21/10/2023
জলঢাকায় যোগদান হবে। পদায়ন জলঢাকায়। যাদের প্রয়োজন আবেদন করতে পারো!
Social Development by the Education
21/10/2023
জলঢাকায় যোগদান হবে। পদায়ন জলঢাকায়। যাদের প্রয়োজন আবেদন করতে পারো!
‘‘চাওয়ার পরিবেশ নাই’’
🌻ক্লাস ওয়ান থেকে দশমশ্রেণি পর্যন্ত মা-বাবা স্বাভাবিকভাবে যতটুকু পারে কোন দ্বিধা ছাড়াই টাকা দিয়ে দেয়। গ্রামে তেমন টাকা লাগে না; সরকার বই, খাতা-কলমের জন্য টাকাও দেয়। যখন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে তখন শহরে থাকতে হয়। সেখানে থাকা খাওয়ার খরচ, প্রাইভেট,বই,প্রাকটিকাল খাতা আরও অানুষঙ্গিক খরচ মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য হিমশিম খেতে হয়। এ খরচ ব্যয় করতে সংসারে টাকা জমা থাকে না উন্নতিও হয় না। ভাই-বোন অনেক থাকলে তাদের উন্নতি দরকার সেই অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত। বছর শেষে অতিরিক্ত যা আয় হয় একজনের লেখাপড়ার পিছনে তা ব্যয় হয়। এরপরে ভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষায় এক্সট্রা টাকা গুনতে হয় চান্স পেলে তো ভালো না পেলে....। 🌻এবার অনার্স ভালমন্দ বুঝার ক্ষমতা হয়েছে,বিবেকবোধ জাগ্রত হয়েছে একজন প্রথম শ্রেণির নাগরিক। নিজের জীবনের জন্য বাকিদের ভবিষ্যৎ হুমকির মধ্যে ফেলছি। মা-বাবা,ভাই-বোন ভাল-মন্দ কিছু মুখে দিতে পারছে না। ভাল পোশাক,প্রিয় জিনিষকে বিসর্জন দিচ্ছে ; একমাত্র সন্তানের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে। আর্থিক অবনতি ও চাইতে খারাপ লাগা সত্ত্বেও হঠাৎ করে মেসভাড়া,খাবার বিল সেই সাথে ফরম ফিলাপের টাকা একসাথে চাওয়া হলে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। তাদেরকে যে দিতেই হবে কোনোমতে ধার-দেনা করে পাঠিয়ে দেয়। 🌻অনার্স শেষ হলে গ্রামের মা-বাবা ভাবে সন্তান এখন চাকরি করে আমাদের স্বস্তি দিবে কিন্তু চাকরির বাজার যে এতই খারাপ তারা কি করে বুঝবে তারা তো এত কিছু জানে না। এই অবস্হায় তাদের কাছে টাকা চাওয়ার পরিবেশ থাকে না।
🌻এই অবস্হায় আমার পরামর্শ হল সরকার,কোনো সংস্হা,সাংগাঠনিক বা ব্যক্তিগতভাবে এমন উদ্যোগ নেয়া উচিত যাতে করে অনার্স পাস করার পর চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত যত ব্যয় হবে তা সেই ফান্ড থেকে দেয়া হবে। চাকরি পেলে মাসিক কিস্তি হারে পরিশোধ করবে আর সেই সংগঠন যাতে ভালভাবে চলে সেজন্য দাতা সদস্য হওয়া যতটুকু সামর্থ্য হয়।
🌻 এমনটা করা হলে আর কোনো গরীব পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের অর্থের চিন্তা থাকবে না। স্বাধীনভাবে চাকরির প্রস্তুতি নিতে পারবে।
মাহমুদুল হাসান
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ভূগোল ও পরিবেশ (৩য় বর্ষ)
27/05/2021
বাড়ির সব কিছু পুড়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষের সহায়তায় GPSHO সংগঠনের সদস্যদের মাধ্যমে রান্না করার বাসন-কোসন,চাউল,আলু,মিষ্টিকুমড়া,তেল অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য বাড়িতে পৌছে দেওয়া হল..
27/05/2021
বাড়ির সব কিছু পুড়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষের সহায়তায় GPSHO সংগঠনের সদস্যদের মাধ্যমে রান্না করার বাসন-কোসন,চাউল,আলু,মিষ্টি কুমড়া ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য ভুক্তভোগীর নিকট পৌছে দেওয়া হলো..
16/05/2021
কমবেশি প্রতিটি গরিব পরিবারে সেমাই রান্না হয় কিন্তু নতুন পোশাক না থাকার কারনে ঈদ আনন্দময় হয় না। তাই GPSHO পরিবার ৩৬ টি পরিবারে বৃদ্ধ নারী ও পুরুষ এবং বিধবা মহিলাদের বাড়িতে গিয়ে পোশাক বিতরণ...
16/05/2021
এই প্রথম শৌলমারী ১নং ওয়ার্ডে (গোপালঝাড় চরভড়ট) GPSHO কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিলের বিশেষ আয়োজন.....