22/12/2025
অলংকারী-০২ ব্লকের আলমনগর গ্রামের কৃষক জনাব আবুল হোসেন এক বিঘা জমিতে বিনা চাষে রিলে পদ্ধতি অনুসরণ করে সরিষা চাষ করেছেন।
কৃষি সমস্যার সমাধানে দৃঢ় প্রতিঞ্জ
22/12/2025
অলংকারী-০২ ব্লকের আলমনগর গ্রামের কৃষক জনাব আবুল হোসেন এক বিঘা জমিতে বিনা চাষে রিলে পদ্ধতি অনুসরণ করে সরিষা চাষ করেছেন।
15/01/2024
ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহে কৃষক ভাইদের করণীয়
24/04/2023
অতিরিক্ত পরিচালক, ডিএই, সিলেট অঞ্চল, সিলেট স্যার; উপপরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়, ডিএই, সিলেট অঞ্চল, সিলেট স্যার , অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) ডিএই, সিলেট স্যার,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা,বিশ্বনাথ স্যার ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা স্যার গণ উপজেলার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন ও নমুনা শস্যকর্তন করেন। স্যারগণসহ উপস্থিত আমার সহকর্মী ও কৃষক ভাইদের আন্তরিক ধন্যবাদ।
21/03/2018
বিগত 19/03/18 ইং তারিখ সোমবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের সইদপুর গ্রামের মাঠে চ্যানেল আই এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হৃদয়ে মাটি ও মানুষের উদ্যোগে "কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট"-এর আয়োজন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত,বিশিষ্ট টি.ভি ব্যাক্তিত্ব এবং স্বাধীনতা পদকে মনোনীত জনাব শাইখ সিরাজ,জেলা প্রশাসক জনাব নুমেরী জামান,সিলেট তিন আসনের সাংসদ জনাব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, উপ-পরিচালক -ডি এ ই জনাব আবুল হাসেম ,আরও ছিলেন জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কৃষি সম্পর্কিত সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ।সদর সিলেট ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার উপজেলা চেয়ারম্যানবৃন্দ,সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত কৃষকবৃন্দ।
15/03/2018
আজ মোল্লারগাঁও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মোঃ মকন মিয়ার সাথে হাটখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আজির উদ্দিন সাহেবের সাক্ষাতের সময় কৃষি বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা এবং লিফলেট(ধান চাষ,পামরী পোকা) বিতরণ কালে ধারণকৃত কিছু ছবি-
08/03/2018
ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজী প্রজেক্ট,ফেজ-2 ,2017-18ইং অর্থবছরের আওতায় -বছরব্যাপী বসতবাড়ীতে সবজী উৎপাদন প্রদর্শনীর "মাঠ দিবস" অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী সাফিয়া ফেরদৌসী,মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মো:মকন মিয়া,উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মনতাজ উদ্দিন,মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব দলা মিয়ার সুযোগ্য সন্তান মো:খালেদুল ইসলাম কহিনূর, মোল্লারগাঁও ইউ পি সচিব করিম মিয়া,উপজেলা হর্টেক্স ফাউন্ডেশনের এল বি এফ সজীব কুমার দাস,চ্যানেল আই সাংবাদিক সাদিকুর রহমান সাকী,ইউ পি সদস্যা ও গোপশহর কৃষাণী দলের সভাপতি মালেকা বেগম,এ.টি.আই. থেকে আসা মাঠ প্রশিক্ষনের প্রশিক্ষণার্থী -উদয় দাস,নিউটন অধিকারী ,প্রান্ত কুমার দাস।
আরও উপস্থিত ছিলেন-
গোপশহর সি আই জি ও সেচ প্রকল্পের সভাপতি মোঃছয়ফুল খান,
গোপশহর সি আই জি ও সেচ প্রকল্পের সাধারন সম্পাদক মোঃগিয়াস উদ্দিন, গোপশহর সি আই জি ও সেচ প্রকল্পের অর্থ সম্পাদক আবুল হোসেন হেলাল, গোপশহর সি আই জি ও সেচ প্রকল্পের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন শাহীন আহমদ,আসমল খান,মোঃইকবাল।
খালপাড় সি আই জি এর সভাপতি জিয়াউল ইসলাম ,খালপাড় সি আই জি এর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দুর রহমান,মোল্লারগাঁও সি আই জি এর সাধারণ সম্পাদক ও সেচ প্রকল্পের সভাপতি আব্দুস সবুর,লতিপুর সি আই জি এর সাধারণ সম্পাদক মোঃজাকির হোসেন,নিয়ামতপুর কৃষক দলের সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিন, নিয়ামতপুর কৃষক দলের সহ-সভাপতি আব্দুল খালিক সদা, মজিদপুর,তেলিরাই,নিয়ামতপুর সেচ প্রকল্পের সভাপতি সমির মিয়া, মজিদপুর,তেলিরাই,নিয়ামতপুর সেচ প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক হাজী বেলাল আহমদ,উপর-হাজরাই কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শওকত মিয়া,চৌধুরীগাঁও এর বিশিষ্ট মুরব্বী মকবুল হোসেন,ছনু পাড়ার বিশিষ্ট কৃষক আনছার আলী।
অনুষ্ঠানে বিগত সময়ের সুযোগ্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা-আবাহন মজুমদার স্যার এবং উক্ত ইউনিয়নের সাবেক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গৌরব চৌধুরী ও সজল কান্তি দাস-উনাদের কর্মদক্ষতার কথা আলোচনা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বছরব্যাপী বসতবাড়ীতে সবজী চাষ এবং বিষ মুক্ত শাক-সবজী উৎপাদন সম্পর্কে আমাদের UAO sir এবং AAEO sir বিস্তারিত আলোচনা করেন।
01/03/2018
NATP-এর ফলোআপ চাষী জনাব এমদাদুল হুসাইনের জমিতে চাষকৃত বারি সরিষা-14 এর শস্য কর্তন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা।
25/02/2018
আজ মাঠ সংযুক্তি প্রশিক্ষণে আসা ছাত্রদের নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন এবং কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করার সময়ের কিছু ছবি----
সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থা
Hello
সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থা
আইপিএম বা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বলতে পরিবেশকে দুষণমুক্ত রেখে প্রয়োজনে এক বা একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকারক পোকা ও রোগ বালাইকে অর্থনৈতিক ক্ষতি সীমার নিচে রাখাকে বুঝায়, যাতে করে পরিবেশ দূষিত না হয়। উপকারী পোকামাকড় সংরক্ষণ, বালাই সহনশীল জাত ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহার এবং সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে বালাই নাশকের সময়োচিত ও যুক্তি সঙ্গত ব্যবহারকে নিশ্চিত করে।
উপকারিতা
আই পি এম গ্রহনের ফলে উপকারী পোকা মাকড়, মাছ, ব্যাঙ, পশু, পাখি ও গুই সাপ প্রভৃতি সংরক্ষণ করা যায়।
বালাইনাশকের যুক্তি সঙ্গত ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, যথেচ্ছ ব্যবহার না হওয়ায় উৎপাদন খরচ কমে।
বালাইনাশকের পরবর্তী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধ করা সম্ভব হয়। এতে করে বালাইনাশক জনিত দুর্ঘটনা সহজেই এড়ানো যায়।
ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় বালাইনাশক সহনশীলতা অর্জন করার সুযোগ পায় না।
বালাই- এর পুনরাবৃত্তি ঘটার সম্ভাবনা কম।
সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং দুষণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।
উপাদান সমূহ
আইপিএম এর পাঁচটি উপাদান।
উপকারী পোকামাকড় ও প্রাণী সংরক্ষণ
জৈবিক দমনে ব্যাঙ, চিল, পেঁচা, গুইসাপ, মাকড়সা, লেডী বার্ড বিটল, ক্যারাবিড বিটল, বোলতা, মিরিড বাগ, ওয়াটার বাগ, ড্যামসেল ফড়িং প্রভৃতি উপকারী পোকামাকড় ও অন্যান্য প্রাণী ক্ষতিকারক পোকা দমনে যথেষ্ট সাহায্য করে।
উপকারী পোকামাকড়ের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য :
ধান ক্ষেতের আইলে শিম ও শসা জাতীয় ফসল আবাদ করা।
জমিতে পরিমিত পরিমাণ পানি রাখা।
ফসল কাটার অন্তত: ৪/৫ ঘন্টা পর জমিতে লাঙল দেওয়া।
ফসল কাটার পর আইলে কিছু খরকুটা বিছিয়ে দেওয়া।
জমিতে বাঁশের বুষ্টার স্থাপনের মাধ্যমে বোলতা প্রতিপালন করা।
বালাইনাশকের এলোপাতাড়ি ব্যবহার পরিহার করা।
বালাই সহনশীল জাতের চাষাবাদ
ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ অনেকাংশে রোধ করতে পারে। যেমন-
বি আর ২৬: সাদা-পিঠ গাছ ফড়িং ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধশীল এবং পাতাপোড়া রোগ, বাদামি গাছ ফড়িং সবুজ পাতা ফড়িং আক্রমণে মধ্যম প্রতিরোধশীল।
বাদামী গাছ ফড়িং ও সবুজ পাত ফড়িং আক্রমণে মধ্যম প্রতিরোধশীল ।
ব্রি ধান ২৭: সাদা পিঠ গাছ ফড়িং এর আক্রমণে প্রতিরোধশীল।
টুংরো, ব্লাস্ট, পাতাপোড়া রোগ এবং বাদামি গাছ ফড়িং ও পামরী পোকার আক্রমণে মধ্যম প্রতিরোধশীল।
ব্রি ধান ৩১: বাদামি গাছ ফড়িং পোকার আক্রমণে প্রতিরোধশীল এবং পাতা পোড়া ও টুংরো রোগে মধ্যম প্রতিরোধশীল ।
ব্রি ধান ৩৫: বাদামি গাছ ফড়িং প্রতিরোধশীল এবং টুংরো রোগ মধ্যম প্রতিরোধশীল ।
আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির ব্যবহার
সুস্থ বীজ, সঠিক দূরত্বে রোপন, সবল চারা, সুষম সার, আগাছা মুক্ত জমি, সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা, সারিতে রোপণ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি গ্রহনে অধিক ফলন পাওয়া যায়।
যান্ত্রিক দমন পদ্ধতি
হাত জালের সাহায্যে পোকা ধরে মারা।
আলোর ফাঁদে পোকা ধরা।
আক্রান্ত পাতার আগা কেটে দেওয়া।
পাখি বসার জন্য ডাল পুঁতা।
হাত দিয়ে পোকার ডিম সংগ্রহ করে ধংশ করা।
এসব পদ্ধতি ব্যবহারে বালাইকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
রাসায়নিক দমন ব্যবস্থা
নিয়মিতভাবে অপকারী ও উপকারী পোকামাকড়ের উপস্থিতি জরিপ করা।
সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে কেবল আক্রান্ত জমিতে সঠিক বালাইনাশক, সঠিক সময়, সঠিক মাত্রায় ও সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করা।
প্রথম ৪টি উপাদানের সাহায্যে ও যদি ক্ষতিকারক পোকা- মাকড় ও রোগের আক্রমণ দমিয়ে রাখা সম্ভব না হয়, কেবল তখনই সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে বালাইনাশক ব্যবহার করা র্অথাৎ পোকার সংখ্যা অর্থনৈতিক দ্বারপ্রান্তে (ইটিএল) পৌঁছে গেলে তখনই বালাইনাশক সঠিকভাবে ব্যবহার করা দরকার।
বিভিন্ন গুণাগুন সমৃদ্ধ পাঁচটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন
নানা গুণের আরো পাঁচটি নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন করেছেন বিজ্ঞানীরা। এর ফলে খরা সহ্য করতে পারে এমন জাতের পাশাপাশি এখন প্রোটিন ও এমাইলোজ সমৃদ্ধ ধানের বীজও পাওয়া যাবে। আগ্রহী কৃষকরা চলতি মওসুম থেকেই এই বীজ নিয়ে আবাদ শুরু করতে পারবেন। ২০ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে জাতীয় বীজ বোর্ডের সভায় এ জাতগুলো অনুমোদন লাভ করেছে।
ব্রিধান ৬৫:
জাতটি বোনা আউশ মৌসুমের জন্য। দানার রং সোনালী ও আকৃতি চিকন লম্বা। এ জাতের জীবনকাল ৮৮ থেকে ১০৫ দিন। এ জাতটি চারা অবস্থায় খরা সহনশীল। জাতের জীবনকাল ব্রিধান ৪৩ এর চেয়ে তিন থেকে পাঁচ দিন আগাম। ফলন হেক্টরে সাড়ে ৩ থেকে ৪ টন।
ব্রিধান ৬৬:
জাতটি রোপা আমন মৌসুমের খরা সহিষ্ণু জাত। এ জাতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চালে শতকরা ১০ দশমিক আট ভাগ প্রোটিন থাকে। এই জাতের জীবনকাল ব্রিধান ৫৬ এর চেয়ে তিন থেকে চার দিন বেশি। খরা না হলে ফলন হেক্টরে ৫থেকে ৫.৫ টন। তবে খরা হলে ফলন ৪ থেকে ৪.৫ টন।
ব্রিধান ৬৭:
জাতটি বোরো মৌসুমে আবাদ করা যাবে। এ জাতের গড় জীবনকাল ১৪০ থেকে ১৫০ দিন। চালের আকার আকৃতি মাঝারি চিকন এবং রং সাদা। প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, চারা অবস্থায় ১২ থেকে ১৪ ডিএস/মি. (৩ সপ্তাহ) লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। ফলন হেক্টরে ৩.৮ থেকে ৭.৪ টন। জাতটি পুরো জীবনকালে আট ডিএস/মি. লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে।
ব্রিধান ৬৮:
জাতটিও বোরো মৌসুমের জন্য। এ জাতের গড় জীবনকাল ১৪৯ দিন। এ ধানের চাল মাঝারি মোটা এবং রং সাদা। চালে শতকরা সাত দশমিক সাত ভাগ প্রোটিন এবং ২৫ দশমিক সাত ভাগ এমাইলোজ রয়েছে। ব্রিধান ৬৮ এর জীবনকাল ব্রিধান ২৮ এর চেয়ে চার থেকে পাঁচ দিন নাবী। ফলন হেক্টরে ৭.৩ টন। তবে উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে ৯.২ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম।
ব্রিধান ৬৯:
জাতটিও বোরো মৌসুমের জন্য। এ জাতের গড় জীবনকাল ১৪৫ থেকে ১৬০ দিন। এ জাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ধানের দানার রং সোনালী রঙের এবং মাঝারি মোটা। চালের আকার আকৃতি মাঝারি মোটা এবং রং সাদা। এই জাতের জীবনকাল ব্রিধান ২৮ এর চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ দিন বেশি। ফলন হেক্টরে ৭.৩ টন। এ জাতটি কম উপকরণ ব্যবহারে ভাল ফলন দিতে সক্ষম। জাতটিতে অন্য জাতের চেয়ে ২০ শতাংশ ইউরিয়া কম লাগে।
অগ্রহায়ণ (মধ্য নভেম্বর - মধ্য ডিসেম্বর)
মিষ্টি আলুর লতা রোপণ, পূর্বে রোপণকৃত লতার পরিচর্যা, পেঁয়াজ, রসুন ও মরিচের চারা রোপণ, আলুর জমিতে সার প্রয়োগ, সেচ প্রদান। অন্যান্য রবি ফসল যেমন ফুলকপি, বাঁধাকপি, টম্যাটো, বেগুন, ওলকপি, শালগম-এর চারার যত্ন, সার প্রয়োগ, সেচ প্রদান, আগাছা পরিষ্কার, সবজি সংগ্রহ। ফল গাছের মালচিং এবং পরিমিত সার প্রয়োগ।
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |