Jamaat Sylhet City

Jamaat Sylhet City

Share

Welcome to Official page of Jamaat Sylhet city. Welcome to Official page of Bangladesh Jamaat-e-Islami, Sylhet City Branch.

The oldest and largest Islamic political party of Bangladesh, Jamaat-e-Islami started working with a pledge to safeguard the independence, territorial sovereignty and Islamic values of Bangladesh which emerged as an independent state in 1971 through a great war of liberation.

Photos from Jamaat Sylhet City's post 02/06/2026

সিলেট মহানগর জামায়াতের সুধী সমাবেশ

দেশ ভালো নেই, সরকার
ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে
----ডা: শফিকুর রহমান এমপি

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, ৪৭ আমাদের ভিত, ৭১ আমাদের অহংকার ও ২৪ আমাদের পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও সরকারে গণভোট অস্বীকারের কারণে জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেনি। ফলে দেশ ও জনগণ ভালো নেই। শিশু ধর্ষণ ও হত্যা, খুন, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আর সরকার ব্যস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন স্তরে দলকানাদের বসাতে। তারা জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে জাতির সাথে প্রতারণা করেছে। প্রায় ৭০ শতাংশ গণভোটে ‘হ্যা’ দাতাদের অপমান করে সরকার ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে। এতে জনগণ বিক্ষুব্ধ হচ্ছে। এর ফল তাদেরকেই বহন করতে হবে। স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ শাসনের ইচ্ছা থাকলে পরিনতির জন্যও ভাবতে হবে। জুলাই বার বার ফিরে আসবে। আমরা আর কোন মুল্যবান জীবন হারাতে চাইনা।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে টাকা পাওয়া যাচ্ছেনা। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ৫টি ব্যাংক নিয়ে সমন্বিত ব্যাংক হয়েছিল সেই ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকার জন্য ঘুরছে সমাধানের উদ্যোগ নেই। সরকার সমৃদ্ধ ইসলামী ব্যাংক দখলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাতের অন্ধকারে জুম মিটিং করে ইসলামী ব্যাংক দখলের বন্দোবস্ত হচ্ছে হচ্ছে। এক মাসের মাথায় আবারও জ¦ালানী তেলের দামও বাড়ানো হয়েছে তাও রাতের আধারে। এটাও কি রাতের সরকার। এমন প্রশ্ন জনগণ করতে পারে। পলাতক, ফ্যাসিস্ট ও লুটপাটকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটী গভর্ণরকে জোর জবরদস্তি করে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারে বসানোর ফলাফল ভালো হবেনা। যে গ্রাহকের ৫টি শেয়ার আছে, সেও ইসলামী ব্যাংকের একজন মালিক। সুতরাং একটি সমৃদ্ধ ব্যাংক দখল হয়ে যাবে গ্রাহকরা বসে থাকবেনা। এজন্য গ্রাহক হিসেবে আমাকেও রাজপথে নামতে হতে পারে।

তিনি মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৫টায় সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত নগরীর শাহী ঈদগাহস্থ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান।

বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন-সিলেট অঞ্চল টীম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মাওলানা মিফতাহুদ্দীন ও ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, জেলা সেক্রেটারী জয়নাল আবেদীন, মহানগর সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সভাপতি এডভোকে আলিম উদ্দিন, মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু ও মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাজু প্রমুখ। শুরুতেই পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমীর বলেন, ভোটের আগে তারা গণভোটে হ্যা’এর পক্ষে প্রচারণা চালালেন। এখন বলেন নির্বাচন যদি না দেয়, সেই ভাবনা থেকে গণভোট মেনে নিয়েছিলাম। এটি জনগণের সাথে সুষ্পষ্ট প্রতারণা। তারা ইতোমধ্যে প্রতারণার ফলাফল পেতে শুরু করেছেন। একটি সরকারের ৩ মাসের মাথায় মন্ত্রীদেরকে ভুয় ভুয়া স্লোগান শুনতে হচ্ছে। অথচ আমরা মনে কষ্ট নিয়েও নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিয়েছিলাম। আবার সরকারের জ্ঞানী মন্ত্রীরা বলেন সংবিধানে গণভোট নাই। গণভোট না কি অবৈধ। তাইলে শহীদ জিয়া কিভাবে গণভোট করেছিলেন, এর উত্তর তাদের কাছে নেই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যে আদেশে জাতীয় নির্বাচন হলো সেই একই আদেশে গণভোট হলো। তাহলে একটা বৈধ আর একটা অবৈধ হয় কিভাবে। এটা প্রায় ৭০ শতাংশ জনগণকে অপমানের শামিল। জনগণকে যারা অপমান করে তাদেরকে জনগণও ছেড়ে দেয়না। আমরা মনে কষ্ট নিয়েও জাতীয় স্বার্থে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়েছিলাম। কিন্তু কোন ছাড় দেবোনা। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংসদের ভেতরে ও বাইরে লড়াই চালিয়ে যাবো। লড়াই থামবেনা। একজন দলকানা ঋণখেলাপী গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর করা হয়েছে। এমন নজির বিশে^র কোথাও নেই।

তিনি বলেন, সরকার ভালো করলে সহযোগিতা করবো, মন্দ করলে প্রতিবাদ করবো, বাধাঁ দিবো। নিরব বসে থাকবোনা। জ¦ালানী সংকট নিয়ে আমরা সরকারকে সহযোগিতার আশ^াস দিয়েছিলাম। কিন্তু সরকারের মন্ত্রী এমপিগণ তেলের মজুদ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ও আশ^াসমূলক বক্তব্য দিয়ে জনগণের কাছে হাসির পাত্র হয়েছেন। উল্টো তারা জামায়াতকে দোষারূপ করতে শুরু করলেন। এখানেও ষড়যন্ত্র খুঁজতে থাকলেন। তারা জনগণকে চোর বানাতে লাগলেন। তখন আমরা বললাম যেহেতু বিরোধী দল সম্পৃক্ত তাইলে আর কেউ চুরি করে মজুদ করতে পারবেনা। বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি, সিটি কর্পোরেশ ও জেলা প্রশাসকের চেয়ারে দলকানাদের বসিয়ে তারা ফ্যাসিবাদের পথে হাটঁছেন। ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে পতনের ছিদ্র কিন্তুখোলা থাকবেই। জুলাই থেকে শিক্ষা না নিলে এটা দুর্ভাগ্য। আমরা সংসদে গালাগালি ও কারও চরিত্র হরণ করতে বাধাঁ দিয়েছি। সংসদে কেউ আর গাণ বাজনা হয়না। রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের জন্য সরকারকেই কার্যকর ভুমিকা পালন করতে হবে। মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সুধী সমাজকে জামায়াতের যোগদানের আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জুলাই শহীদ ও আহতদের আকাঙ্খা পূরণে জামায়াতে ইসলামী কাজ চালিয়ে যাবে। সরকারকে নব্য ফ্যাসিবাদের পথ থেকে সরে আসতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। জামায়াত জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংসদে ও রাজপথে থাকবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি মজলুম দল। জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু আমরা আছি আর ষড়যন্ত্রকারীরা পরাজিত হয়েছে, পালিয়ে গেছে। তাই এদেশে কারো উপর কোন জুলুম মেনে নিবেনা। ব্যাংক থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখলের সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকেসিলেট মহানগর জামায়াতের সুধী সমাবেশ

দেশ ভালো নেই, সরকার
ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে
----ডা: শফিকুর রহমান এমপি

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, ৪৭ আমাদের ভিত, ৭১ আমাদের অহংকার ও ২৪ আমাদের পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও সরকারে গণভোট অস্বীকারের কারণে জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেনি। ফলে দেশ ও জনগণ ভালো নেই। শিশু ধর্ষণ ও হত্যা, খুন, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আর সরকার ব্যস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন স্তরে দলকানাদের বসাতে। তারা জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে জাতির সাথে প্রতারণা করেছে। প্রায় ৭০ শতাংশ গণভোটে ‘হ্যা’ দাতাদের অপমান করে সরকার ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে। এতে জনগণ বিক্ষুব্ধ হচ্ছে। এর ফল তাদেরকেই বহন করতে হবে। স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ শাসনের ইচ্ছা থাকলে পরিনতির জন্যও ভাবতে হবে। জুলাই বার বার ফিরে আসবে। আমরা আর কোন মুল্যবান জীবন হারাতে চাইনা।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে টাকা পাওয়া যাচ্ছেনা। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ৫টি ব্যাংক নিয়ে সমন্বিত ব্যাংক হয়েছিল সেই ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকার জন্য ঘুরছে সমাধানের উদ্যোগ নেই। সরকার সমৃদ্ধ ইসলামী ব্যাংক দখলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাতের অন্ধকারে জুম মিটিং করে ইসলামী ব্যাংক দখলের বন্দোবস্ত হচ্ছে হচ্ছে। এক মাসের মাথায় আবারও জ¦ালানী তেলের দামও বাড়ানো হয়েছে তাও রাতের আধারে। এটাও কি রাতের সরকার। এমন প্রশ্ন জনগণ করতে পারে। পলাতক, ফ্যাসিস্ট ও লুটপাটকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটী গভর্ণরকে জোর জবরদস্তি করে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারে বসানোর ফলাফল ভালো হবেনা। যে গ্রাহকের ৫টি শেয়ার আছে, সেও ইসলামী ব্যাংকের একজন মালিক। সুতরাং একটি সমৃদ্ধ ব্যাংক দখল হয়ে যাবে গ্রাহকরা বসে থাকবেনা। এজন্য গ্রাহক হিসেবে আমাকেও রাজপথে নামতে হতে পারে।

তিনি মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৫টায় সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত নগরীর শাহী ঈদগাহস্থ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান।

বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন-সিলেট অঞ্চল টীম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মাওলানা মিফতাহুদ্দীন ও ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, জেলা সেক্রেটারী জয়নাল আবেদীন, মহানগর সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সভাপতি এডভোকে আলিম উদ্দিন, মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু ও মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাজু প্রমুখ। শুরুতেই পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমীর বলেন, ভোটের আগে তারা গণভোটে হ্যা’এর পক্ষে প্রচারণা চালালেন। এখন বলেন নির্বাচন যদি না দেয়, সেই ভাবনা থেকে গণভোট মেনে নিয়েছিলাম। এটি জনগণের সাথে সুষ্পষ্ট প্রতারণা। তারা ইতোমধ্যে প্রতারণার ফলাফল পেতে শুরু করেছেন। একটি সরকারের ৩ মাসের মাথায় মন্ত্রীদেরকে ভুয় ভুয়া স্লোগান শুনতে হচ্ছে। অথচ আমরা মনে কষ্ট নিয়েও নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিয়েছিলাম। আবার সরকারের জ্ঞানী মন্ত্রীরা বলেন সংবিধানে গণভোট নাই। গণভোট না কি অবৈধ। তাইলে শহীদ জিয়া কিভাবে গণভোট করেছিলেন, এর উত্তর তাদের কাছে নেই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যে আদেশে জাতীয় নির্বাচন হলো সেই একই আদেশে গণভোট হলো। তাহলে একটা বৈধ আর একটা অবৈধ হয় কিভাবে। এটা প্রায় ৭০ শতাংশ জনগণকে অপমানের শামিল। জনগণকে যারা অপমান করে তাদেরকে জনগণও ছেড়ে দেয়না। আমরা মনে কষ্ট নিয়েও জাতীয় স্বার্থে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়েছিলাম। কিন্তু কোন ছাড় দেবোনা। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংসদের ভেতরে ও বাইরে লড়াই চালিয়ে যাবো। লড়াই থামবেনা। একজন দলকানা ঋণখেলাপী গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর করা হয়েছে। এমন নজির বিশে^র কোথাও নেই।

তিনি বলেন, সরকার ভালো করলে সহযোগিতা করবো, মন্দ করলে প্রতিবাদ করবো, বাধাঁ দিবো। নিরব বসে থাকবোনা। জ¦ালানী সংকট নিয়ে আমরা সরকারকে সহযোগিতার আশ^াস দিয়েছিলাম। কিন্তু সরকারের মন্ত্রী এমপিগণ তেলের মজুদ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ও আশ^াসমূলক বক্তব্য দিয়ে জনগণের কাছে হাসির পাত্র হয়েছেন। উল্টো তারা জামায়াতকে দোষারূপ করতে শুরু করলেন। এখানেও ষড়যন্ত্র খুঁজতে থাকলেন। তারা জনগণকে চোর বানাতে লাগলেন। তখন আমরা বললাম যেহেতু বিরোধী দল সম্পৃক্ত তাইলে আর কেউ চুরি করে মজুদ করতে পারবেনা। বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি, সিটি কর্পোরেশ ও জেলা প্রশাসকের চেয়ারে দলকানাদের বসিয়ে তারা ফ্যাসিবাদের পথে হাটঁছেন। ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে পতনের ছিদ্র কিন্তুখোলা থাকবেই। জুলাই থেকে শিক্ষা না নিলে এটা দুর্ভাগ্য। আমরা সংসদে গালাগালি ও কারও চরিত্র হরণ করতে বাধাঁ দিয়েছি। সংসদে কেউ আর গাণ বাজনা হয়না। রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের জন্য সরকারকেই কার্যকর ভুমিকা পালন করতে হবে। মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সুধী সমাজকে জামায়াতের যোগদানের আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জুলাই শহীদ ও আহতদের আকাঙ্খা পূরণে জামায়াতে ইসলামী কাজ চালিয়ে যাবে। সরকারকে নব্য ফ্যাসিবাদের পথ থেকে সরে আসতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। জামায়াত জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংসদে ও রাজপথে থাকবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি মজলুম দল। জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু আমরা আছি আর ষড়যন্ত্রকারীরা পরাজিত হয়েছে, পালিয়ে গেছে। তাই এদেশে কারো উপর কোন জুলুম মেনে নিবেনা। ব্যাংক থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখলের সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে। সরে আসতে হবে।

02/06/2026

🔴LIVE...
সুধী সমাবেশ

প্রধান অতিথিঃ ডা. শফিকুর রহমান, এমপি
মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও
আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আয়োজনে : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, সিলেট মহানগরী৷

Photos from Jamaat Sylhet City's post 02/06/2026

সিলেটে নিহত ফাহিমার পরিবারের পাশে বিরোধী দলীয় নেতা

রামিসার মতো সিলেটের ফাহিমা হত্যাকান্ডের
বিচারও দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে
----ডা: শফিকুর রহমান এমপি

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, সিলেটের ছোট্ট শিশু ফাহিমার প্রতি নৃশংস হত্যাকান্ডের ২৮দিনেও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি, চার্জশীট দাখিল হয়নি। দেশব্যাপী আলোচিত এই ঘটনার বিচার দীর্ঘসুত্রিতার দিকে গেলে আমরা ধরে নেবো বিচার হবেনা। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে রামিসার কথা বলেছেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিচার হবে, আমরা ফাহিমার বিচারেও এইধরনের ঘোষণা চাই। এর বাস্তবায়ন চাই। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফাহিমা হত্যা মামলার চার্জশীট প্রদানের জন্য পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। এইধরনের ঘটনার বিচার নিশ্চিতে আমরা নিম্ন ও উচ্চ আদালতে তাদের পাশে থাকবো।

তিনি মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১১ টায় সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলায় পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার চার বছরের শিশু ফাহিমার বাড়ীতে গিয়ে পরিবারের পাশে সাক্ষাত শেষে উপস্থিত সাংবাদিক ও জনগণের উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি তাদেরকে সহমর্মিতা জানানোর পাশাপাশি পরিবারের সার্বিক বিষয়ের খোঁজখবর নেন এবং সবসময় তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় আমীরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, আমি গ্রামবাসীদের কাছে অনুরোধ করছি আপনারা ফাহিমার বিপন্ন পরিবারটি পাশে থাকবেন। আমি কথা দিচ্ছি- আমার এবং আমাদের সংগঠন নিজের জায়গা থেকে সবসময় পরিবারের পাশে থাকবে। তাদের কপাল বদলানোর দায়িত্ব আল্লাহর। আমরা বিপদে পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব পালন করতে পারি। আমরা লোক দেখানো কোন কিছু করতে চাইনা। বাংলাদেশের যেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে আমরা সীমিত সামর্থের ভেতরে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বলছি- আমি আপনার বিপদ দুর করতে পারবোনা, কিন্তু কষ্টের ভাগ নিতে এসেছি।

তিনি বলেন, যেখানেই মানুষ মজলুম হবে সেখানেই আমরা হাজির হবো। মজলুম কোন দল, মত ও ধর্মের সেটা বিবেচ্য নয়, আমরা তাকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেই পাশে দাঁড়াবো। সিলেটের দুজন মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারাও দায়িত্ব পালন করবেন। এই আসনের মন্ত্রীকে কথা দিয়েছি ফাহিমার বিচারে আমি পাশে থাকবো। আমরা দেখতে চাই এই জনপদের জন্য আপনী ভুমিকা পালন করেন।

বিরোধী দলীয় নেতা আরও বলেন, সমাজের লম্পটদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তাদের দৌরাত্ম বেড়ে যাবে। ফাহিমা ও রামিসাদের আর্তচিৎকার, জীবন আলো নিভে যাওয়া ও তাদের আপনজনের চোখের পানিতে নদী তৈরী হয়ে যাওয়া বর্তমানে এটি হচ্ছে বাংলাদেশের চিত্র। জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত, নিজেকে ধিক্কার জানাই। আমরা মাসুম বাচ্চাদেরও ইজ্জত আমরা রক্ষা করতে পারছিনা। আমরা আবার বড় বড় কথা বলি, ধমকের সুরে কথা বলি। আমাদের কারও কারও আচরণে মনে হয়- আমরা শুধু দুনিয়া না, আসমানকেও শাসন করতে পারি-নাউযুবিল্লাহ। দুনিয়া ও আসমানের শাসন করার এখতিয়ার একমাত্র সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আল-আমীনের। ক্ষমতায় কেউ গেলে তাকে বিনয়ী হওয়া উচিত। কারণ সরকার হচ্ছে জনগণের পাহারাদার। অথচ তারা দেশবাসীকে তাদের ভাড়াটিয়া মনে করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব কালপ্রিটদের খুজে বের করা ও আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব বিচার নিশ্চিত করা। ফাহিমার সাথে অপকর্ম জাকির একা করে নাই। এর সাথে তার পরিবারের লোকজনও জড়িত বলে সবাই বলেছে। তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, মহানগর নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, সদর উপজেলা আমীর নাজির উদ্দিন, নায়েবে আমীর আব্দুল লতিফ লালা ও সেক্রেটারী আল ইমরান প্রমূখ।

Photos from Jamaat Sylhet City's post 02/06/2026

সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলা গ্রামের নিহত শিশু ফাহিমার পরিবারের পাশে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও আমীরে জামায়ত ডাঃ শফিকুর রহমান এমপি।
আজ সকাল ১১ টায় তিনি ফাহিমার বাড়িতে যান এবং তার পিতার সাথে সাক্ষাৎ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মহানগর জামায়াতের আমীর ফখরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান সহ জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

02/06/2026

ধর্ষণ ও নির্যাতনে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ফাহিমার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

Photos from Jamaat Sylhet City's post 01/06/2026

সাবেক এমপি অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর
শয্যাপাশে বিরোধী দলীয় নেতা

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, জামায়াতের সাবেক কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সিলেট-৫ (কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে গিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান।
তিনি সোমবার (১ জুন) রাত ১০টার দিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে নগরীর সোবহানীঘাটস্থ ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধিন সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে যান। এসময় তিনি জননেতা ফরিদ চৌধুরীর চিকিৎসার ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত ও পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করে মোনাজাত করেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান।

Photos from Jamaat Sylhet City's post 01/06/2026

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমান এমপিকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানাচ্ছে সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

26/05/2026

সিলেটবাসীকে মহানগর জামায়াতের
ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

সিলেট মহানগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মুবারক জানিয়েছেন সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

এক শুভেচ্ছা বার্র্তায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল ও সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী সিলেটবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ত্যাগই হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহার মহাত্ম। ঈদুল আযহা আমাদেরকে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, শোষণমুক্ত ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কুরবানীর অনুপ্রেরণা দেয়। ত্যাগ ও কুরবানীর মানসিকতা নিয়ে ব্যক্তিগত, সমাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ন্যায় এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে। আর এর মাধ্যমেই কেবল মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব।

তারা বলেন, এবছর আমার এমন একটি পরিবেশে ঈদ উদযাপন করছি, যখন সারাদেশে অরাজকতা বিরাজমান। ছোট্ট শিশুরা ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের পর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এমন দৃশ্য কোনভাবেই কাম্য ছিলনা। ঈদুল আযহার এই দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের ঈদ আনন্দে শামিল করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সবাইকে ঈদ আনন্দে শামিল করার মহৎ কাজে এগিয়ে আসুন। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

Photos from Jamaat Sylhet City's post 26/05/2026

দক্ষিণ সুরমায় জুলাই শহীদ শাহাজাহানের পরিবারের পাশে জামায়াত

জুলাই শহীদদের আকাঙ্খা পূরণে জামায়াতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে
--- মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন পূরণে জামায়াত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদকে উপেক্ষার মাধ্যমে জুলাই শহীদ ও আহতদের সাথে প্রতারণা করেছে। গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে জামায়াত সারাদেশে জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, ঈদুল আযহা সামনে। কিন্তু শহীদ শাহজাহানসহ সহস্রাধিক শহীদ পরিবারে এবারও আনন্দ নেই। কারণ যারা হারায় তারাই স্বজন হারানোর বেদনা অনুভব করতে পারে। আজ রাষ্ট্র ও সরকারের উচিত ছিল জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। জামায়াত সবসময় জুলাই শহীদের পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে।

তিনি মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও নিখোঁজ শহীদ শাহাজাহানের পরিবারের সাথে মত বিনিময় ও ঈদ উপলক্ষে নগদ অর্থ উপহার প্রদানকালে উপরোক্ত কথা বলেন।
এসময় সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, দক্ষিণ সুরমা থানা সেক্রেটারী মাওলানা ফয়জুল ইসলাম জায়গীরদারসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Want your business to be the top-listed Government Service in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Kudratullah Market
Sylhet
3100