30/05/2026
ঘোষণা অনুযায়ী ৮ ঘণ্টাতেই বর্জ্যমুক্ত সিলেট: নগরবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানালেন সিসিক প্রশাসক
পূর্বঘোষিত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে পশুর কোরবানির পর মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যেই সিলেট নগরীকে সম্পূর্ণ বর্জ্যমুক্ত করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)। সিসিকের পরিচ্ছন্নতা শাখার কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমে ঈদের দিন বিকেল ৬টার মধ্যেই নগরের সবকটি ওয়ার্ডের বর্জ্য অপসারণ করে চারপাশ পূর্বের পরিচ্ছন্ন অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
এই সফল কর্মযজ্ঞের পর শনিবার (৩০ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। সভায় তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন এবং এই বিশাল কাজে সহযোগিতার জন্য নগরবাসী, সাংবাদিকবৃন্দ ও সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
২ দিনে ২৫ হাজার পশু কোরবানি, ১৩শ টন বর্জ্য অপসারণ:
মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক জানান, ঈদ ও ঈদের পরদিন মিলিয়ে দুই দিনে সিলেট নগরীতে প্রায় ২৫ হাজার পশু কোরবানি হয়েছে। বিপুল পরিমাণ এই কোরবানির বর্জ্যের পাশাপাশি নগরের ১টি স্থায়ী ও ৫টি অস্থায়ী অনুমোদিত পশুর হাট এবং বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বসানো অনেকগুলো পশুর হাটের বর্জ্যও সিসিককে অপসারণ করতে হয়েছে। সব মিলিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা রেকর্ড সময়ে নগরী থেকে কমপক্ষে ১৩শ টন বর্জ্য অপসারণ করেছেন।
বিনামূল্যে ৩০ হাজার ব্যাগ ও ৫ হাজার কেজি ব্লিচিং পাউডার বিতরণ:
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব করতে সিসিকের পক্ষ থেকে এবার ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। প্রশাসক জানান, কোরবানিদাতাদের তালিকা তৈরি করে সিসিকের নিজস্ব উদ্যোগে প্রায় ৩০ হাজার পরিবেশবান্ধব পলিব্যাগ এবং জীবাণু ও দুর্গন্ধ ছড়ানো রোধে ৫ হাজার কেজি (৫ টন) ব্লিচিং পাউডার ও তরল জীবাণুনাশক বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া নাগরিকদের তাৎক্ষণিক যোগাযোগের জন্য সার্বক্ষণিক চালু ছিল বিশেষ হটলাইন নম্বর।
৮ ঘণ্টার চ্যালেঞ্জ জয়:
সিসিক প্রশাসক জানান, বুধবার রাত থেকেই সিসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বিভিন্ন হাটের বর্জ্য পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। ঈদের দিন মূল বর্জ্য অপসারণ কাজে সহস্রাধিক শ্রমিক দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। বর্জ্য পরিবহনে সিসিকের নিজস্ব ৬০টি ট্রাকের পাশাপাশি ভাড়ায় চালিত আরও ৫৫টি ভারী ট্রাক ও ডাম্পার ব্যবহার করা হয়। সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে এই কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করেন ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন। প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন।
এ বিষয়ে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকলেও, আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে ৮ ঘণ্টার মধ্যেই সিলেটবাসীকে পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও সচেতন নগরবাসীর যৌথ প্রয়াসেই এই দূরূহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।"
নগরবাসী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি ধন্যবাদ ও ভবিষ্যতের প্রত্যয়:
মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সফল হওয়ায় নগরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দিয়ে এবং বর্জ্য ব্যাগে ভরে আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হাতে তুলে দিয়ে নগরবাসী যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।"
একই সাথে ঈদের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করা সিসিকের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, "আপনাদের এই ত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা সিসিক পরিবার সব সময় মনে রাখবে।"
ভবিষ্যতে আরও ভালো করার উৎসাহ ও প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "এই সফলতা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে যেকোনো উৎসব বা দুর্যোগে আমরা এর চেয়েও আরও দ্রুত ও আধুনিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে পারব। আসুন, সবাই মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের ভালোবাসার সিলেট নগরীকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও আদর্শ গ্রিন সিটিতে রূপান্তর করি।"
সভায় সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন সহ সিসিকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
28/05/2026
নগরীর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক
সিলেট নগরীর কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নকরণ কার্যক্রম সরজমিন পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেওয়ার পরপরই তিনি নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে সিসিকের এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি মাঠে নিয়োজিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উৎসাহিত করে বলেন, "জনসেবাও ইবাদতের একটি বড় অংশ। আজ আপনাদের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করার কথা ছিল। কিন্তু আপনারা জনগণের কল্যাণে, নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ঈদের দিনও অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। আপনারা যেভাবে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, তাতে সিলেট নগরবাসী অত্যন্ত সন্তুষ্ট হবেন—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।"
বর্জ্য অপসারণ কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রশাসক বলেন, "আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম কোরবানির পর ৮ ঘণ্টার মধ্যে পুরো নগরী পরিষ্কার করা হবে। কর্মীরা যে গতি ও উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করছেন, তাতে আশা করি আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সিলেটবাসীকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দিতে পারব।"
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, "নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব ময়লা-আবর্জনা ও পশুর উচ্ছিষ্ট সরিয়ে নিতে হবে। আমি চাই ঈদের পর নগরীর কোথাও যেন কোনো আবর্জনা জমে না থাকে এবং কোনো ধরনের দুর্গন্ধ যেন না ছড়ায়।"
এ সময় নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, "কেবল সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে এত দ্রুত বিশাল পরিমাণের বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব নয়। কোরবানির পর রক্ত ও উচ্ছিষ্ট অংশ যাতে যত্রতত্র ছড়িয়ে না থাকে, সেদিকে নগরবাসীকেও খেয়াল রাখতে হবে। সবাই নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার করে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিলে আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য কাজটা আরও সহজ হবে।"
সবশেষে সিসিক প্রশাসক নগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, "ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এই ঈদ আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ ও সম্প্রীতি। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।"
পরিদর্শনকালে প্রশাসকের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, মো. মাহবুবুর রহমানসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
27/05/2026
সিসিক কর্মী মোহাম্মদ মুফাচ্ছিরের অকাল মৃত্যু: বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানালেন সিসিক প্রশাসক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার সুপারভাইজার মোহাম্মদ মুফাচ্ছিরের অকাল মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় কর্মরত অবস্থায় তিনি হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
এদিকে, মোহাম্মদ মুফাচ্ছিরের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর কানিশাইলের বাসভবনে ছুটে যান সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং গভীর সান্ত্বনা জানান। মরহুমের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশের পাশাপাশি সিসিক প্রশাসক তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
এ সময় তিনি বলেন, "মোহাম্মদ মুফাচ্ছির একজন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল কর্মী ছিলেন। কর্মরত অবস্থায় তাঁর এই চলে যাওয়া সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে আছি এবং সিসিক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।"
এ সময় সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. মাহবুবুর রহমান সহ সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
27/05/2026
কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে কর্মীদের নির্দেশনা দিলেন সিসিক প্রশাসক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী পবিত্র ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে কোরবানির ৮ ঘণ্টার মধ্যে নগরের সব বর্জ্য অপসারণ করে নগরকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার সুপারভাইজার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করা সিটি কর্পোরেশনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা চাই, নগরবাসী যেন স্বস্তি ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। সে লক্ষ্যেই সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “সিসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নগরকে পরিষ্কার রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করেন। ঈদের সময় তাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। তাই সবাইকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হবে।”
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গঠনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা দ্রুততম সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রত্যেক ওয়ার্ডে প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন, ব্লিচিং পাউডার ও পরিবেশবান্ধব পলিব্যাগ সরবরাহ করা হবে।”
তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ও পলিব্যাগে সংরক্ষণ করে সিসিক কর্মীদের সহযোগিতা করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য সিলেট নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
26/05/2026
নগর আলোকিত করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে বসবে আধুনিক এলইডি লাইট: সিসিক প্রশাসক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, "সিলেট নগরীকে আলোকিত ও নিরাপদ করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অত্যাধুনিক এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে। নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সিলেটকে একটি ক্লিন ও স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।"
রোববার (২৪ মে) রাতে সিসিক প্রশাসক পৃথক দুটি স্থানে ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে আধুনিক আলোকসজ্জা প্রকল্পের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
তিনি প্রথমে নগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কল্লগ্রাম ভোলাইমিল থেকে কল্লগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কবাতি এবং পরবর্তীতে ২৬, ২৭, ৪০ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের রোড ডিভাইডারে আধুনিক সড়কবাতি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন। ‘লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্ট’-এর আওতায় এই দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।
উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যয় কমিয়ে সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনায় আমাদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সেই লক্ষ্যেই পর্যায়ক্রমে পুরো নগরে এই আধুনিক এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে।" তিনি এই আলোকসজ্জা কার্যক্রমের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেন।
প্রকল্পের কারিগরি দিক তুলে ধরে সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস জানান, এই আধুনিক এলইডি লাইটগুলো স্থাপনের ফলে সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। এছাড়া ‘স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম’ চালুর মাধ্যমে সড়কবাতি ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন ও স্বয়ংক্রিয়করণ নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি কেবল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই করবে না, বরং রাতে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করতে এবং পর্যটন নগরী সিলেটের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস সহ সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এ সময় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডসমূহের বিপুল সংখ্যক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।
25/05/2026
সিলেটবাসীকে সিসিক প্রশাসকের ঈদের শুভেচ্ছা
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সিলেটবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
সোমবার (২৫ মে) এক শুভেচ্ছা বার্তায় সিসিক প্রশাসক বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার মহান শিক্ষা দেয়। এই পবিত্র উৎসবের মূল শিক্ষা হলো আত্মত্যাগের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং সমাজে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করা।
আমি সিলেট মহানগরবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও মানবিক নগর গড়ার লক্ষ্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আসন্ন ঈদে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ কাজে নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। আসুন, আমরা সবাই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর সিলেট গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করি।
মহান আল্লাহ আমাদের সকলের কোরবানি কবুল করুন এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ দান করুন। ঈদ মোবারক।
25/05/2026
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ করেন বলেই নগর এত সুন্দর: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, "পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে নগর পরিষ্কার রাখেন বলেই আমাদের শহর এত সুন্দর। আমরা তাদের কাজকে সম্মান করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তাদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক।"
রোববার (২৪ মে) বিকেলে সিলেট নগর ভবনে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, "আপনারা যেমন নিয়মিত নগর পরিষ্কারে সফলতার পরিচয় দিচ্ছেন, তেমনি আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাতেও দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণ করে শহরকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে।" এ সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন সংকট নিরসনে নতুন কোয়ার্টার নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সিলেটের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য এই বিশেষ অনুদান পাঠিয়েছেন, যার ফলে কর্মীদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি আধুনিক নগরী গড়ে তুলব।"
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।
সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং সিসিকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকাসহ মোট ৫৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা বিশেষ অনুদান হিসেবে বিতরণ করা হয়। এর আওতায় সিসিকের ১ হাজার ১৫৮ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রত্যেককে নগদ ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।
24/05/2026
সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে কসোভোর রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন অংশীদারিত্বের প্রতিশ্রুতি
ঢাকায় নিযুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা (Lulzim Pllana) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন।
রোববার (২৪ মে) দুপুরে নগর ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে সিলেট নগরীর সঙ্গে কসোভোর বিভিন্ন শহরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, শিক্ষা, বাণিজ্য ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানাবিধ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশেষ করে কসোভো ও সিলেটের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার এবং শিক্ষা-সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি চালুর বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেন।
কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা সিলেটের অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে তিনি সিলেটের আধুনিকায়নে এবং সামগ্রিক উন্নয়নে কসোভো সরকারের পক্ষ থেকে পাশে থাকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
এর আগে, রাষ্ট্রদূতকে নগর ভবনে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, "সিলেট তার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী কমিউনিটির জন্য সমাদৃত। বর্তমানে আমরা সিলেটকে একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব, স্মার্ট এবং টেকসই নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।" এই রূপান্তরের যাত্রায় তিনি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে কসোভো সরকারের প্রযুক্তিগত ও উন্নয়ন সহযোগিতা কামনা করেন।
উক্ত সৌজন্য সাক্ষাতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিসিক সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা (অ.দা.) নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
24/05/2026
কর্মরত অবস্থায় মৃত দুই সিসিক কর্মীর পরিবার পেলো ৮ লাখ টাকা করে অনুদান
কর্মচারীদের স্বার্থ ও কল্যাণ সুরক্ষা করা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব-সিসিক প্রশাসক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনে (সিসিক) কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী দুই কর্মচারীর পরিবারকে কর্পোরেশনের নিজস্ব তহবিল থেকে ৮ লাখ টাকা করে মোট ১৬ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী মৃত কর্মীদের স্ত্রীদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেন। অনুদানের চেক গ্রহণ করেন— পানি শাখার পাম্প অপারেটর প্রয়াত হাসান মাহমুদ মাসুমের স্ত্রী মোছাম্মত সেলিনা আক্তার এবং পরিবহন শাখার গাড়ি চালক প্রয়াত মো. আব্দুল হান্নানের স্ত্রী রোমানা বেগম।
চেক হস্তান্তরকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সিসিকের মূল চালিকাশক্তি। কর্মরত অবস্থায় কোনো সহকর্মীর অকাল মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাদের পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষতি অর্থের পরিমাপে পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে সিসিক সবসময় তার কর্মীদের কল্যাণে এবং যেকোনো দুর্যোগে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর। কর্মচারীদের স্বার্থ ও কল্যাণ সুরক্ষা করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।"
সিসিকের কর্মীদের আন্তরিকভাবে নগরবাসীর সেবা করার অনুরোধ জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, "আমরা সবাই নগরবাসীর সেবক। তাই সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। নাগরিক সেবার মান যত বাড়বে, সিসিকের ভাবমূর্তিও তত উজ্জ্বল হবে।"
কর্মচারীদের কল্যাণে সিসিক সব সময় পাশে থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, "সহকর্মীদের যেকোনো যৌক্তিক দাবি ও কল্যাণের বিষয়ে সিসিক কর্তৃপক্ষ সবসময় ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সিটি কর্পোরেশনে চাকরি শেষে অবসর নিলে আমরা তাদের যথাযথ সম্মান জানানোর চেষ্টা করব। কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এককালীন অর্থ অনুদান প্রদানের পাশাপাশি সসম্মানে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। এমনকি অস্থায়ীভাবে কর্মরত কোনো কর্মচারীও যদি দায়িত্ব পালনকালে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো দুর্ঘটনার শিকার হন বা মৃত্যুবরণ করেন, তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের ক্ষেত্রেও আমরা এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা করব।"
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের কর্মচারী সংসদের সভাপতি আব্দুল বাছিত, সাধারণ সম্পাদক আখতার সিদ্দিকী বাবলু, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মফিজ আলী, মো. ফয়জুর রহমান, মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
23/05/2026
সিসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার অনুদান প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এমপি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে অনুদানের চেক গ্রহণ করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক সিলেট সফরের প্রসঙ্গ তুলে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যের প্রশংসা করেন। তিনি পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল নগর পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সিলেটের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সিসিক প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন মানবিক নেতা। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের বিষয়গুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করেন এবং তাদের পাশে দাঁড়ান। পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ঈদ উদযাপনে এই অনুদান তাঁর মানবিক নেতৃত্বের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”
তিনি আরও বলেন, “সিলেট নগরীর উন্নয়ন ও নগরবাসীর কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিক। সিলেটকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি বিভিন্ন সময় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা, উৎসাহ ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুদানে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আরও উৎসাহিত হবেন এবং তাদের কাজের গতি ও মনোবল বৃদ্ধি পাবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৩টি সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে অনুদান প্রদান করেন। এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ ১৩ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক সিলেটের উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য অনুদান প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের পবিত্র ঈদুল ফিতরেও সিলেটসহ দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ঈদ উপহার প্রদান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে সময় প্রত্যেক কর্মীকে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। ঈদুল ফিতরের ধারাবাহিকতায় এবারও ঈদুল আজহা উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মুখে হাসি ফোটাতে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন তিনি।