ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুর যাওয়ার পথে বাস থামিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরীর সাথে দেখা করেছেন তারেক রহমান। মেয়েটার সাথে থাকা বেগম জিয়ার ছবিটাও উপহার হিসেবে নিয়েছেন।
এই তরুণ প্রজন্মই আগামীর বাংলাদেশ।
Sirajganj District - BNP
যেকোনো তথ্য পাঠাতে আমাদের মেইল করুন
[email protected]
11/12/2025
উল্লাপাড়ার রাজনীতিতে দুই দলের দুই নেতা—একজন কাজ দিয়ে প্রমাণিত, আরেকজন শুধু নির্বাচন দিয়ে পরিচিত⭐
উল্লাপাড়ার সচেতন মানুষ আজ খুব ভালো করেই জানে— একজন নেতা আছেন, যিনি এমপি হওয়ার আগেই এলাকাকে কিছু দেওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন।
৩১ বছর বয়সে কলেজ প্রতিষ্ঠা?
হ্যাঁ এটাই তিনি করেছেন—তখন তিনি এমপি হওয়ার কল্পনাও করেননি, তবুও উল্লাপাড়ার সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য একটি পুরো কলেজ দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। যেই কলেজ উল্লাপাড়াকে তৈরি করেছে শিক্ষা নগরী। সমাজ বদলে দিয়েছে,প্রতিটি পরিবার বদলে দিয়েছে। আমার শ্রদ্ধেয় পিতা এই কলেজ থেকে এইচএসসি, বিএ ডিগ্রি করেছেন, যেটি
আমার একাডেমিক ক্যারিয়ারে অনেক ভূমিকা রেখেছে।আমার বাবাই ছিলেন আমার ইংরেজি শিক্ষক।
দেখুন পরে তার সামাজিক কাজ, সততা ও জনপ্রিয়তা দেখে বেগম খালেদা জিয়া তাকে ডেকে নিয়ে নিজ হাতেই নমিনেশন দেন। উল্লেখ্য জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়া সবসময় এই ধরনের ভিশনারি মানুষ কে বিএনপি তে রিক্রুট করতেন। এটাই প্রমাণ—নেতৃত্ব চাইলে হয় না, যোগ্যতা থাকলে নেতৃত্ব নিজে এসে খুঁজে নেয়।
✔️ তারপর তিনি দুইবার এমপি হয়েছেন।
✔️ দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়—বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, FBCCI—সহ দেশের ইকোনমিক্স উন্নয়নে দায়িত্ব পালন করেছেন।
✔️ ব্যবসায়িক সুনাম, সততা—এমন পর্যায় যে হাসিনা সরকারও এক টাকার দুর্নীতির মামলা করতে পারে নাই।
✔️ পাশাপাশি আরও বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা, ব্রিজ, ইনফ্রাস্ট্রাকচার—প্রমাণ হিসেবে চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
এত কিছু করেও মানুষকে কখনো “আমি করেছি” বলে চাপিয়ে দেননি। কাজ তাকে চিনিয়েছে উল্লাপাড়ায়,সারা দেশে—প্রচার নয়।
এখন প্রশ্ন হলো—উল্লাপাড়ার অন্য রাজনৈতিক চরিত্রটি কি করেছেন?
উনি এখন পর্যন্ত পাঁচবার নির্বাচন করলেন।(আমি যদি ভুল না করি)
এই পাঁচবারে উল্লাপাড়ায় তার চোখে পড়ার মতো—
📍 একটা স্কুল তৈরি?
📍 একটা কলেজ?
📍 কোনো ব্রিজ?
📍 কোনো রাস্তা?
📍 কোনো স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার?
📍 তরুণদের জন্য চাকরি বা উদ্যোগ?
কি?
কোথায়?
🟥 উনি শুধু ইলেকশন আসলে প্রার্থী হতেই জানেন—কিছু তৈরি করতে জানেন না।
🟥 নির্বাচন এলেই পোস্টার, লোক দেখানো হাসি, প্রতিশ্রুতি—এই পর্যন্ত।
🟥 নির্বাচনের বাইরে ভোটাররা কি কখনো তাকে পাশে দেখেছে?
উল্লাপাড়া এখন প্রশ্ন করছে—
“তুমি বারবার ভোট চাইতে পারো, কিন্তু উল্লাপাড়ার জন্য তুমি করেছটা কি?”
রাজনীতি শুধু বারবার দাঁড়ানোর নাম নয়—
রাজনীতি হল বারবার মানুষের জীবন বদলানোর নাম।
এবং এই জায়গায় একজন নেতা প্রমাণ দিয়ে দিয়েছেন— তিনি এম আকবর আলী।
📌 শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
📌 রাস্তা-ঘাট
📌 ব্রিজ
📌 উন্নয়ন
📌 সততা
📌 জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদা
আর অন্যজন প্রমাণ করেছেন—
📌 পাঁচবারের প্রার্থী হওয়া যায়…
📌 কিন্তু পাঁচবারেও মানুষকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া যায়নি।
🔥 উল্লাপাড়া এখন কাজের রাজনীতি চায়—ফাঁকা প্রচারের নয়।
🖌️ধানের শীষে কেন ভোট দিবেন পর্ব ১
📝প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হোসেন খাঁন
17/11/2025
আইভি লিগ অ্যালামনাই মূলত বিশ্বের নামকরা আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( হার্ভার্ড, ব্রাউন, কলাম্বিয়া, কর্নেল, ডার্টমাউথ, প্রিন্সটন, ইয়েল ও পেনসিলভানিয়া) সাবেক শিক্ষার্থীদের বোঝায়।
বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে কাজ করা অর্থনীতিবিদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক কৃষি অর্থনীতির উপর পিএইচডি করেছেন আইভি লিগের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
আর অক্সফোর্ড গ্রাজুয়েট ব্যারিস্টার নওশাদ জমির এল এল এম করেছেন আইভি লিগের হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি এবং বারাক ওবামাও আইভি লিগ অ্যালামনাই।
কম হলেও ২০ জন আইভি লিগ আলামনাই আছে যারা বিএনপির পলিসি মেইকিং সহ বিভিন্নভাবে বিএনপির হয়ে কাজ করছে। যারা হয়তো নির্বাচন করছেন না বা করবেন না সামনে। কিন্তু বিএনপির পলিসিতে তাদের অবদান সবথেকে বেশি।
04/11/2025
🔥 স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতন আন্দোলনের সিরাজগঞ্জ অগ্রসৈনিক পরিচিতি 🔥
পর্বঃ ২
📍 নাম: মোঃ আবির হাসান (Hin Abir)
📍 উপজেলা: উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ
📍 শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: সরকারি তিতুমীর কলেজ
🎖️ পদবী:
১. যুগ্ম আহ্বায়ক — তিতুমীর কলেজ ছাত্রদল।
২. যুগ্ম আহ্বায়ক — উল্লাপাড়া পৌর ছাত্রদল।
৩. সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক — জিয়া সাইবার ফোর্স, সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা।
---
✊ জুলাই আন্দোলনে আবিরের অবদান ও নেতৃত্ব
১️⃣ উল্লাপাড়ায় প্রথম মিছিলের নেতৃত্ব:
আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে উন্মুক্ত মঞ্চ হয়ে আবু তাহের ছাত্রাবাস পর্যন্ত সফল সমাপ্তি ঘটান। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে আন্দোলনের স্থান, স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রস্তুত করেন নিজ হাতে। আবির এই যুদ্ধে সহযোদ্ধা হিসেবে কাছে পেয়েছিলেন সামিউল সামি আব্দুল্লাহ জাকারিয়াদের মত অভিজ্ঞ অগ্রজদের।
২️⃣ সমন্বয়কের তালিকা গঠনে মূল ভূমিকা:
রেফারেন্স হিসেবে আবিরের নাম গ্রহণ করা হয়; রাকিব হোসেন খাঁন, কাউসার আহমেদ রনি, সাকিব সরকার মাসুম, আব্দুল্লাহ জাকারিয়া ও সবুজ ইসলামের সহায়তায় প্রথম ১০ জন সমন্বয়কের তালিকা করেন আবির, এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে রাকিব হোসেন খাঁনের মাধ্যমে অনুমোদন করেন। (গোপনীয়তার জন্য নিজেকে তালিকাভুক্ত করেননি আবির।)
৩️⃣ তথ্য ও প্রচার সামগ্রী প্রকাশনায় নেতৃত্ব:
আন্দোলন বেগবান করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন খাঁন ফেসবুক গ্রুপ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং মেসেঞ্জার গ্রুপ ক্রিয়েট করেন সেখানে আবির অন্যতম এডমিনের ভূমিকা পালন করেন। কেন্দ্র ঘোষিত আন্দোলনের তথ্য রাকিব হোসেন খাঁন পাঠাতেন; আবিরের নেতৃত্বে তা এলাকায় প্রচার ও অর্গানাইজ করা হতো।আবিরকে বলা হয় উল্লাপাড়ার আন্দোলনের অন্যতম অর্গানাইজার, অনলাইন অরগানাইজার ও সম্মুখ সারির যোদ্ধা।
৪️⃣ ২ আগস্ট — পুলিশি হুমকি মোকাবেলায় দৃঢ় অবস্থান:
জুমার নামাজ শেষে পুলিশের তাৎক্ষণিক হুমকি উপেক্ষা করে সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আন্দোলন সংগঠিত করেন।
৫️⃣ ৩ আগস্ট — পাবনা–সিরাজগঞ্জ রোড ব্লকেট:
সাধারণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও পুশ করে সফলভাবে রোড ব্লক কর্মসূচি সম্পন্ন করেন।
৬️⃣ ৪ আগস্ট — সংঘর্ষ ও গণজমায়েতের নেতৃত্ব:
পুরাতন বাস টার্মিনালে দুই হাজারেরও বেশি সাধারণ শিক্ষার্থী ও সহযোদ্ধাদের নিয়ে সংঘর্ষে নেতৃত্ব দেন এবং আওয়ামী লীগ অফিস ঘিরে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ঘটনাস্থল থেকে লাইভে বক্তব্য প্রদান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় আসেন। আহত সহযোদ্ধাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে তাদের ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি ও ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
৭️⃣ ৫ আগস্ট — তেতুলতলা সিএনজি স্ট্যান্ডে সংঘর্ষ:
থমথমে পরিস্থিতিতেও সহযোদ্ধাদের নিয়ে আওয়ামী লীগকে বিতাড়িত করে রাস্তায় অবস্থান সুনিশ্চিত করেন।
৮️⃣ কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিটি আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা:
কখনো সামনে, কখনো আড়ালে থেকে — প্রতিটি কর্মসূচিতে নেতৃত্ব, সমন্বয় ও তথ্য সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
৯️⃣ সংগঠন ও যোগাযোগ দক্ষতা:
সাধারণ শিক্ষার্থী, ছাত্র অধিকার পরিষদ, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রেখে আন্দোলনের শক্তি বৃদ্ধি করেন।
---
❤️ মানবিক সত্তা ও স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকা
আবির শুধু রাজপথের অগ্রসৈনিকই নন — তিনি একজন রক্তযোদ্ধা।
যখনই কারও রক্তের প্রয়োজন হয়, আবির নিজেই রক্ত দান করেন অথবা অন্য দাতাদের সংগঠিত করে রক্তের ব্যবস্থা করেন।
তিনি অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হিসেবে মানবিক কাজেও যুক্ত আছেন, যেখানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অসহায় রোগীদের রক্ত, চিকিৎসা ও সহায়তা পৌঁছে দেন।
---
🎯 আদর্শ ও অনুসরণ
আবির তিতুমীর কলেজ ছাত্রদল এর যুগ্ম আহ্বায়ক, রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওছার আহমেদ রনি এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এর অনুসারী।
---
🌿 আমরা আবিরদের নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখি।
আবিররাই আগামীর উল্লাপাড়া। 🌿
03/11/2025
জরুরি সংবাদ সম্মেলন —
আজ সোমবার, নভেম্বর ৩, ২০২৫, দুপুর ৩টায় গুলশান চেয়ারপার্সন কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে বেলা সাড়ে ১২টায় গুলশান চেয়ারপার্সন কার্যালয়ে বিএনপির জাতীয় স্হায়ী কমিটির বৈঠক শুরু হয়েছে। সভাপতিত্ব করছেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।
03/11/2025
✊ অগ্রসৈনিক পরিচিতি সিরিজ – পর্ব ১
স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতন আন্দোলনের সিরাজগঞ্জের অগ্রসৈনিক: তারেক আরফান
যারা অন্যায় আর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়ায়—তাদের নাম সময়ের স্রোতে মুছে যায় না, বরং ইতিহাসে খোদাই হয়ে থাকে।
তেমনি এক নির্ভীক তরুণের নাম তারেক আরফান।
নাম: তারেক আরফান
পদবী: সহ-সভাপতি, সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদল।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: বেলকুচি সরকারি কলেজ।
উপজেলাঃ বেলকুচি
সিরাজগঞ্জের বিসিক নগরী, যমুনার তীরের উপজেলা বেলকুচি—এই মাটিতেই জন্ম নিয়েছে এক নির্ভীক ছাত্রনেতা, যার নেতৃত্বেই বেলকুচি ছাত্রদল আজ পরিচিত।
দীর্ঘ এক যুগের অধিক সময় ধরে রাজপথে অবিচল, দৃঢ়, সংগঠক ও অনুপ্রেরণার প্রতীক এই তারেক আরফান।
২৮ অক্টোবর পরবর্তী ভয়াবহ দমন-নিপীড়নের সময় যখন দেশের রাজপথ স্তব্ধ, তখন তারেকের নেতৃত্বে বেলকুচির রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে আগুন জ্বালিয়ে শুরু হয় প্রতিরোধের আগুন—
যা ছিল বাংলাদেশে প্রথম হরতাল সফল করার ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
তারেক আরফান শুধু আন্দোলনের ফ্রন্টলাইনে থাকা নেতা নন, বরং হাসিনা পতন আন্দোলনের বেলকুচি অধ্যায়ের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ও সংগঠক।
তার কৌশল, ত্যাগ ও পরিশ্রমে আজ বেলকুচির ছাত্রদল সংগঠন এক নতুন উচ্চতায়।
রাজনৈতিকভাবে তিনি, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম এবং সাবেক জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান জেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান রঞ্জন–এর নিবেদিত অনুসারী।
তারেকদের মতো তরুণ অগ্রসৈনিকরা আজকের আন্দোলনের প্রাণশক্তি—
যারা ভয় পায় না, যারা থামে না, যারা জানে গণতন্ত্রের আলো রক্ত দিয়েই ফিরে আসে।
আমরা অগ্রসৈনিক তারেক আরফানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সাফল্য, নেতৃত্বের বিকাশ ও আদর্শের অগ্রযাত্রার প্রতি আন্তরিক শুভকামনা জানাই। 🌿
---
🇧🇩 #অগ্রসৈনিক_পরিচিতি_সিরিজ
🔥 #হাসিনা_পতন_আন্দোলন
📍 #সিরাজগঞ্জ
🎯 #ছাত্রদল_ফ্রন্টলাইনে
✊ #তারেক_আরফান_একজন_অগ্রসৈনিক
📢 স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতন আন্দোলনের অগ্রসৈনিক পরিচিতি সিরিজ
———————————————
আমরা সিরাজগঞ্জ জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলার সংগ্রামী নেতাকর্মীদের নিয়ে শুরু করেছি এক ধারাবাহিক উদ্যোগ —
“অগ্রসৈনিক পরিচিতি সিরিজ”।
👉 যারা সত্যিকার অর্থে এই আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে অবদান রেখেছেন,
তাদের তথ্য পাঠাতে পারেন নিচের নির্দেশনা অনুসারে।
📌 তথ্য পাঠানোর সময় অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে পাঠাবেন — যিনি অগ্রসৈনিক এর তথ্য পাঠাচ্ছেন, আপনি অগ্রসৈনিক এর বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত।
📷 পাঠাতে হবে—
৮টি ছবি
নাম
উপজেলা
পদবী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম
কিভাবে তিনি অবদান রেখেছেন তার বিস্তারিত বিবরণ
✍️ এডমিন
জামায়াতে ইসলামী আন্দোলন করছে পি আর পদ্ধতির জন্য। যেটা অনেকটা ভারতের পছন্দের পদ্ধতি। কেননা পি আর বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীল অবস্থা চিরস্থায়ীভাবে বিদ্যমান থাকবে, একটা দূর্বল সরকার প্রতিষ্ঠা পাবে, যেটা ভারত সবসময় চায়, যত দূর্বল সরকার, ততই ভারতের এদেশে নিয়ন্ত্রণ । কারণ তাদের পাপেট সরকার এই মূহুর্তে বাংলাদেশে নেই।
অন্যদিকে বিএনপি আন্দোলন করছে জনগনকে সাথে নিয়ে তিস্তার পানির জন্য। যে তিস্তার উপর প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে প্রায় কোটি মানুষ নির্ভরশীল। আর এই তিস্তা ইস্যু ভারতকে আরো খেপিয়ে তুলবে জেনেও বিএনপি এটা করছে এদেশের মানুষের জন্য।
এখন সিদ্ধান্ত এদেশের মানুষের, তারা কাদের গ্রহন করবে আর কাদের বর্জন করবে। আর এটাও বুঝে নেওয়ার যে এই দেশে কোন দল কোন দেশের পারপার্স প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে সার্ভ করে।
অনেক দল ও ব্যাক্তি আছে; তারা যত গর্জে তত বর্ষে না। হিম্মত নাই আরকি। আর বিএনপি। কথায় নয় কর্মে যার পরিচয়। আজকের এই শতকিলোর আলোর মিছিল তার জ্বলন্ত প্রমান।
ভারতের বিরুদ্ধে মুখে মুখে হাতি-ঘোড়া তলিয়ে দেয় অনেক দল, ভিউ নেয় অনেকে। কিন্তু আসল লড়াই, আসল অবস্থান — সেটা সব সময়ই বিএনপিকেই নিতে হয়। আজকে অনেকেই ভারতের বিরুদ্ধে মুখে মুখে ঝড় তোলে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিউ কামায়, ভারতের বিরুদ্ধে বুলি ছুড়ে জনপ্রিয়তা নেওয়া সহজ, কিন্তু জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে মাঠে নামতে সাহস লাগে। সেই কাজটাই বারবার করেছে বিএনপি— কথায় নয়, কাজে।
দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীন সিদ্ধান্তের প্রশ্নে যে দলটা বাস্তবে অবস্থান নেয়, সেই দলটি বিএনপি— সব সময়, সব পরিস্থিতিতে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Sirajganj
