Sylvia Naturals Health Care

Sylvia Naturals Health Care

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sylvia Naturals Health Care, Social service, Sylhet.

সিলেটে বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল - Sylnews24.com 07/03/2026

সিলেটে বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল - Sylnews24.com নিজেস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল এসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে সায়েন্টিফিক সেমি....

07/03/2026

সিলেটে বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল
🌳🌲🪴🌱🌷🌿☘️🍀🌼🌻🌴🌵🌳🪴

বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল এসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে সায়েন্টিফিক সেমিনার, সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ গতকাল শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) দুপুর ২টায় সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন সোনাতলাস্থ সিলভিয়া ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের বিভাগীয় সভাপতি ডা. ফয়সল আহমদ বাবুলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম লায়েকের পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞান, জনস্বাস্থ্য ও প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির আধুনিক প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে একটি সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের বিভাগীয় সভাপতি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. ফয়সল আহমদ বাবুল ও কোষাধ্যক্ষ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম বাবুল। বক্তারা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার ঐতিহ্য, গবেষণার সম্ভাবনা এবং স্বাস্থ্যসেবায় এর কার্যকর ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সংগঠনের আগামী সেশনের কার্যকরী কমিটি গঠন, সংগঠনের ম্যাগাজিন প্রকাশনা সংক্রান্ত বিষয় এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ইফতারের পূর্বে মাহে রামাদ্বানের তাৎপর্য ও ফজিলত নিয়ে আলোচনা করেন সংগঠনের সহসভাপতি মাওলানা মোঃ হাবিবুর রহমান। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সিরাজুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি আব্দুল করিম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইউনানি চিকিৎসক হাকিম শাহীদুর রহমান শাহিদ, সংগঠনের সহ-সভাপতি মাওলানা মোঃ হাবিবুর রহমান, সহ-সম্পাদক মোঃ নাইমুল ইসলাম, হাদিছ মিয়া আকন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সালেহ আহমদ, মাওলানা মাহাদী হাসান লিটন মিয়া, কোষাধ্যক্ষ কোষাধ্যক্ষ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম বাবুল, সিরাজুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক জালাল উদ্দিন, মাওলানা এবিএম আব্দুল গাফফার, মোঃ আব্দুল্লাহ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও মানব উন্নয়ন সম্পাদক ডা. হাজেরা কুদ্দুছ, ছাত্র ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নকুল কুমার দাস, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেসমিন বেগম, সাবিনা ইয়াছমিন, আমিনুল ইসলাম, আব্দুর রউফ, ওমর ফারুক, হাকীম গোলাম কীবরিয়া সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ।

02/05/2019
29/03/2019

হৃৎপিণ্ডের রোগ, এনজিওগ্রাম এবং ইউনানী চিকিৎসা

হৃৎপিণ্ডের একটা রোগ আছে সেই রোগটির নাম করনারি আর্টারি ডিজিস বা ইসকেমিক হার্টডিজিস। এই রোগের লক্ষণ হিসেবে রোগীর বুকে ব্যথা এবং এই ব্যথাটা হাঁটলে বাড়ে। অথবা সিঁড়ি বেয়ে দোতলা বা তিন তলায় উঠলে ব্যথা হয়। এই রোগীদের করনারি আর্টারি ডিজিস থাকার সম্ভাবনা বেশি। হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি করনারি আর্টারির মাধ্যমে অক্সিজেন ও নিউট্রিশন পেয়ে থাকে। কোনো কারণে যদি করনারি আর্টারির ভিতর চর্বি জমে হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশির অক্সিজেন ও নিউট্রিশন সরবরাহে ব্যাহত করে, তখন বুকে ব্যথা হতে পারে।
এই রোগীদের অবশ্যই করনারি এনজিওগ্রাম করা উচিত যদি করনারি আর্টারিতে চর্বি জমে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় তবে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হবে। সঙ্গে সঙ্গে বমি হতে পারে। ঘাম হতে পারে ও বুক ধড়ফড় করতে পায়ে, এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এই রোগকে তখন Acute Myocardial Infarctionবলে থাকে পাঠকদের বুঝার সুবিধার জন্য একটা উদাহরণ দিচ্ছি। ধানী জমিতে যদি পালি ও সার না দেয়া হয় তখন ধানী জমি শুকিয়ে যায় এবং ফসল হয় না। হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি যদি করনারি আর্টারিতে চর্বি জমার জন্য অক্সিজেন ও নিউট্রিশন না পায় তখন হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি শুকিয়ে যায় এবং হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি তখন Pump করতে পারে না। ফলে তখন শ্বাসকষ্ট হয়।
হৃৎপিণ্ডের রোগ, এনজিওগ্রাম এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা
রোগের কারণে রোগীর মৃত্যু হতে পারে। সুতরাং Acute Myocardial infarction হওয়ার আগে এনজিওগ্রাম করাটা বাঞ্ছনীয়। হৃদরোগ নির্ণয়ের জন্য আধুনিক অনেক পরীক্ষা আছে। এর মধ্যে ECG, Echo Cardiogram, ETT, 24 Hours Holter Monitor, Stress Echo-Cardiography, Thallium Scan তবে আধুনিকতম পরীক্ষা ও চিকিৎসা পদ্ধতি হলো Coronary Angiogram (CAG) AGbK mgq ECG, Echo-Cardiography, ETT, Stress Echo-Cardiogram করে করনারি আর্টারি ডিজিস নির্ণয় করা সম্ভব হয় না।
সেই ক্ষেত্রে করনারি এনজিওগ্রাম বা CAG করে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হয়। Echo Cardiogram করে হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশির রোগ এবং হৃৎপিণ্ডের কপাটিকা এর রোগ নির্ণয় করা যায়। হৃৎপিণ্ডের সব রোগের জন্যই এনজিওগ্রাম করা দরকার নেই। শুধু করনারি আর্টারি ডিজিস বা Ischaemic Heart Disease এর জন্য এই পরীক্ষা করা যেতে পারে ও চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে।

ইউনানী চিকিৎসা
এনজিওগ্রামটা এক ধরনের মাইনর অপারেশন বিধায় অনেকই করাতে চান না।আল্লাহর শুকর যে ইউনানী চিকিৎসা একটি প্রকৃত চিকিৎসা বিজ্ঞান যেখানে রোগীর যাবতীয় লক্ষণ দেখেই ট্রিটমেন্ট করা যায়, যার কারণে হয়ত যারা এ সকল ক্ষেত্রে এনজিওগ্রাম করাতে চান না তারাও ইউনানী চিকিৎসা নিতে পারছেন এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। আপনারা যারা দীর্ঘ দিন বিভিন্ন প্রকার হৃদরোগ ও রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগছেন অন্তত একবার হলেও আধুনিক ইউনানী পারদর্শী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনাদের সেবায় #সিলভিয়া_ন্যাচারাল_হেলথ_কেয়ার । এখানে ইউনানী চিকিৎসায় বিশেষ পারদর্শী উচ্চতর ডিগ্রিধারী চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন, সফল এবং আধুনিক ইউনানী চিকিৎসা গ্রহণ করুন, যা আপনার এ জাতীয় জটিল শারীরিক সমস্যা সমূহকে মূল থেকে নির্মূল করে আপনাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলবে- ইনশাল্লাহ।
যোগাযোগঃ ০১৭১২৪৮২৭৬৫, ০১৭১৬-৪৩২৭০৯

29/03/2019

জন্ডিস (JAUNDICE) এর কার্যকরী চিকিৎসাই হলো ইউনানী।।

রক্তে বিলিরুবিন নামক এক ধরনের পিগমেন্টের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়। এ রোগে চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। জন্ডিস আসলে কোনো রোগ নয়, এটি রোগের লক্ষণমাত্র। জন্ডিসের মাত্রা বেশি হলে হাত-পা, এমনকি শরীরেও হলদেটে ভাব চলে আসতে পারে। এর পাশাপাশি প্রস্রাবের রং হালকা থেকে গাঢ় হলদেটে হয়ে যায়। জন্ডিসে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে লিভারের মতো গুরুত্বপুর্ণ অঙ্গটি আক্রান্ত হয়। আর ক্ষেত্রবিশেষে এটি জীবন নাশকারী অবস্থায় চলে যেতে পারে। তাই এ রোগটি হেলাফেলা করা উচিত নয় মোটেই।

জন্ডিস যেভাবে হয় :-
আগেই যেমনটি বলেছি, রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়। রক্তের লোহিত কণিকাগুলো একটা সময় স্বাভাবিক নিয়মেই ভেঙে গিয়ে বিলিরুবিন তৈরি করে, যা পরে লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের সঙ্গে পিত্তনালির মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে। অন্ত্র থেকে বিলিরুবিন পায়খানার মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। বিলিরুবিনের এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় যেকোনো অসংগতি দেখা দিলে রক্তে বিলিরুবিন বেড়ে যায় আর দেখা দেয় জন্ডিস।

জন্ডিস ও লিভার :-
লিভারের রোগ জন্ডিসের প্রধান কারণ। আমরা যা কিছুই খাই না কেন, তা লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়। লিভার নানা কারণে রোগাক্রান্ত হতে পারে। আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বেই জন্ডিসের প্রধান কারণ এই হেপাটাইটিস ভাইরাসগুলো। হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই ভাইরাস লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যাকে বলা হয় ভাইরাল হেপাটাইটিস। তবে উন্নত দেশগুলোতে অতিরিক্ত মদ্যপান জন্ডিসের অন্যতম কারণ।
এ ছাড়া অটোইমিউন লিভার ডিজিজ এবং বংশগত কারণসহ আরো কিছু বিরল ধরনের লিভার রোগেও জন্ডিস হতে পারে। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও অনেক সময় জন্ডিস হয়। তা ছাড়া থ্যালাসেমিয়া ও হিমোগ্লোবিন ই-ডিজিজের মতো যেসব রোগে রক্ত ভেঙে যায় কিংবা পিত্তনালির পাথর বা টিউমার এবং লিভার বা অন্য কোথাও ক্যান্সার হলেও জন্ডিস হতে পারে। তাই জন্ডিস শুধুই লিভারের রোগ_এমনটি ভাবা ঠিক নয়।
লক্ষণ :-
জন্ডিস হলে চোখ হলুদ হয়। তবে হেপাটাইটিস রোগে জন্ডিসের পাশাপাশি ক্ষুধামান্দ্য, অরুচি, বমিভাব, জ্বর জ্বর অনুভূতি কিংবা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা, মৃদু বা তীব্র পেটব্যথা ইত্যাদি হতে পারে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে তাই অবশ্যই একজন লিভার বিশেষজ্ঞের পরমর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসক শারীরিক লক্ষণ এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জন্ডিসের তীব্রতা ও কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
চিকিৎসা :-
ভাইরাল হেপাটাইটিসের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করারও প্রয়োজন হতে পারে। ভাইরাল হেপাটাইটিস সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ সেরে যায়। এ সময় ব্যথার ওষুধ, যেমন_প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন, ঘুমের ওষুধসহ কোনো অপ্রয়োজনীয় ও কবিরাজি ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। অন্যভাবে বলতে গেলে, জন্ডিস হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধই বাস্তবে সেবন করা ঠিক নয়। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকিটাই বেশি থাকে।

হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস কিছু কিছু ক্ষেত্রে জন্ডিস সেরে যাওয়ার পরও লিভারের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহের সৃষ্টি করতে পারে, যা লিভার পরবর্তী সময়ে লিভারসিরোসিস আর, এমনকি লিভার ক্যান্সারের মতো জটিল রোগও তৈরি করতে পারে। তাই এ দুটি ভাইরাসে আক্রান্ত হলে দীর্ঘমেয়াদি লিভার বিশেষজ্ঞের ফলোআপে থাকত হয় এবং প্রয়োজনে অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নিতে হয়।

ইউনানী চিকিৎসা জন্ডিসসহ সকল লিভার রোগের অনেক উন্নত এবং সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা রয়েছে যার ফলাফল মাজিকের মত মনে হয়। কারণ যেখানে এ সকল রোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘ কাল অ্যালোপ্যাথি ঔষধ সেবন করতে হয় সেখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ততটা সময় লাগে না। সবচেয়ে সাফল্যের বিষয় হলো এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক ঔষধসমূহ কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। তবে আপনাকে অবশ্যই ভালো কোন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের দারস্থ হতে হবে।
হেপাটাইটিস ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায় :-
হেপাটাইটিস এ ও ই খাদ্য-পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। আর বি সি এবং ডি দূষিত রক্ত, সিরিঞ্জ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই সব সময় বিশুদ্ধ খাদ্য ও প্রচুর পানি খেতে হবে। শরীরে রক্ত নেওয়ার দরকার হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে নিন। ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করাটাও খুবই জরুরি।
হেপাটাইটিস বি ও এ-এর টিকা দেশে পাওয়া যায়। বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি’র টিকা প্রত্যেকেরই নেওয়া উচিত। যাঁরা সেলুনে শেভ করেন, খেয়াল রাখবেন যেন আগে ব্যবহার করা ব্লেড বা ক্ষুর আবারও ব্যবহার করা না হয়। জন্ডিস অনেক ক্ষেত্রেই এমনকি মৃত্যুরও কারণ হতে পারে।
আপনারা যারা দীর্ঘ দিন নানা প্রকার লিভারজনিত সমস্যায় ভুগছেন অন্তত একবার হলেও আধুনিক ইউনানী পারদর্শী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনাদের সেবায় #সিলভিয়া_ন্যাচারাল_হেলথ_কেয়ার । এখানে ইউনানী চিকিৎসায় বিশেষ পারদর্শী উচ্চতর ডিগ্রিধারী চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন, সফল এবং আধুনিক ইউনানী চিকিৎসা গ্রহণ করুন, যা আপনার এ জাতীয় জটিল শারীরিক সমস্যা সমূহকে মূল থেকে নির্মূল করে আপনাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলবে- ইনশাল্লাহ।
যোগাযোগঃ ০১৭১২-৪৮২৭৬৫, ০১৭১৬৪৩২৭০৯

21/03/2019

২০২১ সালের মধ্যে প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে দাড় করাতে বাংলাদেশে উৎপাদিত আয়ুর্বেদিক মেডিসিন ও ইউনানী মেডিসিন বিশেষ অবদান রাখতে পারে। বাংলাদেশে এই ভেসজ শিল্পের জন্য রয়েছে অপার সম্ভাবনা। তার কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের মাটির উর্বরতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের মাটিতে ভেসজ ঔষধি গাছ চাষাবাদ করা সম্ভব। এর ফলে একদিকে সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, অন্যদিকে ঔষধ শিল্পে ভেসজ গাছ ব্যবহারের মাধ্যমে ওষুধ উৎপাদন করে দেশের মানুষের মধ্যে স্বল্পমূল্যে মানবদেহে উপযোগী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত বিশুদ্ধ ওষুধ তুলে দিতে পারবে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী ওষুধ রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। তাই সকল সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই শিল্পের বিকাল ঘটাবার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই খাতে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ভ্যাট মুক্ত করে দিয়েছেন।
ইউনানী আয়ুর্বেদিক হারবাল ও ফার্মাসিউটিক্যালস বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এলোপ্যাথিক মেডিসিন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের আওতায় এনেছে সরকার। আয়ুর্বেদিক ও ভেসজ ঔষধ উৎপাদনে গবেষনার মাধ্যমে এই খাতে অনেক উন্নতি করা সম্ভব। বিশ্বের অনেক দেশে ভেসজ ও ইউনানী ঔষধ রপ্তানি করে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। এই খাতটি প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশের বেকারত্ব দূরীকরণে আগামী দিনে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। সর্বোপরি আগত সকলকে এই শিল্পের বিকাশের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগনকে বেশি বেশি ঔষধি গাছ চাষাবাদ করতে কৃষক্রা এগিয়ে আসবে...

21/03/2019

ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞান হল Traditional Medicine হিসেবে ব্যবহৃত বিশ্বের প্রাচীন ও বহুল ব্যবহৃত দুটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের নাম। World Health Organization(WHO) এর মতে, Traditional Medicine হচ্ছে - "The health practices, approaches, knowledge and beliefs incorporating plant, animal and mineral-based medicines, spiritual therapies, manual techniques and exercises, applied singularly or in combination to treat, diagnose and prevent illnesses or maintain well-being." অর্থাৎ উদ্ভিজ্জ, প্রাণিজ ও খনিজ উপাদানের একক অথবা যৌগিক প্রয়োগ বা ব্যায়াম অথবা খাদ্যভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগ নির্ণয়, রোগ নিরাময়, রোগ প্রতিরোধ অথবা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার চিকিৎসা ব্যবস্থা, পদ্ধতি, জ্ঞান এবং ধ্যান ধারণা ও বিশ্বাসের সমন্বয়কে Traditional Medicine বলা হয়। সহজ কথায়, বিশ্বের বিভিন্ন জাতি বা গোষ্টী কর্তৃক ব্যবহৃত তাদের নিজস্ব জ্ঞান প্রয়োগের মাধ্যমে প্রাপ্ত চিকিৎসা পদ্ধতিকে Traditional Medicine বলা হয়ে থাকে। ইউনানী চিকিৎসার উৎপত্তি ঘটেছিল গ্রীস শহরে, আর আয়ুর্বেদের উৎপত্তি পাক-ভারত উপমহাদেশে। ইতিহাস থেকে যা জানা যায়, সর্ব প্রথম চিকিৎসা বিজ্ঞানের সূচনা ঘটে বাবেল তথা ব্যাবিলনে (ইরাক)। পরবর্তীতে মিশর এবং তারপর পাক-ভারত উপমহাদেশ ও চীনে চিকিৎসা বিজ্ঞানের চর্চা আরম্ভ হয়। কালের পরিক্রমায় বাবেল ও মিশর ধ্বংসের পর বাবেলীয় ও মিশরীয় চিকিৎসা সভ্যতা স্থানান্তরিত হয়ে গ্রীসের ইউনান নামক প্রদেশে ইউনানী চিকিৎসা নামে আত্নপ্রকাশ করে। সময়ের সাথে সাথে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞান দুটি আলাদা কেন্দ্র থেকে তাদের আবিষ্কার, মানব কল্যাণে প্রয়োগ অব্যাহত রাখে এবং মুসলমানদের মাধ্যমে ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞান উপমহাদেশে প্রবেশ করে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। বাংলাদেশে বর্তমানে এই দুটি চিকিৎসা পদ্ধতির অনেক ডিপ্লোমা কলেজ থাকলেও স্নাতক পর্যায়ে মাত্র একটি মেডিকেল কলেজ রয়েছে।

21/03/2019

ইউনানী একটি সম্প্রসারিত এবং বিকশিত চিকিৎসা ব্যবস্থা

ইউনানী (ইংরেজি: Unani/ Yunani,উর্দু:طب یونانی ) এক ধরনের ঐতিহ্যগত(traditional) চিকিৎসা পদ্ধতি,যা গ্রিক,মুসলমান এবং স্পেনীয়দের(আরব-স্প্যানিশ)মধ্যে বেশি বিকাশ লাভ করে। এটা গ্রিক-আরবি ঔষধ একটি ঐতিহ্য বোঝায়,যা গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস এবং রোমান চিকিৎসক গ্যালেন শিক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং আরব এবং ফার্সি চিকিৎসক যেমন, আল রাযী, ইবনে সিনা, আল জাহরাওি, এবং ইবনে আন নাফীস দ্বারা একটি সম্প্রসারিত এবং বিকশিত চিকিৎসা ব্যবস্থা ।

ইউনানী ঔষধ চারটি মানসিক অবস্থার(Mi'zaj) ধারণার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে: ফেল্ম ( Bulgham-বালঘাম), রক্ত (Dum-দাম), হলুদ পিত্ত(yellow bile) (Safra-সাফ্রা) এবং কালো পিত্ত(black bile) (Sauda-সাউদা)। এ চিকিৎসা পদ্ধতির উপর ভারতীয় ও চৈনিক প্রাচীন ঐতিহ্যগত চিকিৎসার প্রভাবও বিদ্যমান।

নাবয্(পালস্ রেট),বাউল(মূত্র),বারায(মল) ছাড়াও আরও কয়েকটি আলামতের উপর নির্ভর করা হয় রোগ নির্ণয়ের জন্য।

এ ব্যবস্থায় রোগ প্রতিরোধে ছয়টি পূর্বশর্তের (আসহাব-ই-সিত্তা যারুরীয়্যাহ্) উপর নির্ভর করা হয়:

১- বায়ু;

২- খাদ্য এবং পানি;

৩- দৈহিক গতিবিধি এবং প্রতিক্রিয়া;

৪- শারীরিক গতিবিধি এবং প্রতিক্রিয়া;

৫- নিদ্রা ও অনিদ্রা এবং

৬- রেচন ও স্মৃতিশক্তি।

Want your business to be the top-listed Government Service in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Sylhet
3100