~*❝"হাতের রেখায় ভাগ্য দেখতে যেও না গালিব!😅 ভাগ্য তো তারও আছে যার হাত নেই"।"* ❞ ~❤️🩹
F A Sony
মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না। social service
13/05/2026
𝐈𝐅 𝐘𝐎𝐔 𝐇𝐄𝐀𝐑 𝐎𝐅 𝐌𝐘 𝐃𝐄𝐀𝐓𝐇. 𝐉𝐔𝐒𝐓 𝐀𝐒𝐊 𝐀𝐋𝐋𝐀𝐇 𝐓𝐎 𝐅𝐎𝐑𝐆𝐈𝐕𝐄 𝐌𝐄.
When I die, delete all my photos. Give my clothes to the poor. Do duas for me and don’t try to remember me through my worldly deeds. If i was truthful to the deen, remember me through good deeds I did for the afterlife. Please forgive me if I ever hurt you, backbited about you or even slandered about you. Forgive me for Allah, Life is unpredictable, we don't know when we will die.
Jazakallahu khairan fidduniya wal Akhirah ❤️
04/05/2026
বৃষ্টি ভেজা সিলেট।
30/04/2026
লোডশেডিংয়েও চলবে ইন্টারনেট!
রাউটার ও অনু-এর জন্য অরিজিনাল WGP Mini UPS
WGP
Viandernul Green Power
4
Posar LED KN
কারেন্ট চলে গেলেও ইন্টারনেট বন্ধ হবে না
রাউটার ও অনু (ONU) একসাথে চলবে
ভোল্টেজ ফ্লাকচুয়েশন থেকে রাউটারকে সুরক্ষা দেয়
সিসি ক্যামেরাতেও ব্যবহারযোগ্য
29/04/2026
পিতৃশোক
পিতার লাশ কাঁধে নিয়ে
যে তরুণ চলে যাচ্ছে গোরস্থানের দিকে
সে-ই জানে একটা মৃতদেহের সাথে সাথে
চলে যাচ্ছে কত কত লজেন্স, সাইকেলের পেছনে
বসে বসে কতদূর যাওয়া, ঈদের কাপড়,
বাজারের ব্যাগ ধরে হেঁটে যাওয়ার স্মৃতি
মুর্দা দাফন করার পর যখন সন্তান ফিরে আসে বাড়ি
তখনই শুরু হয় আশল পিতৃশোক-
24/04/2026
bKash Limited (বিকাশ) এর সবচেয়ে হতাশাজনক ফিচারগুলোর মধ্যে একটি হলো তাদের ফেস ভেরিফিকেশন সিস্টেম, বিশেষ করে iOS ডিভাইসে লগইন করার সময়। যে NID দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল, সেই ব্যক্তির ফেস ভেরিফিকেশন ছাড়া লগইন সম্ভব না।
সমস্যাটা হলো, আমার বিকাশ অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছিল আমার আব্বুর NID দিয়ে। পরবর্তীতে সিমের মালিকানা পরিবর্তন করা গেলেও, এত বছরেও বিকাশ অ্যাকাউন্টের ওনারশিপ ট্রান্সফার করার কোনো ব্যবস্থা চালু করেনি। এত বড় একটি ফিনটেক প্ল্যাটফর্মের জন্য এটা স্পষ্টভাবেই একটি বড় লিমিটেশন।
কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করার পর তারা জানায়, এই অ্যাকাউন্টটি ক্লোজ করে নতুন করে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। কিন্তু যেহেতু এটি আমার প্রাইমারি নাম্বার, তাই এই অপশনটিও বাস্তবসম্মত না।
ডিজিটাল বাংলাদেশে যেখানে ইউজার-ফ্রেন্ডলি সলিউশন প্রত্যাশা করা হয়, সেখানে এই ধরনের সীমাবদ্ধতা সত্যিই হতাশাজনক। অন্তত একটি সিকিউর ও ভেরিফায়েবল ওনারশিপ ট্রান্সফার সিস্টেম চালু করা জরুরি, যাতে ব্যবহারকারীরা এ ধরনের সমস্যায় না পড়েন।
21/04/2026
সাবেক ইভ্যালির কর্মকর্তা মোহাম্মদ কবিরুল ইসলাম আর আমাদের মাঝে নেই। মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি ধৈর্য দান করুন।
জানা গেছে, ‘মলম পার্টি’র ক্ষপ্পরে শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এই নৃশংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অনতিবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
إِنَّمَا أَشْكُو بَثِّي وَحُزْنِي إِلَى اللَّهِ وَأَعْلَمُ مِنَ اللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ
Innama ashkoo baththee wahuzneeila Allahi waaAAlamu mina Allahi ma lataAAlamoon
I only complain of my suffering and my grief to Allah, and I know from Allah that which you do not know.
Surah Yusuf - 12:86
19/04/2026
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে
ঢাকার পুরনো এক বাসা, বিকেলের মৃদু আলো জানালার ফাঁক গলে ঘরে পড়ছে। ফারহান আজ একটু তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরেছে। কারণ আজ তার ছেলের স্কুলে প্যারেন্টস-ডে ছিল। সেখানেই হঠাৎ এক শিক্ষক বললেন, “আপনার ছেলে তো বলে আপনি একটা বড় অফিসার, গাড়ি নিয়ে অফিসে যান!”
মৃদু হেসে মাথা নিচু করলেন ফারহান। তিনি জানেন, তিনি বড় অফিসার নন। তিনি একজন জুনিয়র অ্যাকাউন্টেন্ট—একটি মাঝারি মানের প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন, যেখানে মাস শেষে বেতন পাওয়াটাই এক বড় স্বস্তির বিষয়। গাড়ি? সেটা তারা কখনো কিনতে পারেননি। এখনো সিএনজি বা রিকশাতেই যাতায়াত।
২. মধ্যবিত্তের অদৃশ্য যুদ্ধ:
মধ্যবিত্ত মানেই যেন এক জীবনযুদ্ধের সৈনিক—না থাকে প্রাচুর্যের গর্ব, না থাকে দারিদ্র্যের সরলতা। তাদের জীবনটা একটা “না” আর “কীভাবে যেন” এর মাঝে আটকে থাকে। সন্তান যখন কিছু চায়, তখন বাবার মুখে “না” থাকলেও মন চায় “হ্যাঁ” বলতে। কিন্তু সাধ আর সাধ্যের মাঝখানে যে এক অদৃশ্য দেয়াল দাঁড়িয়ে থাকে, সেটি সন্তান বুঝে না।
ফারহানের মতো লাখো বাবা-মা দিনের পর দিন নিজে ভালো কিছু না খেয়ে, পুরনো জামা পরে, অফিসে মিষ্টি হাসি নিয়ে বসে থাকেন, যেন কিছুই হয়নি। অথচ ভেতরে তারা জ্বলতে থাকেন, শুধুমাত্র একটি স্বপ্ন নিয়ে—“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে।”
৩. ভুল কোথায়?
এই স্বপ্নটা সুন্দর, নিঃসন্দেহে। কিন্তু আমরা যখন সন্তানকে “দুধে-ভাতে” রাখতে গিয়ে আমাদের জীবনসংগ্রামের ছায়াও তাদের গায়ে পড়তে দেই না, তখন তারা বড় হয়ে বাস্তবতা বুঝতেই শেখে না। তারা ভাবে টাকা যেন সহজে আসে, বাবা-মায়ের কাজটা তেমন কিছু না, আর তারা যা চায় তাই পাওয়াটা অধিকার।
এই ভুলটা আমাদের সমাজে একটি প্রজন্ম তৈরি করছে, যারা ভোগে অভ্যস্ত, সংগ্রামে অচেনা। তারা চাকরিতে একটু চাপ এলেই হতাশ হয়ে পড়ে, সংসার চালাতে গিয়ে মা-বাবার মত ত্যাগ করতে রাজি নয়, কারণ তারা কখনো শেখেনি যে জীবন মানেই ত্যাগ, মানিয়ে নেওয়া, এবং কঠোর পরিশ্রম।
৪. সন্তানের চোখে বাস্তবতা আনুন:
ফারহান এখন বুঝেছেন, তার ছেলে আর রূপকথার রাজপুত্র নয়—সে হবে একজন সচেতন মানুষ, যদি তাকে সত্যি কথা শেখানো যায়।
তাই ফারহান ছেলেকে নিয়ে এবার থেকে মাসে একবার বাজারে যান। তাকে দেখান কোন মাছটা কত টাকায় আসে, কোন চালটা ভালো কিন্তু সস্তা। মাঝে মাঝে তাকে বলেন, “এই মাসে বাজেট একটু টাইট, নতুন জুতা না কিনে পুরনোটা সামলাও।”
ছোট ছোট এই শিক্ষাই বড় হয়ে শিশুর মনে গড়ে তোলে মূল্যবোধ, সহমর্মিতা আর কৃতজ্ঞতা।
৫. শিক্ষার জায়গাটা পরিবারের ভিতরেই:
আমরা অনেকেই ভাবি, সন্তানকে স্কুলে পড়ালেই দায়িত্ব শেষ। কিন্তু সন্তান গড়ে ওঠে পরিবার থেকে—যেখানে বাবা নিজের বেতন পেয়ে হিসাব করে চাল-ডাল কিনে, মা পুরনো শাড়ি সেলাই করে নতুন বানায়। সন্তান যদি সেটা না দেখে, তাহলে তার শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
আপনার সন্তানকে বুঝতে দিন, আপনি কিভাবে মাসের শেষে বিল মেটান, কেন আপনি মোবাইল ফোন বদলান না, কেন আপনার বাসায় এখনো এসি নেই। এতে সে বোঝে যে জীবন মানেই বাস্তবতা মেনে চলা, এবং কিছু কিছু স্বপ্ন সময় নিয়ে পূরণ করতে হয়।
৬. জীবনের উদাহরণ হোন:
একদিন অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে রাস্তায় এক রিক্সাওয়ালার কথা শুনলেন ফারহান। সে বলছিল, “ভাই, আমার পোলারে পড়াইতেছি। ও যেন আমার মতো কষ্ট না করে।”
ফারহান হেসে ফেললেন। এই কথা তো সবার মুখে। কিন্তু সন্তানকে সংগ্রাম শেখাতে না পারলে সে বড় হয়ে বাবার কষ্টকে “ডিউটি” ভাববে, “ভালোবাসা” নয়।
আপনি যদি চান সন্তান আপনার কষ্ট বুঝুক, তাহলে তাকে শুধু সুখ না, কষ্টও দেখান। তাকে বোঝান, আপনি অফিসে ১০ ঘন্টা কাজ করেন, শুধু তার পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য। তাকে নিয়ে যান আপনার ছোট অফিসটাতে, দেখান আপনার ডেস্ক, আপনার বস, আপনার লাঞ্চবক্স।
৭. কোথায় শুরু করবেন?
• খোলামেলা কথা বলুন: মাসে একদিন পরিবারের সবাই বসে আলোচনা করুন, এই মাসের আয়-ব্যয় কেমন হচ্ছে। কোন খরচ কমানো যায় কি না, সেটা নিয়েও সন্তানদের মতামত নিন।
• চলমান খরচের হিসাব শিখান: ছেলেমেয়েদের ছোটবেলা থেকেই দিন ১০০ টাকা খরচ করতে, বলুন সেটা লিখে রাখতে। পরে দেখান মাসে কতটা খরচ হয়েছে, কোন খরচটা অপ্রয়োজনীয় ছিল।
• অংশীদার করুন: ঈদের জামা কিনতে গেলে বলুন, “আমার বাজেট এই পরিমাণ। তুমি কি এমন কিছু বেছে নিতে পারো, যাতে টাকা বাঁচে?” এতে সে নিজের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতাও বাড়াবে।
• সংগ্রামের গল্প বলুন: আপনি কিভাবে পড়াশোনা করেছেন, প্রথম চাকরি কিভাবে পেয়েছেন, সেসব গল্প শোনান। এতে সন্তান শুধু গর্বই করবে না, শেখেও যাবে।
৮. সন্তান আপনার “বস” নয়, সহযাত্রী হোক
আপনার সন্তান যদি বড় হয়ে ভাবে, “বাবা সব দিতো, মা সব ম্যানেজ করতো,” তাহলে আপনি শুধু দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু যদি সে ভাবে, “বাবা অনেক কষ্ট করেছে, মা আমার জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন,” তাহলে আপনি একটি মানুষ গড়ে তুলেছেন।
সন্তান আপনার “কাস্টমার” নয়, “সহযাত্রী”—এই জিনিসটা বোঝাতে পারলেই আপনি একজন সত্যিকারের পিতা-মাতা।
------সংগ্রহীত
15/04/2026
bKash Limited এর শয়তানি:-
আমার বিকাশ একাউন্ট খোলা বেশ আগে। যখন আমার NID হয়নাই। তো NID না হলেও বিকাশ একাউন্ট প্রয়োজন সেজন্য আমি আমার নানির NID এর মাধ্যমে নিজের নম্বরে বিকাশ একাউন্ট খুলে সেটি ব্যবহার করছিলাম দীর্ঘদিন যাবত। কখনো কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি।
সাধারণত বড় লেনদেন আমি ব্যাংকের মাধ্যমেই করি। বিকাশ খুব একটা ব্যবহার করা হয়না। শুধুমাত্র রিচার্জ এবং ইমার্জেন্সির জন্য হাজারখানেকে টাকা বিকাশে রেখে দেই। কিন্তু আজকে একটি বিশেষ প্রয়োজনে আমার পূবালী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০০০ টাকা বিকাশে ট্রান্সফার করি। বলে রাখা ভালো এর কিছুক্ষণ আগেই আমি বিকাশ ব্যবহার করে টাকা লেনদেন করেছি। লেনদেনের ঠিক ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরেই ৩ হাজার টাকা ব্যাংক থেকে বিকাশে ট্রান্সফার করি টাকা টা অন্যত্র পাঠানোর উদ্দেশ্যে। তোর ট্রান্সফার করার পর স্বাভাবিকভাবেই আমি বিকাশ অ্যাপ এ ঢোকার চেষ্টা করি। পাসওয়ার্ড দেওয়ার পরেই অ্যাপে দেখায় "একাউন্টটি বর্তমানে সক্রিয় নয়। বিস্তারিত জানতে ১৬২৪৭ নম্বরে কল করুন"
তো কি সমস্যা হয়েছে এটা জানার জন্য আমি তাদের দেওয়া হেল্পলাইন নাম্বারে কল করি। তখন আমাকে জানানো হয় তথ্য হালনাগাদ করার জন্য আমার একাউন্ট টি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারপর আমি তাদের জিজ্ঞেস করলাম এখন প্রসেস কি? তারপর তারা জানালো গ্রাহকের NID, এক কপি ছবি, সচল সিম কার্ড ও মোবাইল ফোন নিয়ে গ্রাহক নিজে বিকাশের হেল্পলাইন সেন্টারে গিয়ে তথ্য হালনাগাদ করে একাউন্ট সচল করতে হবে। এর আগে একাউন্টে থাকা টাকা আটকেই থাকবে! এটা শুনে আমি তাদের জানালাম যে আমাকে তো এ ধরনের কোন মেসেজ দেওয়া হয়নি অমুক তারিখের ভিতর তথ্য হালনাগাদ করা না হলে একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাহলে কোন কিছু না জানিয়ে এভাবে হুট করে একাউন্ট বন্ধ করে দিয়ে একজন মানুষকে বিপদে ফেলার মানে কি? তখন তারা জানায় এতে তাদের কিছুই করণীয় নেই এটা তাদের কোম্পানির পলিসি। আমি তাদেরকে এও জানাই একাউন্টের মূল মালিক আমার নানি যিনি খুলনা থাকেন এবং আমি একাউন্ট ব্যবহারকারী থাকি ঢাকায়। তাই এই মুহূর্তে এত জটিল প্রক্রিয়ায় তথ্য হালনাগাদ করা প্রায় অসম্ভব। এক্ষেত্রে বিকল্প কোন পদ্ধতি আছে কিনা? তারা জানায় কোন বিকল্প নেই, এভাবেই করতে হবে।
অর্থাৎ মূল বিষয় হলো বিকাশ কর্তৃপক্ষ অপেক্ষা করছিল কখন আমার একাউন্টে মোটামুটি বড় এমাউন্টের টাকা ঢুকবে আর ঠিক সেই মুহূর্তেই তারা অ্যাকাউন্টটা বন্ধ করে দিবে। যেন আমি তথ্য হালনাগাদ করা ছাড়া একাউন্ট ব্যবহার করতে না পারি এবং যেহেতু আমার টাকা আটকে আছে তাই তথ্য হালনাগাদ করা নামক এই ঝামেলায় পড়া ছাড়া আমার দ্বিতীয় কোন উপায় না থাকে।
এখন আমার প্রশ্ন, আমি না হয় খুব বড় কোন বিপদে না পড়লাম। কিন্তু ধরুন একজন মানুষের বাবা অথবা মা হাসপাতালে ভর্তি। এমন সময় যদি ওই মানুষটা এই একই বিপদে পড়ে, তার টাকাটা আটকে যায় তখন সে কি করবে? বিকাশ কর্তৃপক্ষের এই উদ্ভট সিস্টেমের কারণে হয়তো একজন মানুষের জীবনও চলে যেতে পারে। তথ্য হালনাগাদ করার প্রয়োজন হতেই পারে। তবে সেই বিষয়টা অবশ্যই গ্রাহককে আগে থেকে জানানো উচিত। একটা নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়ে দেওয়া উচিত। যদি সময়সীমার ভিতর সে তথ্য হালনাগাদ না করে সেক্ষেত্রে তারা একাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারে। কিন্তু এভাবে কিছু না জানিয়েই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়ে মানুষকে বিপদে ফেলা কতটুক যৌক্তিক?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet
3100
