13/11/2025
খুবই উপভোগ্য খেলা হবে মনে হচ্ছে। আমরা আসছি, আপনি আসছেন তো?
আগামীকাল ১৪ নভেম্বর শুক্রবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আপনারা সবান্ধবে আমন্ত্রিত।
'পালিচড়া' একটি গ্রাম, বৃহৎ বাজার, ডাকঘর এবং সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র
13/11/2025
খুবই উপভোগ্য খেলা হবে মনে হচ্ছে। আমরা আসছি, আপনি আসছেন তো?
আগামীকাল ১৪ নভেম্বর শুক্রবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আপনারা সবান্ধবে আমন্ত্রিত।
এই পেইজে কিছু সংখ্যক মডারেটর নিয়োগ দেয়া হবে
(আগ্রহীরা ইনবক্সে জানান)
26/05/2025
এর আগে প্রতি ঈদে আরেকজনকে এভাবে উপহার দেয়া হতো 😄
25/05/2025
চাদাবাজি করতে গিয়ে সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে নেতার পা*ছা লাল
This page showing the real news. And I 100% recommended for everyone to following this page.
পালিচড়া এলাকায় যারা অনলাইন ক্যাসিনোর এজেন্ট ও ভালো মানের খেলোয়াড় তাদের পরিচয় ইনবক্সে দিন।
তাদের পরিচয় এই পেজের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে ও তাদের যাবতীয় তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হবে
প্রথমবারের মতো সব ধরনের অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ - ২০২৫ এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিগত কয়েক বছরে অনলাইন বেটিং ভয়াবহ ভাবে ছড়িয়েছে। বিশেষত তরুণদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি। দ্রুত সময়ের মধ্যে অনলাইন জুয়া দমনে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
01/05/2025
আফগানিস্তানের একপাশে ইসলাম বিকৃতকারী তুর্কমেনিস্তান, আরেকপাশে হিজাব ও অন্যান্য ধর্মীয় পোশাক ব্যান করা তাজিকিস্তান থাকার পরেও এরা ইসলাম কায়েম করতে যায় মুসলিম দেশ পাকিস্তানে। তারপরেও নাকি এদেরকে ভারতের এজেন্ট বলা যাবে না।
খারেজিরা ইসলামের শুরুর দিক থেকে ইসলামবিরোধীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে আসছে
30/03/2025
"উমরকে যে গুলিটা করা হয় সেটা সামনের আরো দুইজনকে আহত করে ওর বুক দিয়ে ঢুকে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়, এবং পিছনের একটা সিলিন্ডারকে ব্লাস্ট করে।..."
'১৯ জুলাই আমরা জুমা শেষে লক্ষ্মীবাজার আন্দোলনের দিকে রওয়ানা দিই৷
আমরা ৪ জন একসাথে দাঁড়ায়ে ছিলাম। সামনেই সংঘর্ষ চলতেছিল। উমর ফারুক পরিস্থিতি বোঝার জন্য একটু আগানোর চেষ্টা করতেছিল৷ হঠাৎ গোলাগুলি শুরু হয়। তখন ওকে একটা গেইটের ভিতর ঢুকে যাইতে দেখি। আমরা ৩ জনও একেকদিকে সরে যাই।
পরিস্থিতি একটু শান্ত হওয়ার পর আমি চিন্তা করলাম যে, উমর ত গেইটের ভিতরেই ঢুকছে, ও সেইফ। বাকি ২ জনের খোঁজ আগে নিই। ওদেরকে ফোন দিয়ে জানতে পারি ওরা ঠিকঠাক আছে। তারপর উমরকে ফোন দিই৷ একটা অপরিচিত লোক কল রিসিভ করে বলে, ও মারা গেছে!
উমরকে যে গুলিটা করা হয় সেটা সামনের আরো দুইজনকে আহত করে ওর বুক দিয়ে ঢুকে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়, এবং পিছনের একটা সিলিন্ডারকে ব্লাস্ট করে৷
আমরা প্রাথমিকভাবে জানতাম ওর শরীরে গুলি লাগছে ৩টা। আসলে বাকি দুইটা গুলি না৷ ব্লাস্ট হওয়া সিলিন্ডারের দুইটা অংশ ওর পিঠে ঢুকে গেছিল।
উমরের লাশের জন্য আমাদের ঢাকা হসপিটালে আর থানায় দৌড়ানো লাগছিল ২ দিন।
লাশ দ্রুত বুঝে পাওয়ার জন্য আমাদেরকে ওরা একটা কাগজে সাইন করতে বলছিল, যেটার সারমর্ম ছিল মোটামুটি এমন, 'যে মারা গেছে সে জঙ্গী। সে পুলিশের উপর নিজেই আক্রমণ করে। প্রাণরক্ষার্থে পুলিশ তাকে গুলি করতে বাধ্য হয়।' আমরা অবস্থা ধরতে পেরে সাইন করতে অস্বীকৃতি জানাই।
আমাদের থানায় যাওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সূত্রাপুর থানার পরিস্থিতি ছিল এমন যে, ঢুকতে চেষ্টা করলেই গুলি করে দিতে পারে। শেষ পর্যন্ত যখন ঢুকি, আমাদেরকে জানানো হয়, ১৯ তারিখ এই এলাকায় কোনো সংঘর্ষ হয়নাই। অথচ ওইদিন ওইখানে শুধু মারা'ই গেছিল ৭ জন!
সেদিন আমি ঢাকা মেডিকেলে ট্রাক ভরে, ভ্যানগাড়ি ভরে লাশ আনতে দেখছি। ট্রাকের তেরপলের উপর থেকে রক্ত ছুইয়ে ছুইয়ে পড়তেছিল।
মর্গে লাশ রাখা হইছিল একটা উপরে একটা। আমি আরেকটা অদ্ভূত বিষয় খেয়াল করছিলাম। কোনো লাশের চেহারাই চেনা যাচ্ছিল না! মুখে হয়ত কোনো একটা মেডিসিন ইউজ করা হইছে, যেন লাশ শনাক্ত করতে না পারা যায়।
পরিস্থিতি এমন ছিল, উমরের জানাজা পড়ার জন্য আমরা তার গ্রামের বাড়িতেও যাইতে পারিনাই।
উমর ছিল আমার রুমমেট। আমরা একই বিছানায় ঘুমাইছি, একই পাতে খাইছি। আমার সবই ও জানতো, ওর সবই আমি জানতাম। ৮ মাস হয়ে গেল, আমি এখনো স্ট্যাবল হয়ে উঠতে পারিনাই।
উমরের আম্মু পুরাপুরি ভেঙে পড়ছে, লাশও দেখতে পারেনাই। আমাকে এখনো মাঝেমধ্যে ফোন দিয়ে বলে, বাবা, ওমর কি রাগ করছে? ফোন ধরেনা কেন আমার?'
- গাজি আলাউদ্দিন বেলাল (শহিদ উমর ফারুকের বন্ধু)
জরিপ বলছেঃ হাসপাতালে আসা ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৬৪%জনই কৃষক।কারণ কীটনাশক।
17/02/2025
৯ দফা যেভাবে গণমাধ্যমে
১৭ই জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস রিপোর্টাররা টিএসসির গেস্টরুমে অবস্থান নেই সংবাদ সংগ্রহের সুবিধার জন্য। গেস্টরুমের ১০৫ নাম্বার রুমে থাকতাম সাংবাদিক সমিতির সভাপতি Mohiuddin Mahi , Nasimul Huda আর আমি। ১৯ জুলাই রুমে বসে টিভিতে খবর দেখছিলাম সন্ধ্যা ৬টার একটু আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের সভাপতি Md Abu Shadik ফোন (+880 1327-189279) আসে আমার নাম্বারে। ক্যাম্পাস সাংবদিকতা করার সুবাদে আগে থেকেই পরিচয় ছিলো। তিনি ফোন দিয়ে বলেন তার সাথে দেখা করতে হবে। জিজ্ঞেস করলাম কোথায় যেতে হবে। তিনি বললেন বাংলা মটর দেখা করবেন। ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ার পরপরই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শাহবাগ এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অবস্থান করত। এসময় কেউ শাহবাগ দিয়ে ক্যাম্পাস ঢোকা এবং বের হওয়ার সময় কাউকে সন্দেহ হলেই মারধর করতো। ছাত্রলীগের অধিকাংশ নেতা আমাকে চিলনেও নিউজ করার কারণে অনেক চক্ষুশূল ছিলাম। সাদেক কায়েমকে আসন্ন বিপদের শঙ্কা জানালাম। তখন তিনি আমাকে নেওয়ার জন্য একটা বাইক পাঠাতে চান। তবে সে ক্যাম্পাসে ঢোকার মুখেই বাধার সম্মুখীন হবেন বলে মনে হওয়ায় তাকে ক্যাম্পাসে আসতে নিষেধ করি।
সিদ্ধান্ত নেই আমিই যাব। এরপর পাশের রুমে থাকা বন্ধু Obaidur Rahman Sohan কে ডাকি এবং আমার সাথে যাওয়ার জন্য বলি। যেহেতু শাহবাগ এলাকায় ঝামেলা হওয়ার সম্ভাবনা আছে তাই ছাত্রলীগের পরিচিত নেতাদের সাথে ফোনে যোগযোগ করার চেষ্টা করি। প্রথমেই ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সবুর খান কলিন্সকে ফোন দিয়ে শাহবাগ যাওয়ার কথা বলি। এরপর ফোন দেই ছাত্রলীগে সাধারণ সম্পাদক শেখ ইনানকে । তাদের বলি শাহবাগ তারা যেন গেইটে এসে দাড়িয়ে থাকে। সোহানও তার পরিচিত ছাত্রলীগ নেতাদের ফোন দিয়ে আসার কথা বলে। এরপর সবুর ও ইনান শাহবাগ থানার সামনে থেকে রিসিভ করে।
তখন শাহবাগে অনেক ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ হয়। আমার এসএম হলের ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক মিশাতের সাথেও সাক্ষাৎ হয় তার দুইজনই তখন আমাকে বলেন,‘ আমরা যদি ক্যাম্পাসে ফিরি তাহলে যার আমাদের হলের রুম ভাঙচুর করেছে তাদের রক্তের বিনিময়ে এর প্রতিশোধ নিবেন। প্রয়োজনে মাডারও করা হবে।’ এরপর শাহবাগ মোড়ে আন্দোলন নিয়ে কথা হয় ইনানের সাথে। তিনি আমাকে বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসার জন্য মধ্যস্ততা করার দায়িত্ব আমাকে দিয়েছ। তুমি ওদের সাথে দেখা হলে এটা তাদের বলবা।’ ইনান আর সবুর আমাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে সামনের মেট্রোরেলের নিচ পর্যন্ত পৌছে দিয়ে বিদায় নেয়।
সেখান থেকে বিদায় নিয়ে আমরা একটা রিক্সা নিয়ে বাংলা মটর যাই। তখন সাদিক কায়েমকে ফোন করলে তিনি আরেক জনের নাম্বার দিয়ে তার সাথে কথা বলতে বলেন। তাকে ফোন দিলে তিনি একটা বাইক নিয়ে আমাকে আর সোহানকে নিয়ে জনকন্ঠ পত্রিকার গলিতে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে সাদেক কায়েকমকে ফোন করলে তিনি ১০ মিনিট পরে একটা বাইক নিয়ে আমাদের সাথে দেখ করতে আসেন। তারপর নিরপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে একটা হাসপাতালের মসজিদে গিয়ে বসি। তখন তিনি ৯দফা লেখা প্রেসরিলিজ আমাকে দিয়ে এটা সাংবাদিকেদে পৌঁছে দিতে বলেন। তিনি আরো বলেন নয় দফার বিষয়ে মিটিং চলছে এটা এখনও চূড়ান্ত হয় নি সন্ধ্যার ভেতরেই এটা পত্রিকা অফিস এবং সাংবাদিকেদের কাছে দিতে হবে। তখন নিরপত্তার কথা ভেবে প্রেস রিলিজটা আমার সাথে আনিনি বরং ছবি তুলে নিয়ে আসি আর এটা মেসেজে সবাইকে পাঠাতে বলি। যেহেতু সাদেককায়েমসহ আন্দোলনের অধিকাংশ নেতাই তখন আত্মগোপনে ছিলেন আমি সরাসরি তাদের কাছ থেকে নিয়েছি বললে আমার মাধ্যমে তাদের কাছ গোয়েন্দারা পৌঁছানো চেষ্টা করতে পারে সেই আশঙ্কা থেকেই মেসেজে নয় দফা দিতে বলি। এরপর সেখান থেকে ফেরার পথে সাদিক কায়েম আমাকে ফের ফোন দিয়ে বলে Abdul Kader কে ফোন দিতে সে নয় দফার ব্যাপারে বক্তব্য দিবে। তখনই তাকে ফোন দিয়ে নয় দফা কি কি সেটা রেকর্ড করি।
মেহেদী হাসান
সাংবাদিক, দৈনিক যুগান্তর
07/02/2025
সদ্যপুস্করিনী ইউপির নতুন ভোটাদের ছবি তোলার সময়সুচি