27/01/2021
চলে এসেছে আমাদের স্টকে #ফিলিস্তিন_মুক্তি_সংগ্রাম।
খুবই অল্প কয়েক কপি স্টকে আছে।
সর্বাধিক বিক্রিত একটি বই জনপ্রিয় একটি বই।
বইটির লেখক মিসরের ঐতিহ্যবাহী দৈনিক 'আল-আহরাম'- এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন। প্রেসিডেন্ট জামাল আব্দুন নাসেরের মন্ত্রীপরিষদে পর্যায়ক্রমে তথ্যমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।
বইয়ের কন্ডিশন খুব ভালো
রেক্সিন কাভার মোড়ানো অরিজিনাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রিন্ট।
প্রকাশকের ভাষায়, "অসংখ্য নবীর স্মৃতিধন্য ও মুসলমানদের প্রথম কিবলা বায়তুল মোকাদ্দাস-এর পবিত্র ভূমি ফিলিস্তিন আজ ইহুদীদের কবজায়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর থেকে পরাশক্তিগুলোর প্রত্যক্ষ মদদে সেখানে ইহুদীরা জবরদখল করে একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে প্রতি মুহুর্তে মুসলমানদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে।...........কিন্তু কিভাবে এর ভিত্তি রচিত হয়, কারা এর মদদ যোগায়- ইতিহাসের সেইসব খলনায়ক তখন পর্দার আড়ালে কি সব ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতেছিল, আরবদের ভূমিকাই বা কি ছিল, সেইসব অনেক অজানা তথ্যের প্রামাণিক বিশ্লেষণ স্থান পেয়েছে.....গ্রন্থটিতে। লেখক......ইতিহাসের এইসব ঘটনার এক বিরাট অংশের প্রত্যক্ষ সাক্ষী।.......ইউরোপ-আমেরিকার বহু ক্ষমতাধর ব্যক্তির সাথে তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয়ের সুবাদে তিনি অনেক অজানা তথ্যের প্রামাণ্য দলিল সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। সেসব ডকুমেন্টের ভিত্তিতে তিনি এই গ্রন্থটি প্রণয়ন করেন, যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি ।
বই - ফিলিস্তিনের মুক্তি সংগ্রাম: ইহুদী ষড়যন্ত্র ও আরবদের ভূমিকা
লেখক: মুহাম্মদ হাসনাইন হাইকল
অনুবাদক: ড. আবদুল্লাহ আল মা'রূফ
প্রকাশনী: ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পৃষ্ঠা: 736
বইটি অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ দিন
27/01/2021
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ সিরিজের প্রথম বইটি অনেকগুলো অবিশ্বাসী যুক্তির বিশ্বাসী উত্তর দিতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু প্রশ্ন তো আর থেমে থাকে না অবিশ্বাসের, তেমনি বিশ্বাসের উত্তর দেয়াতেও ক্লান্তি আসার কথা না। অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসতে আরিফ আজাদের সে প্রচেষ্টার দ্বিতীয় নিদর্শন- প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২।
এই বইটি প্রথমে ২০১৯ বইমেলায় কোন স্টলে পাওয়া যায় নি। মাঝে তো অতিরিক্ত মানুষের চাপে বইটি উঠিয়ে দেয়ারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেসময় রকমারি থেকে হাজার হাজার কপি সেল হয় প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২। যারা প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ পড়েছে তারা তো অবশ্যই সংগ্রহ করছে দ্বিতীয় খণ্ডটি। কিন্তু যারা প্রথমটি পড়ে নি তারাও চাইলে দ্বিতীয় খণ্ডটি পড়তে পারে কোন সমস্যা ছাড়াই। বিশ্বাসের আলোতে চলুন আরও একবার উদ্ভাসিত হই।
সংগ্রহ করুন প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ এখনই বাবুই ডটকম থেকে।
> প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২(হার্ডকভার)
> আরিফ আজাদ
> মূল্য: ২২০ টাকা মাত্র
03/01/2021
সমর্পণ প্রকাশনী থেকে সদ্য প্রকাশিত দারুণ কিছু বই
অর্ডার করেই পাচ্ছেন।
২ করে চমৎকার বুকমার্ক একদমই ফ্রী।
03/01/2021
হিজাব আমার পরিচয়
লেখক জাকারিয়া মাসুদ
বইটি অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ দিন।
03/01/2021
আল্লাহর দেওয়া ২৫ টি ওয়াদা
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তার ‘কেউ কথা রাখে না’ কবিতায় দেখিয়েছিলেন, কিভাবে মানুষ কথা দিয়ে কথার বরখেলাফ করে। মানুষ মানুষকে কথা দিলে সাধারণত সেই কথা রাখতে পারে, না-ও রাখতে পারে। অর্থাৎ বাইনারি সিস্টেম। ০ অথবা ১।
কিন্তু, যদি আল্লাহ কোনো কথা দেন, তাহলে? আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আল্লাহর চাইতে অধিক সত্যবাদী কে আছে?” [সূরা নিসা ৪:১২২]
তারমানে, আল্লাহ কথা দিলে সেই কথা রেখেছেন, রাখেন, রাখবেন। এটা নিশ্চিত। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, আল্লাহ আমাদেরকে কী ওয়াদা দিয়েছেন?
আমরা জানতে পেলাম, এক লোক আছেন, যার কাছে গেলে তিনি অনেক টাকা দিবেন। কিন্তু সেই লোকের বাড়ি কোথায়, তার কাছে কিভাবে যেতে হবে, কী পোশাক পরে যেতে হবে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তো আগে জানতে হবে, তবে না আশা করা যায় টাকা পাওয়া যাবে।
ঠিক তেমনি, আমরা জানলাম- ‘আল্লাহর ওয়াদা সত্য’ কিন্তু আমাদেরকে সেটাও তো জানতে হবে যে, আল্লাহ আমাদের সাথে কী ওয়াদা করেছেন, আমরা সেই ওয়াদাগুলো কিভাবে পালন করতে পারি। তবেই তো আমরা আল্লাহর ওয়াদাকে সত্য বলে পাবো, জানবো।
আল্লাহর ওয়াদা হলো দুটো টিকেটের মতো। টিকিটের এক অংশ আমাদের হাতে, আরেক অংশ আল্লাহর কাছে। আমরা যখন আমাদের অংশ ঠিকমতো মেনে চলবো, আল্লাহ তার কাছে রাখা অন্য অংশটি আমাদেরকে দিবেন। আল্লাহ বলেন:
“আমার সাথে তোমাদের যে অঙ্গীকার ছিলো, তা পূর্ণ করো। তাহলে তোমাদের সাথে আমার যে অঙ্গীকার ছিলো, তা আমি পূর্ণ করবো।” [সূরা বাকারা ২:৪০]
‘মুমিনের জীবনে আল্লাহর ওয়াদা’ বইয়ের লেখক মুহাম্মাদ ইউসুফ শাহ পবিত্র কুরআন ঘেঁটে আল্লাহর দেওয়া ২৫ টি ওয়াদা খুঁজে বের করেন, সেগুলোর ব্যাখ্যা করেন। যেমন:
জান্নাতের ওয়াদা
হিদায়াতের ওয়াদা
দয়া ও করুণার ওয়াদা
বরকতের ওয়াদা
শান্তি ও নিরাপত্তার ওয়াদা
সাহায্য ও বিজয়ের ওয়াদা
ক্ষমা ও পুরস্কারের ওয়াদা
শাসন-ক্ষমতা দেবার ওয়াদা ইত্যাদি।
কুরআন থেকে নির্বাচিত আল্লাহর দেওয়া এমন পঁচিশটি প্রতিশ্রুতি লাভ করতে হলে আমাদের করণীয় কী? লেখক পুরো বইয়ে সেটা নিয়ে আলোচনা করেছেন। একেকটি প্রতিশ্রুতির বর্ণনা দিতে গিয়ে সেটার সাথে প্রাসঙ্গিক কুরআনের আয়াত, হাদীস, নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সীরাত, সাহাবীদের জীবন থেকে কোনো ঘটনা, সালাফদের জীবন থেকে কোনো ঘটনা তুলে এনেছেন।
বই**মুমিনের জীবনে আল্লাহর ওয়াদা
প্রকাশনী সমর্পণ প্রকাশন
পৃষ্ঠা ১৯২
অফার মূল্য ১৭৫
03/01/2021
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের পেইজের কার্যক্রম আবার শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ
09/11/2020
বই- ওপারে
লেখক রেহনুমা বিনতে আনিস
প্রকাশনা সিয়ান পাবলিকেশন্স
৪০% ছাড়ে!
হাদিয়া ১২০/-
অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ দিন
26/10/2020
কি সুন্দর নীল আকাশ! আল্লাহর আকাশ কতো সুন্দর সুবহানাল্লাহ!
18/10/2020
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
লেখক আরিফ আজাদ
স্পেশাল অফার মাত্র ২২০৳
হার্ডকাভার।
অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ দিন
18/10/2020
আরজ আলী সমীপে
লেখক আরিফ আজাদ
হাদিয়া ১৬০
অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ দিন
03/10/2020
প্রাচীর
"যুদ্ধবন্দী!!
স্বাধীনতা যাদের বুকের ভেতরে খোঁদাই করা,আকাশ যাদের চোখের পাতায় এঁকে দেয়া,দরজার তালা আর হাতে পায়ের শিকল কী করে তাদের বন্দী করে!
ক্লান্তিই যাদের শক্তি যোগায়,পিয়াসাই যাদের তৃপ্তি মেটায়,নাকের ভেতর পাইপ দিয়ে ঢুকানো খাদ্য কি করে তাদের অনশন ভাঙ্গে! স্বাধীনতার একটি দরজা বন্ধ করে দেয়া হলেও এমন লক্ষ জানালা তাদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে, যার ধারণা কারোই নেই।
তোমরা হয়ত ভুল করেই নিজেদের ভাবছো 'স্বাধীন' আর তাদের ভাবছো 'বন্দী' এর পরে-ও মিছে বাহানায় ভুলে আছো তাদের।
দায়বদ্ধতার প্রশ্নে তোমরাই বরং বড় বন্দী।
তারা তোমাদের করুণার ধার ধারে না, তারা তোমাদের চেয়েও স্বাধীন।
সকল প্রকার দায়ভার থেকে তারা মুক্ত, তাদের কারামুক্ত করার মুরোদ তোমার না থাকলেও দুআর মাধ্যমে তাদের সহযোদ্ধা হওয়ার যোগ্যতাও কি তোমার নেই? নিরাপত্তার বাহানায়।
আল্লাহু আকবর!
বইটি যতোই পড়ছি আর এরকম শতবার নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করছি।
এরকম বই খুব কম হয়,হতে দেয় না হলে-ও ফুরিয়ে যায় সল্প সময়ে।
অবশ্যই পিডিএফ পড়তে পারেন প্রকাশনা সংস্থা থেকে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।
পিক © Al-Amin...
06/09/2020
বই পড়লে যত লাভ 📖📚
বই মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু । বন্ধু কিংবা আপনজন কখনও কখনও পর হয়, কিন্তু বই কখনও আপনার সাথে প্রতারণা করবে না। সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর ‘বই কেনা’ প্রবন্ধে বলেছেন, ‘বাঙালির বই কেনার প্রতি বৈরাগ্য দেখে মনে হয়, সে যেন গল্পটা জানে, আর মরার ভয়ে বই কেনা, বই পড়া ছেড়ে দিয়েছে।’ এছাড়া প্রমথ চৌধুরী তাঁর ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে বলেছেন, ‘ লাইব্রেরি হাসপাতালের চাইতে কম উপকারী নয়, তার কারণ আমাদের শিক্ষার বর্তমান অবস্থায় লাইব্রেরি হচ্ছে একরকম মনের হাসপাতাল।’
বই কেনা বা বই পড়া নিয়ে অনেক জ্ঞানগর্ভ আলোচনা আছে। অনেক সাহিত্যিক বই পড়তে উৎসাহিত করার জন্য প্রবন্ধ লিখেছেন। তারা জ্ঞান-বুদ্ধি বৃদ্ধির কথা বলেছেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীর সুস্থ রাখতেও বই পড়ার অভ্যাস দারুণভাবে মানুষকে সাহায্য করে। যদিও কথাটা বিশ্বাস করতে একটু কষ্ট হতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, বই শরীর এবং মনো জগতের মধ্যে একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে বই পড়লে অবশ্যই শারীরিক ও মানসিক সুফল পাবেন। আসুন জেনে নেই সেই সফলতা সম্পর্কে-
মানসিক চাপ
বর্তমান সময়ে যেসব রোগে নতুন প্রজন্ম বেশি মাত্রায় ভুগছে, তার বেশিরভাগের সঙ্গেই মানসিক চাপের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বই পড়ার অভ্যাস এমন সমস্যা কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। কারণ, বই পড়ার সময় মন খুব শান্ত থাকে। ফলে মানসিক চাপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হার্টের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক প্রভৃতি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ও হ্রাস পেতে থাকে।
মনোযোগ বৃদ্ধি
কোনও কাজে উন্নতি করতে গেলে মনোযোগ সহকারে সেই কাজটি করা একান্ত আবশ্যক। এক্ষেত্রে আপনাকে কেবল বই-ই সাহায্য করতে পারে। কারণ, প্রতিদিন বই পড়লে ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে উন্নতি ঘটে মনোযোগ ক্ষমতারও। যারা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন; তারা এখনই বই পড়া শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই পরিস্থিতি একেবারে পাল্টে যাবে।
মস্তিষ্কের উন্নতি
বই পড়ার সময় মস্তিষ্কের মধ্যে থাকা হাজারো নিউরন বেশি বেশি করে কাজ করতে শুরু করে। ফলে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনটা হলে একদিকে যেমন বুদ্ধির বিকাশ ঘটে, তেমনি নানা ধরনের ব্রেন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।
মানসিক শান্তি
সারাদিন কাজের পর বেশির ভাগ মানুষই মন-মেজাজ চাঙা করতে টেলিভিশন দেখেন। কিন্তু তাতে কি সত্যিই মন শান্ত হয়? বিজ্ঞানের ভাষ্য মতে, মন এবং মস্তিষ্কের ক্লান্তি দূর করতে টেলিভেশনের পরিবর্তে বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন । কারণ বই পড়লে শরীর ও মনের উপকার হয়, টিভি দেখলে নয়।