25/05/2020
Eid-Mubarak to All Muslim brothers & Sisters.
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জ্ঞানের আলো লাইব্রেরী, Library, ৩৬, হাজী আহাম্মদ আলি রোড, মাছুমপুর, সিরাজগঞ্জ।, Sirajganj.
25/05/2020
Eid-Mubarak to All Muslim brothers & Sisters.
22/05/2020
পিএইচপি “কূরআনের আলো” এবারের বিজয়ী সিরাজগঞ্জের ছেলে হাফেজ আবু রাহাদ কে
জ্ঞানের আলো লাইব্রেরির পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও মুবারকবাদ।।
15/12/2019
গৌরবময় বিজয়ের দিনে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রইল সশ্রদ্ধ সালাম।
"সবাইকে বিজয়ের শুভেচ্ছা"
04/06/2019
জ্ঞানেরআলো লাইব্রেরীর পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।।
জ্ঞানের আলো লাইব্রেরির পক্ষথেকে
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।
শুভ নববর্ষ - ১৪২৬
21/02/2019
রাজধানীর চকবাজারের ভয়াবহ ও মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় নিহত এবং আহতদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা।
আল্লাহ নিহতদের পরিবারের শোক সইবার তৌফিক দান করুক এবং আহতদের দ্রুত সুস্থ করে দিন।
# জ্ঞানের আলো লাইব্রেরী
20/02/2019
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন আল্লাহ্ রাব্বুল 'আলামীন তাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন
- জ্ঞানের আলো লাইব্রেরী
01/01/2019
একটি ভাল বই একশত বন্ধুর সমান। একজন ভাল বন্ধু একটি লাইব্রেরীর সমান।✌✌
D.A.P.J Abdul kalam
08/10/2018
- দাদা, পুজো দেখতে যাবেন না?
- না ভাই, সেটাতে আমার ধর্মে মানা আছে।
- কেন?
- আমরা যখন গরু কুরবানি করি, সেই জায়গায় আপনাদের যাওয়া নিষেধ না?
- হ্যাঁ নিষেধ। সে স্থানে ভগবানের অভিশাপ পরে।
- ঠিক তেমনি, অন্য ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জায়গায় যাওয়া আমাদের জন্যও নিষেধ। আমার ধর্মমতে পুজোর স্থানে আল্লাহর গজব নাজিল হতে থাকে।
হজরত উমর (রা) বলেছেন, "তোমরা মুশরিকদের উপসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করোনা। কারন সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গজব নাজিল হতে থাকে"। (বায়হাক্বী)
যে স্থানে আল্লাহর গজব নাজিল হয় আমার ধর্মমতে, সেখানে যাই কি করে?
- ঠিক আছে, পুজো উপলক্ষ্যে প্রসাদ খেতে তো পারবেন ?
- আপনার বাসায় অন্য যেকোনো সময় দাওয়াত খেতে যেতে পারব। এ বিষয়ে মানা নেই। কিন্তু পুজো উপলক্ষ্যে কিছু খেতে পারব না।
- ব্যাপারটা একটু অন্য রকম হয়ে গেল না?
- ধরুন, কুরবানি ঈদের দাওয়াত দিয়ে আমি আপনাকে গরুর মাংস খেতে বললাম। আপনি কি খাবেন?
- না, অবশ্যই খাব না।
- ঠিক তেমনি কিছু কিছু জিনিস আমাদের জন্যও ধর্মমতে খাওয়া নিষিদ্ধ (হারাম)। যেমন- মদ, শুকুরের গোশত, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহ করা গোশত, অন্য ধর্মের ধর্মীয় উৎসবের খাবার ইত্যাদি। সব ধর্মেরই নিষিদ্ধ কিছু বিষয় থাকে যা মানতে হয়।
- কিন্তু ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।
- ওটা হয়তো অন্যদের জন্য হতে পারে, কিন্তু আমাদের জন্য না। অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানে গেলে যেখানে আমার নিজেরই ধর্ম থাকছে না, সেখানে যার যার ধর্ম কথাটা নিয়ে কি করব?
- বুঝিনি, একটু বুঝিয়ে বলুন।
- মানে হল, ইসলাম ধর্মের মূলনীতি অনুযায়ী অন্য কারো ধর্মের উৎসবে স্বেচ্ছায় আনন্দের সাথে যোগদান করার অর্থই হল আল্লাহর সাথে শিরকের কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলা। আর আল্লাহ সব গুনাহই মাফ করে দিবেন, একমাত্র শিরকের গুনাহ ছাড়া।
আল্লাহ বলেন “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তার সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করবেন না। এ ছাড়া অন্য সকল গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে দিবেন।” (সুরা নিসা: ৪৮)
- তাহলে আপনি কি অন্যদের অপছন্দ করেন?
- সেটা করব কেন? যার ধর্ম তার কাছে। আর ইসলাম এটাও শিক্ষা দেয়, অন্যদেরকে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে কোন প্রকার বাধা না দিতে। আমি প্রয়োজনে আপনাদের নিরাপত্তা দিব, পাহারা দিব, কেউ বিপদগ্রস্থ হলে তাকে সাহায্য করার জন্য ঝাঁপিয়ে পরব, অসুস্থ হলে চিকিৎসা দিব। এতে আমার আপত্তি নেই।
কিন্তু সব ধর্মেরই কিছু বিধি নিষেধ থাকে। আপনার ধর্মেও আছে, আমার ধর্মেও আছে, সেগুলো তো মানা উচিত।
- তাহলে কি আপনি আমার বাসায় কখনো দাওয়াত খাবেন না?
- খাব না কেন? অন্য একদিন আপনার বাসায় দাওয়াত দিয়েন। আমি গিয়ে খেয়ে আসব। সেটাতে কোন বিধি নিষেধ নেই।
আমাদের নবীজিও (সা) অন্য ধর্মের লোকদের বাসায় গিয়ে খেয়ে এসেছেন। এক ইহুদী উনাকে দাওয়াত দিয়েছিল, উনি গিয়ে খেয়েছিলেন। আর অবশ্যই আমার বাসায় আপনারো নেমন্ত্রন থাকল।
- কিন্তু ব্যাপারটা একটু সাম্প্রদায়িক হয়ে গেল না?
- অসাম্প্রদায়িকতা মানে এটা নয় যে আপনি আমার মসজিদে গিয়ে আমাদের নামাজ পরা দেখবেন, আর আমি আপনার পুজো মণ্ডপে গিয়ে পুজো করা দেখব। এটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, এটা অধার্মিকতা। এতে আপনার ধর্মও থাকবে না, আমার ধর্মও থাকবে না।
আমি আপনাকে সম্মান করি, আপনি আমাকে করেন, অথচ দুজন দু'ধর্মের। আমি আপনার কাছে নিরাপদ, আপনি আমার কাছে নিরাপদ। আপনার বিপদে আমি এগিয়ে আসব, আমার বিপদে আপনি এগিয়ে আসবেন। দেশের যেকোনো আপদ বিপদে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলে কাজ করব।
একজন মানুষ হিসেবে, একজন বাংলাদেশী হিসেবে একে অন্যের প্রতি এই যে সম্মান, এটাই হল প্রকৃত অসাম্প্রদায়িকতা। :)
21/08/2018
জ্ঞানের আলো লাইব্রেরির পক্ষথেকে
সবাইকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা।
#আরাফার_রোজা_কবে?
শায়েখ মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল উসাইমীন (রহ.) এর ফতোয়া
মুহাম্মাহ ইবনে সালেহ আল উসাইমীন (রহ.) কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, চন্দ্রের উদয়াচলের বিবেচনায় অঞ্চলের বিভিন্নতার কারণে যদি আরাফার দিনও ভিন্ন ভিন্ন হয়, তবে আমরা কিভাবে রোজা রাখব? আমরা কি চন্দ্র দেখে রোজা রাখব নাকি হারামাইনের অধিবাসীদের দেখার উপর নির্ভর করে রোজা রাখব?
তিনি বলেছিলেন, এটি মূলত: আহলে ইলমদের (প্রসিদ্ধ) একটি মতনৈক্যের উপর নির্ভর করে যে, সারা পৃথীবিতে চন্দ্র একটিই নাকি উদয়াচলের বিভিন্নতায় চন্দ্রও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে? সঠিক তো এটিই যে, উদয়াচলের বিভিন্নতায় চন্দ্রও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, যখন মক্কায় চন্দ্র দেখা গেল, এদিন মক্কায় চাঁদের নবম তারিখ। একই সময়ে অন্যান্য দেশে মক্কার একদিন পূর্বে চন্দ্র দেখা গেল, ফলে সেখানে আরাফার দিন হচ্ছে চাঁদের দশম দিনে। তাহলে তাদের জন্য এ দিনে রোজা রাখা জায়েজ নেই, কারণ আজ তাদের ঈদের দিন। অনুরূপ যদি ধরে নেওয়া হয় যে, মক্কায় একদিন আগে চাঁদ দেখা দেয় আর অন্যান্য জায়গায় পরে, তবে অন্যান্য জায়গায় যেদিন ৯ জিলহজ্ব, মক্কায় সেদিন ৮ জিলহজ্ব। তাহলে তারা স্থানীয় সময়ানুযায়ী ৯ম তারিখেই রোজা রাখবে। এটাই প্রণিধানযোগ্য মত। কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন তোমরা তা (চাঁদ) দেখ রোজা রাখ আবার যখন চাঁদ দেখ তখন রোজা ছাড়ো।" আর এই সকল লোক যাদের এলাকায় চাঁদ উদিত হয়নি, তারা তো চাঁদ দেখেইনি। আর লোকেরা যেভাবে ফজর উদিত হওয়া ও সূর্যাস্তকে নিজ এলাকা অনুযায়ী হিসেব করে থাকে, অনুরূপভাবে দিনের হিসেবও করা হবে মাসের মত।
শায়েখ মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল উসাইমীন (রহ.) কৃত মাজমুউ ফাতাওয়া ও রাসায়েল, রোজা অধ্যায়, ২০তম খন্ড।