28/09/2025
আজই সংগ্রহ করুন-
উত্তরবঙ্গের ইতিহাস-ঐতিহ্য সংগ্রহ ও প্রকাশকেন্দ্র অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণকারী উত্তরাঞ্চলের প্রথম প্রকাশনা সংস্থা ও গবেষণা কেন্দ্র
28/09/2025
আজই সংগ্রহ করুন-
Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.
Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.
20/09/2025
প্রিয় লেখক/লেখিকা,
অমর একুশে বইমেলার প্রাঙ্গণ আবারও প্রাণবন্ত হতে চলেছে। মেলা শুরু ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি ২০২৬— এবার একটু আগেই। দেরি না করে জমাদিন আপনার মেধা ও মননের নতুন ফসল— গল্প, উপন্যাস, কবিতা, ছড়া, লোকসাহিত্য, গবেষণা, প্রবন্ধ-নিবন্ধ— যা নতুন সাহিত্যধারা, গভীর চিন্তা ও স্বাধীন চেতনার বাতাস ছড়াতে পারে।
আপনাকে আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি পাণ্ডুলিপি জমা দেওয়ার জন্য।
চলুন, ক্রীতদাশের হাসি না হেসে বরং শীতের হিম উপেক্ষা করে একসাথে ছড়াই সৃষ্টির উষ্ণ বাতাস, মুক্ত করি মগজের বন্ধ্যাত্ব রোগ...
14/09/2025
আসছে রানা মাসুদের ১৬তম বই “আলোর দীপ” দ্বিতীয় খণ্ড-
রংপুরের আকাশে বহু নক্ষত্রের আলো ছড়িয়ে আছে—কেউ দীপ্ত, কেউ ক্ষীণ, আবার কারও আলো সময়ের কুয়াশায় ঢাকা পড়ে গেছে। কবি, কথাসাহিত্যিক ও ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার রানা মাসুদ সেই আলোকবিন্দুগুলোকে একত্র করে গড়ে তুলেছেন এক অনন্য গ্রন্থ— ‘আলোর দীপ’।
প্রথম খণ্ডে তিনি আমাদের উপহার দিয়েছিলেন রংপুরের ৩৭ জন জীবিত গুণীজনের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তাঁদের কীর্তি ও সংগ্রামের কাহিনি ছিল যেন প্রজন্মের জন্য অনন্ত প্রদীপ। আজ তাঁদের অনেকেই আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁদের স্মৃতি ও আলোকচ্ছটা অমলিন থেকে গেছে।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আবারও রচনা করছেন ‘আলোর দীপ’—দ্বিতীয় খণ্ড। এটি কেবল স্মৃতিচিত্র নয়, বরং একটি সেতুবন্ধন—অতীতের সঙ্গে বর্তমানের, অভিজ্ঞতার সঙ্গে স্বপ্নের, প্রজ্ঞার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের। এই গ্রন্থের প্রতিটি পৃষ্ঠা যেন হয়ে উঠবে আলোর সেতু, যেখানে গুণীজনদের জীবন আমাদের শেখাবে কীভাবে অন্ধকার পেরিয়ে দীপ্ত ভবিষ্যতের দিকে এগোতে হয়।
আইডিয়া প্রকাশন গর্বের সঙ্গে এই আলোকযাত্রার সহযাত্রী হলো। আমাদের বিশ্বাস, ‘আলোর দীপ’ দ্বিতীয় খণ্ড হবে কেবল রংপুর নয়, সমগ্র বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক দীপ্তিমান দলিল—যেখানে প্রতিটি জীবনকথা পাঠকের হৃদয়ে জ্বালাবে আশা, প্রেরণা ও মানবতার দীপশিখা।
02/09/2025
কবি আহসান ইমাম এর ৩টি নতুন বই পাওয়া যাচ্ছে-
in Culture Context of Bangladesh (প্রবন্ধ)
#হ্যালিটোসিস (কবিতা)
#নেক্রাফাইল (কবিতা)
আহসান ইমাম বর্তমানে শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি কম্পেনডিয়াম, জার্নি, স্পেশাল আই, আ্যাওয়ারনেস, মিশন কাশ্মির নামে পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন যা নেপাল, ভারত, ভুটান, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে।
তাঁর অন্য বই:
কবিতা- এলেবেলে;
প্রবন্ধ- বিম্বিতস্বর;
29/07/2025
আপনাকে আমন্ত্রণ
22/07/2025
22/06/2025
তিস্তাপারের কবি হাবিবুর রহমানের স্মরণে “তিস্তাপারের গল্পকথা”র মোড়ক উন্মোচন
সদ্যপ্রয়াত কবি এ.এস.এম. হাবিবুর রহমান স্মরণে সাহিত্য-সংস্কৃতি ও সামাজিক সংগঠন ‘ফিরেদেখা’ আয়োজন করে তাদের ৩৫৯তম মননপাঠের আসর।
২১ জুন ২০২৫, শনিবার সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর আইডিয়া পাঠাগারে অনুষ্ঠিত হয় এই বিশেষ স্মরণসভা, যার শিরোনাম ছিল "তিস্তাপারের গল্পকথায় হাবিবুর রহমান"।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রয়াত কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মোড়ক উন্মোচন করা হয় কবির স্মৃতিনির্ভর গ্রন্থ “তিস্তাপারের গল্পকথা”।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বিশিষ্টজনেরা বলেন, এ গ্রন্থে হাবিবুর রহমান তুলে ধরেছেন তিস্তাপারের জনজীবন, নদীমাতৃক প্রকৃতির অন্তরঙ্গ রূপ এবং প্রান্তিক মানুষের সুখ-দুঃখ, গান-বাজনা ও লোকাচারের মর্মস্পর্শী ছবি।
বইটির পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে ভাওয়াইয়া কিংবদন্তি কছিমুদ্দীন, লেখক সুফী মোতাহার হোসেনসহ বহু গুণীজনের স্মৃতিচারণা। প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনের আন্তঃসম্পর্ক বইটিকে করে তুলেছে এক অনন্য সাংস্কৃতিক দলিল।
আসরে প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোহাম্মদ শাহ আলম এবং রংপুর আরআরএফ-এর কমান্ড্যান্ট ও লেখক মো. আব্দুর রাজ্জাক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক মনোয়ারা বেগম এবং সাবেক অতিরিক্ত সচিব এস.সি. খান।
স্মৃতিচারণায় অংশগ্রহণ করেন:
রংপুর সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মামুন উর রশীদ
কবি সুনীল সরকার
টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষক বাবুল সরকার
কবি মাসুম মোরশেদ
কবি ও সংস্কৃতিকর্মী আল আমিন ইসলাম
নীল রতন সরকার
মোজাম্মেল হক
শফিকুল ইসলাম আবির
নাজমুল হক প্রমুখ।
আসরের স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কবি ও প্রকাশক সাকিল মাসুদ,
আর সভাপতিত্ব করেন গবেষক ও লেখক তাপস মাহমুদ।
‘ফিরেদেখা’র এই মননপাঠের আসর ছিল এক গভীর শ্রদ্ধা, স্মৃতি ও সাহিত্যভক্তির সন্ধ্যা—যেখানে ভাষার বাঁকে বাঁকে ফিরে এসেছেন তিস্তাপারের কবি হাবিবুর রহমান।
উত্তরবঙ্গের ভাষার নামকরণ ও নান্দনিক বিতর্ক
বংশীবাদক রাজকুমারের অন্ধকার
সাকিল মাসুদ
এই শহরের কোণে কোণে, দিনের আলো ধুলো হয়ে মিশে যায় রাস্তায়। এর মাঝেই নানা জীবনের বর্ণাঢ্য মিছিল চলে। ধুলো, বালি, কোলাহল আর আলো-ছায়ার খেলা খেলতে খেলতেই মানুষ প্রতিদিন নিজেকে হারায়, আরেকটা মুখোশ পরে।
মানুষেরা যখন মোহে ডুবে, স্বার্থে বিভোর, তখনই শহরের এক প্রান্তে বাঁশি হাতে ঘুরে বেড়ায় এক রাজকুমার।
তিনি কোনো মোহগ্রস্ত মানুষ নন।
বরং নির্মোহ, নির্লিপ্ত—শহরের প্রাসাদের অলিগলি আর চোরাপথই যেন তাঁর রাজ্যের বিলাসী উদ্যান।
রাজকুমারের চোখে কখনো আলোর ঝলকানি ছিল না।
তিনি কোনোদিন দেখেননি এই পৃথিবীর প্রতারক মুখগুলো।
দেখেননি তাদের, যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না, যারা প্রতিদিন নতুন মুখোশ পরে।
সমাজ, রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি—এসব তার কাছে যেন শব্দমাত্র। ভোরের খবর কিংবা টিভি পর্দার কৃত্রিম দুনিয়া তার কাছে এক অপরিচিত ভ্রম।
রাষ্ট্র তার দায়িত্ব নেয়নি। সমাজ তাকে স্বীকার করেনি। কিন্তু তবুও দিন চলে যায়।
রাজকুমার কারও কাছে কিছু চাননি।
চাইলেই পারতেন—এই শহরে কত সম্মানিত, সুস্থ, সবল মানুষও তো জীবনের চাপে হাত পাতে।
কিন্তু রাজকুমার বেছে নিয়েছেন অন্য এক পথ।
তিনি তাঁর বাঁশিতে খুঁজে পেয়েছেন জীবন।
আলোকিত করেছেন নিজের আত্মবিশ্বাস।
একটি বাঁশি আর একটি অজানা গন্তব্যই তাঁর সম্বল।
হয়তো প্রতিদিন তাঁর ঘুম ভাঙে কোনো কাকের ডাক, কুকুরের ঘেউ ঘেউ, কিংবা শহরের কোন ট্রাকের শব্দে।
তারপর, তিনি বাঁশি বাজান। সেই সুর বাতাস ছুঁয়ে যায়, রাস্তা ছুঁয়ে যায়, মানুষকে ছুঁয়ে যায়—যদি কেউ শোনে।
নগরীর ব্যস্ত ভিড়ে কেউ শোনে, কেউ থামে, কেউ পাশ কাটিয়ে যায়—তবুও তিনি থেমে যান না।
অকারণে আমি সেদিন দাঁড়িয়ে গেলাম।
হর্নের কোলাহলে, ট্রাফিকের ধাক্কায় ঝাঁঝালো শব্দের ভেতর হঠাৎ সেই বাঁশির সুরে আমার ভিতরটা কেঁপে উঠলো—
"কপালের ফ্যার,
নইলে কি আর পাখিটির এমন ব্যবহার?"
রাজকুমার এক অন্ধকারের রাজা। যেখানে কোন চেহারা নেই আছে শুধু অনুভব।
রাষ্ট্র তার দায়িত্ব নেয়নি, সমাজ তাকে অস্বীকার করেছে, তবুও সে নিজেই নিজের রাজত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে। রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রচুর অশিল্পীর পেছনে অর্থ ও সময় ব্যয় করে।
তার বাঁশি দিয়ে হয়তো কোনো সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে না, কিন্তু গড়ে ওঠে এক অনুচ্চারিত বেদনার করাঘাত—যা কেবল অনুভবের।
আমরাও চলছি, জানি না এই পথ কোথায় নিয়ে যাবে। রাজকুমারও জানেন না, তবুও তিনি থামেন না।
আজ সন্ধ্যার পরে, জিএল রায় রোডের ফুটপাতে, অভিজাত শপিং মলগুলোর পাশে
তার বাঁশির সুর বেজে উঠেছিল।
রিকশাওয়ালারা ছুটে যাচ্ছে, মোটরসাইকেল হর্ন বাজিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে, কেউ মোবাইলে ব্যস্ত, কেউ বেরিয়ে আসছে ব্যাগ হাতে শপিং মল থেকে। তার মাঝেই বাতাসে ভাসছে এক বাঁশির সুর।
আপনি শুনেছেন কি?
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 10:00 - 17:00 |
| Wednesday | 10:00 - 17:00 |
| Thursday | 10:00 - 17:00 |
| Saturday | 10:00 - 17:00 |
| Sunday | 10:00 - 17:00 |