11/07/2025
পরিবারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন জিভটা কেটে ফেলার। আমরা সময় চেয়েছিলাম মাত্র ৩ মাস। যদি এই ৩ মাসে কোন ডেভলপমেন্ট না আসে তাহলে তারা ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে পারে। আজ দেড় মাস হলো। ডেভলপমেন্ট আপনাদের চোখের সামনে।
________________________________________
✅ 🔍 Tongue Cancer Healing — Full Stage-wise Analysis
📅 ১ম পর্যায় (২৯/০৫/২০২৫)
• দৃশ্যমান লক্ষণ: জিভের বাম পাশে সাদা ও লাল মিশ্র অংশ। সাদা অংশ হল টক্সিন-লোডেড abnormal cancer cell cluster।
• বৈজ্ঞানিক অর্থ:
o শরীরের immune system প্রথমে ক্যান্সার সেলকে isolate করে necrosis শুরু করে।
o এর ফলে ulcer এর মধ্যে সাদা coat তৈরি হয় — এটি dead toxic cell এর শারীরিক রূপ।
o এই সময় প্রচুর ইনফ্লেমেশন হয় — area লাল ও ফোলা।
• Key Point: এখানে কোনও বড় protein deposit বা solid tumor mass নেই — মূলত toxin-induced soft ulcerative lesion।
________________________________________
📅 ২য় পর্যায় (২৭/০৬/২০২৫)
• দৃশ্যমান লক্ষণ: সাদা necrotic অংশ আরও স্পষ্ট। ভেতরের ছড়ানো toxin/cancer cell ulcer surface এ উঠে এসেছে।
• বৈজ্ঞানিক অর্থ:
o Natural Immunotherapy active: body immune system ভেতরের abnormal cell breakdown করছে।
o Dead cell + mucus বের করতে শরীর excess saliva তৈরি করছে।
o ulcer area ভেজা, পুঁজ বা liquefied necrotic tissue দেখা যাচ্ছে — এটি শরীরের toxin drainage system।
• Key Point: এটা toxin clearance stage — নতুন tissue তখনও গঠন শুরু হয়নি, আগে পুরনো toxic cell ১০০% clear হচ্ছে।
________________________________________
📅 ৩য় পর্যায় (১১/০৭/২০২৫)
• দৃশ্যমান লক্ষণ: ulcer এর dead tissue অংশ অনেকটা কমে গেছে, কালচে necrosis গলে গেছে, pinkish নতুন tissue দেখা যাচ্ছে।
• বৈজ্ঞানিক অর্থ:
o Toxin clear হওয়ার পরে শরীর নতুন epithelial cell regenerate করছে।
o নতুন tissue গঠনের জন্য আরও excess saliva তৈরি হচ্ছে — যাতে ulcer area moist থাকে ও infection resist হয়।
o Healthy tissue গঠন শেষ হওয়ার সাথে সাথে saliva normal হবে।
• Key Point: এই healing phase confirm করছে যে body immune intelligence পুরোপুরি কাজ করছে — কোন chemo/surgery ছাড়া!
________________________________________
✅ 🌿 এই প্রক্রিয়ার মূল শক্তি
• কোনো প্রোটিন ডিপোজিট নেই — তাই lymph node, solid tumor বা metastasis হয়নি।
• কেবল toxin-induced cell cluster ছিল।
• Immunotherapy + proper nutrient booster (Bone Marrow, Liver, Immune) body কে toxin ফেলে নতুন tissue বানাতে সাহায্য করেছে।
• Excess saliva = শরীরের natural wound cleansing system।
________________________________________
🎯 চূড়ান্ত মেসেজ
👉 এই কেস প্রমাণ করছে যে Tongue Cancer হতে পারে pure toxin-driven — এবং যদি toxin source clear করা যায়, শরীর নিজে healing করে।
👉 Excessive saliva = positive sign.
👉 Proper booster dose + regular cleansing + protein balance = ultimate success.
মেডিক্যাল সায়েন্স যখন জেনেটিক্সের পেছনে পড়ে আছে আমরা তখন সেলুলার ইন্টেলিজেন্স নিয়ে ঝড়ের বেগে এগিয়ে চলেছি।
20/06/2025
থ্যালাসেমিয়া( Thalassemia);
থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia) একটি বংশগত রক্তজনিত রোগ, যার কারণে শরীরে প্রয়োজনীয় পরিমাণে হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না। হিমোগ্লোবিন রক্তের একটি প্রোটিন যা অক্সিজেন শরীরের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর লাল রক্তকণিকার আয়ু কমে যায় এবং সহজে ভেঙে যায়, যার ফলে রোগী প্রায়শই রক্তস্বল্পতায় (Anemia) ভোগে।
🔬 থ্যালাসেমিয়ার ধরন:
থ্যালাসেমিয়া মাইনর (বৈকল্পিক বাহক):
রোগের হালকা রূপ, সাধারণত তেমন কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।
থ্যালাসেমিয়া মেজর (Cooley’s anemia):
রোগের গুরুতর রূপ, শিশুরা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং নিয়মিত রক্ত নিতে হয়।
🥗 থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের খাদ্যাভ্যাস:
❌ যেসব খাবার বর্জন করতে হবে (লোহা বা আয়রন বেশি এমন খাবার):
থ্যালাসেমিয়া রোগীর শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমা হতে পারে, বিশেষ করে যারা নিয়মিত রক্ত নেয়। অতিরিক্ত আয়রন হৃদযন্ত্র, লিভার, এবং অন্যান্য অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
বর্জনযোগ্য খাবার:
লাল মাংস (গরু, খাসি)
কলিজা/ভুঁড়ি জাতীয় অঙ্গ
আয়রন যুক্ত ভিটামিন ট্যাবলেট (ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া)
আয়রন ফোর্টিফায়েড খাবার (যেমন: আয়রন যুক্ত কর্নফ্লেক্স)
গাঢ় সবুজ শাক (যেমন পালং শাক – পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ)
মধু, খেজুর (আয়রনের উৎস)
✅ যেসব খাবার খাওয়া প্রয়োজন:
🧃 ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার:
(অতিরিক্ত আয়রন বের হতে সাহায্য করে)
কমলালেবু, মাল্টা, লেবু, আনারস
টমেটো, আমলকী
🥦 ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D যুক্ত খাবার:
(হাড় মজবুত রাখতে)
দুধ, দই, ছানা
ডিম
সূর্যালোক (ভিটামিন D)
🍚 অন্যান্য উপকারী খাবার:
ভাত, রুটি, ডাল (কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন)
মাছ (বিশেষ করে সাদা মাছ)
ফলমূল: আপেল, পেয়ার, আঙ্গুর (যেখানে আয়রন বেশি নয়)
বাদাম (মাঝেমাঝে পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে, আয়রনের পরিমাণ দেখে)
✅ অতিরিক্ত যত্নের দিক:
শিশুর ওজন, রক্তের হিমোগ্লোবিন এবং আয়রনের মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করা।
লোহা নিঃসরণে সাহায্যকারী ওষুধ (Chelation therapy) নিয়মিত খাওয়ানো।
20/06/2025
এলোপ্যাথি এবং ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপি একসাথে চললে কি কি লাভ হতে পারে?
১. দ্রুত ও দুই দিক থেকে চিকিৎসা প্রাপ্তি:
এলোপ্যাথি দ্রুত উপসর্গ (Symptoms) কমায় যেমন—ব্যথা, জ্বর, ইনফেকশন, ক্যান্সারের টিউমার ছোট করা ইত্যাদি।
ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপি রোগের মূল কারণ (Root Cause)—যেমন হরমোনাল ইমব্যালেন্স, টক্সিন, ভিটামিন-খনিজ ঘাটতি, ক্যান্সার কোষের অস্বাভাবিকতা, ইত্যাদি—দূর করতে কাজ করে।
ফলে রোগী দুই দিক থেকে উন্নতি পায়—উপসর্গও কমে, রোগের মূল কারণও দূর হয়।
২. দীর্ঘমেয়াদী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
এলোপ্যাথি তাৎক্ষণিক উপশম দেয়, কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) তৈরিতে সরাসরি কাজ করে না।
ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপি দেহের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে যাতে ভবিষ্যতে একই বা অন্য রোগ সহজে আক্রমণ করতে না পারে।
৩. কেমোথেরাপি/রেডিয়েশনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া কমানো:
কেমোথেরাপি, রেডিয়েশনে হাড়ের মজ্জা দুর্বল হয়, রক্তের কোষ কমে যায়, লিভার-কিডনি দুর্বল হয়।
ন্যাচারাল থেরাপিতে ব্যবহৃত বোন ম্যারো বুস্টার, লিভার বুস্টার ইত্যাদি এসব অঙ্গের পুনর্গঠনে সাহায্য করে।
ফলে এলোপ্যাথির ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৪. নিউট্রিয়েন্ট ঘাটতি পূরণ:
কেমোথেরাপি বা দীর্ঘমেয়াদি এলোপ্যাথি ওষুধ ব্যবহারে ভিটামিন, মিনারেল ঘাটতি দেখা দেয় (যেমন ভিটামিন D, B12, ফোলেট, আয়রন ইত্যাদি)।
ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপিতে এই ঘাটতি পূরণের মাধ্যমে রোগীর দুর্বলতা, হজম সমস্যা, ত্বকের সমস্যা, চুল পড়া ইত্যাদি রোধ হয়।
৫. দেহের কোষ ও টিস্যুর সার্বিক সংস্কার:
এলোপ্যাথি মূলত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে বা ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া মারতে কাজ করে।
ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপি দেহের ক্ষতিগ্রস্থ টিস্যু সারানো, হাড়-মজ্জা শক্ত করা, রক্ত বিশুদ্ধ করা, দেহের পানি, প্রোটিন ও টক্সিন ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
৬. পুনরুদ্ধারের সময়কাল কমানো:
কেমোথেরাপি/রেডিয়েশনের পর রোগীর শরীর অনেক দুর্বল থাকে। ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপির মাধ্যমে দ্রুত এনার্জি, রক্তের মান, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ফিরে আসে।
ফলে রোগী স্বাভাবিক জীবনে দ্রুত ফিরে আসতে পারে।
৭. মানসিক শান্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি:
রোগী বুঝতে পারে যে, তার চিকিৎসা শুধুমাত্র কৃত্রিম ওষুধনির্ভর নয়—দেহের নিজের ক্ষমতাও ফিরছে।
এতে মানসিক শক্তি ও আশাবাদী মনোভাব গড়ে ওঠে।
সতর্কতা:
উভয় চিকিৎসা পদ্ধতি একসাথে চলার সময় চিকিৎসকের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন, যাতে ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের মধ্যে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া না হয়।
বিশেষত কেমোথেরাপির সময় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা করতে পারে। তাই পরিমাণ ও সময় নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ।
সারাংশ:
✅ রোগ দ্রুত সারে
✅ রোগের মূল কারণ দূর হয়
✅ দেহের স্বাভাবিক ক্ষমতা বাড়ে
✅ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমে
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
✅ মানসিক শক্তি বাড়ে
19/06/2025
Vitiligo (শ্বেত রোগ) প্রথম পেশেন্টের চিকিৎসা শুরু হলো।
14/05/2025
ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপিকে মেডিক্যাল সায়েন্সের ভবিষ্যৎ বলা হয় তার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিজ্ঞানভিত্তিক কারণ রয়েছে। নিচে তা পয়েন্ট আকারে ব্যাখ্যা করা হলো:
✅ ১. রোগের মূল কারণকে লক্ষ্যবস্তু করা:
প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো অধিকাংশ সময় উপসর্গ (সিম্পটম) নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিন্তু ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপি রোগের মূল কারণ—যেমন বিষাক্ত কোষ, অপুষ্টি, ভিটামিন-মিনারেল ঘাটতি এবং দেহে জমে থাকা অতিরিক্ত প্রোটিন বা অ্যামাইনো অ্যাসিড—এদের চিহ্নিত করে এবং শরীরের নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে সেই অনুযায়ী সক্রিয় করে।
✅ ২. সাইড ইফেক্টহীন ও কেমিক্যাল-মুক্ত চিকিৎসা:
ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপিতে কোনো কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন, বা কৃত্রিম রাসায়নিক ব্যবহার হয় না। বরং ভিটামিন, মিনারেল, এনজাইম ও প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে শরীরকে নিজে থেকে নিরাময়ের পথে চালিত করা হয়। ফলে এর কোনো দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে না।
✅ ৩. জিনগত বা 'অলৌকিক' অসুখকেও নতুনভাবে ব্যাখ্যা ও নিরাময়:
যেসব রোগকে এতদিন জেনেটিক বা অজানা কারণে হয়েছে বলে ধরা হতো (যেমন থ্যালাসেমিয়া, ক্যানসার, SMA), ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপি তাদের পেছনের ভিটামিন-মিনারেল ঘাটতি, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং খাদ্যাভ্যাস সংক্রান্ত কারণ তুলে ধরেছে ও সফলভাবে অনেক রোগীকে সুস্থ করেছে।
✅ ৪. দীর্ঘস্থায়ী রোগেও কার্যকর প্রমাণিত:
ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, থ্যালাসেমিয়া, ব্লাড ক্যানসার, স্নায়ুর রোগ (যেমন DMD, SMA), এমনকি CKD (ক্রনিক কিডনি ডিজিজ)-এর মতো রোগেও এই পদ্ধতির অসংখ্য সফল কেস স্টাডি রয়েছে। conventional চিকিৎসায় যেখানে ‘নিরাময় নেই’ বলা হয়, সেখানে ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপিতে ‘নিরাময়’ সম্ভব হয়েছে।
✅ ৫. বিশ্বব্যাপী নিউট্রাসিউটিক্যাল বিপ্লবের অংশ:
আজকের বিশ্বে মানুষ হোলিস্টিক, সাইড-ইফেক্ট-ফ্রি ও পারসোনালাইজড চিকিৎসার দিকে ঝুঁকছে। Nutraceutical industry (যেখানে ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপি পড়ে) এখন সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল স্বাস্থ্যখাত। একে WHO এবং বিভিন্ন রিসার্চ ইনস্টিটিউট ভবিষ্যতের চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে।
✅ ৬. দেহের নিজস্ব ইমিউনিটি-কে নায়ক বানানো:
এই পদ্ধতিতে শরীরের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেমকেই ‘ডাক্তার’ বানানো হয়। কোনো বহিরাগত চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে, শরীরকে এমনভাবে প্রস্তুত করা হয় যেন সে নিজেই রোগকে চিনে, আক্রমণ করে ও ধ্বংস করে। এটি একটি সম্পূর্ণ Sustainable চিকিৎসা পদ্ধতি।
✅ ৭. Low Cost, High Impact:
ক্যানসার বা থ্যালাসেমিয়ার মতো রোগ যেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা conventional চিকিৎসায় খরচ হয়, সেখানে ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপিতে ১০ ভাগের ১ ভাগ খরচে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময়ের ফলাফল এসেছে।
🔚 উপসংহার:
ন্যাচারাল ইমিউনোথেরাপি শুধু একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, এটি একটি নতুন বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি। এটি বোঝায় – “রোগ শরীরে জন্মায় না, রোগ জন্মায় শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতায়।” এবং এই ভারসাম্য ঠিক করলেই শরীর নিজেই সুস্থ হয়ে উঠবে। এই দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনের চিকিৎসাবিজ্ঞানের রূপরেখা বদলে দিতে চলেছে।
08/05/2025
💥” বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস”💥 -এ আমাদের আজকের স্লোগান -”থ্যালাসেমিয়াকে ভয় নয়, থ্যালাসেমিয়া ভাল হয়”।
আমরা এই স্লোগান কে সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছি।
💠 থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে আপনাদের মনে অনেক প্রশ্ন, যেমন-
👉 থ্যালাসেমিয়া কি? কেন হয়?
👉 কতদিন থেকে রক্ত দিতে হবে না?
👉 কতদিন পর ভাল হবে?
👍 এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে আমাদের সাথে যুক্ত হোন। নিম্নের গুগল ফর্মটি পূরন করে পাশে থাকুন।
https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZ4Km7xDUW60kCOPbW_yYMoJgywHBbpKb5-aGuiNRqPQPc-g/viewform?usp=header
03/05/2025
বিটরুট (Beetroot) একটি পুষ্টিকর সবজি যা শরীরের জন্য নানা উপকার করে। নিচে বিটরুটের গুরুত্বপূর্ণ গুণাবলীগুলো দেওয়া হলো:
🩸 ১. রক্ত পরিশোধক ও হিমোগ্লোবিন বাড়ায়
বিটরুটে প্রচুর আয়রন থাকে, যা রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) প্রতিরোধে সহায়তা করে।
হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে সহায়ক।
❤️ ২. হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী
বিটরুটে নাইট্রেট থাকে, যা রক্তনালীকে প্রশস্ত করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
🧠 ৩. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে
রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, ফলে মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়ে।
💪 ৪. শক্তি ও সহনশক্তি বাড়ায়
ক্রীড়াবিদদের মধ্যে বিটরুটের রস জনপ্রিয় কারণ এটি শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
🧽 ৫. লিভার পরিষ্কার রাখে
বিটরুটে থাকা বিটালাইনস (betalains) লিভার ডিটক্সে সহায়তা করে।
🍽️ ৬. হজমে সাহায্য করে
এতে থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
🌟 ৭. চামড়া উজ্জ্বল করে
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকার ফলে ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করে।
🛡️ ৮. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক
বিটরুটে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যালস ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধিকে বাধা দিতে পারে।
👉 বিটরুটের উপকারী রেসিপি এবং প্রতিদিন কতটা খাওয়া উচিত সে বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
🥗 বিটরুটের সহজ ও স্বাস্থ্যকর রেসিপি:
১. 🧃 বিটরুটের রস (Beetroot Juice):
উপকরণ:
১টি মাঝারি সাইজের কাঁচা বিটরুট (ছোলা ও কুচি করে কাটা)
১/২টি লেবুর রস
অল্প আদা (ইচ্ছামতো)
এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি
পদ্ধতি:
সব উপকরণ ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। সকালে খালি পেটে পান করলে সবচেয়ে উপকারী।
২. 🥗 বিটরুট সালাদ:
উপকরণ:
সিদ্ধ বিটরুট কিউব করে কাটা
শশা, টমেটো, পেঁয়াজ (ইচ্ছামতো)
লেবুর রস, অলিভ অয়েল, লবণ
পদ্ধতি:
সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে সালাদ হিসেবে পরিবেশন করুন। হালকা খাবারের সঙ্গে খেতে দারুণ!
৩. 🫓 বিটরুট পরোটা:
উপকরণ:
বিটরুট কুচি করে সিদ্ধ করে পেস্ট করে নিন
আটা, লবণ, সামান্য মশলা দিয়ে মেখে রুটি বানিয়ে ভেজে নিন
সকালের নাশতায় খুবই স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর।
🕒 প্রতিদিন কতটা বিটরুট খাওয়া উচিত?
✅ কাঁচা বা সিদ্ধ বিটরুট: প্রতিদিন ১টি মাঝারি সাইজের বিটরুট (প্রায় ৮০–১০০ গ্রাম)
✅ বিটরুটের রস: দিনে ১ গ্লাস (২৫০ মি.লি.) — খালি পেটে খেলে বেশি উপকার
❌ অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে অক্সালেট থাকে যা কিডনির পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে।
02/05/2025
থ্যালাসেমিয়া রোগীর ব্লাড দেওয়ার জন্য ডোনার সংগ্রহ করা কতটা জটীলতা তা শুধু ভুক্তভোগীরাই জানে।
আমারা থ্যালাসেমিয়া রোগীদেরকে নিয়ে একটি পরিবার গঠনের উদ্দেশ্যে হাজির হয়েছি। আশা করি আপনারা আমাদেরকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন।
🔷 থ্যালাসেমিয়া মিশন -০১ ( রংপুর বিভাগ )
👉 আপনার পরিবারে অথবা আশেপাশে থালাসেমিয়া রোগী থাকলে আমাদের গুগল ফর্মটি পূরণ করে আমাদের পাশে থাকুন।
https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZ4Km7xDUW60kCOPbW_yYMoJgywHBbpKb5-aGuiNRqPQPc-g/viewform?usp=sharing