৮ বছরের মেয়ে আতিকাকে ধ*র্ষ'ন কারীর বিচার
গ্রামবাসী নিজ হাতে করেছে!
সেটা আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
Holy islamic Channel পবিত্ৰ ইসলামিক চ্যানেল
holy news
17/04/2026
৪০ দিনের জীবন পরিবর্তনকারী চ্যালেঞ্জ: ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিস্তারিত পরিকল্পনা।
ইসলামে ৪০ সংখ্যাটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কুরআনে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন:
“আর যখন আমি মূসাকে চল্লিশ রাতের জন্য নির্ধারিত করলাম...” (সূরা আল-বাকারা: ৫১)।
নবী মুহাম্মাদ ﷺ চল্লিশ বছর বয়সে নবুয়ত লাভ করেন। মায়ের গর্ভে মানুষের সৃষ্টির তিনটি পর্যায় প্রত্যেকটি ৪০ দিন (নুতফাহ, আলাকাহ, মুদগাহ)। এই সংখ্যা আধ্যাত্মিক পরিপক্কতা, প্রস্তুতি ও পরিবর্তনের প্রতীক।
এই চ্যালেঞ্জটি কোনো বিদ’আত নয়, বরং কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে অভ্যাস গড়ার একটি বাস্তবসম্মত কর্মসূচি। রাসূল ﷺ বলেছেন:
“আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল সেইটি যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা সামান্য হয়।” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)।
৪০ দিন টানা চেষ্টা করলে ইনশাআল্লাহ অভ্যাস স্থায়ী হয় এবং জীবন বদলে যায়।
✅ চ্যালেঞ্জের লক্ষ্য
▪️আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
▪️ইবাদত, আখলাক, পরিবার ও সমাজে পরিবর্তন।
▪️অন্তরের প্রশান্তি, গুনাহ থেকে দূরত্ব ও জান্নাতের পথে দৃঢ়তা।
✅প্রস্তুতি (চ্যালেঞ্জ শুরুর আগের দিন)
১। খাঁটি নিয়ত করুন: “ইয়া আল্লাহ! এই ৪০ দিন শুধু তোমার সন্তুষ্টির জন্য আমি পরিবর্তন করতে চাই।”
২। একটি জার্নাল/নোটবুক বা অ্যাপ (যেমন: Habitica বা সাধারণ ডায়েরি) প্রস্তুত করুন। প্রতিদিন শেষে টিকমার্ক ও প্রতিফলন লিখবেন।
৩। পরিবারকে জানান, তাদের সমর্থন নিন।
৪। মোবাইলে অ্যালার্ম সেট করুন: নামাজ, কুরআন, তাহাজ্জুদ।
৫। শুরু করুন বিসমিল্লাহ বলে।
✅ প্রতিদিনের মূল আমল (সারা ৪০ দিনই চলবে – এগুলো ফাউন্ডেশন)
▪️৫ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো জামাতে/খুশু-খুজুসহ (যদি সম্ভব)।
▪️ফজরের সুন্নাত ২ রাকাত আদায়।
▪️কুরআন তিলাওয়াত: প্রতিদিন অন্তত ৫ পৃষ্ঠা (বা ১ পারা) + বাংলা অর্থ পড়া।
▪️তাহাজ্জুদ নামাজ: অন্তত ২ রাকাত (পরে বাড়িয়ে ৪/৮ করুন)।
▪️সকাল-সন্ধ্যার আযকার (সুন্নাহের দোয়া) পড়া।
▪️ঘুমানোর আগে: সূরা মুলক + সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত।
▪️প্রতিদিন সাদাকাহ: অন্তত ১০ টাকা/একটি হাসি/কোনো ভালো কাজ (রাসূল ﷺ বলেছেন, “প্রত্যেক মুসলিমের উপর সাদাকাহ ফরজ”)।
▪️ইস্তিগফার: দিনে ১০০ বার “আস্তাগফিরুল্লাহ”।
▪️ মোবাইল: দিনে অন্তত ১০ মিনিট ইসলামিক লেকচার/নাশিদ (ইউটিউবে মুফতি/আলেমদের বয়ান)।
✅ ৪টি পর্যায়ে বিস্তারিত চ্যালেঞ্জ (প্রগতিশীল)
➡️ পর্যায় ১: দিন ১-১০ → ইবাদতের ভিত্তি স্থাপন (ইমান ও নামাজ শক্তিশালী করুন)
▪️ফজরের আগে গোসল/যথাসম্ভব ওজু করে শুয়ে থাকুন।
▪️সূর্যোদয়ের আগে কুরআন তেলাওয়াত (ফজরের পর ১৫ মিনিট আযকার)।
▪️প্রতিদিন ১টি নতুন দোয়া মুখস্থ করুন (যেমন: সকালের দোয়া)।
▪️জার্নালে: “আজকের নামাজে খুশু কেমন ছিল?” (১-১০ স্কোর)।
▪️লক্ষ্য: নামাজকে জীবনের কেন্দ্রবিন্দু বানানো।
➡️ পর্যায় ২: দিন ১১-২০ → হৃদয় ও জিহ্বার পরিশুদ্ধি (আখলাক উন্নত করুন)
▪️ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ: রাগ উঠলে “আউজুবিল্লাহ” বলুন + পানি পান করুন (সুন্নাহ)।
▪️গীবত/ঝগড়া একদম বন্ধ। কেউ গীবত করলে চুপ থাকুন বা থামান।
▪️প্রতিদিন ১০০ বার করে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার (তাসবীহ)।
▪️প্রতিদিন ১টি হাদিস পড়ুন (বুখারী/মুসলিম থেকে আখলাক সংক্রান্ত)।
▪️জার্নালে: “আজ কোন গুনাহ থেকে বেঁচে থাকলাম?”
➡️ পর্যায় ৩: দিন ২১-৩০ → দান, পরিবার ও সমাজ (ইসলামের সামাজিক দিক)
▪️প্রতিদিন সাদাকাহ বাড়ান (৫০ টাকা বা খাবার/সাহায্য)।
▪️পরিবারের সাথে কমপক্ষে ৩০ মিনিট কোয়ালিটি টাইম (বাবা-মায়ের পায়ে হাত দিয়ে দোয়া, স্ত্রী/সন্তানের সাথে হাসি-আনন্দ)।
▪️প্রতি শুক্রবার সূরা কাহফ পড়ুন (দাজ্জালের ফিতনা থেকে হেফাজত)।
▪️কোনো প্রতিবেশী/গরিবকে সাহায্য করুন।
▪️জার্নালে: “আজ কার উপকার করলাম?”
➡️ পর্যায় ৪: দিন ৩১-৪০ → জ্ঞান, প্রতিফলন ও দোয়া (ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি)
▪️প্রতিদিন ১৫ মিনিট সীরাত/ফিকহ পড়ুন (বই: “সীরাতুর রাসূল” বা অডিও)।
▪️দোয়া বাড়ান: নিজের জন্য + উম্মাহর জন্য (বিশেষ করে গাজা/ফিলিস্তিন/সারা বিশ্ব)।
▪️শেষ ৫ দিন: পুরো ৪০ দিনের প্রতিফলন লিখুন।
▪️নতুন অভ্যাসগুলো কীভাবে চালিয়ে যাবেন তার পরিকল্পনা করুন।
▪️জার্নালে: “আল্লাহ আমার জীবনে কী পরিবর্তন এনেছেন?”
✅ চ্যালেঞ্জ শেষে করণীয়
▪️৪০তম দিনে পরিবারের সাথে হালাল খাবারের আয়োজন করে শুকরিয়া আদায় করুন।
▪️আল্লাহর কাছে দোয়া করুন: “ইয়া আল্লাহ! এই আমল কবুল করো এবং এগুলোকে স্থায়ী করো।”
▪️ভালো অভ্যাসগুলো চালিয়ে যান। প্রতি মাসে একবার রিভিউ করুন।
▪️যদি কোনো দিন মিস হয়, তাহলে পরের দিন থেকে আবার শুরু করুন – হতাশ হবেন না। রাসূল ﷺ বলেছেন, “উঠে পড়ো, আবার শুরু করো।”
ইনশাআল্লাহ ৪০ দিন পর আপনার জীবন বদলে যাবে:
নামাজে খুশু বাড়বে, অন্তর শান্ত হবে, পরিবারে ভালোবাসা বাড়বে, রিজিকে বরকত আসবে এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত হবে।
শুরু করুন আজ থেকেই!
আল্লাহ আপনাকে তাওফিক দিন। আমীন।
জাযাকাল্লাহু খাইরান।
এই চ্যালেঞ্জটি আপনার জন্য হোক জীবনের সেরা ৪০ দিন। 🌙
☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!
ইমাম গাজালি রহ. লিখেছেন—এই দুনিয়ায় বসবাসকারী মানুষের কয়েকটি শ্রেণি আছে। তিনি একটি সুন্দর উদাহরণ দিয়ে বোঝান—
ধরা যাক, একদল লোক একটি নৌকায় উঠল। নৌকাটি একটি দ্বীপে এসে ভিড়ল। মাঝি বলল—'যাদের যা দরকার, দ্রুত নিয়ে আসো, দেরি করো না।'
• প্রথম দল
কিছু লোক মাঝির কথা মেনে নিল। যা দরকার ছিল দ্রুত নিয়ে এল এবং তাড়াতাড়ি নৌকায় ফিরে এসে ভালো জায়গা দখল করল।
• দ্বিতীয় দল
কিছু লোক ঘুরে বেড়াতে লাগল, দ্বীপের পাথর কুড়িয়ে মাথায় বোঝা তুলে নিল। অনেক দেরিতে নৌকায় ফিরল। দেখল—নৌকা ভর্তি, বসার জায়গাও নেই! মাথায় বোঝা নিয়ে কষ্টে কষ্টে উঠল, তবুও কোনো রকমে পার হয়ে গেল।
এদের ব্যাপারে কুরআনে বলা হয়েছে—
وَهُمْ يَحْمِلُونَ أَوْزَارَهُمْ عَلَى ظُهُورِهِمْ
তারা তাদের পিঠে নিজেদের বোঝা বহন করবে। (সূরা আনআম: ৩১)
অর্থাৎ, তারা গুনাহের বোঝা নিয়ে আখিরাতে পৌঁছাবে।
• তৃতীয় দল
আরেক দল এতটাই মগ্ন হয়ে পড়ল ঘোরাঘুরি আর আনন্দে—তারা ভুলেই গেল নৌকায় ফিরতে হবে! যখন ফিরতে এলো, তখন নৌকা চলে গেছে।
ফলে তারা সেখানে হিংস্র জন্তুর শিকার হয়ে গেল।
ইমাম গাজালি রহ. বলেন—এই দুনিয়ায় আগত মানুষের অবস্থাও ঠিক এমনই।
• কেউ আছেন—যারা আখিরাতের কথা মনে রাখেন, আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর কথা স্মরণ করেন, তারা প্রস্তুতি নেন, সফল হন।
• কেউ আছেন—শুরুর দিকে ভুলে যান, কিন্তু পরে বুদ্ধি আসে, গুনাহের বোঝা মাথায় নিয়ে হলেও কোনোভাবে নৌকায় উঠে পড়েন।
• আর কেউ আছেন—যারা একেবারেই ভুলে যান, ফেরার কথাই মনে রাখেন না। তারা দুনিয়ার আনন্দেই ডুবে থাকে।
আজকের সমাজের অধিকাংশ মানুষের অবস্থা এই তৃতীয় দলের মতো হয়ে গেছে। এখনো সময় আছে—হুঁশে ফিরুন, নিজেকে ঠিক করুন, নৌকা ছেড়ে যাওয়ার আগেই আখিরাতের প্রস্তুতি নিন।
(,খুতুবাত শায়েখ উমায়ের কুব্বাদী)
╱◥██████◣
│∩│🪟▤│🪟│
▓▆▇█▓🚪▓█▇
ঘরটি কপি করতে পারলে বুঝবো ফোন অনেক দামি। 👀🤡
▌একগুঁয়ে ও জেদী নারীঃ
_________________
লিখেছেন:
আমীনা মাসআদ আল হারবী
সহকারী প্রফেসর
কিং আবদুল আযীয বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদী আরব।
দাম্পত্য, পরিবার ও সমাজ বিষয়ক পরামর্শদাতা
___________________________________
❒ একগুঁয়ে ও জেদী নারীরা দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ এবং এমনকি আত্মীয়দের সাথেও সুসস্পর্ক গড়তে ব্যর্থ।
যে নারী সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে আবেগ-ভালোবাসা আর নমনীয়তার বিচক্ষণতা হারিয়েছে আর নিজের মতামত ও জিদকে প্রাধান্য দিয়েছে, সেই দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ হয়েছে। কেন?
⦁(১) কেননা তখন সে স্বামীর সাথে টানাটানি ও ঠেলাঠেলিতে প্রবেশ করবে। বিজয়ের জন্য নিজের আমিত্বকে জাহির করতে চাইবে। আর তখনই সে স্বামীর জিদের সামনে পরাজিত হবে। এমনকি তার বিরুদ্ধে নিকটস্থ ব্যক্তিরাও জেদী হয়ে উঠবে। কেননা পুরুষরা জেদী স্ত্রী বা একগুঁয়ে বোনের সামনে আরো বেশী কঠোর ও জেদপ্রবণ হয়ে উঠে। কিন্তু নমনীয় নারীর সামনে তারা হয় কোমল।
⦁(২) জেদী নারী ধারণা করে, সে যদি নিজের মতামতের উপর দৃঢ় থাকে এবং দ্বন্দ্বের ঝড়ে অটল থাকতে পারে, তবে সে বিজয়ী হবে। কিন্তু একথা ভুলে যায় যে, নিজের মতের ক্ষেত্রে জিদ করে যদি একটা বিজয় পেয়েও যায় কিন্তু বিপরীত দিকে সে এমন একটি হৃদয় হারাবে যে তাকে ভালোবাসতো।
⦁(৩) অধিকাংশ ঘটনায় পণ্ডিতগণ সহজ-সরল নম্র ও আবেগপ্রবণ স্বামীভক্ত নারীদের প্রশংসা করেছেন। যে নারী নম্রতার সাথে স্বামীকে সঙ্গ দেয় ও তার ভালোবাসা আদায় করার কৌশল বুঝে, তাকেই স্বামী অধিকভালোবাসে ও তাকে আঁকড়ে রাখে।
⦁(৪) ঝড় উঠলে তা চলে যাওয়ার জন্য যে নারী মাথা নামিয়ে নুয়ে পড়ে, সেই বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী, তার পক্ষেই সংসারকে চিরকাল আঁকড়ে রাখা সম্ভব। কিন্তু যে নারী শুকনো গাছের মত মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, সে মচকে যায় বা এমনভাবে ভেঙ্গে যায়- যা আর জোড়া লাগে না।
⦁(৫) নিজের মতের উপর অটল জেদী নারীর বিশ্বাস হচ্ছে.. আমিই বিজয়ী হব, তুমি পরাজিত হবে। এ নারী মূলত: অন্যকে ধ্বংস করার পূর্বে নিজেকেই ধ্বংস করে। সর্বদা আফসোসের জীবন অতিবাহিত করে। যার তিক্ততা সে ভোগ করে দুনিয়া ও আখেরাতে।
⦁(৬) পারিবারিক কনসালটেন্সি বিভাগে কাজ করে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে: একগুঁয়ে ও জেদী নারীদের পরিণাম শেষ হয় তালাকের মাধ্যমে। ফলে তারা পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে হয় ব্যর্থ।
⦁(৭) বেদুঈন মহিলা তার কন্যার বিদায়ের দিন যে উপদেশ দিয়েছিল। তা অত্যন্ত চমৎকার প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা এবং পরিক্ষীত সত্য। সফল স্ত্রীরা এর বাস্তবাতাকে প্রমাণ করেছেন। উপদেশটি হচ্ছে: “তুমি স্বামীর সামনে নিজেকে একজন দাসীতে পরিণত কর। দেখতে পাবে অচিরেই সে তোমার দাসে পরিণত হয়ে যাবে।”
ভালো পুরুষরা ধৈর্যশীল ও উদার হয়ে থাকে, কিন্তু নির্বোধ ও একগুঁয়ে-জেদী নারীরা তাদেরকে শত্রুতে পরিণত করে।
💫 আপনার পরিচিত / পরিবারে কোনো জেদী নারী থাকলে তাকে জানার সুযোগ করে দেন। জাযাকাল্লাহ খাইর 🤍
©️ Way of Islam
#দোয়া_কবুলের_গল্প
হযরত মাওলানা পীর যুলফিকার আহমদ নকশবন্দী রাহিমাহুল্লাহ–এর তরবিয়তে আওলাদ (সন্তান প্রতিপালন) বিষয়ে ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ নসিহত
আমাদের এই
দাওয়াতি কার্যক্রম আল্লাহ কবুল করুন।
সন্তান প্রতিপালন সম্পর্কে ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ নসিহত
১. সন্তান আল্লাহর আমানত। আমানতে খেয়ানত শুধু মারধর নয়—তরবিয়ত থেকে গাফিল থাকাও খেয়ানত।
২. সন্তান আপনার কথা অনুসরণ করে না; তারা আপনার কাজ অনুসরণ করে।
৩. নামাজের উপদেশ দেওয়ার আগে ঘরে নামাজের পরিবেশ তৈরি করুন।
৪. হারাম রিজিক সন্তানদের হৃদয় থেকে ঈমানের নূর কেড়ে নেয়।
৫. যে পিতা-মাতা সন্তানের জন্য দুআ করেন না, তারা নিজেদের সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস হারান।
৬. ভালোবাসা ছাড়া তরবিয়ত জুলুম, আর তরবিয়ত ছাড়া ভালোবাসা বখে যাওয়ার কারণ।
৭. মায়ের কোল প্রথম বিদ্যালয়, আর বাবার চরিত্র প্রথম পাঠ্যপুস্তক।
৮. সন্তানকে সময় দেওয়াই সবচেয়ে মূল্যবান সদকা।
৯. মোবাইল সন্তানের হাতে দিলে—আসলে তার ভবিষ্যৎ তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
১০. মিথ্যাবাদী পিতা-মাতা কখনো সত্যবাদী সন্তান গড়তে পারে না।
১১. জ্ঞানের আগে আদব শেখান; আদব এলে জ্ঞান নিজেই পথ তৈরি করে নেয়।
১২. খারাপ বন্ধু সন্তানের ঈমানের নীরব ঘাতক।
১৩. রাগের মাথায় দেওয়া উপদেশ সংশোধন নয়—ঘৃণা জন্ম দেয়।
১৪. পিতা-মাতার ঝগড়া সন্তানের হৃদয়ে আজীবনের ক্ষত সৃষ্টি করে।
১৫. সন্তানকে আল্লাহর সাথে যুক্ত করুন—শুধু শাস্তি দিয়ে নয়, ভালোবাসা দিয়ে।
১৬. ছোট ছোট দুআ বড় বড় জীবন গুছিয়ে দেয়।
১৭. যে ব্যক্তি পিতা-মাতার আদব শেখে না, সে কারো আদব করতে পারে না।
১৮. সম্পদ কম দিন, চরিত্র বেশি দিন।
১৯. সন্তানের প্রশ্ন চেপে দিলে অজ্ঞতা দূর হয় না—জেদ তৈরি হয়।
২০. ভুল হলে একান্তে বুঝিয়ে দেওয়াই প্রকৃত তরবিয়ত।
২১. নবী ﷺ–এর সীরাত সন্তানের জন্য সর্বোত্তম তরবিয়তির কিতাব।
২২. সব চাহিদা পূরণ করা সন্তানকে শক্তিশালী নয়—দুর্বল করে।
২৩. দ্বীনকে কঠিন করে উপস্থাপন করবেন না; দ্বীন সহজ—আমরাই তাকে কঠিন করি।
২৪. হালাল রিজিক নেক সন্তান গঠনের ভিত্তি।
২৫. অগোছালো জীবন অগোছালো চরিত্র তৈরি করে।
২৬. পিতা-মাতার গালাগালি সন্তানের ভাষা নষ্ট করে।
২৭. দ্বীন জোর করে নয়—বোঝার মাধ্যমে হৃদয়ে প্রবেশ করে।
২৮. সন্তানকে দায়িত্ব দিন—এটাই আত্মবিশ্বাসের চাবিকাঠি।
২৯. শৈশবের সঙ্গ জীবনপথ বদলে দেয়।
৩০. যে নিজে শেখে না, সে সঠিকভাবে শেখাতেও পারে না।
৩১. বিলাসিতা নয়—সাদাসিধে জীবন শেখান।
৩২. সন্তানকে সম্মান দিন—তারা সম্মান করতে শিখবে।
৩৩. পিতা-মাতার ক্ষমা করা সন্তানকে সত্যবাদিতা শেখায়।
৩৪. লজ্জাশীলতা (হয়া) ঈমানের পরিচয়।
৩৫. প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহকে স্মরণ করতে শেখান।
৩৬. সন্তানের তুলনা করা হিংসার বীজ বপন করে।
৩৭. ভালো নাম—ভালো পরিচয়ের প্রথম সিঁড়ি।
৩৮. পিতা-মাতার পারস্পরিক সম্মান সন্তানের নীরব তরবিয়ত।
৩৯. শুধু নেক বানানো যথেষ্ট নয়—নেকির ওপর অটল রাখাও জরুরি।
৪০. সন্তানের সবচেয়ে বড় তরবিয়ত হলো—পিতা-মাতার নিজের সংশোধন। । । । ।
✍️ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
বিপদে হাবুডুবু খাচ্ছেন?
বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত?
শত্রুর ভয়ে সময় কাটছে?
আপনি শত্রুর ষড়যন্ত্রের শিকার?
উদ্বেগ-উৎকন্ঠা নয়,পবিত্র কুরআনে বর্নিত আমল করুন,স্বস্তিতে থাকুন।
ইতিহাসখ্যাত বুজুর্গ হযরত জাফর সাদেক বলেন-
১-আমার তাজ্জব লাগে সে ব্যক্তির জন্য,যে বিপদে
হাবুডুবু খাচ্ছে কিন্তু يا ارحم الراحمين ইয়া আরহামার
রাহিমীন পড়েনা।
কেননা কুরআন মাজীদে হযরত আইয়ুব আ:সম্পর্কে বলা হয়েছে"
তিনি ইয়া আরহামার রাহিমিন পড়তে থাকায় আল্লাহ তাঁকে দুর্যোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন।
(সুরা আম্বিয়া-৮৩)
২-আমি বিস্মিত সে ব্যক্তির জন্য,যে সমস্যায় জর্জরিত,অথচ কুরআনে বর্নিত ইউনুস আ: এর
দোয়া পড়েনা,যে দোয়া পড়ার কারণে আল্লাহ তাঁকে
মাছের পেট থেকে মুক্তি দিয়েছেন--
لااله الا انت سبحانك انى كنت من الظالمين
(সুরা-আম্বিয়া-৮৭)
৩-অবাক লাগে সেই ব্যক্তির জন্য যে ভয়ে সময় কাটায় অথচ সাহাবায়ে কেরাম উদ্বিগ্নতার সময় যে দোয়া পড়ে স্বস্তিতে থাকতেন,কুরআনের সে দোয়া পড়েনা--
حسبنا الله نعم الوكيل نعم المولى و نعم النصير،،
(সুরা আলে ইমরান ১৭৩)
৪-আশ্চর্য হই সে ব্যক্তির উপর যে শত্রুর ধোকা ও ষড়যন্ত্রের শিকার কিন্তু কুরআনে বর্নিত সেই দোয়া পড়েনা,যা ফেরাউনের বংশের এক মুমিন ব্যক্তি পড়েছিলেন এবং আল্লাহ তাঁকে তাদের চক্রান্ত হতে মুক্ত করেছিলেন-
افوض امرى الى الله ان الله بصير بالعباد،،
(সুরা মুমিন- ৪৫)
আল্লাহ আমাদের আমল করার তাওফিক দিন।
তথ্য সুত্র--মাওলানা ইউনুস পালনপুরী রহ: রচিত "বিখরে মুতি"
02/12/2025
নেককার নারীরা জান্নাতে হুরদের চেয়ে সুন্দরী হবেন
ইমাম কুরতুবি (রহ.) বলেছেন:
"জান্নাতে মুমিন মুসলিম নারীর মর্যাদা জান্নাতের হুরদের চেয়ে উত্তম হবে, তার অবস্থানও উঁচু এবং সে হুরদের চেয়ে বেশি সুন্দরী হবে।
নেককার নারী হলো দুনিয়ার অধিবাসী। যখন সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন সে তার নেক আমলের প্রতিদান এবং দ্বীন ও সততার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সম্মান হিসেবে প্রবেশ করবে।
আর হুর, তারা জান্নাতের নেয়ামতসমূহের অন্তর্ভুক্ত, তাদেরকে অন্য কারও জন্য জান্নাতে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং মুমিনের নেক আমলের প্রতিদান হিসেবে রাখা হয়েছে।
এজন্য যে তার নিজের নেক আমলের প্রতিদান হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করে এবং যাকে নেক আমলকারীর জন্য প্রতিদান হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে—এই দুজনের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে।
প্রথমজন হলেন একজন নেককার নারী, যিনি একজন রানী, একজন উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন সম্রাজ্ঞী। আর দ্বিতীয়জন হলেন হুর, যদিও তার মর্যাদা ও সৌন্দর্য অনেক, কিন্তু মানুষের কাছে যেমনটা বোঝা যায়, সে একজন রানীর চেয়ে কম মর্যাদার অধিকারী এবং সে তার মনিব মুমিন পুরুষের আদেশ পালন করে। আল্লাহ তাকে তার জন্য প্রতিদান হিসেবে সৃষ্টি করেছেন।"
— (তাফসিরে কুরতুবি, ১৬/১৫৪)
[]- নফসকে নিয়ন্ত্রণে
রাখার ১৫ টি কৌশল
১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।
২. দিনে ম্যক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার- যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না। ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।
৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।
৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে; ওই কথা বলার দরকার নাই।
৫. সকাল সন্ধ্যার জিকির-আযকার পাঠ করুন।
৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করুন।
৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করুন। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।
৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।
৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করুন। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।
১০. দৃষ্টি অবনত রাখুন। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।
১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. বিশেষকরে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷
১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।
১৫. নিয়মিত তাহাজ্জুদের সালাত আদায়ের অভ্যাস করুন। ইনশাআল্লাহ, রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা লেখার প্রতিটি কথার উপর প্রথমে আমাকে ও আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুক। আমিন🤲🌸🤍
#সুফিবাদ #নফস #নফসকে_নিয়ন্ত্রণে_রাখার_১৫_টি_কৌশল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Address
Sylhet
