19/05/2026
সিলেট সিভিল সার্জন অফিস এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম সফলভাবে চলমান রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে RCM কার্যক্রমের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের শনাক্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত তাদের টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। শিশুদের এই রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নির্ধারিত সময়ে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান নিশ্চিত করা। তাই আপনার শিশুর সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে অবশ্যই হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করুন।
সচেতন হোন, অন্যদেরও সচেতন করুন।
হাম-রুবেলা টিকা দিন, শিশুকে সুরক্ষিত রাখুন।
উল্লেখ্য, আগামীকাল এই বিশেষ কার্যক্রমের শেষ দিন। তাই যেসব শিশু এখনো টিকা গ্রহণ করেনি, তাদের দ্রুত নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে এসে টিকা প্রদান নিশ্চিত করার জন্য সকল অভিভাবকের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
18/05/2026
“১৯ তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস” ২০২৬
অটিজম কী?
মস্তিষ্কের মায়ুকোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বা পরিপক্কতার অভাবের কারণে অটিজমে আক্রান্ত হয়।
অটিজম ছেলেদের বেশি দেখা যায়। প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচির আওতায় ৫ বছর বয়স পর্যন্ত দেখা জরিপভুক্ত মোট প্রতিবন্ধী সংখ্যা ৯৫৬৫৫ জন মধ্যে অটিজম ১৮২২ জন।
অটিজমের প্রাথমিক লক্ষণ:
১। ১২ মাস বয়সের মধ্যে আধো আধো কথা না বলা, পছন্দের বস্তুর দিকে ইশারা না করা
২। ১৬ মাসের মধ্যে কোন একটি শব্দ বলতে না পারা
৩। ২৪ মাস বয়সের মধ্যে দুই বা ততোধিক শব্দ দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারা
৪। ভাষা ব্যবহারে রপ্ত করতে পারার পর আবার ভুলে যাওয়া
৫। বয়স উপযোগী সামাজিক আচরণ করতে না পারা
অটিস্টিক সম্ভাবনাময় শিশু:
বেশির ভাগ অটিস্টিক শিশু অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হয়। প্রতি ১০ (দশ) জন অটিস্টিক শিশুর মধ্যে এক জনের ছবি আঁকা, গান, গণিতে বা কম্পিউটারে প্রচন্ড দক্ষতা থাকে। অটিস্টিক শিশুকে ঠিকমত পরিচর্যা করলে হয়ে উঠতে পারে একজন মহাবিজ্ঞানী। অনেক বিশেষজ্ঞের ধারণা মহা বিজ্ঞানী আইন স্টাইন, আইজ্যাক নিউটন অটিস্টিক ছিলেন।
বাংলাদেশের অটিস্টিক পরিস্থিতি:
শিশু এইড বাংলাদেশ এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি হাজারে ৮ জন বা ১২৫ জনে একজন অটিজমে আক্রান্ত এবং প্রতি বছরে ১০ হতে ১৭ শতাংশ হারে অটিজমের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে যা খুবই উদ্বেগ জনক।
আমরা কি করতে পারি:
সরকার অটিজমসহ সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩’ এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩ নামে পৃথক দুইটি আইন প্রণয়ন করেছে, যেখানে সরকারের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি কল্যাণমুখী দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে সাংবিধানিক অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার এখন আইন দ্বারা স্বীকৃত। অটিস্টিক শিশুদের অবহেলার সুযোগ নাই। সরকারের পাশাপাশি আমরা সবাই সচেতন হবো এবং শিক্ষার দীক্ষায় দীক্ষিত করবো। উপযুক্ত সুযোগ সুবিধা দেওয়ার পরও তারা দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত হতে সক্ষম হবে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়: “অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়- প্রতিটি জীবন মূল্যবান”।
12/05/2026
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর ৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) এলাকায় পরিচালিত একটি নগর মাতৃসদন ও ছয়টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকালে নগর ভবনে এক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রগুলো সিলেট জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সিসিকের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক নূর এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিলেট জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী 'আরবান হেলথ কেয়ার' প্রকল্পের আওতায় এই সাতটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশাবাদী।"
প্রশাসক আশ্বস্ত করেন যে, কেন্দ্রগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন হলেও নাগরিক সেবা কার্যক্রম কোনোভাবেই ব্যাহত হবে না। এখন থেকে সিলেট জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এই কেন্দ্রগুলোর সার্বিক পরিচালনা ও তদারকির দায়িত্ব পালন করবে।
04/05/2026
ডেংগু প্রতিরোধে এবং সর্বস্তরে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে গত ৩ মে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে "পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান" কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কার্যক্রম চলাকালীন সিলেট সিভিল সার্জন ডা. মো: নাসির উদ্দিন মহোদয়, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত মহোদয়সহ কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। সকলে নিজ নিজ দায়িত্বশীলতা থেকে অফিসের বিভিন্ন কক্ষ, করিডোর, বারান্দা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে যুক্ত হন।
এ ধরনের উদ্যোগ কর্মস্থলের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে।
অভিযান চলাকালীন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শেখর কান্তি পাল এবং কীটতত্ত্ববিদ নজরুল ইসলাম কার্যক্রমটি তদারকি করেন। এ সময় কার্যালয় ও আশপাশের এলাকা, ড্রেন, ছাদ এবং ভবনের চারপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি আবর্জনা অপসারণ করে ডেঙ্গু মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।
ফুলের টব, ছাদের পানি, পুরোনো টায়ার, বোতল, ডাবের খোসা, খোলা ড্রাম-ট্যাংক এবং ড্রেন/নালায় জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা হয়, যাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা যায়।
উল্লেখ্য, মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখার নির্দেশনা মোতাবেক প্রতি মাসের প্রথম কর্মদিবসে নিয়মিতভাবে এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে, যা জনসাধারণসহ সকলকে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধবংসে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
30/04/2026
গত ২৯ এপ্রিল উদ্যাপিত “জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ–২০২৬”-এর সমাপনী অনুষ্ঠান সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক (শৃঙ্খলা) ডা. এবিএম শামসুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলার সম্মানিত সিভিল সার্জন ডা. মোঃ নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. তাসলিমা আক্তার, সিনিয়র শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব সুজন বণিকসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও পুষ্টি কমিটির সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সপ্তাহব্যাপী পুষ্টি কার্যক্রমের সার্বিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায় (MOCS)। পাশাপাশি তিনি দক্ষতার সঙ্গে পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বও পালন করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং ভবিষ্যতে পুষ্টি বিষয়ক কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
29/04/2026
সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে “জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ–২০২৬” উদ্যাপন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি আয়োজন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২৮ এপ্রিল সিলেট নগরীর ব্লু বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজে বর্ণাঢ্য চিত্রাঙ্কন, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত প্রতিযোগিতায় তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গ্রুপে অংশগ্রহণ করে তাদের সৃজনশীলতা ও জ্ঞান প্রতিভার উজ্জ্বল প্রকাশ ঘটায়। প্রাণবন্ত এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায় (MOCS) এবং ডা. তাসলিমা আক্তার (MODRS), যাঁদের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
28/04/2026
গত মঙলবার, দক্ষিণ সুরমা এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলায় "হাম রুবেলা বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন " কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শন টিমে ছিলেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. নূরে আলম শামীম, সিলেট সিভিল সার্জন ডা. মো: নাসির উদ্দিন এবং সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (MOCS) ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায়।
এইসময় লক্ষনাবন্দ, লক্ষীপাশা, দাউদ পুর, মোগলাবাজার এলাকার বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়। এ সময় টিকাদান কার্যক্রম এর সার্বিক বিষয়াদি পর্যবেক্ষণ করে টিকাদানকর্মীদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
25/04/2026
আজ ২৫ এপ্রিল, সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলার "ইমারজেন্সি হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬" কার্যক্রম।
24/04/2026
" পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ " এই প্রতিপাদ্য নিয়ে, সারাদেশ এর মতো সিলেটেও শুরু হয়েছে "জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬" (২৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল) এর কার্যকম ৷
এই কার্যক্রমের উদ্ধোধনী দিনে সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রাঙ্গনে এক বর্ণাঢ্য র্যালী আয়োজিত হয়।
পরবর্তীতে সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান এর আয়োজনে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে "জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬" এর আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত জেলা প্রশাসক মো: সারোয়ার আলম । তিনি পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে পরিবার, সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সবাইকে একযোগে আকজ করার আহবান জানান।
সভাপতি সিভিল সার্জন ডা. মো: নাসির উদ্দিন মহোদয় সুষম খাদ্যাভ্যাসের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাঈদা পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, সিলেট জেলার সকল উপজেলার UHFPO মহোদয়গণ সহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে পুষ্টি বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিলেট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ( ডি আর এস) ডা. তাছলিমা আক্তার।
23/04/2026
সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে "District Co-ordination Meeting one Emergency MR vaccination campaign "
সিলেট সিভিল সার্জন ডা. মো: নাসির উদ্দিন মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: সারোয়ার আলম, জেলা প্রশাসক সিলেট। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট (সার্বিক) সাঈদা পারভীন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত সহ সিলেট জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ ।