আরকে রোড, রংপুর, বাংলাদেশ

আরকে রোড, রংপুর, বাংলাদেশ

Share

RK, ROAD is one of the most affluent residential areas in Rangpur city.

টুপি বিক্রি করে গড়ে ওঠা জমিদারির না বলা ইতিহাস 👑 Tajhat Jamidar Bari Rangpur | Tajhat Palace Rangpur 25/12/2024

টুপি বিক্রি করেই গড়ে ওঠা জমিদারির না বলা ইতিহাস সময় করে দেখতে পাবেন যেখানে 🌿

টুপি বিক্রি করে গড়ে ওঠা জমিদারির না বলা ইতিহাস 👑 Tajhat Jamidar Bari Rangpur | Tajhat Palace Rangpur পাঠ্যপুস্তকে পড়া আর টেলিভিশনের পর্দায় দেখা রূপকথার গল্পের মতোই যেন তাজহাট জমিদার বাড়ির ইতিহাস। প্রাচীন রঙ্গপুর...

Universal Waterproof Pouch Bag For Mobile Phone 09/08/2023

এই বর্ষায় ঘুরাঘুরিতে নিজের মোবাইলকে পানি থেকে নিরাপদ রাখার একমাত্র উপায় ইউনিভার্সেল waterproof Mobile pouch, দোকানে যা ১৫০ টাকা তাই কিনুন দারাজে মাত্র ৬৩ টাকায় 🌿

Universal Waterproof Pouch Bag For Mobile Phone 25% OFF For New Users! - Buy Universal Waterproof Pouch Bag For Mobile Phone at lowest prices in Bangladesh. Express Home Delivery in Dhaka, CTG & Countrywide

বাহের দেশের আদ্যোপান্ত । রংপুরে যা যা ঘুরবেন । Rangpur Tour 16/12/2022

আজ থেকে ঠিক ২৫৩ বছর আগে ১৬ ডিসেম্বর ১৭৬৯ সালে বাংলাদেশের ২য় জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় রংপুর জেলা। আজ রংপুরের জন্মদিন।

🎯সময় করে দেখে নিতে পারেন ফুল HD তে-
♣বাহের দেশের আদ্যোপান্তঃ রংপুর

বাহের দেশের আদ্যোপান্ত । রংপুরে যা যা ঘুরবেন । Rangpur Tour ।।। বাহের দেশের আদ্যপান্ত ।।।রংপুরে যত শত দেখবেন ঘুরবেনঘোরাঘুরির এই মৌসুমে ঘুরে ঘুরে ঘুরা ঘুরি করতে করতে যদি রংপ...

Point of View- Rangpur । জেলা পরিষদ, রংপুর ।Rangpur। 16/04/2021

অনেকেই হয়তো জানেন, আর অনেকেই জেনে অবাক হবেন, বাংলাদেশের ২য় জেলা রংপুর। যা কিনা জেলা হিসেবে স্বয়ং রাজধানী ঢাকা হতেও পুরনো। এই রংপুরেই যদি আপনি ঘুরে ঘুরে ঘুরাঘুরি করতে করতে চলে আসেন তবে ঘুরে দেখতে পারেন রংপুর জেলা পরিষদ। একি সাথে পাখির অভয়ারন্য, প্রাচীন প্রাসাদ, সেই সাথে ফটো খিচার জন্য সবুজে ঘেরা ইতিহাসে সমৃদ্ধ অক্সিজেন পূর্ণ বেস্ট প্লেস। রংপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে মূল সড়কের পাশেই ৪.৬৬ একর জমির উপরে স্থাপিত রংপুর জেলা পরিষদ। মূল ভবনের পরিমাপ ২০০ ফুট x ৬৭ ফুট। অসাধারণ স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নজির জিলা পরিষদ ভবনের সাথে কারমাইকেল কলেজের মূল ভবনের বেশ সাদৃশ্য রয়েছে। এই ভবনের উপরেও রয়েছে তিনটি গোলাকার গম্বুজ। যদিও ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে কারমাইকেল কলেজের মূল ভবন নির্মাণের (১৯১৭-১৮) পূর্বেই। ভবনটির চারপাশ জুড়ে রয়েছে বারান্দা। এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯০৭ সালে এবং শেষ হয় ১৯০৯ সালে। ভবনের সামনে রয়েছে সুদৃশ্য বাগান। রয়েছে অনেক পুরাতন গাছপালা। এছাড়াও নব্বই এর দশকের শুরুর দিকে দেশব্যাপী বনায়ন প্রকল্পের আওতায় অনেক নতুন গাছ লাগানো হয়েছে জেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে। যে গাছগুলো বড় হওয়ায় তা পরিণত হয়েছে জেলা পরিষদ ঘোষিত পাখির অভয়ারণ্যে।

একটি তথ্য উল্লেখ না করলেই নয়, শুধু নির্মাণ শৈলীর দিক থেকেই এই ভবন কারমাইকেল কলেজের মতো নয়, এই ভবনের সাথে কারমাইকেল কলেজের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও রয়েছে। ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কারমাইকেল কলেজের মূল ভবন ১৯১৮ সাথে উদ্বোধনের পূর্ব পর্যন্ত দুই বছর জিলা পরিষদ ভবনেই পরিচালিত হয়েছে কলেজের সকল কার্যক্রম। বর্তমানে এটি শহরের একটি দর্শনীয় স্থাপনা। রংপুরের যে কোন প্রান্ত হতেই আসতে পারবেন খুবি সহজেই রংপুর জেলা পরিষদে।

দেখতে পারেন ফুল HD তে ভিডিও টি -
Point of View- Rangpur। জেলা পরিষদ, রংপুর।
https://youtu.be/UlJ8nePh1K4

আর হ্যা, পরিবেশের জন্য ভাল কিছু করতে না পারলেও অন্তত পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু করবেন না। কারন গুরু নানক বলেছেন,দুগুনা দত্তার চোঁ গুনা জুজার মানে দু গুনে দিলে চার গুনে ফিরে পাওয়া যায়। তাই যা ক্ষতি করবেন তা কিন্তু দ্বিগুণ হয়ে আপনার উপরেই এসে পড়বে।
#রোমিং
#রংপুর

Point of View- Rangpur । জেলা পরিষদ, রংপুর ।Rangpur। Point of View - Rangpur । জেলা পরিষদ, রংপুর । Rangpur।। Point of View- Rangpur । জেলা পরিষদ ।। অনেকেই হয়তো জানেন, আর অনেকেই জেনে অবাক হবেন, বাংলাদেশের...

রংপুর শহরের কাছেই যে চা বাগান । Point of View: Rangpur । EP: 08 16/01/2021

চা, চা গাছ, চা বাগান এখন আমাদের রংপুরেও। বিভাগীয় শহর রংপুরের কাছেই গড়ে উঠেছে চা বাগান। সময় করে ঘুরে আসতে পারেন।

রংপুর শহরের কাছেই যে চা বাগান । Point of View: Rangpur । EP: 08 রংপুর শহরের কাছেই যে চা বাগান । Point of View: Rangpur । EP: 08আসসালামু ওয়ালাইকুম দেশবাসী, ঘুরে ঘুরে ঘুরাঘুরি করতে করতে এবার আমরা ছু...

01/01/2021

রংপুর - রঙ্গের শহর।

24/07/2019

কালের বিবর্তনে বাংলার মসলিন শিল্প হারিয়ে গেলেও স্বগর্বে মাথা উচু করে এখনও ছুটে চলা এক শিল্প -রংপুরের শতরঞ্জি। আসুন জানি শতরঞ্জি সম্পর্কে।

01/07/2019
27/06/2019

।। রংপুর ও রংপুরিয়া ভাষা শিক্ষার আসর ( IRLTS সহ ) ।।

প্রথমে বলে নিই IRLTS কি ? IRLTS হলো IELTS এর বড় ভাই যার অর্থ International Rangpuriya Language Testing System 😜 যদি চান রংপুর কে জানতে সেই সাথে রংপুরিয়া ভাষার পূর্নাঙ্গ গঠন হতে ব্যাকরণ বুঝতে তবে এই পোস্ট আপনার জন্য। যাই হোক কথা কম পড়াশুনা বেশী. . . .

রংপুরের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সাহিত্যকর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতি সুপ্রাচীন ও বিভাসিত। প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন এই রংপুর। বলা যায় প্রকৃতির রহস্যময়তায় নান্দনিক সৌন্দর্যে প্রকৃতির আদরণীয় হিল্লোলে ও প্রাণময়তায় ভরপুর রংপুর। অর্থাৎ ' রঙ্গঁরসে ভরপুর, এই রঙ্গঁপুর।

এই রঙ্গঁরস শিক্ষা-সাহিত্য, সঙ্গীত, সংস্কৃতি, ইতিহাস ঐতিহ্য বিশেষ করে লোকসংস্কৃতি মিলিয়ে অনবদ্য। রঙ্গঁপুরের পরিবর্তিত রূপ রংপুর।

বাংলাদেশের প্রাচীনতম অংশের নাম বরেন্দ্র বা রারেন্দ্রী। রংপুর (রঙ্গঁপুর) সমতল বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্গত। পরবর্তী সময়ে যে অঞ্চল গৌড় অঞ্চল বলে পরিচিতি লাভ করে।

প্রাচীন ইতিহাসের দিকে দৃষ্টি নিবন্ধ করলে দেখা যায়, রংপুর (রঙ্গঁপুর) এর ভূমি সম্প্রসারিত ছিল গৌহাটি কেন্দ্রিক রাজ্য প্রাগজ্যোতিষপুরের অন্তর্গত।

রংপুরের রঙ্গঁপুর নামটির নামকরণ এখনও চুড়ান্তভাবে বিতর্করহিত হয়নি। কেউ কেউ মনে করেন মহাভারতের সময়ে প্রাগজ্যোতিষপুরের রাজা ভগদত্তের রংমহল ছিল রংপুরের এবং সেই রংমহল হতে নাম হয়েছে রঙ্গঁপুর। কারো কারো মতে ভগদত্তের কন্যা পায়রাবতীর নামানুসারে নারীজাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্মভুমি পায়রাবন্দের নামকরণ হয়েছে।

কেউ কেউ মনে করেন রংপুরের বস্ত্ররঞ্জনী কারখানা (Dying Industry) ছিল। পাট নির্মিত বস্ত্রে বা চটে রং করা হতো বলে রংপুরকে রংরেজপুর বলা হতো এবং তার পরিবর্তনে হয়েছে রঙ্গঁপুর (রংপুর)।

তবে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন রংপুরের নামকরণের ক্ষেত্রে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজীর অবদান গ্রহণযোগ্য। রঙ্গঁপুর শব্দটির ফার্সী শব্দ আর তাই সঙ্গত কারণে বখতিয়ার শাসন আমলে রংপুরের নাম রঙ্গঁপুর হয়েছে।

রংপুর কালেক্টর ১৭৬৯ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে তা পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করে। ১৭৯৩ খ্রিঃ রংপুর কালেক্টর হতে বিচার বিভাগ আলাদা হলে একজন বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়।

তিস্তা, ধরলা, যমুনেশ্বরী, ঘাঘট, আখিরা, বিধৌত রংপুরের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং প্রাচীনত্ব ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

ভাষা মানুষের আবেগ, অনুভূতি, অভিব্যক্তি, চিন্তা, চেতনা সবকিছু প্রকাশের বাহন। তাইতো বলা হয়েছে ‘মানুষের কণ্ঠোচ্চারিত অর্থযুক্ত ধ্বনি সমস্টিই ভাষা’। আর এ ভাষা পৃথিবীর বিভিন্ন জনপদের ভিন্ন ভিন্ন। যেমন বাঙালি জাতির ভাষা বাংলা। এই বাংলা ভাষা ভারতীয় কথ্য ভাষার প্রাচীন প্রাকৃত (খৃ.পূ.৫০০) হতে গৌড়ীয় প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে বাংলার জন্ম হয়েছে।

বাংলা ভাষার যেমন আছে পরিশীলিত রূপ তেমনি অঞ্চল ভিত্তিক গ্রামীণ জনপদে প্রচলিত রয়েছে আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা।

ভৌগোলিক কারণে হোক বা শারীরিক গঠনের জন্য হোক রংপুরের শিক্ষিতজনেরা বাংলাদেশের অনেক জেলার অপেক্ষা পরিশীলিত ভাষায় কথা বলতে পারেন। তাদের উচ্চারণে কোন বিকৃতি নেই, নেই অস্পষ্টতা। তারা অনায়াসে আঞ্চলিকতা সম্পন্ন ভাষা বা উচ্চারণ পরিহার করতে পারেন।

ম্যাকসমূলার বলেছেন ‘‘The real and natural life of language is in its dialects’’. ভাষার প্রকৃত ও স্বাভাবিক জীবন তার উপভাষাগুলিতে। উল্লেখ্য বাংলাভাষাও তার ব্যতিক্রম নয়। রংপুরেও পরিশীলিত ও মার্জিত ভাষার সমান্তরাল রংপুরের প্রামাঞ্চলে প্রচলিত রয়েছে।

আঞ্চলিক ভাষা, যখন এ গ্রামাঞ্চলের জনপদে উদ্ভব হয়েছে নিঃসন্দেহে সে সময় হতে গ্রামীণ জনপদ আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে আসছে। এ ভাষার উচ্চারণগত সহজবোধ্যতা, সাবলীলতা ও শ্রুতিমাধুর্য অসামান্য। আর এ আঞ্চলিক ভাষায় রচিত হয়েছে সাহিত্য-সঙ্গীত, প্রবাদ-প্রবচন, ছড়া, গীত ইত্যাদি যা মানুষের আনন্দের উপকরণ। রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত সমৃদ্ধ সাহিত্যকর্মের মাত্র কটির নাম করা হলো, ষোড়শ শতকের কবি মুহম্মদ কালার নেজাম পাগলার কেচ্ছা , অষ্টাদশ শতকের কবি হেয়াত মামুদের রচনায় রংপুরের আঞ্চলিক ভাষার অনেক শব্দ রয়েছে ।বেগম রোকেয়ার রচনায় রংপুরের আঞ্চলিক ভাষার শব্দাবলীও আছে । পরবর্তী সময়ে নাট্যকার তুলসী লাহিড়ীর ছেঁড়াতার, সৈয়দ শামসুল হক এর নুরলদীনের সারাজীবন, নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদের হামার অমপুর, আবুল কাশেমের হামার দ্যাশ হারাগাছ, সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মরা মানুষের মিছিল, আনিসুল হক এর নাল পিরান, মকসুদুল হক এর শঙ্খামারীর ঘাট, সাখাওয়াত হোসেনের বাহে নিধূয়া পাথার, নাসিমুজ্জমান পান্নার নাকফুল এবং মতিউর রহমান বসনীয়া রংপুরের ভাষার অভিধান ও অনেক কবিতা লিখেছেন এ ভাষায় । তাছাড়াও অনেকে রংপুরের ভাষা ব্যবহার করেছেন রচনায় এবং মুহষমদ আলীম উদ্দিন তাঁর রংপুর সংবর্তিকা গ্রন্থে রংপুরের ভাষা শিরোনামে প্রবন্ধ রচনা করেছেন ।

রংপুরের ভাষা উদীচ্য বা বরেন্দ্র উপভাষার গোত্রভূক্ত ।

রংপুরিয়া ভাষার বৈশিষ্ট্যঃ

1) আনুনাসিক বর্ণ রক্ষিত,

2) শ্বাসাঘাতের নির্দিষ্ট সহান নেই,

3) শব্দের আদিকে ‘ র ’ এর আগয় লোপ,

যথাঃ রস= অস, রামবাবু= আমবাবু, রংপুর= অমপুর, রক্ত = অক্ত,

4) অধিকরণ কারকে ‘‘ ত ’’ বিভক্তির প্রয়োগ । যেমনঃ
‘‘ বাবা বাড়িত নাই’’।

5) অপিনিহিতর ব্যবহারঃ অদ্য>অহিজ, কাল্য>কাইল

6) শব্দের মধ্যবর্তী ব্যঞ্জনবর্ণ লোপ ঃ কহিল>কইল,

7) ‘ ছ ' এর ব্যবহার ‘ চ ’ রূপেঃ মাছ>মাচ

😎 শব্দের মধ্যবর্তী সহানে অতিরিক্ত স্বরবর্ণের ব্যবহার যেমনঃ গেলে>গেইলে, বোন>বইন,

9) ‘ল’ এর সহলে ‘ন’ এর আগম ঃ লাট>নাট, লাগে>নাগে

কতিপয় শব্দঃ
অকে, অমপুর, অক্ত, আঙা, আন্দন, উদিনকা, আইগন্যা, ক্যাংকা, ফ্যাদলা, এইংকা, উন্দাও, বাইগন, বাহে, সুন্দরী, তাংকু, দলান, ঢ্যানা, বাড়ুন, গাবরু, কাপাট, কইনা, এইকনা, ছাওয়া ইত্যাদি ।

রংপুরের সাহিত্যকর্মঃ
অনেক বাংলা সাহিত্যের গবেষক ও ঐতিহাসিক বলেছেন যে বাংলা সাহিত্যের আদিনীড় রংপুর । রংপুরের ভাষার যেমন প্রাচীনত্ব আছে তেমনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনত্বে্র রংপুরের অংশীদারিত্ব আছে । বাংলা ভাষা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ অর্থাৎ প্রাচীন বাংলায় রচিত ৫১টি পদ অখন্ডিত ৪৭ পদই বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন, রচয়িতা ২৪ জন কবি । ডঃ মুহষমদ শহীদুল্লাহর মতে যা রচিত হয়েছে ৭ম শতাব্দী হতে ১০ শতাব্দীর মধ্যে । আর এই পান্ডলিপিটি ১৯০৭ সালে আবিস্কৃত হয়েছে নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার হতে । আবিস্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ।

অনেকে মনে করেন চর্যাপদের কবিদের অনেকের পদচারনা হয়তো ঘটেছিল রংপুরে । ফলে চর্যাপদের ভাষা’. অনেক রংপুরের আঞ্চলিক ভাষার শব্দও বিশেষতব দেখতে পাওয়া যায় যেমন. টলিত মোর ঘর/নাহি পরবেসী, হাড়িত ভাত নাই নিতি আবেসী

'তে’ বিভক্তির স্থলে ‘ত’ বিভক্তির প্রয়োগ রংপুরের ভাষার বৈশিষ্ট্য। তেমনি নঞক অব্যয়ের ব্যবহার ব্যবহার ক্রিয়াপদের আগে, যেমন, গাছের তেস্তুল কুম্ভীরে নক্ষত্র, রংপুরের উদাহরণ।

না যাও, না খাও।

শব্দ মোর, তোর, সুতি, পোহাই, ঘিন, খাল, ইত্যাদি শব্দ রংপুরেও ব্যবহৃত হয়।

রংপুর হতে স্যার জর্জ গ্রীয়ার্সন আবিষ্কার করেছেন নাথ গীতিকা, মধ্যযুগের অনেক বিশিষ্ট্য কবি কাব্য রচনা করেছেন রংপুরে। তাঁরা হলেন কমললোচন, হরিশচন্দ্র বসু, হেয়াত মামুদ, শাকের খাদম, মুহম্মদ কালা, দ্বিজহরি, ধুরহানুল্লাহ, শরিয়তুল্লাহ।

আধুনিক যুগের অনেক কবি সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন আর তারা হলেন, পন্ডিত যাদবেশ্বর, তর্করত্ন, জামাল উদ্দিন, রামনারায়ণ তর্করত্ন যিনি বাংলা মৌলিক নাটক ‘কুলিনকুল সর্বস্ব’ রচনা করেন এবং কুন্ডির জমিদার প্রদত্ত ৫০/- টাকা পুরস্কার লাভ করেন। হরগোপাল রায়, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া, অতুল গুপ্ত, অতুল প্রসাদ সেন, শেখ ফজলুল করিম, খেরাজ আলী, রবীন্দ্র নাথ মৈত্র, তুলসী লাহিড়ী, নুরুল ইসলাম কাব্য বিনোদ, সৈয়দ শামসুল হক, আশুতোষ দত্ত, মোতাহার হোসেন সুফী, মতিউর রহমান বসনীয়া, মহফিল হক, মোনাজাত উদ্দীন, মুহম্মদ আলীম উদ্দীন, মঞ্জু সরকার, আনিসুল হক, আব্দুল হাই সিকদার, সৈকত আসগার সহ আরো অনেক সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে অবদান রেখেছেন এবং এখনও অনেকে সাহিত্যকর্মে সচল আছেন।

#রোমিং
#রংপুর

Want your business to be the top-listed Government Service in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


R. K. Road, Rangpur
Rangpur
5400