এই বিকেলে ।। আল ফারুক
আজ বিকেলের মিষ্টি রোদে জিরিয়ে নিলাম গা
নাইয়ে দিলাম দীঘির জলে কোমল দুখান পা।
ছড়িয়ে দিলাম দৃষ্টিখানি মেঘের ডানায় আড়ালে
কেউ পাবেনা কোথাও খুঁজে আমার আমি হারালে।
কেউ দেখেনি ঢেউ তুলেছে হৃদয় মনের এই নদী
জোয়ার জলে আছড়ে পড়ে থামতে বলে কেউ যদি।
আজ যাব ভাই দূর পাহাড়ে মেঘের বাড়িই দিক ভোলা
শুনবো না ভাই দিব্যি কারো মন যে আমার চঞ্চলা।
১১ মার্চ, ২০১৭
জোনাকি - আল ফারুকের ছড়া
আল ফারুকের ছড়া
বাবার বিয়ে
বাবা তোমার বিয়ে হবে
পেয়ছি এক পাত্রী।
না বলো না না বলো না
আমরা বিয়ে যাত্রী।
মা কে আবার সাজিয়ে দিব
লাল ফিতে আর শাড়িতে
পালকি করে দেশ ঘুড়িয়ে
আনবো আবার বাড়ীতে।
দাদারা সব বর পক্ষ
আমরা হব কনের ঝি
তুমি কিন্তু না বলো না
বলতে হবে তোমায় জি!
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
আমাদের ফারামুনি
আমাদের ফারামুনি চুপচাপ শান্ত
বুদ্ধিতে পাকা সে, মতে নয় ভ্রান্ত।
কথা কয় ভেবে বুঝে কী নরম মিষ্টি
করে না সে কান্না চোখে নেই বিষ্টি।
দুষ্টমি করে না সে অল্পতে তুষ্ট
চেহারাটা সাদা সিধে স্বাস্থ্যটা পুষ্ট।
কার্টুনেতে মন তার কী গভীর দৃষ্টি
চলাচল কী দারুন কী দারুন কৃষ্টি।
গুরুজনে মেনে চলে সুমধুর স্বভাবে
খেলাধুলা করে কম সময়ের অভাবে।
ফুলপরীদের ছড়া
দিন ফুরালো রাতের কোলে জোনাক দিলো হানা
ফুল পরীরা আসবে দেশে গোল করতে মানা।
লোক সকলে ঘুমিয়ে গেলে দীঘির জলে তারা
নাইতে এসে বেড়িয়ে যাবে আমাদের এই পাড়া।
খিলখিলিয়ে হাসতে জানে গাইতে জানে গান
হাসলে ওরা মাটির ধরা পুষ্পে ছড়ায় ঘ্রাণ।
চাঁদের আলো উঠলে জ্বলে নাচবে ওরা বেশ
সূর্য্যি মামা জাগার আগে ছাড়বে মোদের দেশ।
১৪ নভেম্বর, ২০১৬
পাক্না বুড়া ।। আল ফারুক
পাশের বাড়ির পাক্না বুড়া
খাক্না যতই পুড়িয়া
অমন মানুষ যায় না পাওয়া
কোথাও জগৎ জুড়িয়া।
বয়স তাহার কতই হবে
কুঁড়ি পাঁচের বেশি নয়
সবাই ডরে লুকায় ঘরে
বাপ্রে বুড়ার পেশীভয়।
মচ্মচিয়ে যায় হেটে সে
খায় নাকি সে আস্ত হাঁস
বুক উঁচিয়ে দাঁড়ায় যখন
দেখতে লাগে আস্ত বাঁশ।
টস্টসে তার মুখের গড়ন
চুলগুলো কী কুচকুচে
কাবুলি মটর শক্ত খাবার
খায় নাকি সে মুচ্মুচে।
সফেদ জামা খুশবো গায়ে
রোজ যাবে সে হাটবাজার
সুযোগ পেলেই গল্প দিয়ে
বলবে তিনি লোক রাজার।
হাসলে তখন ধমক দিয়ে
সব করে দেয় শান্ত ধীর
চুপ হয়ে যায় পাগলা-ক্ষ্যাপা
দিক্ বিজয়ী মহান বীর।
২ আগশট,২০১৬
খেলা ।। আল ফারুক
মাগো আমি খেলতে গেলে
রাগ কর কি তুমি?
আমি যখন কেচড় নাড়ি
কেনই কর বুমি?
ধুলার 'পরে বসলে মাগো
কী ক্ষতি বা হয়?
তোমার সোনা ছেলে তো আর
পথের ধুলা নয়।
ভয় কেন পাও জলের ধারে
একটু খানিই গেলে
তোমার মানিক জেনেও তখন
পিটাও কেন পেলে?
বৃষ্টি জলে ভিজলে কেন
আমায় পাড় গালি?
আমি কি মা কাজ করি না
যেমন করেন মালি।
মাখলে কাঁদা অমন করে
আড় চোখে যে চাও
কুকুর ছানা পুষতে মানা
খারাপ কি মা তাও?
তোমরা কি মা আমার মত
ছিলে না গো ছোট
অমন করে হাসছ যে মা
এবার বলে ওঠ।
২৩ আগস্ট, ২০১৬
জীবনের গল্প
হঠাৎ সেদিন একলা জীবন
অচেনাতে বাধল ঘর
গল্প শুরু সেদিন হতেই
আপন যেদিন অচিন পর।
গল্প এখন অল্প করে
হচ্ছে বড় দিনকে দিন
তাইতো সবাই অংক করে
দুই কে আবার গুনছে তিন।
তিন থেকে ফের চার হতে চাই
এমন সবার কল্পনা
জীবন জয়ের গল্পগুলো
তাই তো শুধুই গল্প না।
১৩ আগস্ট, ২০১৬
মায়ের খুশি
হলদে পাখি ভীষণ খুশি
মা হবে যে তাই
নায়র যাবে বাপের বাড়ি
আসছে নিতে ভাই।
নতুন শিশু আসবে ঘরে
চলছে আয়োজন
এই পৃথিবী স্বর্গ হবে
তাইতো খুশি মন।
____২ আগস্ট, ২০১৬
জল-তেল
___আল ফারুক
ঠিক তাই ঠিক তাই
জলে তেলে মিল নাই
দুটো তারা একই রকম
তবুও নয় ভাই ভাই।
দেখে যদিও মিল পাও
জাতে তারা ভিন্ন
এক তারা হবে না'ক
এক হলেও চিহ্ন।
পাশাপাশি রবে তারা
আলাদা সে পাত্রে
দিনে যদিও চিনে ফেল
ভুল হবে রাত্রে।
মাকে ছাড়া
মাগো তুমি রাগ করেছ বুঝি
কোথায় গেলে আর না এলে
তোমায় মাগো খুঁজি।
আমায় তুমি ঘুম পাড়াবে বলে
গল্প বলে গান শুনিয়ে তবে।
সেই যে তুমি হারিয়ে গেলে
আর ফিরে না এলে।
আর ডাকো না খাবার ঘরে
সকাল গড়ে দুপুর হলে তবু।
আর ডাকো না পুকুর ঘাটে মাগো
আগের মত একটু আদর করে।
৬ মে, ২০১৬
ঘড়ি
টিক্ টিক্ ঘড়ি চলে
ঠিক ঠিক সময়ে
নেই দেরি নেই তাড়া
পড়েনা’ক ঝিমিয়ে।
দিন নেই রাত নেই
ঘড়িটা যে চলোমান
কম নয় বেশি নয়
সদা সম বলবান।
ঠান্ডা কি গরমে
করেনা সে গোলমাল
সুখে-দুখে টলে না যে
থাকে সে সদা সামাল।
সময়ের মূল্য সে
মাপে যথা নিয়মে
দোষ কভু পায় না সে
দায়িত্ব পালনে।
________৩ মে, ২০১৬
28/04/2016
ফুল
এইখানে ফুলবনে কত ফুল ফোটে
কত কলি ঝড়ে যায় ভ্রমর না জোটে।
কতকের মালা হয় প্রণয়ের লাগি
কিছু তার রয়ে যায় টানিতেআবেগি।
২৮ এপ্রিল, ২০১৬
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Address
Rangpur
5400
