Sylhet, সিলেট

Sylhet, সিলেট

Share

Sylhet (Bengali: সিলেট) is a metropolitan city in northeastern Bangladesh. It is the administrative seat of Sylhet Division.

সিলেট জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল সিলেট। এটি সিলেট বিভাগের অধিক্ষেত্রভুক্ত একটি জেলা। উপজেলার সংখ্যানুসারে সিলেট বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা। সিলেট বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ। বনজ, খনিজ ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জন্য এ জেলা খ্যাত। জৈন্তিয়া পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য, জাফলং এর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, জাফলং চা বাগান, ভোলাগঞ্

Photos from Sylhet, সিলেট's post 20/02/2026

সিলেটের ইফতারি বাজারে শীর্ষে আখনি ও পাতলা খিচুড়ি!

রমজান এলেই সিলেটের ইফতারি বাজার জমে ওঠে নানা পদের খাবারে। তবে ঐতিহ্য ও স্বাদের দিক থেকে এবারও রোজাদারদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে আখনি ও পাতলা খিচুড়ি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার, আম্বরখানা, শাহি ঈদগাহ, উপশহর, সোবহানীঘাট, মীরাবাজার, শিবগঞ্জ, পাঠানটুলা, তালতলা, কাজিরবাজার, হুমায়ূন রশিদ চত্বরসহ শহরের প্রায় সব এলাকাতেই ব্যস্ত ইফতারি বাজার। বড় রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান—সবখানেই চলছে দেদার কেনাবেচা। নানা পদের খাবারের সঙ্গে সর্বাধিক বিক্রি হচ্ছে আখনি ও পাতলা খিচুড়ি।

সিলেটি আখনির আলাদা স্বাদ ও ঐতিহ্য
পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট সিলেটের ট্রাস্টি সৈয়দ আবদুল করিম চৌধুরী (কিম) বলেন, “সুগন্ধি চাল আর মাংস দিয়ে সিলেটের আখনি রান্নার পদ্ধতি ঢাকার তেহারির মতো হলেও স্বাদের দিক থেকে এটি একেবারেই আলাদা। আখনি সিলেটের নিজস্ব সংস্কৃতির অংশ—ইফতারিতে এ অঞ্চলের মানুষ সব সময়ই এটি পছন্দ করে।”

শুধু আখনি নয়, পাতলা খিচুড়িও রোজাদারদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। আগে পরিবারে পরিবারে ইফতার আয়োজনে ঘরোয়াভাবে আখনি ও খিচুড়ি রান্না করা হতো—এ ধারা আজও বজায় আছে।

বাজারের ব্যস্ততা ও ক্রেতাদের আগ্রহ
দুপুরের পর থেকেই শহরের ইফতারি দোকানগুলোতে সাজানো হয় নানা পদের খাবার। জিলাপি, ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুচপ, ডিমচপ, চিকেন শামি কাবাব, বটি কাবাব, হালিম, বিরিয়ানি, গরুর কালাভুনা, চিকেন বারবিকিউসহ নানা পদ বিক্রি হলেও আখনি ও পাতলা খিচুড়ির বিক্রি থাকে সবচেয়ে বেশি। কোথাও কোথাও ভুনা খিচুড়িও বিক্রি হচ্ছে সমানতালে।

সাগরদিঘিরপার এলাকার বাসিন্দা খায়রুল হক বিকেলে জিন্দাবাজারের এক দোকানে ইফতারি কিনতে এসে বলেন, “প্রথম রোজাতেই আত্মীয়স্বজনকে দাওয়াত দিয়েছি। ঘরে আখনি আর পাতলা খিচুড়ি রান্না হয়েছে, তবে বাজার থেকে আরও কিছু ইফতারি নিচ্ছি—জিলাপি, ছোলা, চিকেনের কয়েকটা পদ।”

বিক্রয়মূল্য ও চাহিদা
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,

মাটন আখনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৫০–৫০০ টাকায়,
বিফ আখনি ৩৮০–৪২০ টাকা,
চিকেন আখনি ৩২০–৩৪০ টাকা,
ভুনা খিচুড়ি ১৫০–১৭০ টাকা,
পাতলা খিচুড়ি বড় বাটি ১২০ টাকা, ছোট বাটি ৬০ টাকা।
অভিজাত রেস্তোরাঁগুলোর দাম সাধারণের তুলনায় ১০০–১৫০ টাকা বেশি।

জিন্দাবাজার এলাকার পানসী রেস্টুরেন্টের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আহমেদ বলেন, “সিলেটে প্রতি রমজানেই আখনি আর পাতলা খিচুড়ি বিক্রির তালিকার শীর্ষে থাকে। শুধু রোজার প্রথম দিনেই আমাদের রেস্টুরেন্টে প্রায় ২০০ কেজি আখনি আর ৫০ কেজি পাতলা খিচুড়ি তৈরি করা হয়। রোজার মাঝামাঝি সময় এ চাহিদা আরও বাড়ে।”

ঐতিহ্যের ধারায় আখনি ও খিচুড়ি
সিলেটের ইফতারি বাজারে আখনি ও খিচুড়ির জনপ্রিয়তা নতুন নয়। গত এক দশক ধরে স্থানীয় রেস্তোরাঁ ও খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ব্র্যান্ডের আখনি, ভুনা ও পাতলা খিচুড়ি বাজারজাত করছে। শহরজুড়ে বিভিন্ন ইফতারি পসারায় মানুষ যেমন ‘নতুন’ খাবারের দিকে ঝোঁকেন, তেমনি পুরোনো ঐতিহ্যের স্বাদ ধরে রাখতে ভুল করেন না।

বন্দরবাজার এলাকার এক ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা বলেন, “আমাদের কাছে জিলাপি, ছোলা, চপ-বেগুনির ক্রেতা প্রচুর, কিন্তু আখনি আর পাতলা খিচুড়িই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়—সিলেটি রোজাদারদের কাছে এ দুটোই ইফতারির অপরিহার্য পদ।”

সমাপ্তি: প্রিয় পদে অটল সিলেট
প্রজন্ম বদলেছে, কিন্তু সিলেটিদের রসনা এখনও আখনি আর খিচুড়ির ঘ্রাণেই তৃপ্তি খোঁজে। আধুনিক রান্নার পাশাপাশি এই দুটি ঐতিহ্যবাহী খাবার এখনো প্রতিদিনের ইফতার তালিকায় অটল।

সুগন্ধি চাল, মসলা আর মাংসের মেলবন্ধনে তৈরি আখনি ও হালকা রান্নার পাতলা খিচুড়ি যেন সিলেটের ইফতারিকে করে তোলে সম্পূর্ণ—রোজার প্রতিদিনের আনন্দ আর সাম্প্রদায়িক ঐক্যের বহমান এক সুস্বাদু ঐতিহ্য।

Photos from Sylhet, সিলেট's post 20/02/2026

বসন্ত বাতাসে শহরে চোখজুড়ানো উদাল ফুল !

মৌলভীবাজার শহরে বসন্তের হাওয়ায় এসেছে রঙের উচ্ছ্বাস। সেই রঙে এখন শহরের পথঘাটে নজরকাড়া হয়ে ফুটে আছে উদাল ফুল—কমলা–হলুদ আভায় ভরা এক আশ্চর্য সৌন্দর্য।

কয়েক দিন আগে শহরের প্রবীণ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আবদুল মোতালিব একটি অচেনা ফুলের ছবি দেখে জানতে চাইলেন সেটি আসলে কোন ফুল। তাঁর কাছে নতুন মনে হয়েছিল ফুলটি। পরের দিন তিনি নিজেই খোঁজ নিয়ে জানালেন ফুলের নাম—উদাল ফুল।

শহরের মুসলিম কোয়ার্টারে উদালগাছের দেখা
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মৌলভীবাজার শহরের মুসলিম কোয়ার্টার এলাকায় গেলে দেখা যায়, একটি বাসার সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে এক বিশাল উদালগাছ। পাতাশূন্য ডালপালার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে আছে শ’ শ’ কমলা-হলুদ ফুল। ফাগুনের রোদ মিশে সেই ফুলে ছড়াচ্ছে ঝলমলে আভা, বসন্ত বাতাসে ভাসছে তার গন্ধ।

একসময় পার্বত্য ও অরণ্যাঞ্চলে সহজেই দেখা মিলত উদালগাছের। কিন্তু এখন এটি প্রায় বিলুপ্তপ্রায়; প্রকৃতিতে একপ্রকার ‘সংরক্ষিত গাছ’ হয়ে উঠেছে।

মুসলিম কোয়ার্টারের গাছটি এখন দালান–কোঠা ছাড়িয়ে অনেক উঁচুতে—ডালপালায় বসেছে কাঠশালিক, শালিক আর বুলবুলি। একটু পরপর চিলের পাখাও ভেসে উঠছে ওপরে। প্রকৃতির এমন রূপ দেখে মনে হয়, শহরেও এখনও একটু বুনো বসন্ত টিকে আছে।

শহরের আরও কয়েকটি স্থানে উদালগাছ
মৌলভীবাজার শহরের আরও কয়েকটি স্থানে দেখা গেছে উদালগাছের সৌন্দর্য।

সৈয়দ মুজতবা আলী সড়কে, মা ও শিশু মাতৃমঙ্গল হাসপাতালের পশ্চিম পাশে এক ছোট গাছে ফুল ফুটেছে পাতাহীন শাখার মাথায়।
সৈয়ারপুর এলাকার মাঝেরহাটি সড়কের উত্তর প্রান্তে, একটি বাড়ির ভেতর বড় উদালগাছটি এখন সম্পূর্ণ ফুলে ঢাকা; গাছের নিচে ঝরে আছে নরম পাপড়ির স্তর।
শান্তিবাগ ওয়াকওয়ে–তেও একটি ছোট গাছে ফুল ফুটেছে, যা পথচারীদের নজর কাড়ছে।
সৈয়দ আবদুল মোতালিব জানিয়েছেন, শহরের আরও কিছু স্থানে তিনি উদাল ফুল দেখতে পেয়েছেন। তাঁর ধারণা, এসব গাছের কয়েকটি হয়তো কেউ ব্যক্তিগত শখে লাগিয়েছেন, আবার কিছু প্রাকৃতিকভাবেই বড় হয়ে উঠেছে।

গ্রামবাংলার সঙ্গে উদালগাছের সম্পর্ক
স্থানীয়ভাবে জানা যায়, একসময় উদালগাছের বাকল থেকে পাওয়া আঁশ দিয়ে রশি তৈরি করা হতো, যা গ্রামীণ গেরস্থালির নানা কাজে ব্যবহৃত হতো। বন উজাড় ও পরিবেশের পরিবর্তনে সে ঐতিহ্য এখন বিলুপ্তপ্রায়—গাছটিও তার প্রাকৃতিক আবাসস্থল হারিয়েছে।

তবু শহর ও গ্রামে কোথাও কোথাও এখনো টিকে আছে এই গাছ, যেন সব প্রতিকূলতা জয় করে দাঁড়িয়ে আছে বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে।

বসন্তে উদালের পুনর্জাগরণ
যখন ফাগুন আসে, তখন উদালগাছ যেন আবার প্রাণ ফিরে পায়। ঝরে পড়া পাতাগুলোর জায়গায় ফুলে-ফলে রঙিন হয়ে ওঠে শাখা–প্রশাখা। কিছুদিন পর এই ফুল ঝরে যাবে, আর গাছে আসবে ফল—যা দেখতে ফুলের মতোই সুন্দর, লালচে আভার সেই ফলই জানান দেবে নতুন ঋতুর বার্তা।

বসন্ত বাতাসে দুলতে থাকা মৌলভীবাজারের এই উদাল ফুল এখন শহরের সৌন্দর্যের প্রতীক, আর আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতি হারিয়ে গেলেও, সে আবার ফিরে আসে নিজের রঙে।

Source : Prothom Alo

19/02/2026

রোজার মাসে সরকারি অফিসে দাড়িওয়ালা ঘুষখোরদের ওজু করে দৌড়াদৌড়ি দেখলে কি করতে ইচ্ছে করে?

#রমজান #রোজা #ইসলাম

27/12/2025

বড়লেখায় জোড়া খু-ন
(বিস্তারিত কমেন্টে)

01/10/2025

যে মাছ আমার আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশিরা কিনে খেতে পারবে না, আমি টাকা থাকলেও সেটা কিনে খাবো না।

আসেন এই শপথ নেই। এটাই মনুষ্যত্ব।

17/09/2025

গতদিন ইংল্যান্ডে ইসলাম তথা মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক বিশাল আন্দোলন সমাবেশ করেছে ব্রিটিশ সিটিজেনরা, তাদের সাথে ছিল ইউরোপীয় অন্যান্য দেশের জনগণও। সমাবেশে প্রায় দের লাখ মানুষ যোগ দিয়েছে( খবর রয়টার্স)।

তাদের একমাত্র দাবী এবং শ্লোগান ছিল, ইউরোপে ইসলামের জায়গা নেই, যারা মুসলিম ধর্মপ্রান এখানে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করতে চাও, তোমরা আরব দেশগুলোতে চলে যাও। এবং এদেরকে চিহ্নিত করে আর নাগরিকত্ব বাতিল করে বহিষ্কার আদেশ চেয়েছে রাষ্ট্রের কাছে। অন্যান্য স্লোগানগুলো খুবই নগ্ন ভাষায় দিয়েছে, যা আমি এখানে উল্লেখ করতে চাইছি না।

ইউরোপে ইসলামের বিরুদ্ধে দিনে দিনে কেন এমন পরিস্থিতি হল???

আমরা যখন প্রথম ইউরোপে আসি, তখন আমাদের খ্রিষ্টান সহপাঠিরা আমাদের সাথে মসজিদে যেতো, আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নিতো, সাংবাদিকরা এগুলো নিয়ে পজেটিভ প্রচারণা পত্রিকায় লিখত। কিন্তু আজ তারাও আমাদের ইসলামের বিরুদ্ধে, তারাও এখন প্রচণ্ড রকমের বিরক্ত।

সব চেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, ইতালি ইংল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশের অথোরিটি ইসলামের উপর শুধুমাত্র বিব্রত বাঙ্গালীদের কর্মকাণ্ডের উপর বেইজ করে। অথচ এদেশে বাঙ্গালীদের চাইতেও আরবের দেশগুলোর মুসলমানের সংখ্যা অনেক বেশী হলেও আরবের মুসলিম নিয়ে ইউরোপীয়দের তেমন কোন মাথা ব্যথা নেই।

এখানে যারা বাঙ্গালী-ইসলামের ঠিকাদার, তারা কি কখনোই ভেবে দেখেছে, কেন আমাদের ধর্মকে এতো বাজে ভাবে দেখছে তারা? কিছুদিন আগেও যারা আমাদের ফেভারে ছিল, তারা আজ কেন আমাদের বিরুদ্ধে?? কখনো কি এই ধর্মীয় ঠিকাদারেরা রাষ্ট্র তথা সরকারের পালস বুঝার চেষ্টা করেছে? নাকি তারা নিজেদের খেয়াল খুশী মতো যেভাবে ইচ্ছে যা ইচ্ছে সেগুলোকে ধর্মের নামে অপতৎপরতা চালিয়ে এখানে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ভাবে সবার শত্রু বানিয়েছে????

ইতালির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় আয়োজিত একাধিক মিটিংএ আমার যোগ দেবার সুযোগ হয়েছে, ধর্ম ও সমাজ কল্যান মন্ত্রণালয় থেকেও সভা আয়োজন করা হয়েছিলো, সেখানে ছিল ভেটিক্যান প্রতিনিধিরা, সেই মীটিংএও আমাকে অংশ গ্রহন করতে হয়েছিলো। সেখানে যেই বিষয়গুলোকে তারা তাদের নিজেদের কৃষ্টি কালচার অভ্যতা ভদ্রতা ধর্ম সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্যে হুমকি মনে করছে, তার মধ্যে মুল বিষয়গুলো নিয়ে আলোকপাত করি, দেখেন আপনাদের বুঝে আসে কিনা!!!!

ইতালির সরকার কোন অবস্থাতেই রাস্তা ঘাটে নামাজ পড়া, ইফতার করা বা কোন ধর্মীয় আচার আচারন অনুষ্ঠান করা পছন্দ করে না, বরং প্রচণ্ড রকমের বিরক্ত ও বিব্রত বোধ করে।
আমি প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের অথোরিটিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাহলে তোমরা কেন রাস্তায় নামাজ পড়ার জন্যে পারমিশন দেও। উত্তরে বলেছে, এখানে দুটি বিষয় কাজ করে, ১, রাস্তায় কথা বলা ও সমাবেশ করা নাগরিকের গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক অধিকার, এই আইনটিকে সুচতুর ভাবে ভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা হয়।২, এদেশে সকল ধর্মের সহবস্থান সমান।

তবে ভ্যাটিকানসহ অন্যান্য ধরমালম্বিদের প্রশ্ন হল, আজ পর্যন্ত তো কোন খ্রিষ্টান ধর্মগুরু তার দলবল নিয়ে একদিনও রাস্তায় প্রার্থনার আসর বসালো না, আরও হাজারও ধর্মের মানুষ এই দেশে বাস করে তারাও কোনদিন পথে এসে প্রার্থনার আসর বসালো না। মরক্কো, তুনেশিয়া, আলজেরিয়া, ইরাক, ইরান, সিরিয়া, লিবিয়া, পাকিস্তান, আফগানসহ পৃথিবীর ৫৬ টি ইসলামিক দেশের মুসলিমরা ইতালিতে বাস করে, তাদের কোন দেশের মুসলিমকেই রাস্তায় ইবাদত বন্দিগি আর ইফতার করার প্রয়োজন হয় না, রাস্তায় নামাজ আর ইফতার করতে হয় শুধু বাংলাদেশের মুসলমানদের, এবং কেন???

শুধু বিধর্মীরাই নয়, এখানে বাস করা মরক্কো তিউনেশিয়া ইরাক ইরান সিরিয়া লিবিয়া লেবাননসহ অন্যান্য দেশের মুসলমানেরাও বাঙ্গালীর ধর্মীয় উম্মাদনা নিয়ে অসন্তুষ্ট বিব্রত।

গত রমজান মাসে ইতালির অনেকগুলো স্কুল ভিজিটে যেতে হয়েছে আমাকে। আমাদের সিসিএল এর মুক্তার ভাইও একাধিক স্কুলে নিয়মিত হাজিরা দিতে হয়েছে। স্কুল অথোরিটির প্রশ্ন হল, শুধুমাত্র বাঙ্গালী ছোট ছোট শিশুদের উপরে রোজা ফরজ করলো কে?? কেন অন্যান্য মুসলিম শিশুদের উপর রোজা ফরজ নয়??" ১৬ ঘন্টা খারার আর পানীয় ছাড়া থেকে শিশুদের কোন ক্ষতি বা দুর্ঘটনা হলে এর দ্বায় নিবে কে???

আমিও নিজেকে প্রশ্ন করি, ইসলাম কি এতোই ঠুঙ্ক ও মূল্যহীন ধর্ম, যাদেরকে পথে ঘাটে ড্রেনের পাশে ইবাদত বন্ধিগি করতে হয়??
আপনারা খেয়াল করে দেখুন, পৃথিবী জোরে বাঙ্গালী বিদ্বেষ শুরু হয়ে গেছে, এবং এই একই কারনে বহিষ্কার করাও শুরু হয়েছে।
সৌদিতে গনহারে গ্রেফতার এবং দেশে ফেরত শুধুই বাঙ্গালিকে। কাতার দুবাই ওমান বাহারাইনে একই অবস্থা।
মালয়শিয়াতে গনগ্রেফতার বাঙ্গালীদেরকে।
ইংল্যান্ডএ গনহারে মব ও আক্রমের শিকার হচ্ছে বাঙ্গালীরা।(গতকালও লন্ডনে এক বোরকা নিকাব পরিহিত বাঙ্গালী মহিলাকে তার সন্তানসহ বেধর পটিয়েছে)। এবং ব্রিটিশ প্রশাসন এবাপারে নিশ্চুপ। মানে নীরব অনুমোদন দিচ্ছে।
পোল্যান্ডে অনেক দেশের মুসলমান বাস করে আসছে, তাতে কোন সমস‍্যা হয়নি, এখন বাংগালির গেদারিং বেশী হবার কারনে পোল্যান্ডের জনগন এটাকে তাদের সামাজ সংস্কৃতির জন্যে হুমকী মনে করে গতকাল ১ লক্ষ লোকের সমাবেশ করে বাংগালিদের বহিস্কার চেয়েছে॥
তুর্কী যে মুসলিম দেশ, তারাও শুধুমাত্র বাংগালি ধরা পরলেই বেধর মারধর করে॥

ইতালিতে বিদেশীদের নিয়ে সমস্যা থাকলেও বাঙ্গালীদের উপর নিপীড়ন অনেকগুণ বেড়েছে। গত দুই মাসে দুজন বাঙ্গালিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
পথে ঘাটে দিনে রাতে শুধু বাঙ্গালীর উপরই আক্রমণ হচ্ছে।
অথচ ইউরোপের সব চাইতে নিচু ও ঘৃণিত কাজগুলো করছে বাঙ্গালীরা। যেই কাজ ইতালিয়ানসহ অন্য কেউ করতে চায় না।

বাঙ্গালীরা জানপ্রান দিয়ে ইতালিয়দের যেই সেবা যত্ন করলো তাতে ইতালিয়ানরা বাংগালির উপর অত্যাচার না করে খুশী হবার কথা ছিল।

এখানেই শেষ নয়, ইতালি ফ্রান্স ইংল্যান্ড ফিনল্যান্ড নরওয়েসহ ইউরোপী দেশগুলোতে বাঙ্গালী আশ্রয়প্রার্থীদেরকে গনহারে আদালত বহিষ্কার আদেশ দিচ্ছে।
গত পরশু হাঙ্গেরি রাষ্ট্রীয় ভাবে আইন করেছে বাংলাদেশ থেকে তারা কাজের পারমিটে লোক নিবে না, কারন ধর্মীয় উম্মাদনা। একই কারনে পৃথিবীর সকল দেশের ইমিগ্রেশন পলেসি শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন‍্য কঠিন করা হচ্ছে॥

এই যে পৃথিবীতে দিনে দিনে বাঙ্গালীদের পথ সঙ্কুচিত হচ্ছে শুধুমাত্র অল্প কিছু বাঙ্গালীর ধর্মীয় উম্মাদনার কারনে। আমার তো মনে হয়, ইউরোপে বাংলাদেশ কমিউনিটির কিছু মানুষ ধর্মীয় লেবাস আর ব্যানারে সুচতুর ভাবে ইহুদীদের চর হয়ে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে ইসলামকে পৃথিবীর কাছে শত্রু বানানোর কাজ করছে। এবং তারা এটাতে সফলও।
ইতালির বর্তমান সরকার সর্বউচ্চ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, আগামী নির্বাচনে রোমের ৫ নং মিনিচিপিওতে ডেমোক্রেট প্রতিনিধি হটিয়ে তাদের নিজ দলের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে, কারন ৫ নং মিনিউচিপিওতেই অনেকগুলো বাঙ্গালীদের মসজিদ, তারা নির্বাচিত হতে পারলে এই মিনিচিপিওর সকল বাংলাদেশীয় মসজিদগুলো বন্ধ করবে।
একই কারনে ইতালির আরও কিছু প্রভিন্সে বাঙ্গালী অধ্যাসিত এলাকায় তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার এজেন্ডা রয়েছে।
আর যদি এই সকল মসজিদগুলো বন্ধ করে দেয়, তাহলে এর জন্যে দ্বায় থাকবে একমাত্র বাংলাদেশ কমিউনিটির সংশ্লিষ্টগনদের।
এই দ্বায় আপনি আপনার গলার জুড়ে আর শরীরের জুড়ে এরিয়ে গেলেও দুটি কারনে এর দ্বায় থেকে আপনি মুক্তি পাবেন না॥
১, ভিন্ন ধর্মীয় দেশে ইবাদতের নামে পথে ঘাটে বিঘ্ন ঘটালো ইসলাম আপনাকে অনুমোদন দেয় না॥
২, মসজিদ মাদ্রাসা আর ঘরে নামাজের জায়গা থাকা অবস্হায় পথে ঘাটে ইবাদত বন্দিগী করার অনুমোদন কুরানে নেই॥

পুরো ইউরোপ জুড়ে ডানপন্হীদের উথ্যানের পেছনে বড় রকমের অবদান রেখেছে এই ধর্মীয় উম্মাদনার॥ ইসলাম যে সুশৃঙ্খল ও শান্তির ধর্ম, তা আমাদের কৃতকর্ম দ্বারা কখনোই প্রমান করতে পারি নাই। এই পরম সত্য আপনি না মানতে চাইলে নিজেকে প্রশ্ন করুণ, বাঙ্গালীরা বিগত ৩০ বছর ধরে ইউরোপের পথে ঘাটে ধর্ম চর্চা করে ইসলামের অবস্থান এখন কোন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে???

আমার খুব আফসোস হয়, আমরা ইউরোপে যেই অবদান রেখেছি, তাতে আমাদের অবস্থান হবার কথা ছিল সর্বউচ্চ মর্যাদার, অথচ এই উম্মাদনার কারনে আমরা হয়েছি সব চেয়ে নিকৃষ্ট।

ইতালিতে বাংলাদেশ কমিউনিটি নিয়ে আমি নিজেও প্রচুর রকমের বিরক্ত কারন বাংগালি কমিউনিটির কেউ কাউকে সন্মান করে না, প্রতিটি নেতা নিজেকে বুদ্ধিজীবী মনে করে, এবং তার চাইতে বেশী জ্ঞানী আর বড় বুদ্ধিজীবী জগতে দ্বিতীয়টি নাই বলেও জ্ঞান করে॥

আপনি শুধু এইটুকুন বুঝার চেস্টা করুন, আপনি যদি ধার্মিক হয়ে থাকেন তাহলে কোন স্যাকুলার সোশ্যাল ওয়েলফেয়ারের দেশে প্রবেশ করা ধর্মীয় ভাবে অপরাধ করেছেন, -আলকুরআন

(সংগৃহীত)

02/09/2025

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বড় বড় সার্টিফিকেট দেয়া নিম্নমানের মাদ্রাসা।

13/08/2025

দাদা দিদি দরজায় দাঁড়িয়ে দাদুর দাওয়াত দিল।

13/08/2025

যে জাতি তার ইতিহাস নিয়ে মশকরা করে,
সেই জাতিই দুনিয়ার লোকের কাছে মশকরার বিষয় হয়ে যায়।

11/05/2025

আহার, নিদ্রা, সঙ্গম সহ এসব প্রাকৃতিক কাছ পশুও করে।
মানুষকে পশু থেকে আলাদা করে তার সংস্কৃতি।

03/05/2025

ভুল: এক নতুন শুরু
==============

কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল করো—না হলে বুঝতেই পারবে না, মানুষ আসলে তোমার কথা শুনছে কি না! ভুল লিখলেও ক্ষতি নেই, ফেসবুকে যে তোমার পোস্টে কখনো মন্তব্য করে না, সেও মন্তব্য করবে—তোমার বানান ভুল ধরতে!

স্ট্যাসি বালিসের বই "How to Change a Life"—দ্বিতীয় সংস্করণে এক অদ্ভুত ভুল হয়েছিল। বইটির শিরোনাম ছাপা হয়েছিল "How to Change a Wife"। এই ‘ভুল’ই বইটিকে পৌঁছে দেয় বেস্টসেলার তালিকায়! কখনো কখনো, ভুলই হয়ে ওঠে ভাগ্য বদলের চাবিকাঠি।

দুধ খারাপ হলে তা দই হয়ে যায়। দই, দুধের চেয়েও দামি। আরও খারাপ হলে পনির হয়—যার দাম দই-দুধ দুইয়ের চেয়েই বেশি।
আঙুরের রস টক হলে তা রূপ নেয় ওয়াইনে—আঙুর রসের চেয়েও বহুমূল্য।

এটাই শিক্ষা দেয়—ভুল মানেই শেষ নয়। ভুল মানেই নতুন কিছু হবার সম্ভাবনা। প্রতিটি ভুল আমাদের করে তোলে আরও অভিজ্ঞ, আরও শক্তিশালী।

ক্রিস্টোফার কলম্বাস দিক ভুল করেছিলেন, আর তাতেই আবিষ্কার হয়েছিল আমেরিকা।
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং দুর্ঘটনাবশতই পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।

টমাস আলভা এডিসন হাজারোবার ভুল করেছেন। তিনি বলতেন, "প্রতিটি ভুল আমাকে নতুন কিছু শেখায়, নতুন একটা পথ দেখায়।"

বিশ্বখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেন, "ভুল বলে কিছু নেই—সবই নতুন শেখার অভিজ্ঞতা।"
অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেন, "যে মানুষ কখনো ভুল করেনি, সে আসলে কখনো চেষ্টা করেনি।"

বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, "উন্নয়ন মানে চেষ্টা ও ভুলের সমন্বয়।"

রিচার্ড ব্রানসন বলেন, "হাঁটা শিখতে নিয়ম নয়, দরকার বারবার পড়ে যাওয়ার সাহস।"

কলিন পাওয়েল বলেন, "যোগ্য নেতৃত্ব জন্মায় না, গড়ে ওঠে ভুল, চেষ্টা আর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।"

মাইকেল জর্ডান বলেন, "আমি সফল হয়েছি, কারণ আমি বারবার ব্যর্থ হয়েছি।"

হেনরি ফোর্ডের ভাষায়, "ভুল হলো একমাত্র সুযোগ, যা নতুনভাবে শুরু করার পথ তৈরি করে।"

এক প্রেমিকও বলে গেছেন, "ভুল মানুষের প্রেমে পড়া মানে—একটি সঠিক সম্পর্কের সম্ভাবনা তৈরি হওয়া।"

সত্যিকার মানুষ নির্ভুল হয় না। কারণ ভুল না করলে শেখা যায় না।

তাই পেন্সিলের মতো মানসিকতা গড়ে তোলো—যাতে ভুল হলে মুছে ফেলে আবার নতুন করে শুরু করা যায়।

কলমের মতো হইও না—যা শুধুই স্থায়ী দাগ রেখে যায়, কিন্তু ভুল ঠিক করতে পারে না।

ভুল করো, শেখো, আবার দাঁড়াও। কারণ প্রতিটি ভুলই তোমাকে নিয়ে যায় আরও এগিয়ে, আরও গভীরে—তোমার সত্যিকার সাফল্যের দিকে।

30/04/2025

ইনো আর কোনো খতা নাই😂

Want your business to be the top-listed Government Service in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Sylhet Sadar
Sylhet
3107