01/04/2018
ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর বিষয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা
ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর নাম কম-বেশি আমরা অনেকেই শুনেছি। আজ আমরা ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর নিয়ে বিস্তারিত জানবো। ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর অনেক মজার একটি বিষয়।
আমাদের অনেকের মাঝে এই বিষয়টি একটু জটিল। এই লেখাতে চেষ্টা করবো সহজ ভাষায় আলোচনা করতে। একজন ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের ছাত্র হিসেবে ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর নিয়ে সুস্পষ্ট ধারনা থাকা উচতি। তাহলে চলুন দেরি না করে দেখি ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের কি কি প্রশ্ন আলোচনা করা হবে।
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর কি বা কাকে বলা হয়?
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের গঠন?
নরমালি ক্লোজ ও নরমালি ওপেন কন্টাক্টর নিয়ে আলোচনা।
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের কার্যপ্রনালী।
কেন ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে?
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর কি বা কাকে বলা হয়?
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর হলো ইলেক্ট্রোম্যাগ্নেটিক চালিত সুইচ। এটি সচারচর অনেক বড় বড় অটোমেশন ইন্ডাস্ট্রিতে মোটর কন্ট্রোল করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটার ফাংশন আর রিলের ফাংশন অনেকটা একই রকমের। তাহলে প্রশ্ন হতে পারে বন্ধুদের, যে কোন একটা হলেই তো হয়তো।
কিন্তু না, রিলে সাধারণত লো পাওয়ার ভোল্টেজে ব্যবহিত হয় আর ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর হাই পাওয়ারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। আমরা ইলেকট্রনিক্সের ছোট ছোট প্রজেক্ট তৈরি করার সময় অনেকে ক্ষেত্রে দেখে থাকি যে, রিলে ব্যবহার করছি। অনেক বড় বড় ইন্ডাস্ট্রিতে মোটরের কন্ট্রোল অটোমেশনে এটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
তাহলে আমরা এভাবে বলতেই পারি যে, ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর এক দরনের কন্টাক্টর যেটি পাওয়ার ইলেকট্রিক মোটরকে বা লোড কে চালু এবং বন্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের গঠন ?
এর গঠন প্রনালি অনেক সহজ। ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর নিম্মলিখিত বিষয় নিয়ে গঠিত।
ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর
মেইন কন্টাক্টঃ এটি মূলত পাওয়ার কে সুইচিং এর মাধ্যমে লোড অফ অন এর কাজ করে থাকে। এর ৩ টি ইনপুট এবং ৩ টি আউটপুট টার্মিনাল থাকে। ইনপুট টার্মিনাল গুলোকে L1, L2 এবং L3 ও আউটপুট টার্মিনাল গুলোকে T1, T2, এবং T3 দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
অক্সিলারি কন্টাক্টঃ এই কন্টাক্ট টি সাধারণত কন্ট্রোল সার্কিটের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি লোড কে অটোমেশন মুড বা প্রটেকশন এর সার্কিট তৈরি করা হয়। এতে দুই ধরনের টার্মিনাল থাকে। ১) নরমালি ওপেন (NO) ২) নরমালি ক্লোজ (NC)
পাওয়ার সাপ্লাই কয়েলঃ এই কয়েল ইলেক্ট্রোম্যাগ্নেটিক সৃষ্টি করে থাকে। এতে পাওয়ার সাপ্লাই দিলে এটি এনার্জাইজড হয়ে চুম্বকে পরিণত হয় ও মেইন কন্টাক্ট গুলোকে নরমালি ওপেন থেকে নরমালি ক্লোজ কন্ডিশনে আনে। কয়েলের টার্মিনাল দুটোকে A1 এবং A2 দ্বারা চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। এটা সলেনয়েড কে এনার্জিড করে থাকে। এটি বিভিন্ন পাওয়ার সাপ্লাই রেঞ্জের হয়ে থাকে (২৪VDC, ২৪VAC, 110VAC, 240VAC, 415VAC)
অক্সিলারি ব্লকঃ অক্সিলারি কে সংযুক্ত করতে অক্সিলারি ব্লোক থাকে। এই অক্সিলারি ব্যবহার করার মাধ্যমে অতিরিক্ত নরমালি ওপেন ও নরমালি ক্লোজ টার্মিনাল তৈরি করে নেওয়া যায়।
নরমালি ক্লোজ ও নরমালি ওপেন কন্টাক্টর নিয়ে আলোচনা
এই কন্টাক্টগুলো হলো অক্সিলারি কন্টাক্ট। নরমালি ক্লোজ ও নরমালি ওপেন কন্টাক্ট ব্যবহার করে লোডকে অটোমেশন মুডে বা প্রটেকশন সার্কিট তৈরি করা হয়।
ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর
নরমালি ক্লোজঃ নরমাল ক্লোজ অবস্থায় যখন এর কয়েল এনার্জাইজড থাকেনা, এটার অক্সিলারি কন্টাক্ট বন্ধ অবস্থায় থাকে।
নরমালি ওপেনঃ এটার অক্সিলারি কন্টাক্ট খোলা অবস্থায় থাকে।
ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টরের কার্যপ্রনালী
যখন কন্টাক্টরের মধ্য দিয়ে কারেন্ট অতিক্রম করে তখন ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তৈরি হয় এবং ম্যাগনেটিক ফিল্ড উৎপন্ন করে থাকে। এই ম্যাগনেটিক ফিল্ড মুভিং কোর কে আকর্ষণ করে থাকে।
কন্টাক্টরের কোরটি ঘুরতে শুরু করে যা মুভিং কন্টাক্ট কে এনার্জিড করতে সহায়তা করে। মুভিং এবং ফিক্সড কন্টাক্ট শর্ট সার্কিট তৈরি করে থাকে। এর মাধ্যমে কারেন্ট পরবর্তি সার্কিটে অতিক্রম করে থাকে।
শুরুর দিকে আর্মেচার কয়েল অনেক বেশি কারেন্ট বহন করে থাকে। কয়েলের মধ্যে দিয়ে এই কারেন্ট অতিক্রম করার সময় খুব দ্রুত কমে যায়। যখন কারেন্ট থেমে যায়, কয়েল ডি-এনার্জাইজড হয় এবং কন্টাক্ট ওপেন হয়ে যায়।
কেন ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে?
ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর দিয়ে ছোট পুশ সুইচের সাহায্যে অনেক বড় মোটর বা লোড কে নিয়ন্ত্রন করা যায় সহজে ও নিরাপদে।
অক্সিলারি কন্টাক্ট (নরমালি ওপেন ও নরমালি ক্লোজড) মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল বা স্ট্যাটাস জানা যায়।
এটির সাথে ওভারলোড রিলে থাকে। কোন কারনে ওভার কারেন্ট হলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে এটি লোড কারেন্ট সরবরাহে বাধা প্রদান করে থাকে।
তিন ফেজ মোটরের জন্য তিন ফেজ সাপ্লাই দিতে হয়। ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করে সহজে মোটরে তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায়।
স্টার-ডেল্টা এর ক্ষেত্রে তিনটি ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ব্যবহার করে সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।
চালু অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে লোড কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। এ অবস্থায় কারেন্ট পুনরায় সরবরাহে আসলেও স্টার্ট বাটনে প্রেস না করলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ হবে না। এতে করে সার্জ ভোল্টেজ থেকে ডিভাইস রক্ষা পয়
আমার লেখার ভুল-ত্রুটি বা জানারও ভুল থাকতে পারে। কোন কিছু ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টেতে দেখার অনুরোধ রইলো। আজ এই পর্যন্ত বন্ধুরা। অন্য বিষয় নিয়ে খুব শিগ্রয় আপনাদের সামনে হাজির হবো।
27/03/2018
capacitor k series connection kora hole capacitance বাড়ে না কমে??
13/03/2018
Transistor বায়াসিং কোন condition কে নির্দেশ করে??
1.AC
2.DC
11/03/2018
R.M.S factor কি???comment fast
12/03/2017
সহজ ভাষায় p-type, n-type এবং ইলেকট্রন, হোল
*****************************************************
**সেমিকন্ডাকটর, ত্রিযোজী, পঞ্চযোজী মৌল এবং ডোপিংঃ
ইলেকট্রন পরমাণু গঠনকারী মৌলিক কণা যা নিউক্লিয়াসের বাইরে শক্তিস্তরে অবস্থান করে। রাসায়নিক বন্ধন গঠনের সময় বিভিন্ন পরমানুর মধ্যে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান এবং ইলেকট্রন জোড় শেয়ারিং হয়ে থাকে। যেসব মৌলের পরমাণুর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে তিনটি ইলেকট্রন থাকে, তাদের ত্রিযোজী; চারটি থাকলে চতুর্যোজী এবং পাঁচটি থাকলে পঞ্চযোজী মৌল বলে।
উল্লেখ্য, বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাকটর (সিলিকন, জার্মেনিয়াম) চতুর্যোজী। এদেরকে পঞ্চযোজী কিংবা ত্রিযোজী পরমানু দ্বারা "ডোপিং" করে সেমিকন্ডাক্টরের পরিবাহিতা বৃদ্ধি করা হয়।
**পি-টাইপ, এন-টাইপ সেমিকন্ডাকটরঃ
n - টাইপ অর্ধপরিবাহীতে ডোপিং করা হয় পঞ্চযোজী মৌল দ্বারা (যেমনঃ আর্সেনিক)। এর ফলে, পঞ্চযোজী পরমানুগুলো চারটি অর্ধপরিবাহী পরমাণুর সাথে বন্ধন তৈরি করার পরেও তাদের একট করে ইলেকট্রন অবশিষ্ট থাকে। এই অবশিষ্ট ইলেকট্রনটি n টাইপ অর্ধপরিবাহীর পরিবাহিতা বাড়ায়।
p টাইপ অর্ধপরিবাহীতে ডোপিং করা হয় ত্রিযোজী মৌল দ্বারা (যেমনঃ বোরন)। এর ফলে সেমিকন্ডাকটরে প্রতিটি ত্রিযোজী মৌলের জন্য একটি করে "হোল" সৃষ্টি হয়, যা সেমিকন্ডাক্টরের পরিবাহিতা বাড়ায়।
**হোল এবং পজিটিভ চার্জ ক্যারিয়ারঃ
সেমিকন্ডাকটরের কেলাসের মধ্যে যখন কিছু ত্রিযোজী মৌল ঢুকিয়ে দেয়া হয়, তখন সেগুলো সেমিকন্ডাকটরের কেলাসের মধ্যে নিজের জায়গা করে নেয়। অর্থাৎ, সেমিকন্ডাকটরের একটি পরমাণু যেমন আরো চারটি পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করে, ত্রিযোজী মৌলের পরমাণুও সেই কাজটিই করে। সমস্যা হচ্ছে, চারটি সমযোজী বন্ধন তৈরি করতে বহিঃস্থ কক্ষপথে চারটি ইলেকট্রনের প্রয়োজন, কিন্তু তার আছে মাত্র তিনটি।
এর ফলে এক মজার ঘটনা দেখা দেয়। চতুর্থ বন্ধনে একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পূরণের জন্য অন্য একটি সেমিকন্ডারকটর পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন চলে আসে, যার ফলে ঐ সেমিকন্ডাকটর পরমাণু বন্ধন তৈরির সময় ইলেকট্রনের ঘাটতি অনুভব করে। সেই ঘাটতি পূরণের জন্য আবার একটি ইলেকট্রন আসে অপর কোন পরমাণু থেকে। চাইলে এটাকে "ইলেকট্রনের শুণ্যতা এক পরমাণু থেকে অন্য পরমাণুতে ঘুরে বেড়াচ্ছে" এভাবেও চিন্তা করা যায়।
এই যে ইলেকট্রনের ঘাটতি, কিংবা শূন্যস্থান - একেই বলে "হোল"। সেমিকন্ডাকটরে পঞ্চযোজী মৌলের পঞ্চম ইলেকট্রনটি যেমন পরিবাহিতা বাড়ায়, ত্রিযোজী মৌলের ইলেকট্রন শূন্যতাও পরিবাহিতা বাড়ায়। ইলেকট্রন ঋণাত্মক চার্জযুক্ত, ইলেকট্রনের শূন্যতা (হোল) ধনাত্নক চার্জযুক্ত। শুধুমাত্র হোল বিশিষ্ট সেমিক
06/03/2017
Filter শব্দটির অর্থ ছাঁকনি। সিগনাল প্রোসেসিং এবং কমিউনিকেশন সিস্টেমে ফিল্টার বলতে যা বোঝায়, তার কাজের সাথে আমাদের পরিচিত ছাকনির কিছুটা মিল আছে।
আমরা জানি, যেকোন সিগনালকে ফুরিয়ার ট্রান্সফর্মের সাহায্যে ঐ সিগনালের ফ্রিকুয়েন্সি স্পেকট্রাম পাওয়া যায়, অর্থাৎ বিভিন্ন ফ্রিকুয়েন্সির কতটুকু ইনফরমেশন ঐ সিগনালে আছে, তা জানা যায়। সিগনালের ভেতর বিদ্যমান সমস্ত ফ্রিকুয়েন্সি কনটেন্ট আমাদের প্রয়োজন নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে আমরা যা করি তা হলো, ফিল্টারের সাহায্যে সিগনাল থেকে শুধুমাত্র দরকারি ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জের ইনফরমেশন ছেঁকে নেই।
কাজের ধরণ অনুযায়ী ফিল্টার চার প্রকার।
লো পাস ফিল্টারঃ একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকুয়েন্সির (কাট অফ ফ্রিকুয়েন্সি) চেয়ে কম ফ্রিকুয়েন্সি নিজের মধ্য দিয়ে যেতে দেয়, বাকিটা আটকে দেয়।
হাই পাস ফিল্টারঃ লো-পাসের বিপরীত কাজ। বেশি হলে যেতে দেয়, কম হলে না।
ব্যান্ড পাস ফিল্টারঃ একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের ফ্রিকুয়েন্সি যেতে দেয়। রেঞ্জের বেশি হলেও দেয় না, কম হলেও দেয় না।
ব্যান্ড স্টপ ফিল্টারঃ উলটো। সবাইকে যেতে দেয়, খালি একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের ভেতরের সকল ফ্রিকুয়েন্সি আটকে দেয়।
একটি লো পাস ফিল্টারের সাথে একটি হাই পাস ফিল্টারকে ক্যাসকেড (পরপর) সংযুক্ত করে ব্যান্ড পাস ও ব্যান্ড স্টপ ফিল্টার তৈরি করা হয়। ব্যান্ড পাস ফিল্টারে লোয়ার কাট-অফ ফ্রিকুয়েন্সি, আপার এর চেয়ে বেশি হয়। আর ব্যান্ড স্টপে আপার কাট-অফ ফ্রিকুয়েন্সি, লোয়ার এর চেয়ে বেশি হয়।
06/03/2017
Aliasing কী? কীভাবে এড়ানো যায়?
>> Alias শব্দটির অর্থ "ছদ্মনাম"।
কোন এনালগ সিগ্নালকে ডিজিটাল করার জন্য তাকে স্যাম্পলিং করা হয়। তখন যদি এনালগ সিগনালে বিদ্যমান সর্বোচ্চ ফ্রিকুয়েন্সির ডাবল ফ্রিকুয়েন্সির চেয়ে কম রেটে স্যাম্পলিং করা হয়, তাহলে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগ্নালে এলিয়েসিং দেখা দেয়। এর মানে হলো, এনালগ সিগনালে বিদ্যমান হাই ফ্রিকোয়েন্সির কমপোনেন্ট, ডিজিটাল সিগনালে লো ফ্রিকুয়েন্সি সেজে বসে থাকে।
এর ফলে সমস্যা যেটা হয় তা হলো, ডিজিটাল সিগনালকে যখন আবার এনালগ বানানো হয়, তখন ঐ হাই ফ্রিকুয়েন্সির অংশ আর থাকে না। ফলে সিগ্নালে ইনফরমেশন লস হয়।
এলিয়েসিং এড়ানোর জন্য এনালগ সিগ্নালকে তার মধ্যে বিদ্যমান সর্বোচ্চ ফ্রিকুয়েন্সির কমপক্ষে দিগুন ফ্রিকুয়েন্সিতে স্যাম্পল করা লাগে। এই মানকে নাইকুইস্ট রেট অফ স্যাম্পলিং বলে। অর্থাৎ নাইকুইস্ট রেটের চেয়ে কম রেটে স্যাম্পলিং করলে এলিয়েসিং হয়।
06/03/2017
মডুলেশন/Modulation কী?
>> একটি মেসেজ সিগনালকে কোন মাধ্যমের সাহায্যে বহুদূরে পাঠানোর জন্য মেসেজ সিগনালকে অপর একটি হাই ফ্রিকুয়েন্সির সাইন ওয়েভের উপর "বসিয়ে দেয়া" হয়।
বসিয়ে দেয়ার মানে হলো, মেসেজ সিগনালের ভ্যালুর উপর নির্ভর করে হাই ফ্রিকুয়েন্সির ওয়েভের কোন একটি বৈশিষ্ট্য সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন করা।
হাই ফ্রিকুয়েন্সির সাইন ওয়েভটিকে ক্যারিয়ার সিগনাল বলে, কেননা সে মেসেজ সিগনালকে Carry করছে।
ক্যারিয়ার সিগনালের কোন ধর্মটি সময়ের সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে মডুলেশন ৩ প্রকার।
Amplitude Modulation (AM): ক্যারিয়ার ওয়েভের মান বা এম্পলিচিউড পরিবর্তিত হয়।
Phase Modulation (PM): ফেস এঙ্গেল পরিবর্তিত হয়
Frequency Modulation (FM): কম্পাঙ্ক পরিবর্তিত হয়।
02/03/2017
STAR AND DELTA CONNECTION...
02/03/2017
Cables Size and Current Capacity....