সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিস সিলেট

সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিস সিলেট

Share

ভুমি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন ।জায়গা রেজিস্টারি ,নামজারি ,পরচার সব কিছুর কাজ করা হয়।

22/10/2025

রেকর্ড বা খতিয়ানের ভুল সংশোধনের জন্য আর আদালতে মামলা করা যাবে না—এমন ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সরকারের এই নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সাল থেকে আদালত কোনো রেকর্ড সংশোধন মামলা গ্রহণ করবে না, এবং চলমান মামলাগুলোও ধীরে ধীরে নিষ্পত্তি করে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এতদিন সিএস, এসএ, আরএস, বিএস বা সিটিজ জরিপে কোনো ভুল ধরা পড়লে তা দেওয়ানী আদালতে মামলা করে সংশোধনের সুযোগ ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তে সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
ভূমি উপদেষ্টা ও ভূমি সচিব জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এই নীতি কার্যকর হবে। অর্থাৎ, ওই সময় থেকে আদালত কোনো রেকর্ড সংশোধন মামলা রিসিভ করবে না, এমনকি কেউ মামলা দায়ের করলেও আদালত গ্রহণ করবে না।

29/09/2025

Celebrating my 6th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

13/09/2025

ওয়ারিশান সম্পত্তি ক্রয়ে যে যে ভুলে বাতিল হবে নামজারি এমনকি দলিল! সতর্ক হোন

বর্তমান সময়ে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গী একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ওয়ারিশান সম্পত্তি। বিশেষ করে, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টন ও মালিকানা নিয়ে অনেকেই আইনি জটিলতায় পড়ছেন। এ ধরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় যখন বণ্টন দলিল তৈরি করা হয় না, অথবা মৌখিকভাবে জমি বন্টন করা হয়। ফলে, এমন অনেক ঘটনা ঘটছে যেখানে ক্রয়কৃত জমির নামজারি বাতিল হচ্ছে, দখল সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, এমনকি আদালত পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। তাই, ওয়ারিশান সম্পত্তি ক্রয় করার সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, তা জানা অত্যন্ত জরুরি।

ওয়ারিশান সম্পত্তির বণ্টন দলিলের গুরুত্ব

ওয়ারিশান সম্পত্তি তখনই সঠিকভাবে বণ্টিত হতে পারে, যখন প্রতিটি ওয়ারিশের মধ্যে একটি বণ্টন দলিল তৈরি করা হয়। এই দলিলটি নিশ্চিত করে যে, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির সীমানা, মালিকানা এবং ভাগ সঠিকভাবে নির্ধারিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি মারা যান এবং তাঁর পাঁচ একর জমি ১০টি দাগে বিভক্ত থাকে, তবে সেই জমির ভাগ সঠিকভাবে বণ্টন করতে হবে। বণ্টন দলিল ছাড়া এমন কোন সম্পত্তি ক্রয় করা হলে মালিকানা ও দখল সম্পর্কিত আইনি সমস্যা তৈরি হতে পারে।

যেসব ঝামেলায় পড়তে পারেন, তা বিস্তারিতভাবে জানুন

১. দখল ছাড়তে হতে পারে:
ওয়ারিশান সম্পত্তি ক্রয়ের ক্ষেত্রে, যদি বণ্টন দলিল না থাকে, তবে আপনার ক্রয়কৃত সম্পত্তির দখল অস্থির হতে পারে। আপনি যে জায়গায় এখন ভোগ দখল করছেন, তা অন্য একজন ওয়ারিশ দাবি করতে পারে। যেহেতু বণ্টন দলিল তৈরি হয়নি, সেখানে কোনো সীমানা বা মালিকানা নির্ধারণ করা হয়নি, তাই আদালত আপনার দখল কেটে দিয়ে অন্য কাউকে দেওয়া হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, দীর্ঘদিনের ভোগ দখল থাকা সত্ত্বেও আপনার দখল মুছে দেওয়া হতে পারে।

২. নামজারি বাতিল হতে পারে:
নামজারি হল জমির মালিকানা প্রমাণের একটি বৈধ দলিল। যদি বণ্টন দলিল না থাকে এবং আপনি ওই সম্পত্তি ক্রয় করেন, তাহলে আপনার নামজারি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষত, যদি অন্য কোনো ওয়ারিশ ঐ সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে মিসকেস দায়ের করে, সেক্ষেত্রে নামজারি বাতিল হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের সমস্যায় পড়লে, আপনি যে জমির মালিকানা দাবি করছেন, তা আইনি ভাবেই অস্বীকার হয়ে যেতে পারে।

৩. সম্পত্তির সীমানা পরিবর্তন হতে পারে:
এছাড়া, যদি বণ্টন দলিল না থাকে, তবে সম্পত্তির সীমানা পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আপনি যে জমির ভোগ দখল করছেন, সেটি হতে পারে অন্য জায়গায় চলে যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি রাস্তার পাশের জমি ক্রয় করেন এবং সেখানে বণ্টন দলিল না থাকে, তবে কোনো সময় ওই সীমানা অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত হয়ে যেতে পারে, যা আপনার দখলকে সংকটাপন্ন করে তুলবে।

৪. দলিল বাতিল হতে পারে:
অনেক সময় আদালতে দলিল বাতিলের মামলা হয়। যদি আপনি ওয়ারিশান সম্পত্তি বণ্টন দলিল ছাড়া ক্রয় করেন, তবে আদালত সেই দলিল বাতিল করতে পারে। এই কারণে, সম্পত্তির ক্রয়-বিক্রয়ের সময় বণ্টন দলিলটি সঠিকভাবে প্রস্তুত করা জরুরি। আদালত হতে পারে আপনার ক্রয়কৃত সম্পত্তির দলিল বাতিল করে দেবে, কারণ তা আইনি সঠিকতা পায়নি। এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে, আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে এবং যথাযথ দলিল তৈরি করতে হবে।

কেন সতর্ক থাকবেন?

জমি ক্রয়ের আগে, আপনি যাঁর কাছ থেকে সম্পত্তি ক্রয় করছেন, তার বণ্টন দলিল সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে কিনা, সেটি নিশ্চিত করুন। শুধু ক্রয় চুক্তি ও নামজারি দিয়ে জমির মালিকানা নিশ্চিত হয় না, বরং তা একটি আইনি দলিলের ওপর ভিত্তি করে হতে হয়। কোনও একাধিক ওয়ারিশ থাকা অবস্থায়, সবাই যদি বণ্টন দলিল স্বাক্ষর না করে, তাহলে পরবর্তীতে আপনি আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন। তাছাড়া, জমির সীমানা ও মালিকানা সম্পর্কিত কোনো অনিশ্চয়তা আপনার দখলে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ওয়ারিশান সম্পত্তি ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

১. বণ্টন দলিল নিশ্চিত করুন:
যেকোনো সম্পত্তি ক্রয় করার আগে, প্রথমে বণ্টন দলিল তৈরি হয়েছে কিনা নিশ্চিত করুন। বণ্টন দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তির মালিকানা ও সীমানা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়। তাই বণ্টন দলিল ছাড়াই জমি ক্রয় করবেন না।

২. আইনি পরামর্শ নিন:
সম্পত্তি ক্রয়ের আগে, একজন আইনি পরামর্শক বা আইনজীবীর সাথে কথা বলুন। জমির বণ্টন, সীমানা এবং মালিকানা সম্পর্কিত সমস্ত বিষয় যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩. মৌখিক বণ্টন থেকে বিরত থাকুন:
মৌখিক বণ্টন বা মুখে মুখে জমি বণ্টন করার প্রথা পরিত্যাগ করুন। মৌখিক বণ্টন থেকে জমি ক্রয় করার ফলে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে এবং তা দীর্ঘ সময় ধরে আপনার দখলে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

অতএব, ওয়ারিশান সম্পত্তি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বণ্টন দলিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিশ্চিত করে যে জমির মালিকানা এবং সীমানা সঠিকভাবে নির্ধারিত হয়েছে এবং আইনি ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকা যাবে। জমি ক্রয় করার আগে বণ্টন দলিল এবং আইনি পরামর্শ গ্রহণ করুন। এতে ভবিষ্যতে আপনাকে কোনো ধরনের আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে না এবং আপনি নিশ্চিন্তে জমির মালিক হতে পারবেন।

তথ্যসূত্র দৈনিক জনকণ্ঠ

#জমি #নামজারি #দলিল #নকল #রেজিস্টারি #ভুমি

27/07/2025

জমি কেনার সময় যে ভুলগুলো করলে দলিল বাতিল হয়ে যেতে পারে
(Step-by-step সচেতনতা গাইড)

জমি কেনা মানেই শুধু টাকা লেনদেন না—বরং এটি আইনি দিক দিয়ে অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি কাজ। সামান্য ভুলের কারণেও আপনার সম্পত্তি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা বা দলিল বাতিলের মতো বড় ক্ষতি হতে পারে।

চলুন এখন ধাপে ধাপে জেনে নিই—জমি কেনার সময় কী কী গুরুত্বপূর্ণ ভুল সচরাচর হয়ে থাকে এবং সেগুলো কেন আপনার দলিল বাতিলের কারণ হতে পারে।

---

🔎 ধাপ ১: দলিল বাতিল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে সাধারণ ভুলগুলো

✅ ভুয়া মালিকের কাছ থেকে জমি কেনা
→ মালিকানা যাচাই না করে দালাল বা আত্মীয়ের কাছ থেকে জমি কেনা।
🟥 ফল: জাল দলিল হিসেবে বাতিল হয়।

✅ ওয়ারিশদের অনুমতি ছাড়া জমি কেনা
→ জমি ওয়ারিশ সূত্রে পেয়ে এক ওয়ারিশ গোপনে পুরো জমি বিক্রি করে দেয়।
🟥 ফল: বাদপড়া ওয়ারিশরা মামলা করে দলিল বাতিল করিয়ে নিতে পারে।

✅ রেজিস্ট্রি না করে স্ট্যাম্প কাগজে জমি কেনা
→ শুধু স্ট্যাম্পে লিখে রাখা দলিল আইনি বৈধতা পায় না।
🟥 ফল: কোর্টে গ্রহণযোগ্য নয়, বাতিলযোগ্য।

---

📑 ধাপ ২: দলিলের তথ্য ভুল হলে

✅ ভুল দাগ/খতিয়ান/মৌজা উল্লেখ করা
→ জমির ভুল সনাক্তকরণে ভবিষ্যতে বিরোধ তৈরি হয়।
🟥 ফল: জমির অবস্থান না মেলায় দলিল বাতিল হয়।

✅ জমির পরিমাণ অতিরিক্ত লেখা বা অন্যের অংশ ঢুকিয়ে দেওয়া
→ প্রকৃত মালিকানা অপেক্ষা বেশি অংশ দলিলে দেখানো।
🟥 ফল: দলিল আংশিক বা সম্পূর্ণ বাতিল হতে পারে।

✅ নাবালক (১৮ বছরের নিচে) ক্রেতা বা বিক্রেতা
→ আইন অনুযায়ী চুক্তির ক্ষমতা নেই।
🟥 ফল: দলিল অবৈধ ও বাতিলযোগ্য।

---

💼 ধাপ ৩: জমির মালিকানা বা দায় সম্পর্কিত ভুল

✅ দেনা বা বন্ধক রাখা জমি না জেনে কেনা
→ জমি যদি আগে থেকেই ব্যাংক বা অন্য কারো কাছে বন্ধক থাকে।
🟥 ফল: আপনার মালিকানা প্রশ্নবিদ্ধ, দলিল বাতিলযোগ্য।

✅ জাল সাক্ষী বা জাল স্বাক্ষর
→ দলিলে থাকা সাক্ষীরা আসল না হলে বা স্বাক্ষর জাল হলে।
🟥 ফল: প্রতারণা হিসেবে ধরা পড়ে, মামলা ও দলিল বাতিল হয়।

---

📩 আপনি কীভাবে নিরাপদে জমি কিনবেন?

🟢 দলিল ও খতিয়ান যাচাই করুন (CS, SA, RS, BS)
🟢 সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে রেজিস্ট্রি নিশ্চিত করুন
🟢 জাতীয় পরিচয়পত্র ও ওয়ারিশ সনদ যাচাই করুন
🟢 জমি বেচাকেনার আগে একজন আইনজীবীর সহায়তা নিন
🟢 প্রয়োজন হলে Mutation ও খারিজ দেখে নিন

---

🛡️ চূড়ান্ত পরামর্শ

জমি কেনার সময় এই ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন।
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।

পোস্ট টা উপকারী হলে শেয়ার করুন।
#জমি #নামজারি #রেজিস্ট্রারি

11/07/2025

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
সুনামগঞ্জ সদর সাব- রেজিস্ট্রী অফিসের সিনিয়র দলিল লেখক আমাদের সহযোদ্ধা সাদা মনের মানুষ
জনাব মুহসিন আহমদ সাহেব
আজ সকাল নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল ফরমাইয়াছেন।মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং দোয়া করি মহান আল্লাহ যেন জান্নাতুল ফেরদৌস এর মেহমান হিসেবে কবুল করে নেন আমিন৷

08/07/2025

রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যা বারবার চেক করবেন.....

সাধারণত একজন দলিল লেখক দিনে ৮/১০ টা বা কেউ কেউ আরো বেশি দলিল লেখে। ফলে তাদের দ্বারা দলিল লিখার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হয়ে যেতে পারে। আবার একজন সাব-রেজিস্ট্রার দৈনিক ৭০/৮০ টি দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতো সেবাগ্রহীতার চাপ থাকে যে প্রতিটি দলিল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা সম্ভব হয়না। জমির ক্রেতা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো দলিলে সাক্ষর করার আগে দলিলটি নির্ভুলভাবে লেখা হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে নিম্নের বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করা......

১) জমির এসএ এবং আরএস দাগ অঙ্কে ও কথায় মিলিয়ে নেবেন। নকশার সাথে দাগ নম্বর মিলাবেন। দলিলের ১১ নম্বর কলামে খতিয়ান নম্বর ও হোল্ডিং নম্বর বারবার মিলান।

২) দাগের কোন দিকে আপনার ক্রয়কৃত জমির পজিশন সেটা দলিলের ১৫ নম্বর কলামে হাত নকশায় ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন।

৩) মৌজার নাম, জেএল নম্বর এবং জমির পরিমাণ কথায় এবং অংকে লেখা ঠিক আছে কিনা তা দলিলের ২ নম্বর কলামে ভালোমতো খেয়াল করবেন।

৪) সম্পত্তির চৌহদ্দি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিনা তা ১২ নম্বর কলামে দেখে নিবেন।

৫) বিক্রেতার তার প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দিচ্ছেন কিনা তা যাচাই করবেন। একাধিক ক্রেতা বা বিক্রিতা হলে কার কতটুকু অংশ তা নির্দিষ্ট করা আছে তা দলিলের ৮ ও ৯ নং কলামে ঠিকমতো লেখা আছ কিনা লক্ষ্য করবেন।

৬) দলিলে কোনো মামলার ডিক্রির তথ্য সংযোজন প্রয়োজন হলে দলিলের ৭ নম্বর কলামে বিজ্ঞ আদালতের নাম ও মামলা নম্বর নির্ভূলভাবে লিখেছে কিনা খেয়াল করবেন। এছাড়া জমির সর্বশেষ জরিপ হতে ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ ঠিকমতো লেখা হয়েছে কিনা খেয়াল করবেন।

মনে রাখবেন দলিলে মেজর ভুল হয়ে গেলে তা আদালত ছাড়া সংশোধন করা যায়না। একটা দলিলের মেজর ভুল ঠিক করতে বছরের পর বছর আদালত চত্বরে ঘুরতে হবে। তাই নির্ভুল দলিল পেতে রেজিষ্ট্রেশনের আগে উপরের বিষয়গুলো ভালোমতো খেয়াল করুন। সবাইকে ধন্যবাদ।

ফ্রি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।

26/05/2025

হারিয়ে যাওয়া দলিলের নকল উত্তলন করতে চাইলে যোগাযোগ করুন। অথবা দলিলের নকল তুলতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন। সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিস সিলেট

20/05/2025

সিটির ভিতরে জায়গা ক্রয় বিক্রয় করিলে রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাদের টিন আছে কিন্তু রিটার্ন নেই তারা জায়গা বেচা কেনা করতে পারবেননা।

সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিস সিলেট

14/05/2025

সাব রেজিস্ট্রার অফিসের ১০০ বছরের বেশি পুরনো গাছ টি পড়ে গেছে।

#সাব #রেজিস্টার #অফিস

02/05/2025

সিলেট সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পার্মানেন্ট নতুন সাব রেজিস্ট্রার জনাব মিনহাজ উদ্দিন কে ফুল দিয়ে ভরণ করে নেয়া হচ্ছে সিলেট সদর দলিল লেখক সমিতি ও রেজিষ্ট্রেশন পরিবারের পক্ষ থেকে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00