07/05/2025
যুদ্ধের ময়দানে এই প্রথমবার ফ্রান্সের তৈরী যুদ্ধ বিমান রাফায়েল ভুপাতিত হইলো। যা চীনের তৈরী PL-15E এয়ার টু এয়ার মিসাইল দ্বারা ভুপাতিত করা হইছে। আর এই রাফায়েল ধবংস করতে পাকিস্তান J-10c বা JF-17 যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে।
এ ঘটনার পর এই ২ বিমান তৈরীকারী প্রতিষ্ঠান চীনের চেংদু এয়ারক্রাফট কর্পোরেশনের শেয়ার মুল্য ২০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই ১০ঘন্টা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি লাভ হইলো চীনের🤣🤣🤣।
মোরগে মোরগে লড়াই হয়,লাভ হয় মালিকের।
06/06/2024
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪২ হাজার ১৪ কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় ৪ হাজার ২১২ কোটি টাকা বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে ৩৭ হাজার ৮০২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল।
09/05/2024
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে দুই পাইলটকে।
08/05/2024
বান্দরবানে যৌথবাহিনীর অভিযানে কেএনএফ সন্ত্রাসী নিহত
৭ মে বান্দরবানের দুর্গম রুমা উপজেলার দার্জিলিং পাড়ায় সেনাবাহিনী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। ০৫ টি বি টাইপ টহল দলের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযানটি ৫.০০ ঘটিকায় দার্জিলিং পাড়া এলাকা ঘেরাও করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। টহল দল কর্তৃক তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেনাবাহিনীর সাথে সন্ত্রাসীদের গুলি বিনিময়ে কেএনএফ এর একজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
পরবর্তীতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের ব্যবহারকৃত বাঙ্কার, পর্যবেক্ষণ চৌকি ছাড়াও ০৩ টি একে-২২ রাইফেল, ০১ টি শটগান, ৭১ রাউন্ড তাজা এ্যামোনিশন, ১৫৭ রাউন্ড শটগান এ্যামোনিশন, বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জামাদি, ০১ টি ড্রোন, ৩টি জুম্মল্যান্ডের পতাকা ও মোবাইল ফোন সহ ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়।
16/02/2023
সাভার ক্যান্টনমেন্টে গ্রেনেড দূর্ঘটনায় বেশ কয়জন সেনাসদস্যা আহত...
24/07/2022
তুরস্কের তৈরি বাইরাকটার টিবি২ ড্রোন কিনছে বাংলাদেশ।
ড্রোন বাইরাকটার টিবি২–এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বাইকার টেকনোলজির সঙ্গে বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনী সম্প্রতি চুক্তি সই করেছে।
এ ড্রোন কেনার জন্য বাংলাদেশ সম্প্রতি চুক্তি করেছে বলে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন।
04/12/2021
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আমন্ত্রণে বিএসএফ’র ৫৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ভারতে গমন
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আমন্ত্রণে বিএসএফ’র ৫৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ সাফিনুল ইসলাম, বিজিবিএম (বার), এনডিসি, পিএসসি’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ভারতে গমন করেছেন।
০৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে বিএসএফ'র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের জয়সালমের (রাজস্থান) এ অনুষ্ঠিতব্য বিএসএফ প্যারেড ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বিজিবি মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ০৬ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল গত ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ বিকেলে ভারতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে কলকাতা ও নয়াদিল্লী হয়ে অদ্য ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ বিকেলে ভারতের জয়সালমের (রাজস্থান) বিমানবন্দরে পৌঁছান। এসময় বিএসএফের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করেন।
বিজিবি মহাপরিচালকের এই সফর বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যকার বিরাজমান পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ আস্থা ও সুসম্পর্ক জোরদার, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং উভয় দেশের সীমান্ত সমস্যা নিরসনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
এছাড়াও বিএসএফ ওয়াইভস ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশন (BWWA)-এর আমন্ত্রণে বিজিবি সীমান্ত কল্যাণ সমিতি (SHIPKS) এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিজিবি মহাপরিচালকের পত্নী সোমা ইসলাম BWWA আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন এবং তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। উক্ত পরিদর্শনের মাধ্যমে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি জোরদার ছাড়াও উভয় সংগঠনের কল্যাণমূলক উদ্যোগ ও সফলতা সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ফলে বিজিবি ও বিএসএফ পরিবারসমূহ পারস্পরিকভাবে লাভবান হবে।
উল্লেখ্য, বিএসএফ'র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে আগামী ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে বিজিবি মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ঢাকায় প্রত্যাগমন করবেন।
23/09/2021
ইউরো-ফাইটার বাংলাদেশের আপকামিং যুদ্ধবিমান।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রাথমিক স্তর থেকে তার কর্মক্ষমতা পুনর্গঠন করছে
আমরা যখন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্য ইউরোফাইটার টাইফুনের কথা চিন্তা করছিলাম, তখন বেশিরভাগ মানুষ হতবাক হয়ে গিয়েছিল। বলা হচ্ছিল, কোন সাহসে এটি সুপারিশ করা হচ্ছে? তারা এমনভাবে উপহাস করেছিল যেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনী কখনোই ইউরোফাইটার বা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন যুদ্ধবিমান পরিচালানার জন্য উপযুক্ত হবে না। মনোবিজ্ঞানের মতে, এই বিদ্রুপ আসলে পূর্বসুরীদের রেখে যাওয়া ধারণা থেকে পাওয়া।
১১ বছর আগে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে বিমান বাহিনীকে নতুন করে সাজাতে শুরু করে। বাহিনীর প্রায় সবকিছুই প্রতিস্থাপন অথবা নতুন করে তৈরি করতে হয়েছিল। বর্তমানে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এয়ারফোর্স একাডেমি পরিচালনা করছে। তারা এমন একটি বিমান প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করছে যা বিশ্বের যেকোনো সেরা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তুলনাযোগ্য।
তবে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিমানবাহিনী প্রাথমিক স্তর থেকে তার কর্মক্ষমতাকে পুনর্গঠন করছে।
প্রকৃতপক্ষে, এটি তো সেই বাহিনী যাদের রয়েছে বিমানযুদ্ধের দক্ষতা দিয়ে বিখ্যাত হওয়া তওয়াব এবং আজমের মতো সদস্যদের গৌরাবান্বিত ঐতিহ্য।
এই অগ্রযাত্রার শুরুতে বিমানবাহিনীর জন্য একটি নতুন বহুমাত্রিক যুদ্ধবিমান প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। প্রথমে একটি এসইউ-৩০ বিমান কেনার কথা ভাবা হয়েছিল। তবে সেক্ষেত্রে একটি সমস্যাও ছিল। আর তা হলো প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছেও একই ধরনের বিমান রয়েছে। তাই এই বিমান বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে কার্যত কোনো বিশেষ সুবিধা দিতে পারবে না।
যাত্রার শুরু এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরারের সময় থেকে। এক জীবনের চেয়েও বড় স্বপ্ন দেখা এই মানুষটি বুঝতে পারলেন, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সময় এসেছে। চীন এবং রাশিয়া থেকে যুদ্ধবিমান কেনার প্রথা থেকে বের হয়ে তিনি সম্পূর্ণ পশ্চিমা প্রযুক্তির দিকে অগ্রসর হন, যা মানোন্নয়নের পাশাপাশি বাহিনীর মনোবল বাড়াবে। পাশাপাশি এই ধরনের যুদ্ধযান বিমানবাহিনীকে বুদ্ধি ও সক্ষমতার সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত একটি বাহিনী হিসেবে সুসংহত করবে।
এত মূল্যবান ইউরোফাইটার টাইফুন যখন বাংলাদেশের হাতে এলো, তখন বিষয়টি সত্যিই প্রতিবেশীদের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। হ্যাঁ, যে বিমানটি কেনা হয়েছে তার দাম নৌবাহিনীর রণতরীর মতো হতে পারে, এটি সম্ভবত সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর যেকোনো সামরিক যন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল।
আমরা জানি, রক্ষণাবেক্ষণের পাল্লায় ইউরোফাইটারের সমকক্ষ কেউ নেই। এটি ফ্রান্সের তৈরি রাফাল কিংবা বিশ্বের অন্যতম যুদ্ধবিমান চ্যানেল বা গেরেলেনের চেয়ে কম ব্যয়বহুল নয়। মসৃণ, সুন্দর, সম্ভবত পরিশীলনের প্রতীক। কিন্তু এতে একটি সমস্যা আছে, আসলে বলা উচিত একাধিক। এই নিবন্ধের পরবর্তী ধাপে সেসব বিষয়ও উঠে এসেছে।
ইউরোফাইটার রাফালের চেয়ে কম ব্যয়বহুল। এটি এমন একটি যুদ্ধবিমান যার চারটি সরবারহকারী প্রতিষ্ঠান থাকায় যন্ত্রাংশ পাওয়া অনেক সহজ। রাফালের প্রস্তুত এবং বিপণন পুরোটাই ফ্রান্সের হাতে। এর অর্থ হলো বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে নির্মাতা দেশটির কাছ থেকেই যন্ত্রাংশ নিতে হবে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ইউরোফাইটার কিনে নিলে এক সরবরাহকারীর কাছে কোনো যন্ত্রাংশ না থাকলে সেটি অন্য তিন প্রতিষ্ঠানের যেকোনো একটির কাছ থেকে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইউরোফাইটার কিনলে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ক্ষমতাসম্পন্ন চারটি ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে। যা দেশে মহাকাশ শিল্প গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে। একটি বিষয় অনস্বীকার্য যে, বিশ্বের চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবাহিনীর সঙ্গে পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভিজ্ঞতা বিনিময় ইতিবাচক ফলাফল নিয়ে আসতে পারে।
এখন একটু কূটনৈতিক দিক বিবেচনায় আনা যাক। বর্তমানে প্রায় সব আরব দেশ ইউরোফাইটার ব্যবহার করছে। বিষয়টি কেবল একটি বিমান নয়, দেশগুলো মুসলিম বিশ্বের শীর্ষ যোদ্ধা প্ল্যাটফর্মও। অর্থাৎ, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কর্মীরা উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার (জিসিসি) বিমানবাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবে।
ফলে অবসরে যাওয়ার পর, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কর্মীরা মধ্যপ্রাচ্যে উচ্চ বেতনে প্রকৌশলী এবং প্রযুক্তিবিদ হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারবেন। প্রথমবারের মতো, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এমন একটি বাজারে প্রবেশ করবে যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। যারা এফ-১৬ পরিচালনা করে এবং যা সাধারণত জিসিসি অস্ত্রাগারে রাখা যুদ্ধবিমান।
এখন এই অঞ্চলে ফিরে আসি, আমাদেরকে বুঝতে হবে যে ভারতের বিপরীতে আমাদের প্রযুক্তিগত প্রতিরোধ সক্ষমতা থাকতে হবে। কিন্তু রাফাল বা এসইউ -৩০ কিনলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সে ধরনের প্রতিরোধ সক্ষমতা হারাতে পারে। কারণ একই বিমান পাওয়ার অর্থ একই ধরনের প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জন নয়। একটি ভালো যুদ্ধবিমান সবচেয়ে ভালো সমাধান, যার কারণে ইউরোফাইটার আরও ভালো বিকল্প।
ইউরোফাইটারের অধিক যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা এবং একটি দ্রুতগতি ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিন রয়েছে। এটির একটি বৃহত্তর পরিচালন সীমা রয়েছে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশ রাফালের চেয়ে বেশি সংখ্যায় ইউরোফাইটার ব্যবহার করে।
বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ভূ -রাজনৈতিক বিবেচনায় এবং আর্থিক কার্যকারিতার ভিত্তিতে পেশাদার বিশেষজ্ঞরা এই বিমানটি সুপারিশ করেছেন। ইউরোফাইটার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে এক অনন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে। কারণ স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের প্রতিরোধ ক্ষমতায় কিছুটা ঘাটতি ছিল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তারা একটি শক্তিশালী দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। যে দেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম। আমাদেরকে সম্মিলিতভাবে জাতির জন্য সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
পার্বত্য অঞ্চলের শুভ্র মেঘ, সুন্দরবনের সবুজ এবং রাজধানীর আকাশে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ইউরোফাইটার গর্জে বেড়াক।
©Dhakatribune