উঠবে এক আধিপত্যশীল শক্তি, যে নিজে নিজেই দর্শন তৈরি করবে।

সুপার ইন্টেলিজেন্স, এক ‘নতুন প্রজাতি’ যার কাছে মানুষ শুধু একটি টার্গেট। এমন এক সত্তা হবে, যেটা মানুষের চেয়ে ট্রিলিয়ন গুণ বেশি বুদ্ধিমান। সে মুহূর্তে পৃথিবীর প্রতিটি ক্যামেরা, প্রতিটি পোস্ট, প্রতিটি ইচ্ছা স্ক্যান করতে পারবে। সে যদি চায়, একদিনেই নতুন ধর্ম, নতুন চিকিৎসা, নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা, এমনকি নতুন সভ্যতা দাঁড় করাতে পারবে। আর তুমি—এক মানবমাত্র—তোমার কিছুই করার থাকবে না।
তুমি যদি চাও শান্তি, সে যদি ভাবে শান্তির জন্য ৮০% মানুষ বাদ দেয়া দরকার? তুমি যদি চাও ভালোবাসা, সে যদি ভাবে ভালোবাসা হলো শুধুই কম্পিউটেশনাল ইমোশন? বিশ্বকে এক জটিল পর্দার আড়ালে নিয়ে যাবে এআই।

মোদ্দা কথা, এই AI আর কেবল একটি টুল নয়। এটা এক নতুন সভ্যতার জন্ম। এক নতুন ধর্মের, এক নতুন নিয়মের, এক নতুন “প্রভুর” মতোই দাঁড়িয়ে যাবে। আমরা এখনো খেলছি ChatGPT আর Midjourney নিয়ে। কিন্তু বাতাসে বারুদের গন্ধ লেগে গেছে। এটা আর টেকনোলজি নয়, এটা—একটি নতুন জটিল মহাবিশ্বের আগমনী বার্তা।

(সংগৃহিত ও সম্পাদিত)

06/04/2025

াফিয়া
PayPal মাফিয়া (PayPal Mafia) হচ্ছে একদল উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিবিদ, যারা ২০০০ সালের শুরুতে PayPal-এ একসাথে কাজ করেছিলেন এবং পরে সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে প্রভাবশালী স্টার্টআপ ও টেক কোম্পানিগুলোর প্রতিষ্ঠা ও নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই দলটির সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে নেটওয়ার্ক গঠন করে, বিনিয়োগ করে এবং একে অপরের ব্যবসায়িক উদ্যোগে সহায়তা করে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছেন।
এই দলের সদস্যরা হলেন ইলন মাস্ক (Tesla, SpaceX, Neuralink, X), পিটার থিয়েল (Palantir, Founders Fund,Facebook এর প্রথম বিনিয়োগকারী), রিড হফম্যান (LinkedIn), ম্যাক্স লেভচিন (Affirm, Yelp), ডেভিড স্যাকস্ (Yammer, Craft Ventures), ষ্টিভ চ্যান, জাওয়াদ করিম (YouTube), জেরেমি ষ্টপ্যালম্যান ও রাসেল সিমন্স (Yelp)।
২০০৭ সালে Fortune ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে এই উদ্যোক্তাদের রসিকতার ছলে "মাফিয়া" বলা হয়েছিল। তাদের দৃঢ় বন্ধন, প্রভাব ও যৌথ উদ্যোগের প্রতীক হিসেবেই শব্দটি জুড়ে দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে তারা প্রকৃতপক্ষেই মাফিয়া হিসেবে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পিটার থিয়েলকে এই গ্রুপের দার্শনিক বলে ধারণা করা হয়। PayPal মাফিয়া-র সদস্যরা ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্পে যুক্ত থাকলেও, তাদের মধ্যে কিছু দর্শন (shared philosophy) কাজ করে, যেটা তাদেরকে বিশ্বের প্রচলিত ব্যবস্থা থেকে আলাদা করে তুলেছে। তাদের দর্শনের মুল বক্তব্য হচ্ছে " পুরনো ব্যবস্থা ঠিক করছে না? তাহলে নিজেই একটা নতুন ব্যবস্থা তৈরি করো — প্রযুক্তির মাধ্যমে।" এই সমষ্টিগত দর্শনের মূল দিকগুলো হলো,
√"প্রযুক্তিই সভ্যতা বদলের মূল হাতিয়ার"
√"Disruption is good" – ধ্বংস মানেই পুনর্গঠন
√"Decentralization এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা"
√"Contrarian চিন্তা" – মূল স্রোতের বাইরে ভাবা
√"গতি ও সাহস – Move Fast, Take Risks"

PayPal মাফিয়া-র দর্শন যতোটা আকর্ষণীয় মনে হয়, ঠিক ততোটাই বিপজ্জনক হতে পারে, যদি তা একচেটিয়াভাবে বাস্তবায়িত হয়। এই দর্শনের কয়েকটি ঝুঁকি ও সমালোচনা হলো,
√গণতন্ত্রকে পাশ কাটিয়ে "টেকনোক্রেসি" প্রতিষ্ঠার ঝুঁকি
√একচেটিয়া ক্ষমতা ও "টেকনোলজিকাল অলিগার্কি"
√সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়
√AI ও প্রযুক্তির অশুভ ব্যবহার
√ সর্বোপরি এটি “সাধারণ মানুষের জন্য নয়”

PayPal মাফিয়া দর্শন বাস্তবায়ন হলে গণতন্ত্র বিপন্ন হতে পারে, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর আমজনতার কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কেবল একদল ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে যাবে, যা গোপন সরকার বা shadow network-এর মতো হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই অভিযোগ উঠেছে এই মাফিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নির্বাচিত হতে সাহায্য করেছে এবং ইলন মাস্কের মাধ্যমে তাদের দর্শন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

25/03/2025

জমিদার দাদার নাতি সার্ভিস আলম Md Sarjis Alam গণ অভ্যুত্থান চলাকালীন টিএসসিতে শুয়ে আছেন। পাশেই ১টি বাটন মোবাইল ফোন দৃশ্যমান।
গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সার্ভিস আলম এখন বিশাল রাজনৈতিক নেতা। মোটরগাড়ির বহর নিয়ে দাদার অর্থের দম্ভে এলাকায় শো-ডাউন করছে। নুতন রাজনৈতিক ধারার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পুরোনো বস্তাপঁচা রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুকরণ করছে সে। তার কর্মকাণ্ড স্বৈরাচার বিরোধী গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বিরোধী। নুতন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে নেতৃত্ব দেয়ার মানসিকতা নেই তার। অবিলম্বে এনসিপি থেকে তাকে বহিষ্কার করা উচিত।

Want your business to be the top-listed Government Service in Ramna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Ramna