Medicine Club Volunteers

Medicine Club Volunteers

Share

A Sister Concern Of Medicine Club

Photos 14/06/2017

ুন_বিশ্ব_রক্তদাতা_দিবস

"সময় তুমি হার মেনেছ,রক্তদানের কাছে,
দশটি মিনিট করলে খরচ একটি জীবন বাঁচে।"

আজ ১৪ জুন,বিশ্ব রক্তদাতা দিবস।স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উৎসাহিত করাই এ দিবসের উদ্দেশ্য।
এবছরের প্রতিপাদ্য:
"Don't wait until the disaster.what can u do?
-give blood
-give now
-give often"

১৯৯৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক রক্তদান দিবস পালন এবং ২০০০ সালে ‘নিরাপদ রক্ত’-এই থিম নিয়ে পালিত বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০০৪ সালে প্রথম পালিত হয়েছিল বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনের পর থেকে প্রতিবছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ দিবস পালনের জন্য তাগিদ দিয়ে আসছে।
প্রতিবছর ৮ কোটি ইউনিট রক্ত স্বেচ্ছায় দান হয়, অথচ এর মাত্র ৩৮ শতাংশ সংগ্রহ হয় উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে, যেখানে বাস করে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৮২ শতাংশ মানুষ। এ ছাড়া এখনো বিশ্বের অনেক দেশে মানুষের রক্তের চাহিদা হলে নির্ভর করতে হয় নিজের পরিবারের সদস্য বা নিজের বন্ধুদের রক্তদানের ওপর, আর অনেক দেশে পেশাদারি রক্তদাতা অর্থের বিনিময়ে রক্ত দান করে আসছে রোগীদের। অথচ বিশ্বের নানা দেশ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে জানা যায়, ‘নিরাপদ রক্ত সরবরাহের’ মূল ভিত্তি হলো স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে দান করা রক্ত। কারণ তাদের রক্ত তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং এসব রক্তের মধ্য দিয়ে গ্রহীতার মধ্যে জীবনসংশয়ী সংক্রমণ, যেমন এইচআইভি ও হেপাটাইটিস সংক্রমণের আশঙ্কা খুবই কম।

স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানকারী আড়ালে থাকা সেসব মানুষের উদ্দেশ্যে, এসব অজানা বীরের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত ১৪ জুনের বিশ্ব রক্তদান দিবস।

১৪ জুন দিবসটি পালনের আরও একটি তাৎপর্য রয়েছে। এদিন জন্ম হয়েছিল বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টিনারের। এই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছিলেন রক্তের গ্রুপ ‘এ, বি, ও,এবি’।

19/05/2017

ঢাবি শিক্ষার্থীর সাথে যা ঘটলো!!

আক্তার, বয়স ২০। ঢাকার এক হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে ১৭ তারিখ সকালে কয়েক দিনের জ্বর এবং কাশি নিয়ে আসেন। তীব্র জ্বরের সাথে র‍্যাশ ছিল। সকালে একবার বমি হয়েছিল।

অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল্লাহ স্যার রোগীটিকে দেখেন, জ্বরের সাথে র‍্যাশ, গায়ে ব্যথা দেখে ডেঙ্গু বলে সন্দেহ করেন। রোগীকে ডেঙ্গুর সাপোর্টিভ ট্রিটমেন্ট সহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে দেন। পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয় বেলা ১১টার পর এবং পরীক্ষার রিপোর্টগুলো বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সবগুলো আসে। রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টে আসে হিমোগ্লবিন স্বাভাবিকের কম, শ্বেত রক্ত কণিকা স্বাভাবিকের অন্তত ৩৫ গুণ বেশি, প্লেটিলেট স্বাভাবিকের অন্তত ১০গুণ কম, ব্লাস্ট সেল প্রায় শতভাগ (এটি স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে না, ২০% এর বেশী থাকা মানে একিউট লিইকেমিয়া-এক ধরনের রক্তের ক্যান্সার)। ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্টে ডেঙ্গু এন এস ১ এন্টিজেন অনুপস্থিত আসে(মানে ডেঙ্গু হয় নি)। অন্যান্য রিপোর্টে হাইপোক্যালেমিয়া (মানে পটাশিয়াম কম যার কারণে মাংসপেশীর দূর্বলতা থেকে শুরু করে হৃদপিণ্ডের সমস্যা হতে পারে)। এছাড়া এক্সরে তে নিউমোনিয়া আসে।

রিপোর্ট আসার পর পর দুটো কাজ করা হয়,
এক রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু এবং রক্ত রোগ বিশেষজ্ঞকে রেফার করা।

এই রিপোর্টে দুটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ,
প্রথমত, রোগীর একিউট লিউকেমিয়া হয়েছে,
দ্বিতীয়ত, রোগির রক্তে প্লেটিলেট কমে যাওয়ায় যে কোন সময় রক্তপাত শুরু হতে পারে। সাধারণত প্লেটিলেট ৫০ হাজারের কম হলে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকলেও এমন ও দেখা গেছে ৫ হাজার প্লেটিলেট নিয়েও রক্তপাত হয় না।

ব্যক্তিগতভাবে রোগীর সঙ্গে থাকা একজন এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকজন চিকিৎসকের সাথে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। তাঁদের সাথে কথা বলে জানা যায় রোগীর কোন দৃশ্যমান রক্তপাত ছিল না, তবে র‍্যাশ এবং মাসিক ছিল। জ্বর, র‍্যাশ, শরীর ব্যথা ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ এবং রক্তপাত না হলে এর চিকিৎসায় রক্ত দেয়া লাগে না।

কিন্তু একই রকম উপসর্গ একিউট লিউকেমিয়াতেও দেখা যায়। ডায়াগনোসিস নিশ্চিত করার জন্য আবারো একই পরীক্ষা পুনরায় করা হয়। এবং সেখানেও লিউকেমিয়া ই আসে(প্লেটিলেট, শ্বেত রক্তকণিকা কাছাকাছি কাউন্ট আসে, ব্লাস্ট সেল বেশি আসে)। রোগীর একিউট লিউকেমিয়া(এক ধরনে রক্ত রোগ) ধরা পরার পরেই রক্তরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করা হয়। সন্ধ্যা ৬:৩০ এ রিপোর্ট দেখে রক্ত রোগ বিশেষজ্ঞকে জানালে রাত ৮:৪৫ এ তাঁকে দেখতে আসেন এবং রোগীকে তাঁর অধীন হস্তান্তর করেন। লিউকেমিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা, পরবর্তী চিকিৎসার জন্য আরো নির্দিষ্ট পরীক্ষা এবং কয়েক ইউনিট প্লেটিলেট ট্রানস্ফিউশন (রক্ত দেবার মত শুধু প্লেটিলেট দেয়া) এর জন্য বলা হয়। এছাড়া রোগীর এটেন্ডেন্টদের কে রোগীর অসুখের ভবিষ্যত সম্পর্কে জানানো হয়(এ রকম একটা অসুখ ধরা পড়লে এটা খুব গুরুত্বের সাথেই করা হয়)।

রোগীর অবস্থা ১৭ তারিখ দুপুর থেকেই খারাপ হতে থাকে। এজন্য ভর্তির সময় পাওয়া চিকিৎসার সাথে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ স্যার প্রয়োজনীয় নেবুলাইজেশন, এন্টিবায়োটিক, জীবন রক্ষাকারী স্টেরয়েড যোগ করেন। বিকেলের দিকে রোগীর শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে এবং বিকেল পাঁচটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত অক্সিজেন দেয়া হয়। ততক্ষণে রোগীর মাসিকের রাস্তায় রক্তক্ষরণ অনেক বেড়ে যায়(রোগীর এটেন্ডেন্টদের ভাষ্যমতে)। রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ তাৎক্ষণিক রক্ত বন্ধ হওয়ার ওষুধ শুরু করেন(এর আগে দৃশ্যমান রক্তপাত ছিল না, স্বাভাবিক মাসিক ছিল, এমনকি ভর্তির সময় রোগীর ইতিহাস বলার সময় রোগী বা তাঁর এটেডেন্ট কেউ এ ব্যাপারে জানায়নি)। শ্বাসকষ্ট আবার ১১টার দিকে বাড়তে থাকলে পুনরায় অক্সিজেন দেয়া হয়। রাত ১২টার দিকে তাঁকে আইসিইউ তে স্থানান্তর করা হয়(ডকুমেন্ট দেখে অনুমিত, বিকল্প রাত ৪টাও হতে পারে কারণ এরপর আর কোন ডকুমেন্ট পাওয়া যায় নাই)। রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত রোগীকে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রতি ঘন্টায় ফলোয়াপ করেন। এসময় ঘন্টায় ঘন্টায় রোগীর রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমতে থাকে। এসময় রোগীর অবস্থা খারাপ জেনেও রোগীর লোক অক্সিজেন বন্ধ করে দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কে বাধ্য করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর এটেন্ডেন্টদের কাছ থেকে এজন্য রিস্ক বন্ড নেয় যে-রোগীর অবস্থা খারাপ জেনেও অক্সিজেন নিতে রাজী না হওয়া পরবর্তীতে রোগীর কোন অসুবিধা হলে ডাক্তার, নার্স, বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

এরকম একটা রোগীর ভবিষ্যত কি হতে পারে?
কোন চিকিৎসা না নিলে একিউট লিউকেমিয়া ৫ সপ্তাহের মধ্যে মারা যাবে।
সেক্ষেত্রে এমন হতে পারে রোগীর শরীরে এই ক্যান্সারটি আরো মাস খানেক আগে থেকে শুরু হয়েছিল। এবং তীব্র জ্বরের কারণেই রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

রোগীর এত তীব্র জ্বরের কারণ কি ডেঙ্গু না একিউট লিউকেমিয়া?

একিউট লিউকেমিয়ার রোগীর রক্ত জীবানুর সাথে লড়াই করে যে কণিকা(নিউট্রফিল) কম থাকে। দুর্ভাগ্য ক্রমে এই রোগীর রক্তে একটিও ছিল না(সাধারণত শ্বেত রক্ত কণিকার ৭৫ ভাগ থাকে নিউট্রোফিল)। দ্বিতীয় রিপোর্টেও নিউট্রোফিল ছিল মাত্র স্বাভাবিকের ৪ভাগের এক ভাগ ছিল। নিউট্রোফিল এত কম থাকলে একজন রোগীর সারা শরীরে ইনফেকশন ছড়িয়ে যাবে(দুর্ভাগ্য ক্রমে এই রোগীর নিউমোনিয়া ছিল-এক্সরে তে)। নিউট্রোফিল না থাকায় শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়া ইনফেকশনের কারণে তীব্র জ্বর হয়েছিল যাকে সেপ্টিসেমিয়া বলে(যার চিকিৎসা আব্দুল্লাহ স্যার তাঁর অভিজ্ঞতার কারণে শুরু করেছিলেন)। রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ ও তাঁর সাধ্যমত একিউট লিউকেমিয়ার চিকিৎসা শুরু করেছিলেন। আমাদের দুর্ভাগ্য সৃষ্টিকর্তা হয়ত আমাদের প্রচেষ্টার চেয়ে আফিয়ার নিয়তি ঠিক করে রেখেছিলেন। আমরা আফিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

ঠিক এর পরপরই কি হলো?
শুরু হলো চিকিৎসকদের মারধোর।
অন্তত ৩ জন চিকিৎসক(উনাদের সম্মানার্থে লেভেল উল্লেখ করা হলো না) কে মারধোর করা হয়েছে। পরিচালক সহ একজন চিকিৎসককে গ্রেফতার করে থানা হাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঐ হাসপাতাল তছনছ করা হয়েছে। পত্রিকায় নিউজ হয়েছে, বিদেশী পেইড মিডিয়া ভাঙচুরকারীদের বাংলাদেশের জাতীয় বীর হিসেবে টিভি পর্দায় প্রচার করেছে(যেমনটা এক বিশেষ বিদ্রোহের সময় খুনীদের করা হয়েছিল)। পর্দার আড়ালে কিছু হয়েছে কি না জানা নেই।

হ্যাঁ আরো কিছু হয়েছে, তিন জন দায়িত্বশীল চিকিৎসক মিডিয়ায় তিন রকম কথা বলেছে। তবে হ্যাঁ মারমুখী উদ্যত জনতার সামনে, নিজের হাসপাতাল তছনছ হতে দেখলে এরকম ছয় নয় কথা যে কেউ বলবে। স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দায়িত্বশীল একজন মিডিয়ায় বলে বসলেন ডাক্তাররাই তো একেকজন একেক কথা বলে।
আরে ভাই একেক জন একেক কথা তো বলবেই। ডাক্তারি জ্ঞানটাই প্রমাণ নির্ভর। যখন রোগী জ্বর, গায়ে ব্যথা, র‍্যাশ নিয়ে আসছে দুনিয়ার তাবৎ ডাক্তার একে ডেঙ্গুই বলবে(গত ৩ সপ্তাহে ঐ হাসপাতালের রোগী দ্বিগুণ হয়েছে কেবল একই রকম জ্বর ডেঙ্গু আর চিকুনগুনিয়ার কারণে, তবে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ ডেঙ্গুকেই ধারণা করেছিলেন তাঁর পরীক্ষা দেয়া তাই বলে)। কিন্তু রিপোর্ট দেখলে পৃথিবীর যে কোন ডাক্তার একে একিউট লিউকেমিয়া বলবেই। তখন ডেঙ্গু টিকবে না, একিউট লিউকেমিয়া একই রকম জ্বর(কেন হবে আগে উল্লেখ করেছি), গা ব্যথা, র‍্যাশ(মূলত প্লেটিলেট কমে যাওয়ায় চামড়ার নিচে রক্তপাত)। এই অবস্থায় লিটারে লিটার রক্ত দিলেও রোগীর সুস্থ হওয়ার নিদেন পক্ষে বাঁচার সম্ভাবনা নেই(রোগীর সাথে থাকা থার্ড ইয়ার মেডিকেল শিক্ষার্থীর ধারণা রক্ত দিলে রোগীতা বাঁচত বা সময় মত আইসি ইউতে নিলে রোগীটা বাঁচত)। আর রইলো বাকি, ভুল চিকিৎসা হয়েছে বলে হাসপাতালের পরিচালক এবং একজন আইসিইউ এর ডাক্তারের স্বীকারোক্তি-এই রোগীর এটেন্ডেন্ট অর্ধেক রিপোর্ট কেবল প্লেটিলেট এর সংখ্যা এবং জ্বর এইটুকু হিস্ট্রি বললে যে কেউই ডেঙ্গু বলবে সেজন্যে ডাক্তার হওয়া লাগে না। ডেঙ্গুর চিকিৎসা শুরু থেকেই চলছিল। পৃথিবীতে এমন কোন ইঞ্জেকশন ডাক্তাররা ব্যবহার করে না যেটা দিলে রোগী সাথে সাথে মরে যাবে।

ষড়যন্ত্র তত্বমতে, সরকারী হাসপাতাল, বারডেম, ল্যাব এইড, এপোলো, ইউনাইটেডের পর যে বাংলাদেশী হাসপাতালটা আক্রান্ত হবার কথা সেটি সেন্ট্রাল হাসপাতাল। ষোলকলা পূর্ণ হতে আর যেগুলো বাকি আছে গুণে রাখেন, যেখানে বিশেষ দেশের(পড়ুন ভারত) থার্ড ক্লাস মাত্র পাশ করে আসা ডাক্তারকে চেম্বারের জন্য বেতন দিয়ে না রাখা হবে সেখানে একটি দুঃখজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমাদের মিডিয়া সর্বশক্তি দিয়ে নামবে, পর্দার আড়ালে দরকষাকষী হবে এবং বাংলাদেশের সর্বশ্রদ্ধ্যেয় চিকিৎসক, সকল আন্ডারগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষার্থীদের শিক্ষক, একুশে পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক ডাঃ এবিএম আব্দুল্লাহ স্যারের মত অধ্যাপকদের ধানমন্ডি থানায় দায়েরকৃত এজাহারের এক নাম্বার আসামী করা হবে।

As predicted, after Intern, after Honorary, after midlevel and associate professors BLAME GAME DEFAMATION Strategy has started with professors and এবং শুরুটা হলো দেশের সেরা অধ্যাপককে দিয়েই।

হ্যাঁ বাংলার মানুষ দৌড়ান,
দৌড়ান সেই দেশে যেখানে ভালো চিকিৎসা হয়,
দৌড়ান সেই দেশে যারা ব্যবসার জন্য বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবা ধ্বংস করে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ অন্তত এই একটা বার তিনি যৌক্তিক কোন কথা বলেছেন,
বাকি অধ্যাপক স্যারদের কাছে অনুরোধ, সবাই কিন্তু অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ নন, শুনছেন তো এবার আপনার পালা...

বিদ্রঃ বাংলাদেশের মানুষ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ স্যার সেই মানুষ যে এখনো দিনে যতগুলো রোগী ৩০০টাকা ভিজিট (!), হ্যাঁ আবার পড়ুন ৩০০টাকা ভিজিট(!) দিয়ে দেখে ততগুলো রোগী ফ্রি(!), হ্যাঁ আবার পড়ুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ১৬০১ নাম্বার রুমে দৈনিক ফ্রি দেখেন। কারো কোন রেফারেন্স ছাড়াই, প্রতিদিন যতক্ষণ তিনি ঐ রুমে বসেন রুমের বাইরে যেই স্যারকে দেখাতে চায় তাঁকে তিনি দেখে দেন বিনা ফিতে।
আর হ্যাঁ বাংলাদেশের সকল চিকিৎসক, শুক্রবার দিন আব্দুল্লাহ স্যার সেই ১৬০১ এ সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ঢুকে বসে বসে আপনাদের জন্য শর্ট কেসের নতুন এডিশন লেখে বা লং কেসের পর নতুন বই লেখে। কৃতজ্ঞত্তা দেখানোর এখনি সময়...

স্বত্বঃ প্ল্যাটফর্ম

Photos 08/02/2017

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের উপর হামলা এবং মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্রে মহান চিকিৎসা পেশা সম্পর্কে মিথ্যাচার এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরুপ ছবিটি সকল সচেতন নাগরিক, মেডিকেল ছাত্র-ছাত্রী, মেডিসিনিয়ান ও শুভানুধ্যায়ীবৃন্দকে প্রোফাইল পিকচার দেয়ার জন্য আন্তরিক অনুরোধ ও আহ্বান করা হচ্ছে।।।

Photos 17/12/2016

Medicine Club Units all around the Bangladesh.

Photos 14/12/2016

#আসুন_শীতার্তদের_পাশে_দাঁড়াই

প্রতিবছরের মত এবছরও মেডিসিন ক্লাব,রংপুর মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে উত্তরাঞ্চলের অসহায়,দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছে।

মেডিসিন ক্লাবের সকল সম্মানিত উপদেষ্টা,কার্যকরী সদস্য,সাধারণ সদস্য ও সকল শুভানুধ্যায়ীসহ সমাজের সকল সামর্থ্যবান সহৃদয় ব্যক্তিবর্গের কাছে আমাদের আকুল প্রার্থনা, আসুন, শীতার্থদের পাশে দাঁড়াই, এই তীব্র শীতে তাদের মুখে হাসি ফোটাই আর আবারো প্রমান করি,

"মানুষ মানুষের জন্য,
জীবন জীবনের জন্য"

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ
মেডিসিন ক্লাব, রংপুর মেডিকেল কলেজ ইউনিট
বিকাশ নাম্বার: ০১৬১৬৫০৫৪০৪

Photos from Medicine Club Volunteers's post 04/10/2016

১লা অক্টোবর বিশ্ব প্রবীণ দিবস। জাতিসংঘের উদ্যোগে এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয় প্রতি বছর।

জাতিসংঘের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী- ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বিশ্বে বুড়ো মানুষের সংখ্যা বাড়বে অন্তত দুই গুণ আর ২০৫০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে তিন গুণ। অবশ্য বুড়ো মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির এই ধারা কেবল যে উন্নত দেশগুলোতেই হবে তা নয় বরং ২০৫০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা শতকরা ৭২ ভাগ বাড়তে পারে। বর্তমানে ৬০ বছরের বেশি বয়সের বৃদ্ধদের তিন জনের মাঝে অন্তত ২ জন উন্নয়নশীল বিশ্বের বাসিন্দা। ২০৫০ সাল পর্যন্ত এই হার গিয়ে দাঁড়াবে প্রতি পাঁচ জনের মাঝে চার জনে। কিন্তু এই বয়োবৃদ্ধ জনসংখ্যার জীবনমান কতোটা সন্তোষজনক সেটা ভাববার বিষয়।

প্রবীণদের আর্থ-সামাজিক অবস্থান বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে সব ধরণের সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণ করে। মূলত আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণেই প্রবীণরা পরিবারে ও সমাজে উপেক্ষা, অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হন। তারা গণ্য হন অপ্রয়োজনীয় এবং পরিবার ও সমাজের বাড়তি বোঝা হিসাবে। আর্থ-সামাজিক অবস্থান অথ্যাত উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্তও নিম্নবিত্ত এই তিনটি অবস্থানে প্রবীণদের ভূমিকাও ভিন্ন ভিন্ন। উচ্চবিত্ত সমাজে প্রবীণদের সমস্যা তুলনামূলক কম। আর্থিক স্বচ্ছলতার কারণে তাদের মনোবল দৃঢ় থাকে। পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে বরং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়। তবে সন্তানরা নিজস্ব কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় একাকীত্ব ও মানসিক নিঃসঙ্গতা থেকে মুক্ত হওয়া প্রবীণের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে।

গ্রামে বা শহরে স্বচ্ছল প্রবীণরা পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন, ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে নিজেদের ব্যস্ত রাখেন। মধ্যবিত্ত সমাজে অর্থনৈতিক অস্থিরতা তাদেরকে সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত করে। আর্থিকভাবে সন্তানের মুখাপেক্ষি হয়ে নিজেদের ব্যস্ত থাকতে হয়। বাজার করা, নাতি-নাতনীকে স্কুলে আনা-নেয়া ও পড়ানো ইত্যাদি তাদের অন্যতম দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়। মধ্যবিত্ত প্রবীণরাও বিভিন্ন পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তবে নিম্নবিত্ত বা দরিদ্র প্রবীণরা যতদিন শারীরিক ক্ষমতা থাকে ততদিনই উপার্জনে নিয়োজিত থাকেন। কিছু প্রবীণ সম্পূর্ণরূপে সন্তাদের ওপর নির্ভরশীল থাকতে বাধ্য হন।

প্রবীণ ব্যক্তিদের প্রধান সমস্যাবলির মধ্যে একটি অন্যতম সমস্যা হলো স্বাস্থ্যগত সমস্যা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিতে থাকে শারীরিক নানান জটিলতা। হারাতে থাকে কর্মক্ষমতা। মস্তিষ্কও হতে থাকে দুর্বল। অনেকেই আক্রান্ত হয় অ্যালজাইমারস রোগে। এই রোগে মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করে না। সবকিছু দ্রুত ভুলে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। জরিপ বলে, ৬৫ বছর বয়সী ৬৫ জনের মধ্যে একজন এবং ৮৫ বছর বয়সীদের অর্ধেকই অ্যালজাইমার্স রোগে ভোগেন। আবার গবেষণায় দেখা গেছে, বার্ধক্যে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক ভাবনার প্রবণতা বাড়তে থাকে। ফলে সব কিছুকে ভালো চোখে দেখা ও সহজভাবে নেয়ার ক্ষমতাও তাদের বাড়ে। এতে নিজের অবস্থান সম্পর্কেও তাদের মধ্যে সন্তুষ্টি কাজ করে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি আসলে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর ওপর শরীর-স্বাস্থ্য ও সুখী বা অসুখী হওয়া- অনেক কিছুই নির্ভর করে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইতিবাচকতার ওপর জোর দেয়া।

আমাদের দেশে বয়স্ক মানুষের একটা বড় অংশ স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে চরমভাবে অবহেলার শিকার। এমনকি নির্যাতিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে বর্তমানে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক নানা পরিবর্তনের ফলে যৌথ পরিবারগুলোভেঙে যাওয়ায় প্রবীণরা হারাচ্ছেন তাদের সহানুভূতি, বাড়ছে অবহেলা আর তারা শিকার হচ্ছেন বঞ্চনার। হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের যৌথ এক গবেষণায় উত্তরদাতাদের মধ্যে ৮৮% মনে করেন তারা মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার। এর মধ্যে ৮৩.৩% মনে করেন যে তারা কোনো নাকোনোভাবে অবহেলার শিকার, ৫৪.৪%অর্থনৈতিক নির্যাতন এবং ৩৯.৬% হচ্ছেন শারীরিক নির্যাতনের শিকার যার মধ্যে ৫৪.৫% নারী প্রবীণ। এই গবেষণায় আরো পাওয়া যায় যে, অধিকাংশ প্রবীণ একসঙ্গে একাধিক নির্যাতনেরও শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশে পুরুষ প্রবীণদের চেয়ে নারী প্রবীণরা অধিক নির্যাতনের শিকার বলে এই গবেষণাকর্ম ইঙ্গিত প্রদান করছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই প্রবীণদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার প্রবীণ ব্যক্তিদের সমস্যাগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আসছে। ১৯৯৮ সাল থেকে দেশের দরিদ্র প্রবীণদের জন্য সীমিত আকারে হলেও ‘বয়স্ক ভাতা’ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। সরকার অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন ব্যবস্থা সহজীকরণ ও সুবিধাদি বৃদ্ধি করেছে। প্রবীণদের অধিকারের বিষয়ে ২০১৩ সালে একটি নীতির অনুমোদন হয়। এ ছাড়া পিতা-মাতা ভরণ-পোষণ আইনও হয় ২০১৩ সালেই। কিন্তু ছেলেমেয়ের ওপর বাধ্যবাধকতা থাকলেও সাধারণত সন্তানদের বিরুদ্ধে মা-বাবারা আইনের সাহায্য নিতে চান না। এ ছাড়া অধিকাংশ মানুষ এই আইন সম্পর্কে অবগতও নন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রবীণদের বৃহত্তর স্বার্থে, অর্থাৎ প্রবীণদের অধিকার, উন্নয়ন এবং সার্বিক কল্যাণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন।

Photos from Medicine Club Volunteers's post 27/09/2016

২৮ সেপ্টেম্বরঃ বিশ্ব
জলাতঙ্ক দিবস(World Rabies Day)আজ। জেনে নেয়া যাক জলাতঙ্ক সম্পর্কে কিছু তথ্য।

জলাতংক বা (ইংরেজি : Rabies)
জলাতঙ্ক হল ভাইরাস ঘঠিত এক ধরনের
জুনোটিক রোগ (অর্থাৎ এই রোগ টি প্রানী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায়)। এই রোগ সাধারনত গৃহপালিত প্রানী ও বন্য প্রানীদের প্রথমে সংক্রমিত করে, মানুষ এই প্রানী গুলির বা এদের লালার সংস্পর্শে আসলে বা এই প্রানী গুলি যদি মানুষকে কামড়ায় তাহলে এই রোগ মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। জলাতংক রোগ আন্টারকটিকা ছাড়া প্রায় সব মহাদেশেই দেখা গেছে। জলাতংক রোগের জন্য প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৫৫০০০ লোকের মৃত্যু ঘটে।

জলাতঙ্কের লক্ষণ:

মস্তিষ্কে রেবিস ভাইরাস যখন ছড়িয়ে পড়ে তখনই রেবিসের লক্ষণগুলো দেখা দিতে থাকে। প্রথম দু-তিন দিনের মধ্যে গা ম্যাজ ম্যাজ করা, মাথা ব্যথা, অবসাদ, বমিভাব, খিদের অভাব, জ্বর ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
অনেক ক্ষেত্রে দংশন স্থানে চুলকায়, ব্যথা করে, ঝিন ঝিন করে। এর পরের পর্যায়ে রোগী শব্দ, ঠান্ডা বাতাস সহ্য করতে পারে না। রোগী কোনও প্রকার তরল পদার্থ গিলতে পারে না। রোগীর মানসিক অস্থিরতা এবং কখনও কখনও ঝিমিয়ে পড়ার ভাব দেখা যায়। লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে তীব্র খিঁচুনি ও পক্ষাঘাতে রোগীর মৃত্যু হয়। জলাতঙ্কের লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে গেলে সে রোগীকে বাঁচানোর কোনও টিকা বা ওষুধ চিকিৎসাবিজ্ঞানের জানা নেই। কিন্তু এ রোগ প্রতিরোধের টিকা (Anti-rabies vaccine-ARV) মানুষের করায়ত্ত। কুকুর বা বন্যপ্রাণী কামড়ালে (যে ক্ষেত্রে সম্ভব) জেনে নিতে হবে প্রাণীটি রেবিস আক্রান্ত ছিল কি না? রেবিস আক্রান্ত হলে দ্রুত ভ্যাকসিন নিতে হবে। আর প্রাণীটি রেবিস আক্রান্ত কি না জানা সম্ভব না হলে (রাস্তার কুকুর বা বন্যপ্রাণী কামড়ালে) অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শমতো ভ্যাকসিন নিতে হবে। কোন কুকুরটি রেবিসে আক্রান্ত তা জানার জন্য রেবিস আক্রান্ত কুকুরের রোগ লক্ষণ জানা জরুরি।

রেবিস আক্রান্ত কুকুরের দু’ ধরনের লক্ষণ দেখা যায়:

১) উন্মত্ত আচরণ, অস্বাভাবিক ভাবভঙ্গি, উদ্দেশ্য ছাড়াই ছুটে বেড়ানো, বিকৃত ক্ষুধা, বিকৃত আওয়াজ করা, শরীরে কাঁপুনি, বিনা প্ররোচনায় কামড়ানো, মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, ডাক কর্কশ হওয়া, পক্ষাঘাতে পায়ের ভারসাম্য হারানো, অবশেষে শ্বাসকষ্ট হয়ে মৃত্যু।
২) মৌন আচরণ : নিস্তেজ হয়ে ঝিমোতে থাকা, বিকৃত স্বরে ধীরে ধীরে ডাকা, মানুষের চোখের আড়ালে থাকা, শরীরে কাঁপুনি ও পক্ষাঘাত দেখা দেওয়া এবং সব শেষে মুত্যৃ। সাধারণত রোগ লক্ষণ প্রকাশের সাত দিনের মধ্যেই কুকুরটি মারা যায়। যদি কামড়ানোর ১০ দিনের মধ্যে লক্ষণগুলো প্রকাশিত না হয়, তবে কুকুরটি রেবিসে আক্রান্ত নয় বলে মনে করতে হবে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই এবং ভ্যাকসিনও নিতে হবে না। কিন্তু যদি কামড়ের সংখ্যা ও তীব্রতা বেশি হয় অথবা হাত, মাথা, মুখ ও ঘাড়ে কামড়ায় তবে সাথে সাথে ভ্যাকসিন নেওয়া শুরু করে ১০ দিন পর কুকুরটি সুস্থ থাকলে ভ্যাকসিন বন্ধ করা যেতে পারে। জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন প্রথম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর।

জলাতঙ্কের চিকিতসা:

জলাতঙ্কের চিকিৎসা বিশ্ব স্বাস্থ্য বিধি অনুসারে চিকিৎসকরা তিনটি ধাপে করে থাকেন চিকিৎসকরা —

ক্যাটাগরি-১ ঃ-
যদি ত্বকে কোনো ক্ষত না থাকে এবং রেবিড পশুযদি জিহ্বা দিয়ে চাটে তাহলে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বরং ভাল এয়ান্টিসেপ্টিক কিছু দিয়ে জিবানু মুক্ত করে ধোয়া উচিৎ ।

ক্যাটাগরি-২ ঃ-
যদি পশুরআঁচড়ের দাগ দেখা যায় তবে কোনো রক্তক্ষরণের ঘটনা না ঘটে তাহলে ভ্যাকসিন দিতে হবে। ভ্যাকসিন দিতে হয় ৫টি। পশুকামড়ানোর পরপরই টিকা নেওয়া উচিত এবং তা ৫ দিনের মধ্যে নিলে সবচেয়ে ভাল ।
ভ্যাকসিনের সময় সুচি ঃ- টিসিভি এর বর্তমান ডোজ ০.১ মিলি করে তুবে দুই বাহুতে ১ম দিন, ৩য় দিন, ৭ম দিন ও ২৮তম দিনে দিতে হয়। প্রেগন্যান্ট মহিলাকেও এটি দেয়া যাবে।

ক্যাটাগরি-৩ঃ-
যদি ত্বকের ক্ষত স্থানে কামড়ের দাগ পাওয়া যায় ও প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় তাহলে টিকার পাশাপাশি হিউম্যান রেবিস ইমিউনোগ্গ্নোবিউলিন দিতে হয়।
পশুআঁচড়বা কামড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে কাপড় কাচা সাবান দিয়ে ১৫ মিনিট ধরে ধুতে হবে। মনে রাখবেন ক্ষতস্থানে কোন সেলাই দিবেন না বা বরফ, চিনি, লবন ইত্যাদি ক্ষারক পদার্থ ব্যাবহার না করা ভাল । শুধুঅতিরিক্ত রক্তপাত হলে সেটি বন্ধের ব্যবস্থা নিবেন- সেকেন্ডারি ক্লোজার হিসাবে ।
প্রথম ডোজের ভ্যাক্সিন দেয়ার সাতদিনের মাঝেই এটা দিতে হবে। এটি ক্ষতস্থানে (২০IU/Kg maximum 1500IU) ইনফিল্ট্রেট করে দেয়া হয় বা ডেলটয়েড মাসলে ও দেওয়া যায় । সেই সাথে চিকিৎসক চাইলে – অবশ্যই টেটেনাস ভ্যাকসিন- এন্টিমাক্রোভিয়েল ড্রাগস ইত্যাদি দিতে পারেন তবে অনুরোধ থাকবে রেবিস ইমিউনোগ্গ্নোবিউলিন দেওয়ার আগে এলারজি রিয়েকশন টেস্ট করে নেওয়ার ( অন্তত এড্রিনালিন, এফেড্রিন, এভিল ইত্যাদি এন্টি-এলারজেটিক এম্পোল গুলো যেন সাথে থাকে )

সাবধানতা এবং সচেতনতাই এই মরণব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়ার সর্বোত্তম উপায়।

Photos 13/04/2016

সম্মানিত উপদেষ্টাবৃন্দ, সকল মেডিসিনিয়ান ও স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের মেডিসিন ক্লাবের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। নতুন বছরের জন্য শুভ কামনা রইল সকলের জন্য।

Photos 07/04/2016

আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এ দিনে একই সাথে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৪৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়, ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এই সংগঠন আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। এইদিন " বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস " বলে নির্ধারিত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত প্রতিপাদ্যের আলোকে বাংলাদেশও এবছর দিবসটি উদযাপন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করুণ : ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে রাখুন’।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৮০ লক্ষ লোক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য মতে ২০১৫ সালে প্রায় ৭১ লক্ষ লোক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিল। দেশে ৩৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষ ডায়াবেটিসের শিকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশংকা করছে যে আগামি ২০৩০ সালের মধ্যে মৃত্যুর প্রধান সপ্তম কারণ হবে ডায়াবেটিস। এ রোগে শতকরা আশি ভাগ মৃত্যু হচ্ছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশ গুলোতে

উপযুক্ত খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ৩০ মিনিট হাটাঁ, শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রন, মানসিক প্রশান্তি, নিয়মিত ঔষধ সেবন, চেকআপ করার মাধ্যমে ডায়াবেটিস জনিত স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়।

Photos 02/04/2016

আজ বিশ্ব অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা দিবস।অন্যান্য দেশের ন্যায় আমাদের দেশেও এ দিবস টি পালিত হচ্ছে। চলুন জেনে নেই অটিজম সম্পর্কে কিছু তথ্য।

অটিজম কি?
অটিজম' শব্দটি গ্রীক শব্দ Autos থেকে এসেছে। যার ইংরেজী হলো Self এবং বাংলা অর্থ স্বয়ং বা স্বীয়। আর ইংরেজী Autism এর বাংলা অর্থ আত্মসংবৃতি বা মানসিক রোগ বিশেষ। এ রোগে আক্রান্ত শিশুরা অস্বাভাবিকভাবে নিজেদেরকে গুটিয়ে রাখে নিজের মধ্যে। এজন্য এরোগটির নাম হয়েছে অটিজম। আগে অটিজমকে সিজোফ্রেনিয়া বলে ভুল করা হতো।

১৯৪৩ সালে আমেরিকার মনোরোগ বিশেষজ্ঞ লিও ক্যানার সর্বপ্রথম মনস্তাত্ত্বিক সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে রোগটি শনাক্ত করে অটিজম শব্দটি ব্যবহার করেন।

দ্য আমেরিকান হেরিটেজ ডিকশনারি অব দ্য ইংলিশ ল্যাগুয়েজ এর সংজ্ঞা অনুযায়ী- "অটিজম হলো, শিশুর ব্যাপক বিকাশজনিত অসমর্থতা, যার বৈশিষ্ট্য হলো সামাজিক মিস্থক্রিয়া ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রবল ঘাটতি এবং ক্রিয়াকলাপ ও মনোযোগের চরম সীমাবদ্ধতা এবং পুনরাবৃত্তি নির্দিষ্ট কিছু আচরণ।

অটিজম একটি শিশু বিকাশ বাধাজনিত রোগ। অটিস্টিক শিশুর বিকাশ তিনটি ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হয়। যেমন-
১. সামাজিক মিথস্ক্রিয়া (social Interaction): অন্য কোন ব্যক্তির প্রতি আগ্রহ না থাকা, কেকি করছে তা নিয়ে কৌতুহল না থাকা, অন্যের আচরণবুঝতে না পারা।
২. যোগাযোগ (Communication): কথা বলতে না শেখা, কোনোমতে কথাবলা, কথা বলতে পারলেও অন্যের সাথে আলাপচারিতা করতে সমর্থ না হওয়া।
৩. আচরণের ধরণ (Pattern of Behaviors): পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ করা,একই কাজ বার বার করা।

অটিজমের কারণ:
বিজ্ঞানের এত জয় যাত্রার যুগেও শিশুর এমন সমস্যা কেন হয়? এ সত্যটি এখনও আবিস্কৃত হয়নি। গবেষকরা এবিষয়ে কাজ করে যাচ্ছেন,কেউ কেউ মনে করেন,অটিজমের পিছনে দু'টি কারণ রয়েছে,
১. জিনগত সমস্যা
২. পরিবেশের বিষাক্ত উপকরণ। অটিজমে আক্রান্ত শিশুর DNA জিনে Copy number of variant (CNV) নামক ত্রুটি বহন করে। পরিবেশের বিষাক্ত উপকরণ জিনের উপর কাজ করে স্নায়ুকোষ ধ্বংস করে। বিষাক্ত গর্ভের শিশু এবং শিশুর বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ের ব্রেইনের স্নায়ুকোষকে ধ্বংস করে। যেসব রাসায়নিক দ্রব্য অটিজমের জন্য দায়ী তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, মার্কারী, লেড, Pesticides.18মা ধুমপান করলে, মদ খেলে, ক্ষতিকর ঔষধ খেলে অটিস্টিক শিশুর জন্ম হয়।১২উন্নত বিশ্বের গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল থেকে জানা যায় যে,৭৫ - ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে অটিজমের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনও সঠিক কোন কিছু জানা যায়নি। তবে অনেকে মনে করেন, এটি কেবল নিউরোলজিক্যাল বা ব্রেনের সমস্যা। ২০-২৫ ভাগ ক্ষেত্রে কিছু কিছু কারণ মনে করা হয়।১৬১. মস্তিস্কের কোন রূপ গঠনগত ত্রুটি,২. মস্তিস্কের অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক ক্রিয়া,৩. মস্তিস্কের নিউরোকেমিকেলের অসামঞ্জস্যতা,৪. শিশুর জন্মপূর্ব বা জন্মপরবর্তী কালের কোনরূপ সংক্রমন ব্যাধি,৫. জিন অথবা ক্রোমোজমগত অস্বাভাবিকতা,৬. অন্তক্ষরা গ্রন্থির হরমোন নিঃসরণে অসামঞ্জস্যতা।

অটিজম এবং বাংলাদেশ:
বাংলাদেশে অটিজমের ভয়াবহ রূপ হল, চিকিৎসা বিভ্রাট ও অপচিকিৎসা। অটিজম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবে চিকিৎসকেরা একে জটিল মানসিক ব্যাধি মনে করে থাকেন। ফলে চিকিৎসার পরিণতি অটিস্টিক শিশুর স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গ্রামের, অশিক্ষিত দরিদ্র ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনগোষ্ঠী অপচিকিৎসা ও প্রতারণার শিকার হয়। প্রতারকরা অটিজমকে জিন-ভূতের আক্রমণ বলে ঝাড়ফূঁক ইত্যাদির মাধ্যমে কিছু টাকা হাতিয়ে নেয়। শিক্ষিত ও সচেতন পরিবারের পিতামাতা অটিস্টিক শিশুর চিকিৎসায় অনেক ব্যয় করে এক সময় হতাশায় ভোগেন।
কিন্তু বিশেষ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, পিতা-মাতা ও আপনজনদের শ্রম ও যত্ন এবং এই রোগের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সহায়ক দলের একত্রে কার্যক্রমে শিশুর বিকাশ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হলেও একটি শিশুকে স্বাধীন জীবন-যাপন করার মত পর্যায় আনা সম্ভব হয়। আর এজন্য যা করণীয় তা হচ্ছেঃ
এ ধরনের শিশুর বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণে রমাধ্যমে শিশুটিকে সার্বক্ষনিক সহায়তা প্রদান। কিছু ঔষধপত্র প্রয়োগ যা তার অন্যান্য শারীরিক অসুবিধা দূরীকরণে সহায়তা করে।
দ্রুততার সাথে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া যা শিশুটির ভাষা বিকাশ, সামাজিক বিকাশ,স্বাবলম্বিতার বিকাশ, বিশেষ দক্ষতার বিকাশ এবং অন্যান্য স্বকীয়তা অর্জনে সহায়তা করবে।

Photos 17/03/2016

আজ বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬তম জন্মবার্ষিকী।

বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন- আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ভবিষ্যতে দেশ গড়ার নেতৃত্ব দিতে হবে আজকের শিশুদেরই। তাই শিশুরা যেন সৃজনশীল মুক্তমনের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে- তিনি সব সময়ই সেটা চাইতেন। তাইজাতির জনকের জন্মদিনকে শিশু দিবস হিসেবে পালন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

শিশুদের কথা চিন্তা করে তাদের কল্যাণে তিনি ১৯৭৪ সালের ২২ জুন জাতীয় শিশু আইন (চিলড্রেন অ্যাক্ট) জারিকরেন। এই আইনের মাধ্যমে শিশুদের নাম ও জাতীয়তার অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

শিশুদের নিয়ে যার এত চিন্তা তাঁর জন্মদিনেই অর্থাৎ ১৭ মার্চ আমাদের জাতীয় শিশুদিবস। ১৯৯৬ সালে তার কন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে এদিনকে জাতীয় শিশুদিবস ঘোষণা করেন।যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে সারাদেশে নানা অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা , শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগীতা আয়োজনের মাধ্যমে এ দিনটি পালিত হয়।

Photos 20/02/2016

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকল ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং মেডিসিন ক্লাবের সকল উপদেষ্টা, কার্যকরী ও সাধারণ সদস্য, শুভানুধ্যায়ী এবং স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

Want your business to be the top-listed Government Service in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Rangpur
5400

Opening Hours

Monday 18:00 - 21:00
Tuesday 18:00 - 21:00
Wednesday 18:00 - 21:00
Thursday 18:00 - 21:00
Friday 18:00 - 21:00
Saturday 18:00 - 21:00
Sunday 18:00 - 21:00