20/08/2026
বাংলাদেশে সম্প্রতি হামের বিস্তার বেশ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বায়ুবাহিত ও অত্যন্ত সংক্রামক এই রোগটি বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়ায়। এর থেকে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে অবিলম্বে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা জরুরি:
প্রধান করণীয়:
* এমআর (MR) বা হামের টিকা দেওয়া: হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা।
* ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের দ্রুত সরকারি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) বা নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র থেকে হাম-রুবেলা (MR) টিকা দিন।
* যেসব শিশুর টিকার দুটি ডোজ সম্পন্ন হয়নি, তাদের দ্রুত ডোজ পূর্ণ করান।
* আক্রান্ত রোগীকে আইসোলেশনে রাখা: পরিবার বা আশপাশে কারও জ্বর ও শরীরে লালচে ফুসকুড়ি (Rash) দেখা দিলে তাকে অন্তত ৪-৫ দিন অন্যদের থেকে আলাদা ঘরে রাখুন।
* মাস্ক ব্যবহার ও হাত পরিষ্কার করা: এটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই জনাকীর্ণ স্থানে মাস্ক পরা এবং সাবান-পানি দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
* ভিটামিন-এ ক্যাপসুল: হাম হলে পুষ্টিহীনতা ও চোখের ক্ষতি এড়াতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
* পর্যাপ্ত তরল ও বিশ্রাম: আকান্তকে প্রচুর পানি, স্যুপ, ডাবের পানি ও তরল খাবার দিন এবং শান্ত, আবছা আলোযুক্ত ঘরে বিশ্রামে রাখুন (কারণ হামে চোখ আলোকাতঙ্ক বা লাল হতে পারে)।
সতর্কতামূলক লক্ষণ (কখন ডাক্তার দেখাবেন):
রোগীর অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, প্রচণ্ড পাতলা পায়খানা, কান দিয়ে পানি পড়া বা অতিরিক্ত তন্দ্রাচ্ছন্নতা দেখা দিলে কোনো বিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।