Jaintapur Awami League-জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ

Jaintapur Awami League-জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ

Share

জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ।

The oldest and biggest political party of Bangladesh, Awami League began its journey as a mighty political expression of the thitherto suppressed hopes and aspirations of the people living on the Padma- Meghna- Jamuna delta. It is the party that steered the nation through post-partition quagmires, voiced the demands and aspirations of the people of this delta and finally led the Liberation War aga

17/03/2026
15/12/2025

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

28/09/2025

শেখ হাসিনা: উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি
বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে একটি বিশেষ নিবন্ধ
- মিজানুর হক খান, সভাপতি, জার্মান আওয়ামী লীগ

শেখ হাসিনা, তুমি তো পিতার সূর্যের নিচে এই বাংলাদেশ
যুদ্ধের; আর রক্তের; আর স্বাধীনতার সূর্য-উঠার বাংলাদেশ
সবুজ পাতা, ঘন মেঘ বৃষ্টিজল, সমুদ্র-হাওয়ার বাংলাদেশ
নৌকায় দাঁড় হাতে দাঁড়িয়ে থাকা মাঝির মতো অগণিত মানুষের বাংলাদেশ
আমার মায়ের কণ্ঠস্বরের পলল মাটির বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা তুমি তো পিতার সূর্যের নিচে এই বাংলাদেশ
মৃত্যুর পাণ্ডুলিপি লেখে যারা আর যারা মৃত্যুর চেয়েও হিসেবী ঘাতক
যারা পোড়ায় মানুষের ঘর, কেড়ে নেয় সোনামুখী মেয়েটির নাকের নলক
তাদের বলীয়ান সীমানা ভেঙে জেগে ওঠো তুমি বদ্বীপ-বাংলা; বদ্বীপ সময়
তোমার আঙিনায় গ্রামপুঞ্জ শহরের গড় নতুন অংক সাহসিকতার।
(কবি দুলাল বিশ্বাস: শেখ হাসিনা)
আজ আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন দেশের জন্য এক অসাধারণ অবদানের ইতিহাস। স্বজন হারানোর গভীর বেদনা বুকে নিয়েও তিনি বাংলার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য কাজ করে গেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আমাদের সাহসের প্রতীক। তাঁর সাহসের অন্যতম প্রমান ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার স্মারক আমাদের পদ্মা সেতু। দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে, সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে বিজয়ী হওয়ার গল্পের নাম পদ্মা সেতু। তাঁর নেতৃত্বে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল নির্মাণ, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং নতুন নতুন উড়ালসেতু তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া, তিনি মহাসড়কগুলোকে চার লেনে উন্নীত করেছেন, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করেছেন, ও দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন। এর ফলস্বরূপ, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়ে দুই হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন - বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনা এক অনন্য নাম—একজন রাষ্ট্রনায়ক যিনি শুধু রাজনীতির মঞ্চে নয়, দেশের অর্থনীতি, সমাজ, প্রযুক্তি ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিটি স্তরে রেখেছেন অমলিন ছাপ। তাঁর জন্মদিনে আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি সেই সকল অবদান, যা বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভর, মানবিক ও ডিজিটাল রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করেছে।

নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক সুরক্ষা
জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর শাসনামলে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে এবং এখন মধ্যম আয়ের দেশের পথে এগিয়ে চলেছে। তিনি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোকে বিস্তৃত করেছেন, যার ফলে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং মাতৃত্বকালীন ভাতার মতো সহায়তা সরাসরি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছেছে। এছাড়াও, কৃষি খাতে ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান এবং কৃষকদের জন্য প্রণোদনামূলক প্যাকেজ চালু করে তিনি গ্রামীন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছেন। এসব পদক্ষেপ মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলা করতে এবং নিম্নবিত্তের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখতে অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে।
শেখ হাসিনার শাসনামলে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু ও বিস্তৃত করা হয়েছে। এই কর্মসূচিগুলো দেশের দরিদ্র, দুস্থ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য একটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছে। প্রথমেই বলতে হবে - ভাতা কার্যক্রমগুলোর কথা। ১৯৯৬-৯৭ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচিটি তাঁর নেতৃত্বে প্রথম চালু করা হয়। এর আওতায় দেশের দুঃস্থ ও বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকদের মাসিক ভাতা প্রদান করা হয়, যা তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। একই সাথে তিনি চালু করেন বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের জন্য ভাতা। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে এই কর্মসূচি চালু করা হয়। এটি বিধবা ও সমাজে নিগৃহীতা মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করে।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগন সমাজের অন্যতম প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে যারা অসচ্ছল পরিবারে জন্মগ্রহন করেছেন। পত্র-পত্রিকায় প্রায়ই ছবি প্রকাশিত হত - বাবা - মা তাদের প্রতিবন্ধী শিশু বা ব্যক্তিটিকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার দিক্-নির্দেশনা্য় চালু করা হয় অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য এই ভাতা প্রদান করা হয়। এটি তাদের চিকিৎসা ও অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, জননেত্রীর অনুপ্রেরণায় তারঁই সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নেতৃত্বে ২০১৩ সালে গঠন করেন নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট।
বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির সূর্যসন্তান। বঙ্গবন্ধু কন্যা সবসময় তাঁদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের নৃশংস হত্যাকান্ডের পর পরবর্তী সকল সামরিক সরকার ও জামায়াতসহ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিকদল সমর্থিত বিএনপি সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কোনোরুপ স্বীকৃতি প্রদান করেননি। এই সরকারগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে এমন নীতিমালা গ্রহন করেন যাতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বা তাদের সন্তানরা কোনোরুপ রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা না পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারসমূহকে বঞ্চিত করা হয় সরকারি চাকুরি থেকে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা চালু করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য এই ভাতা চালু করা হয়েছে, যা তাদের ত্যাগ ও অবদানের প্রতি রাষ্ট্রের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের ও তাদের পরিবারের চরম আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সকল প্রতিষ্ঠানে কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের চাকুরীর ব্যবস্থা করেন, যাতে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারসমূহ দারিদ্রতার অভিশাপ থেকে বের হয়ে আসতে পারে।
শুধু ভাতাই নয়, জননেত্রী শেখ হাসিনা সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য সহায়তা ও কর্মসংস্থান কর্মসূচি চালু করেন। ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে কম মূল্যে চাল সরবরাহ করা হয়, যা তাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আশ্রয়ণ প্রকল্প-এর অধীনে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোকে বিনামূল্যে জমি ও বাড়ি প্রদান করা হয়। এটি গৃহহীনদের পুনর্বাসনের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বিশেষ করে একটি বাড়ি একটি খামার (আমার বাড়ি আমার খামার) প্রকল্পের কথা আলাদাভাবে বলতে হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে ক্ষুদ্র সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণের সুযোগ দেওয়া হয়, যা তাদের নিজস্ব কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করে। এটি দারিদ্র্য বিমোচনের একটি সফল মডেল হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছেন যে, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ‘সুদ’ আয়ের মেশিন নয়, বরং তাদের উপর রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি করলে, ভবিষ্যতে তারাই সম্পদ হয়ে ওঠে। এভাবে স্বনির্ভর জনগোষ্ঠী নির্মানের মাধ্যমে দেশের কর বুনিয়াদকে তিনি শক্তিশালী করেন। তাঁর শাসনামলেই প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে স্বল্প খরচে বিদেশে গমনের ব্যবস্থা করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে তিনি শ্রমশক্তিতে পরিণত করেন ও দেশের বৈদেশিক আয় বৃদ্ধিতে এই জনগোষ্ঠী আজও অবদান রেখে চলেছে। তিনি প্রবাসী কল্যান ট্রাস্ট ও প্রবাসী কল্যান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছেন, যার ফলে কোনো প্রবাসী শ্রমিক চিরস্থায়ীভাবে দেশে ফিরে আসতে চাইলে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন ও বিনা সুদের অর্থায়নের মাধ্যমে শ্রম সৈনিকদের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিশেষ জনগোষ্ঠী কেন্দ্রিক কর্মসূচি বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন। শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রমের অধীনে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন স্তরে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়, যা বিশেষত মেয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় উৎসাহিত করে এবং ঝরে পড়ার হার কমায়। সকল নারী শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন এবং পরবর্তীতে তাদের ঝড়ে পরা প্রতিহত করতে, নারী শিক্ষার্থীদের প্রতি সপ্তাহে পাঁচ কেজি করে চাল দেয়া শুরু হয়। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী শিশুদের পরিবারের বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত করেন। এই এক নীতির ফলে বাল্য বিবাহ সমাজে হ্রাস পায় এবং পরিবারে কন্যা ও পুত্র শিশুদের মধ্যে সমতা বিধান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন মা-ও বটে। সকল কর্মজীবি মায়েদের কথা চিন্তা করে তার সরকার আর্ন্তজাতিক শ্রম আইনের আদর্শ অনুসরণ করে সকল সরকারি ও বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে মাতৃত্বকালীন ভাতা গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়, যা তাদের এবং শিশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিত করেছে। হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিশেষ ভাতা, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করা হয়, যা তাদের সমাজে মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস ও জন্মগত হৃদরোগসহ জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য তাঁর সরকার এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে উপরে উল্লিখিত সকল কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায় এবং দেশের নিম্ন মধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আজ চরম দূর্দশার মধ্যে দিনাতিপাত করছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এবং দেশের ভেতরে এক দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করেছেন, যা সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হয়। এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যেমন: উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ নির্মাণ, সাইক্লোন শেল্টার স্থাপন এবং লবণাক্ততা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে তিনি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পক্ষ থেকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন এবং উন্নত দেশগুলোকে তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন।
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি মানবিকতা
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে যখন লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের জন্য মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তিনি সীমান্ত খুলে দিয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেন এবং তাদের জন্য খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বিশ্ব নেতারা তাঁর এই মানবিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। একই সাথে, তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য ক্রমাগত আহ্বান জানিয়েছেন।
নারীর ক্ষমতায়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ
নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নানা আইন ও নীতি প্রণয়ন করেছেন। নারী শিক্ষা প্রসারে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে, কর্মজীবী নারীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয় সরকারে নারীদের জন্য আসন সংরক্ষিত করা হয়েছে। তাঁর এই উদ্যোগগুলো নারীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করেছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে নারীরা পেয়েছে নতুন পরিচয়—নেতৃত্বের, সক্ষমতার ও আত্মনির্ভরতার। তাঁর সরকার নারী উন্নয়ন নীতি, জেন্ডার বাজেটিং, নারী উদ্যোক্তা ঋণ, নারী পুলিশ নিয়োগ, নারী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রভৃতি কর্মসূচি চালু করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নারী প্রধানমন্ত্রী, নারী স্পিকার, নারী মন্ত্রী, বিচারপতি, সেনা কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তা—সবক্ষেত্রেই নারীরা দৃপ্ত পদচারণা করছে। শেখ হাসিনা নিজেই নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
এছাড়াও, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ, ইন্টারনেট সহজলভ্য করা, এবং ডিজিটাল সেবা প্রদানের মাধ্যমে তিনি দেশকে একটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সমাজে রূপান্তরিত করেছেন। ই-গভর্নেন্স, ই-কমার্স এবং অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার প্রসারে তাঁর পদক্ষেপগুলো দেশকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করেছে।
কবিতার ভাষায় শ্রদ্ধা
সবশেষে, জননেত্রী শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবন ও নেতৃত্ব নিয়ে বহু কবিই কবিতা লিখেছেন। তাঁর জন্মদিনে কবি নির্মলেন্দু গুণ-এর কয়েকটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি স্মরণ করা যেতে পারে:
“যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ,
যতক্ষণ হাতে আছে শক্তি,
ততক্ষণ দেশের তরে আমি
দেব আমার সবটুকু ভক্তি।”
“শেখ হাসিনা, তুমি আমার ভালোবাসা,
তুমিই আমার ভরসা,
তুমিই আমার দেশ,
তোমার হাতেই আমাদের স্বপ্ন আর আশা।”
শেখ হাসিনা শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি এক দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, যিনি উন্নয়ন ও মানবিকতার সমন্বয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তাঁর জন্মদিনে আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি সেই সকল অবদান, যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।
শুভ জন্মদিন, শেখ হাসিনা।

27/07/2025

আসকের সরেজমিন প্রতিবেদন
গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে’

- নিহত চারজনের পরিবার বলেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মরদেহ দ্রুত নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন–সৎকার করতে বাধ্য হন।
- ২১ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন মামলায় ১৮টি শিশুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- আটকের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ।
- জেলার যেসব এলাকায় সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি, সেসব এলাকায়ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরপাকড়ের অভিযোগ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Jaintapur
Sylhet
3156