প্রত্যেকটা গণতান্ত্রিক সরকারের উচিৎ ইতালীয় দার্শনিক উমবার্তো ইকোর “ফ্যাসিস্ট দেখতে কেমন হয়” লেখার ১৪টা পয়েন্ট মুখস্ত করা। এই ১৪টা পয়েন্ট মুখস্ত করবে কারণ ভুলেও যাতে একটা সর্বজনবিদিত সরকার এই ১৪টা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের একটাও নিজের মাঝে না আনতে পারে। যদিও উমবার্তো ইকো তার এই লেখা লিখেছিলেন ফ্যাসিস্ট মুসোলিনিকে চিন্তা করে, তবুও তার এই লেখা সব যুগের ফ্যাসিস্টদের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। সকল ফ্যাসিস্টের এই ১৪টা বৈশিষ্ট্যই থাকবে এরকম না, তবে এই ১৪টার মাঝে অন্তত একটা থাকলেও সেই সরকার বা শাসককে ফ্যাসিস্ট বলা যাবে। ইকোর ১৪টা পয়েন্ট নিয়ে লিখতে যেয়ে আমি বিগত সরকারের উদাহারণ টানবো। সবগুলো বৈশিষ্ট্যে হয়তো মিলবেনা তবে যেগুলোতে একদম মিলে যায় সেগুলো বাদ দেই কেমন করে?!
১। ফ্যাসিস্ট রেজিম সবসময় একটা ‘সোনালি অতীত’ কে আঁকড়ে ধরতে চায়। তারা মনে করে সেই সোনালী অতীত তাদেরকে শক্তি যোগায়, ওটাই তাদের আদর্শ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হাসিনা সরকার আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ কে এই সোনালি অতীত হিসেবে সবসময় (অপ)ব্যবহার করে এসেছে। কথায় কথায় মহান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের গৌরব, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ইত্যাদি শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে একটা ভ্রমে রাখার চেষ্টা করেছে পুরো জাতিকে যেনো আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কেউ এই ‘সোনালি অতীতের’ দাবিদার না হতে পারে।
২। ফ্যাসিস্ট রেজিম ঠিক ততটুকুই পরিবর্তন চায় যতটুকু পরিবর্তনের তার নিজের গদি ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। এক্ষেত্রে ফ্যাসিস্ট রেজিম আধুনিকবাদ বা মডার্নিজমকে ধারণ করেনা। কারণ মডার্নিজম প্রশ্ন করে, জটিল ভাবে ভাবে শিখতে চায়-শেখাতে চায় যেটা ফ্যাসিস্ট রেজিম পছন্দ করেনা। এক্ষেত্রে ফ্যাসিস্ট রেজিম প্রথাবদ্ধ হয়ে থাকতে চায় যেটা একটাই ছাঁচ বা গঠন পছন্দ করে।
৩। ফ্যাসিস্ট রেজিম খুব আবেগে সিদ্ধান্ত নেয় যেটাকে আমরা বলি impulsive। ২০১৮ এর কোটা সংস্কার আন্দোলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আবেগ-অভিমানে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোটা একদম বাতিল করার। অর্থাৎ ফ্যাসিস্ট রেজিমে আলোচনার সুযোগ কম কিংবা নাই।
৪। বিরুদ্ধমত মানেই রাষ্ট্রদ্রোহী- আমাদের দেশের ক্ষেত্রে বিগত সরকারের ফ্যাসিস্ট রেজিমের এই অংশটার উদাহারণ দিতে গেলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা যাবে।
৫। ফ্যাসিস্ট রেজিম ভিন্নতা কে কখনো স্বাগত জানায় না। ভিন্নতা বা তাদের মতো না হওয়াকে বরং হুমকি হিসেবে নেয়। বিগত সরকারের দল আওয়ামীলীগ তাদের দলের বাইরে আর কাউকেই নিতে পারতো না। এই দ্বন্দ্ব কে আমরা self/other এর বাইনারি বলতে পারি।
৬। ফ্যাসিজমকে তুলে ধরার জন্য একটা ফ্যাসিস্ট রেজিমের নিজস্ব কিছু ‘সুশীল’ থাকবে। এই সুশীলরা হবে অনেকটা মধ্যবিত্ত শ্রেণির যাদের কাছে ফ্যাসিস্ট রেজিমের সবকিছুই গ্রহণযোগ্যতা পাবে। সাম্প্রতিক সময়ে বিগত প্রধানমন্ত্রীর প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিক প্রবাস আমিন কিংবা ফারজানা রূপা দ্রষ্টব্য।
৭। ফ্যাসিস্ট রেজিম সর্বদাই ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী। দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে, আমাদের জাতীয়তার উপর আঘাত আসছে, বিদেশী শক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে, জঙ্গী উত্থান হচ্ছে- ইত্যাদি নানান রকমের প্লট সর্বদাই জনগণের দিকে ছুঁড়ে দেয় ফ্যাসিস্ট রেজিম।
৮। ফ্যাসিস্ট রেজিম একই সাথে নিজেকে দুর্বল ও সবল হিসেবে প্রতিফলিত করতে চায়। দুর্বল অর্থাৎ ফ্যাসিস্ট রেজিম জনগণ কে বোঝাবে, ‘আপনাদের ছাড়া আমরা অচল, একসাথে আমরা সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবো’ আবার সবল হিসেবে বলবে, ‘আমাদের কেউ হটাতে পারবেনা কারণ আমাদের আছে জনগণের শক্তি’। খুব সুক্ষ্ণভাবে ফ্যাসিস্ট রেজিম এই কাজটা করে।
৯। ফ্যাসিস্ট রেজিমের অন্যতম একটা কাজ হচ্ছে ঐতিহাসিক কোনো যুদ্ধ কে গ্লোরিফাই করা। ১নং বৈশিষ্ট্যের সাথে অনেকাংশেই মিলে এটা। মুক্তিযুদ্ধের মহান চেতনাকে ধারণ করে সবকিছুতেই মুক্তিযুদ্ধ ব্যবহার প্রতিটা অন্যায়কে জায়েজ করা হয়েছিলো বিগত সরকারের আমলে।
১০। ফ্যাসিস্ট রেজিম সবসময় শক্তিকে তোষণ করে। সেটা অর্থের হোক কিংবা মিলিটারি। শেয়ার বাজার কেলেংকারি, ব্যাংক লুটপাট, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির সাথে যারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলো তারা বিগত ফ্যাসিস্ট রেজিমের খুব কাছের। ফ্যাসিস্ট রেজিমের কাছে দুর্বল বা ভালনারেবল মানুষের কোনো স্থান নেই।
১১। ফ্যাসিজম হিরো তৈরি করে খুব সুক্ষভাবে। জনগণের কাছে হিরো বানায় কাউকে কাউকে। গত সরকারের আমলে সেই শাহবাগ গণজাগরণের ইমরান এইচ সরকার থেকে শুরু করে হালের ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন কিংবা সাকিব আল হাসান/মাশরাফি মর্তুজা- এই সব ম্যানুফ্যাকচার্ড হিরোকে তো বিগত ফ্যাসিস্ট রেজিমই তৈরি করেছিলো।
১২। ফ্যাসিজম নিদারুণভাবে পুরুষতান্ত্রিক। ফ্যাসিস্ট রেজিমের বাহক মহিলা হলেও যে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা ধারণ করতে পারে তা আমরা বিগত সরকারের সময় দেখেছি। নারীর ক্ষমতায়ন শুধু মুখে মুখেই ছিলো। পাহাড়ি আদিবাসী নারী, কিংবা সাধারণ নারীদের নিরাপত্তার কোনোরূপ আয়োজন ফ্যাসিস্ট সরকার করেনি।
১৩। ফ্যাসিস্ট রেজিম বলে তারা জনগণকে সাথে নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু আদতে তারা খুব নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠিকে ছাড়া আর কাউকেই তাদের সাথে রাখেনা। সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠি হলো তাদের দল কিংবা দলীয় আদর্শের ধারক বা তল্পিবাহক।
১৪। সর্বোপরি ফ্যাসিস্ট রেজিম নিজেদের মত করে সংবাদ ম্যানিপুলেট করে। তাদের চ্যানেলগুলোর শব্দচয়ন বা সংবাদ পরিবেশনের ধরণ দেখলেই বোঝা যায় সংবাদগুলো আরোপিত। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আমরা দেখেছি ফ্যাসিস্ট সরকারের পুলিশ যখন নির্বিচারে শিক্ষার্থীদের গুলি করছিলো তখন বেশিরভাগ সংবাদ চ্যানেলগুলো রাষ্ট্রের অবকাঠামোর কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা দেখাতে ব্যস্ত ছিলো। মেট্রোরেল আর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জন্য কান্না ঢেকে দিয়েছিলো নিরীহ শিক্ষার্থীদের আর্তনাদ।
একটা ফ্যাসিস্ট রেজিম ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে। এই ভয় তৈরি করে আজ্ঞাবহ কর্মী, আমলাতন্ত্র এবং রাজনৈতিক তল্পিবাহক।
© সংগ্রহীত
Buraiya Chattak BD
বুরাইয়া
18/01/2024
🚩 প্রিপেইড মিটারের আওতায় এসেছেন, সেহেতু যেনে রাখুন বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃ
প্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা।
কারণঃ
১। মিটার পরীক্ষার সময় আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রথম ১ বার ১০০ টাকা কাটবে।
২। ডিমান্ড চার্জ আগে প্রতি কিলো ওয়াট লোডের জন্য ছিল ২৫ টাকা এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা (প্রতি মাসে এক বার করে কাটবে)।
৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা (প্রতি মাসে এক বার)।
৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।
৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা (প্রতি মাসে একবার)।
বিঃ দ্রঃ এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম ১০০০ টাকার কার্ড রিচার্জে ১০০০ টাকার স্থানে ৭৯২ টাকা দেখাবে, কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকি টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটারের গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।
স্থিতি জানতে আরও কিছু বিশেষ তথ্যঃ
১। আপনি কত ইউনিট ব্যবহার করেছেন তা জানার জন্য ৮০০ চাপুন।
২। আপনার মিটারে কত টাকা জমা আছে তা জানতে ৮০১ চাপুন।
৩। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স জানতে ৮১০ চাপুন।
৪। মিটার টি চালু অথবা বন্ধ করতে ৮৬৮ চাপুন।
৫। আপনার মিটারটি কত কিলোওয়ার্টের তা জানতে ৮৬৯ চাপুন।
19/11/2023
অভিনন্দন টিম অস্ট্রেলিয়া । 🎉🎉
অজি ক্যাপ্টেন প্যাট কামিন্স প্রিম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলেন, 'Nothing more satisfying than hearing a big crowd go silent' এবং তা করে দেখিয়েছেন ।
বিশ্বকাপে অপরাজিত থাকা ভারতকে তাদের ঘরের মাঠে লাখো ক্রাউডের মাঝে হারিয়ে নিজেদের ৬ষ্ঠ ODI শিরোপা জিতে হেক্সা মিশন কমপ্লিট করলেন অজিরা ।
❤️ Congratulations Australia ❤️
🔰 দামী একটি মন থাকা, প্রচুর অর্থের চেয়েও প্রয়োজনীয় ।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটসকে কেউ একজন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "পৃথিবীতে আপনার চেয়ে ধনী আর কি কেউ আছে?
বিল গেটস বলেছিলেন "হ্যাঁ এমন একজন আছেন যিনি আমার চেয়েও ধনী।"
এরপরে তিনি একটি গল্পের কথা বর্ণনা করলেন।
“এটা এমন এক সময় ছিল যখন আমি ধনী কিংবা বিখ্যাত ছিলাম না।
একদিন আমি নিউইয়র্কের বিমানবন্দরে গিয়েছিলাম। তখন আমি একজন সংবাদপত্র বিক্রেতাকে দেখেছিলাম। আমি তার থেকে একটি সংবাদপত্র কিনতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমার কাছে ভাংতি পয়সা অথবা খুচরা পয়সা ছিল না। তাই আমি কেনার ধারণাটি ছেড়ে সেটা বিক্রেতার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। আমি তাকে আমার কাছে যথেষ্ট অর্থ না থাকার কথা বলেছিলাম। সে বিক্রেতা আমাকে বলেছিলেন "এটা আমি আপনাকে ফ্রী তে দিচ্ছি ।" তার অনুরোধে আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম ।
“কাকতালীয়ভাবে, দুই থেকে তিন মাস পরে আমি একই বিমানবন্দরে আবার অবতরণ করেছিলাম এবং সেদিনও পত্রিকা কেনার জন্য আমার কাছে ভাংতি ছিল না। বিক্রেতা আবার পত্রিকাটি আমাকে ফ্রী তে অফার করেছিলেন। আমি সেটা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমি এটি নিতে পারবো না। কারণ আজও আমার কাছে যথেষ্ট অর্থ নেই। তিনি বলেছিলেন "আপনি পত্রিকাটি নিতে পারেন, আমি এটা আমার লাভ থেকে ভাগ করে দিচ্ছি। এতে আমার কোন ক্ষতি হবে না"। আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।
১৯ বছর পরে আমি বিখ্যাত এবং মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠি। হঠাৎ করে মনে পরলো সেই বিক্রেতার কথা। আমি তার সন্ধান শুরু করি এবং প্রায় দেড় মাস অনুসন্ধানের পরে আমি তাকে খুঁজে পেয়েছিলাম। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম "আপনি কি আমাকে চেনেন?তিনি বলেছিলেন "হ্যাঁ আপনি বিল গেটস"। আমি তাকে আবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম "আপনার মনে আছে আপনি আমাকে বিনা মূল্যে একটি পত্রিকা দিয়েছিলেন? সে বিক্রেতাটি বললেন "হ্যাঁ মনে আছে"। "আপনাকে দুই বার আমি পত্রিকা দিয়েছিলাম।"
আমি বলেছিলাম "সে সময় আপনি আমাকে যে সাহায্যটা করেছিলেন তা আমি আজ ফিরিয়ে দিতে চাই। আপনি আপনার জীবনে কি চান বলুন, আমি সেটা পূরণ করবো ’'
বিক্রেতা বললেন "স্যার, আপনি কি করে মনে করেন যে এটা করে আপনি আমার সাহায্যের সাথে মেলাতে পারবেন?"
আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন?
তিনি বলেছিলেন" আমি যখন দরিদ্র সংবাদপত্রের বিক্রেতা ছিলাম, তখন আপনাকে সাহায্য করেছিলাম আর আপনি আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন তখনই যখন আপনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনী ব্যক্তি হয়ে উঠলেন। তাহলে কীভাবে আপনার সাহায্য আমার সাহায্যের সাথে মিলে?"
বিল গেটস বলেছিলেন "আমি সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম যে সংবাদপত্রের বিক্রেতা আমার চেয়ে বেশি ধনী ছিলেন। কারণ তিনি কাউকে সাহায্য করার জন্য ধনী হওয়ার অপেক্ষা করেন নি।"
আমাদের বুঝতে হবে, সত্যিকারের ধনী ব্যক্তি হলো তারা যাদের প্রচুর অর্থের চেয়েও ধনী একটি মন আছে ।
দামী একটি মন থাকা, প্রচুর অর্থের চেয়েও প্রয়োজনীয় ।
[ সংগৃহীত ]
চরম বাস্তব"
আজ থেকে ২০০ বছর পর আমার বাড়িতে, আমার ঘরে যারা বসবাস করবে, যারা আমার জায়গা জমি ভোগ করবে আমি তাদের চিনিনা। তারাও আমাকে চিনবেনা। কারন তাদের জন্মের অনেক আগেই আমি কবরবাসী হয়ে যাব। আর ততদিন মুছে যাবে আমার নাম নিশানা। কবরটাও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
আমাদের সন্তানরা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন তারা হয়ত মনে পড়লে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলবে! কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর তাদের সন্তানরা তাদের যতটুকু মনে করবে আমাকে ততটুকু মনে করবে না। হয়ত বাবার কবর জিয়ারত করে দোয়া করার সময় দাদার জন্যও একটু করবে।কিন্তু তার পরের প্রজন্ম আর মনে রাখবে না।
প্রায় ২০০ বছর আগে মারা গেছে আমার দাদার দাদা।যিনি আমার পূর্ব পুরুষদের জন্য ঘর বাড়ি, জায়গা জমি রেখে গেছেন। একই বাড়ি, একই জায়গা জমি আমরা এখন ভোগ করছি। কিন্তু উনার কবরটা কোথায় সেটা আমরা জানিনা। হয়ত আমার দাদার পিতা জানতেন। কিন্তু দাদার পিতা তো বেঁচে নেই, দাদাও বেঁচে নেই।তবে সাত পাঁচ করে আজ আপনি যে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সেটা কবরে নিয়ে যেতে পারবেন না। আর যাদের জন্য রেখে যাচ্ছেন তারা ও আপনাকে মনে রাখবে না এটা নিশ্চিত!
অন্যের সম্পত্তি জবর দখল করে ভাবছেন আপনি জিতে গিয়েছেন? সুদ, ঘুষ, কমিশন বাণিজ্য করে সম্পদ এর পাহাড় গড়ে ভাবছেন আপনি জিতে গিয়েছেন? তা হলে আপনি আস্ত একটা "বোকা" ! ক্ষমা করবেন।আমাদের সময় খুব কম! তাই এই সুদ, ঘুষ ,দূর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহার , সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়া - বিবাদ ইত্যাদি করে কোন লাভ নেই ভাই।। সময় থাকতে আত্মোউপলব্ধি এবং আত্ম সংশোধন করে ভালো হয়ে কবরের খোরাক সংগ্রহ করুন" সেটাই বুদ্ধিমানের কাজ।। আসুন নিজেকে সৎ মানুষ হিসেবে তৈরি করি"এবং পরকালের জন্য পূণ্যতা সঞ্চয় করি।। সেটাই আপনার জন্য প্রকৃত সম্পদ।
আল্লাহ রাব্বুল আল্ আমীন আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দিন" এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিন।
আমিন।
31/07/2022
আজ থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশব্যাপী মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনার কথা নির্দেশ করতেছে আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেলগুলো। আজ বিকেল ৫ টা থেকে তীব্র বজ্রপাত শুরু হয়েছে যা আগামী ৩ দিনও অব্যাহত থাকবে।
আগামী ৩ দিনে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের জেলা-গুলতে। আগামী ৩ দিন পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলায় ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা নির্দেশ করতেছে আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেলগুলো যে বৃষ্টিপাতের পুরোটাই প্রায় তিস্তা নদীর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। ফলে আগামী মঙ্গল ও বুধ বার তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বুধবারের পরে বৃষ্টির পরিমাণ কমার সম্ভাবনা নির্দেশ করতেছে আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেলগুলো। আগামী ৭ দিনে দেশের কোন স্থানেই বড় মাপের কোন বন্যার সম্ভাবনা আপাতত দেখা যাচ্ছে না।
ছবি বর্ণনা: নিচে সংযুক্ত প্রথম ছবিটি (বাম দিক থেকে) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল অনুসারে আগামী বুধবার পর্যন্ত মোট সম্ভব্য বৃষ্টিপরিমান ও দ্বিতীয় ছবিটি আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল অনুসারে আগামী বুধবার পর্যন্ত মোট সম্ভব্য বৃষ্টিপরিমান নির্দেশ করতেছে। গত ৩ দিনে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বজ্রপাতে প্রায় ১০০ জন মানুষ মারা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। নিচের ছবিতে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে ও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বজ্রপাতের পরিমাণ গত ২ ঘণ্টায়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সাংবাদিক ভাইদের প্রতি বিনীত অনুরোধ বজ্রপাতের সংবাদ টি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করবেন। কৃষকরা যেন বজ্রপাতের সময় ক্ষেতে ধান লাগাতে ব্যস্ত না থাকে। বজ্রপাত ঝুঁকি সাধারণত কোন স্থানে বৃষ্টি শুরুর পরে ১ থেকে ২ ঘণ্টার পরে শেষ হয়ে যায়। ফলে বৃষ্টি শুরু পরে ২ ঘণ্টা মাঠে কাজ করা বিরত থাকলেও শতকরা ৯৯% বজ্রপাতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে।
===========================================
আজ রাত ১০ টা থেকে ১ টার মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
==========================================
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Sunamganj
3087
