11/07/2025
"সোনাহাট সেতুর" ২ বছরের নির্মাণ কাজ ৭ বছরেও শেষ হয়নি
Bhurungamari (Bengali: ভূরুঙ্গামারী) is the northernmost Upazila of Kurigram District in the Division of Rangpur, Bangladesh.
11/07/2025
"সোনাহাট সেতুর" ২ বছরের নির্মাণ কাজ ৭ বছরেও শেষ হয়নি
01/02/2025
সোনাহাট সেতু ৬ বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ
24/03/2024
কুড়িগ্রাম সফরে আসছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক। তিনি আগামী ২৮ মার্চ বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি ভিত্তিক প্রস্তাবিত ‘ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’-এর জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করবেন। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) কুড়িগ্রামে অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত স্থান পরির্দশন শেষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন এ তথ্য জানান।
সফরসূচি থেকে জানা গেছে, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক আগামী ২৫ মার্চ একটি বিশেষ বিমানে তিন দিনের সফরে বাংলাদেশ আসবেন। ঢাকায় অবস্থান কালে তিনি সমঝোতা স্মারকে সই করবেন। ২৮ মার্চ বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে প্রস্তাবিত ‘ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’-এর জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর পথে ভারত হয়ে ভুটান ফিরে যাবেন।
কুড়িগ্রাম আসছেন ভুটানের রাজা কুড়িগ্রাম সফরে আসছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক। তিনি আগামী ২৮ মার্চ বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উ...
11/06/2023
ভূরুঙ্গামারীতে মোটরসাইকেল সহ তিন ভারতীয় কিশোর আটক
ভূরুঙ্গামারীতে মোটরসাইকেলসহ ভারতীয় ৩ কিশোরক আটক কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট সীমান্তে মোটরসাইকেলসহ ভারতীয় ৩ কিশোরকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজ....
17/12/2021
কুড়িগ্রামে মাওলানা ভাসানীর বাড়ি পড়ে আছে অযত্নে
আব্দুল খালেক ফারুক, কুড়িগ্রাম
১৭ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৯:১৭
কুড়িগ্রামে মাওলানা ভাসানীর
মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর একটি বাড়ি রয়েছে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীর কামাত আঙ্গারিয়া গ্রামে। মাওলানা ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত এই বাড়িটি নিয়ে গৌরব করেন এলাকাবাসী ও তাঁর পরিবার। ‘ভাসানী নগর’ নামে পরিচিত এই বাড়িটি দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই ছুটে আসেন। তবে সময়ের পরিক্রমায় হারিয়ে যেতে বসেছে কৃষক আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা মাওলানা ভাসানীর অনেক স্মৃতি। অযত্নে আর অবহেলায় পড়ে আছে এই ভাসানীর এই বাড়িটি।
মাওলানা ভাসানীর নাতি মনিরুজ্জামান খান ভাসানী। ভাসানীর ছেলে আবু বকর খান ভাসানীর ছেলে। মনিরুজ্জামান জানান, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় ভারতের আসাম সীমান্তবর্তী এলাকা কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে এই বাড়ি নির্মাণ করেন মাওলানা ভাসানী। দুই স্ত্রীর একজন হামিদা খানমকে এই বাড়িতে রেখে যান। হামিদা খানম ছিলেন তাঁর ছোট স্ত্রী। মাঝে মাঝে এই বাড়িতে আসতেন, যেতেন। তবে ১৯৬৫ সালের ভুরুঙ্গামারীতে কৃষক সন্মেলনকে কেন্দ্র করে তিন মাস এই বাড়িতে ছিলেন ভাসানী। এসময় তিনি দরবার হল, মুসাফির খানা, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল ও দিঘি গড়ে তোলেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকার কারণে পরিবারকে বেশি সময় দিতে পারেননি। তবে মাঝে খোঁজ নিতেন। স্ত্রী ও সন্তানদের টাঙ্গাইল নিয়ে যেতেন। হামিদা খাতুন মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এখানে বাস করতেন।
বাড়িটিতে অনেক সময় ভক্ত ও কর্মীরা আসতেন। রাত্রিযাপন করতেন। তাদের থাকার জন্য একটি দরবার হল নির্মাণ করেন তিনি। রাজনৈতিক সভা ছাড়াও ভক্তদের দেখা সাক্ষাৎ করতে এই দরবার হলে। টিনের তৈরি বর্তমানে এই ঘরটি জরাজীর্ণ অবস্থায় বহন করছে স্মৃতি। পাশে একটি পুকুর তিনি নিজেই খুঁড়েছেন।
এই বাড়িতে এসেছেন হাজী দানেশ, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, রাশেদ খান মেনন, শামসুল হক চৌধুরীসহ অনেক নেতা। এই বাড়িকে ঘিরেই ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ও ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত হয়। ১৯৭৬ সালে সর্বশেষ সীমান্ত সফরে এসে মাওলানা ভাসানী এই বাড়িতে এসেছিলেন।
মাওলানা ভাসানীর ছেলে আবু বকর খান ভাসানীর তিন ছেলে। এর মধ্যে স্ত্রী বিউটি বেগম ও ছেলে মেহেদী খান ভাসানীকে নিয়ে ভুরুঙ্গামারীর বাড়িতে বাস করেন তাঁর বড় ছেলে মনিরুজ্জামান খান ভাসানী। এ ছাড়া ন্যাপ ভাসানীর সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, আর ছোট ছেলে ও আজাদ সোবহান খান ভাসানী টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকশন অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তারা টাঙ্গাইলের বাড়িতে থাকেন।
ভুরুঙ্গামারীতে ভাসানী ৪২ বিঘা জমি রেখে যান। এর মধ্যে হামিদা খানমের নামে একটি স্কুলের নামে দান করেছেন বেশ কিছু জমি। ভাসানী স্মৃতিসংঘ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে উইল করা আছে কিছু সম্পত্তি। বাড়ি ও পুকুরে আছে সোয়া ১২ বিঘা জমি। ফসলি জমি আছে ২০ বিঘা। বাড়িতে রয়েছে মাওলানা ভাসানীর ব্যবহৃত কিছু স্মৃতিচিহৃ। রয়েছে বসার চেয়ার, টুপিসহ কিছু দ্রব্য।
ভাসানীর স্মরণে স্মৃতি সংঘ থাকলেও কার্যক্রম সীমিত। বছরে একবার ওরস শরীফ হয়। ভাসানী পীর হিসেবেও সমধিক পরিচিত। অনেক ভক্ত রয়েছে তাঁর। তারা আসতেন, নানা বিষয়ে পরামর্শ নিতেন। ভক্ত ও সহচর মুছা ফকিরের কবরও রয়েছে এখানে। তার বাড়ি ছিল গাইবান্ধা। তিনি দীর্ঘদিন এই বাড়িতে বাস কওে ৮০ সালের দিকে মারা যান।
স্থানীয় গ্রামবাসী ভাসানীর স্মৃতি ধরে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। ভাসানীর নাতি মনিরুজ্জামান জানান, ভাসানীর নামে জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মাণসহ বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তার আদর্শ ধরে রাখার চেষ্টা করলেও অর্থ ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ভাসানীর স্মৃতি ধরে রাখা যাচ্ছেনা। স্মৃতি বিজরিত বাড়িটি রক্ষার দাবী জানিয়ে মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ভাসানীর বাড়িটির সংস্কার করলে এটি একটি পর্যটন স্পট হিসেবে চিহিৃত হবে এবং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের প্রয়োজন মেটাবে।’
কুড়িগ্রামে মাওলানা ভাসানীর বাড়ি পড়ে আছে অযত্নে | কালের কণ্ঠ মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর একটি বাড়ি রয়েছে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীর কামাত আঙ্গারিয়া
07/05/2020
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ৩ ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের ২ জন পুরুষ ও ১ জন নারী। বৃহস্পতিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ পিসিআর ল্যাবে ৩৩ তম দফায় ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় ১৯ জন করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে কুড়িগ্রাম সদরের ৫ জন, ভূরুঙ্গামারীর ৩ জন, ফুলবাড়ির ২ জন। করোনা পজেটিভ হওয়া ভূরুঙ্গামারীর ৩ ব্যক্তির নমুনা গত ৩ মে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। করোনা আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দু'জনের বাড়ি ৫ নং ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের খামারপত্রনবীশে, অপরজনের বাড়ি পাথরডুবি ইউনিয়নে। আক্রান্ত সবাই পোশাকশ্রমিক। তারা টঙ্গী থেকে ভূরুঙ্গামারী আসেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম করোনা পজিটিভ হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘আক্রান্তরা হোম কোয়ারান্টাইনে রয়েছেন। তাদের বাড়ি লক ডাউন করা হবে।
ভূরঙ্গামারীতে ৩ ব্যক্তির শরীরে করোনা পজেটিভ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ৩ ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের ২ জন পুরুষ ও ১ জন ন.....
25/04/2020
ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী
23/04/2020
আজ ২৩/০৪/২০২০ থেকে কুড়িগ্রাম জেলাকে লক ডাউন ঘোষণা করা হয়েছে
24/03/2020
20/01/2020
ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন
ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন ‘এসো মিলি প্রাণে প্রাণে’ এই শ্লোগানকে কন্ঠে ধারণ করে নানা আয়েজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যবাহী ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকা.....