19/02/2026
শ্রীরামকৃষ্ণের শুভ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সকল ভক্ত ও অনুসারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা।
ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণের ঐশ্বরিক কৃপা আমাদের সকলের উপর সর্বদা বজায় থাকুক। এই পবিত্র দিনে, আমরা তাঁর পবিত্র চরণে বিনীতভাবে প্রার্থনা করি।🙏🙏🙏
11/12/2025
আজ পরমারাধ্যা শ্রীশ্রীমা সারদাদেবীর ১৭৩তম শুভ জন্মতিথি🙏🙏🙏
22/07/2025
আজ ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণদেবের অন্যতম পার্ষদ স্বামী রামকৃষ্ণানন্দ জি মহারাজের পূণ্য জন্মতিথি💐🙏💐
15/04/2025
সকল শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্ত, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি রইল বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ এর প্রীতি ও শুভেচ্ছা। 💐
শ্রীশ্রীঠাকুর,শ্রীমা ও স্বামীজি মহারাজের আশীর্বাদ জগতের সকলের উপর বর্ষিত হোক এই আমাদের আন্তরিক প্রার্থনা। 🙏
আপনারা সকলে সপরিবারে সুস্থ থাকুন,আনন্দে থাকুন বছরের প্রতিটি দিন।🙏🙏🙏
23/10/2024
📢📢 শ্রীশ্রী শ্যামাপূজা, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ 🎉🎉
সবিনয় নিবেদন,
আগামী ১৪ কার্তিক ১৪৩১ (৩১ অক্টোবর ২০২৪) বৃহস্পতিবার অত্র সেবাশ্রমে শ্রীশ্রী শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
পূজানুষ্ঠানে আপনি সপরিবারে যোগদান করে আনন্দবর্ধন করবেন।
📌 তারিখঃ ৩১ অক্টোবর ২০২৪ইং
বৃহষ্পতিবার (রাত ৯ থেকে আরম্ভ হবে)
📍 ঠিকানাঃ
রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম,
রামকৃষ্ণ মিশন লেইন, প্রধান সড়ক, ভেদভেদী।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা, বাংলাদেশ।
02/10/2024
# স্বামী অখন্ডানন্দের স্বপ্নদর্শন #
এই পূজায় (দুর্গাপূজায়) উৎসব মুখরিত দিনগুলিতে স্বয়ং স্বামী বিবেকানন্দেরও উপস্থিতি তাঁর প্রিয়জন ও গুরুভ্রাতারা উপলব্ধি করতেন। তাঁদেরই একজন স্বামী অখন্ডানন্দজী। তিনি স্বামীজীর বড়ই প্রিয় ও অনুগত ছিলেন। ডাকনাম গঙ্গাধর ছিল বলে স্বামীজী তাঁকে ডাকতেন 'গ্যাঞ্জেস' বলে। তিনি প্রথম থেকেই স্বামীজীর বহুজনহিতায় সেবাধর্ম ও কর্মযজ্ঞের অন্যতম উদ্যোক্তা। সেবার সম্ভবত ১৯৩৩ সালে স্বামী অখন্ডানন্দজী বেলুড় মঠে এসেছিলেন দুর্গাপূজা উপলক্ষে। পূজার কদিন ভোর রাতে স্বামীজীর ঘরের কাছে বসে (এই ঘরেই স্বামীজী মহাসমাধিলাভ করেন) শ্রীদুর্গা নাম করতেন, জিজ্ঞাসিত হয়ে বলতেন — "স্বামীজীকে শোনাচ্ছি।" এইবারই ষষ্ঠীর দিন রাতে অখন্ডানন্দজী স্বপ্ন (না সত্য! ) দেখেন যেন স্বামীজী তাঁর সামনে আবির্ভূত হয়ে বলছেন — "গ্যাঞ্জেস! আমার কাপড়-চোপড়ে ন্যাপথলিনের গন্ধ কেন রে? আমাকে আছ নতুন কাপড় দিবি না?" চকিতে অখন্ডানন্দজীর ঘুম ভেঙে যায়, তিনি তৎক্ষণাৎ মন্দিরের পূজারী মহারাজকে ডেকে তুললেন, বললেন — "শিগগির নতুন কাপড় নিয়ে এসো।" স্বামীজীর ঘর খুলে ধূপ জ্বালানো হলো। পূজারী আনিত সেই নতুন কাপড়ে স্বহস্তে অগুরু ছিটিয়ে তা স্বামীজীকে নিবেদন করলেন তাঁর চিত্রপটে। পূজারীকে বললেন — 'মঙ্গলারতি কর।' বিস্মিত পূজারী বললেন — 'মহারাজ, এখন রাত আড়াইটে।' অখন্ডানন্দজীর আনন্দিত কন্ঠ — "আজ আড়াইটেই চারটে মনে করো।" মঙ্গলারতি শেষে পূজারী সব শুনে অখন্ডানন্দজীর চরণে প্রণত হয়ে সাশ্রুনয়নে বললেন — "মহারাজ আমাদের কেন এরূপ দর্শন-শ্রবণ হয় না? আশীর্ব্বাদ করুন যাতে আমাদের এরূপ হয়।"
আজ ঠাকুরের অন্যতম পার্ষদ স্বামী অখন্ডানন্দ মহারাজজীর শুভ আবির্ভাব জন্মতিথিতে আভূমি প্রণাম🙏🏻
23/05/2024
নিজের সম্বন্ধে তিনি [বুদ্ধদেব] বলিয়াছেন, ‘বুদ্ধ-শব্দের অর্থ আকাশের ন্যায় অনন্তজ্ঞানসম্পন্ন। আমি গৌতম, সেই অবস্থা লাভ করিয়াছি; তোমরাও যদি উহার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা কর, তোমরাও উহা লাভ করিবে।’ তিনি সর্ববিধ কামনা ও অভিসন্ধিবর্জিত ছিলেন, সুতরাং তিনি স্বর্গগমনের বা ঐশ্বর্যের আকাঙ্ক্ষা করিতেন না। তিনি রাজসিংহাসনের আশা ও সর্ববিধ সুখ জলাঞ্জলি দিয়া ভারতের পথে পথে ভ্রমণ করিয়া ভিক্ষাবৃত্তি দ্বারা উদরপূরণ করিতেন এবং সমুদ্রের মত বিশাল হৃদয় লইয়া নরনারী ও অন্যান্য জীবজন্তুর কল্যাণ যাহাতে হয়, তাহাই প্রচার করিতেন।
- স্বামী বিবেকানন্দ (মহাপুরুষ প্রসঙ্গ, পৃ. ১৫৩)
***শ্রীশ্রী বুদ্ধ জয়ন্তী ১৪৩১***